সংবাদ দর্পণ

নাগরিকপঞ্জী তৈরীর  নামে অসম থেকে  লক্ষ লক্ষ বাঙালীর  নাগরিকত্ব হরণের  প্রতিবাদে  আমরা  বাঙালীর পথসভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১০ই সেপ্টেম্বর  উত্তর ২৪ পরগণার ব্যারাকপুর ষ্টেশন  সংলগ্ণ স্থানে  আমরা বাঙালী সংঘটনের  উঃ ২৪ পরগণা নেতৃবৃন্দ অসমে  নাগরিক পঞ্জী তৈরীর নামে লক্ষ লক্ষ  বাঙালীর  নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার  প্রতিবাদে  এক পথসভার  আয়োজন করেন৷

সভা শুরু  হয় বৈকাল ৪টায়, শুরুতে  স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন  বিশিষ্ট কবি শিবরাম চক্রবর্ত্তী৷  পরে  প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন  করে বিশিষ্ট গায়ক  শঙ্কর  সরকার (স্পান্দনিক শিল্পী)৷

এরপর  বক্তব্য রাখেন গোপাল রায় চৌধুরী (সচিব কলি জেলাকমিটি) , জ্যোতিবিকাশ  সিন্হা (হুগলী জেলা সচিব),  শৈলেন  মোদক  (অসমের প্রতিনিধি), মানস দেব (বিশিষ্ট প্রাউটিষ্ট), বাপি পাল (উত্তর ২৪ পরগণা জেলাকমিটির  সদস্য), সুধীর গুপ্ত  (বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ), জয়ন্ত দাস (কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব)  ও  অরূপ মজুমদার (উঃ ২৪ পরগণা আমরা বাঙালীর  জেলা  কমিটির  সদস্য)৷ বক্তারা বলেন, বাঙালীকে তার  অতীত  ইতিহাস  ভুললে  চলবে না৷  একসময়  বাংলা ছিল খনিজ বনজ  শিল্প, শিক্ষা ও সংসৃকতি ইত্যাদির  উন্নত  ও শ্রেষ্ঠ পীঠস্থান ৷ বাংলার  ঐতিহ্য  ছিল মিলনের৷ বাংলা  স্বমহিমায়  প্রতিষ্ঠিত  ছিল৷  বাংলার  শিক্ষক সাহিত্যিক , রাজনীতিবিদ  অন্যায়ের  বিরুদ্ধে  যেমন  রুখে  দাঁড়িয়েছেন  তেমনি  বাংলার  বিজ্ঞানী, ধর্মগুরুরা বিশ্বকে  আলোর পথের  সন্ধান  দিয়েছেন৷  ব্রিটিশরা এসে  বাংলার ঐতিহ্য ও মিলন  নষ্ট  করেছেন৷  হিন্দু-মুসলিম  মিলনের  ভাবনায়  চিড় ধরিয়েছেন ৷ তারা  বাংলায়  মিরজাফর  তৈরী করেছেন৷ ব্রিটিশ আমলেই  বাংলা ও পঞ্জাব  টুকরো  হয়৷ উদ্বাস্তু হয়  পঞ্জাব ও বাংলার  মানুষ৷ পরে  পঞ্জাবের  সমস্যা মেটানো হল ৷ পুনর্বাসন  পেল  পঞ্জাবের  উদ্বাস্তুরা৷ কিন্তু  বাংলার  সমস্যা জিইয়ে রাখা হল ৷  বক্তারা  বলেন তার জের এখনও চলছে৷ তাই  স্বাধীনতার  পর  পঞ্চাশের  দশক থেকেই  অসম,  ত্রিপুরা, উত্তরপূর্বাঞ্চলে  ও  ভারতের  বিভিন্ন  প্রান্তে  বাঙালীদের  উপর বার বার আক্রমণ ও আইনের  আঘাত  নেমে  আসে৷ অসমে ‘বঙ্গাল খেদাও’, ১৯৮৩ সালে নেলীর গণহত্যা, ত্রিপুরাতে  ৮০ এর গণহত্যা ইত্যাদি  আজও  ইতিহাস  হয়ে আছে৷ বাঙালী বিরোধী ষড়যন্ত্রের সর্বশেষ প্রকাশ  গত ৩০শে জুলাই ২০১৮ অসমে  এন.আর.সি প্রয়োগের  মাধ্যমে  প্রায়  চল্লিশ  লক্ষ বাঙালীকে বিদেশী চিহ্ণিত করে  ডিটেনশন  ক্যাম্পে  রেখে  দেশছাড়া  করার পরিকল্পনা৷  আমরা বাঙালী সংঘটন  তাই দিকে দিকে  পথসভার  মাধ্যমে  প্রতিবাদ  জানাচ্ছেন৷ পথ অবরোধ, রেল অবরোধ, কুশপুত্তলিকা দাহ প্রভৃতির  মাধ্যমে  তাঁরা  জানিয়ে  দিচ্ছেন  অবিলম্বে এন.আর.সির নামে  বিদেশী  তক্মা  দিয়ে বাঙালী বিতাড়ন বন্ধ  করা হোক৷ বাঙালী বিরোধী হিন্দী সাম্রাজ্যবাদী কায়েমি  স্বার্থবাদীরা  জানে না যে বাঙালী কাপুরুষ নয়৷  ভারতের  স্বাধীনতা আন্দোলন  ও বাংলাদেশের  মুক্তি সংগ্রাম  তার জাজ্জ্বল্য প্রমাণ৷ তারা  বলেন বর্তমান  বাংলার  রাজনীতিবিদরা  বাঙালীর উক্ত সমস্যার জন্য  শুধুই কুম্ভিরাশ্রু বিসর্জন  করে৷  বাংলা  ও বাঙালীর  সমস্যার  জন্যে তারা আন্তরিকভাবে কিছুই করতে চায় না৷ এরজন্য দায়ী ভোট ব্যাঙ্ক৷ বিগত কংগ্রেস  আমল , এরপর ৩৪ বছরের বাম আমলে  বহু বাঙালী ছাত্রযুবক প্রাণ হারিয়েছেন৷ সে ইতিহাস আমাদের সকলেরই জানা আছে৷  বর্তমানে  যারা  বাংলার  মসনদে  আছেন  তারা ও বাংলার মানুষদের  জীবন  নিয়ে  ছিনিমিনি  খেলছেন৷ নোংরা  রাজনীতির  বলি হচ্ছে  বর্তমান  বাংলার  যুব সমাজ৷ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, প্রোমোটার রাজ  তোলাবাজ, সিন্ডিকেটরাজ  ইত্যাদির পিছনে  কাজ করছে  কায়েমি স্বার্থ৷ বাংলার যুব সমাজ  শেষ হয়ে যাচ্ছে এভাবে৷ বক্তারা  বলেন তাই  বর্তমান পরিস্থিতি বিচার  করে ভারতীয়  সংবিধান মোতাবেক  বাংলার  কেটে নেওয়া অঞ্চলগুলিকে  একত্রে জুড়ে  সামাজিক  অর্থনৈতিক অঞ্চল বাঙালীস্তান  গড়াই  হবে সমস্ত  অন্যায় অত্যাচার ও নানা সমস্যা থেকে  বাঙালীদের  বাঁচার  একমাত্র  পথ৷ এজন্য  সমস্ত বাঙালীকে  ঐক্যবদ্ধ  হয়ে লড়াই  চালিয়ে  যেতে হবে৷

এদিন ছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ডাকা  ভারতবন্ধের  দিন৷  তা উপেক্ষা করে শ’য়ে শ’য়ে  বাঙালী ভাইবোনেরা  অধীর আগ্রহে  নিয়ে  বক্তাদের বক্তব্য শোনেন৷ অনেক ফোন নম্বর দিয়ে  যোগাযোগ করার  জন্য বলেন৷ সভা চলে রাত ৮ টা  পর্যন্ত৷

পেট্রোল ও ডিজেলের অগ্ণিমূল্য : মূল্যবৃদ্ধির আগুনে জনগণের ওষ্ঠাগত প্রাণ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পেট্রোপণ্যের  অস্বাভাবিক  মূল্যবৃদ্ধির আগুনে সারা দেশের জনমানস উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে৷ গত ১০ই সেপ্টেম্বর কংগ্রেস ও তার সঙ্গে আর ২২টি  দল পেট্রোল ও ডিজেলসহ নিত্য- প্রয়োজনীয়  দ্রব্যের  মূল্যবৃদ্ধির  প্রতিবাদে  ‘ভারত বনধ্’-এর  ডাক দিয়েছিল৷  পশ্চিমবঙ্গের  তৃণমূল কংগ্রেস ভারত বনধের  সঙ্গে একমত ছিল না৷  তাই তারা ধর্মঘটের  বিরোধিতা করলেও কেন্দ্রীয়  সরকারের  পেট্রোপণ্যের  অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছে৷ তাই  সারা ভারতে  এই বনধের ডাকের  মিশ্র  প্রভাব  পড়েছে৷ সবাই  কর্মনাশা   একদিনের  বন্ধের  সমর্থন না  করলেও  কেন্দ্রের মূল্যবৃদ্ধির নীতির বিরোধিতায় সবাই এক মত৷

২০১৪ সালে বিজেপি যখন ক্ষমতায়  আসে তখন আন্তর্জাতিক  বাজারের  অপরিশোধিত তেলের  দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ১০৬ ডলার৷ তখন দেশে পেট্রোলের দাম ছিল ৭১.৫০ টাকা আর ডিজেলের দাম ৫৫.৪৯ টাকা  প্রতি লিটার৷ গত ৯ই  সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক  বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম যখন ব্যারেল প্রতি ৭৬ ডলার৷  তখন এদেশে  লিটার  প্রতি  পেট্রোলের দাম ৮১ টাকা থেকে ৮৩ টাকা  আর ডিজেলের দাম ৭৩ টাকা থেকে ৭৬ টাকা৷

এর মূল কারণ  হ’ল ডলারের তুলনায়  ভারতীয়  টাকার  ক্রমাগত  অবমূল্যায়ন৷ তার ওপরে  এদেশে কেন্দ্রীয় সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর অস্বাভাবিক কর চাপিয়েছে৷ কেন্দ্রীয় সরকার তেলের ওপর কর ও শুল্ক কমিয়ে দিলে পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য কমে  যাবে৷  কিন্তু  জনসাধারণের  কষ্ট লাঘব করার দিকে  কেন্দ্রীয় সরকারের  হুঁশ নেই৷

বলা বাহুল্য, পেট্রোল ও ডিজেলের  মূল্যবৃদ্ধি ফলে কেবল যারা গাড়ী চালায়, তাদেরই যে অসুবিধা হচ্ছে  তা নয়,  এর ফলে  পরিবহনের  খরচ  বাড়ছে, তারজন্যে সমস্ত  নিত্যপ্রয়োজনীয়  দ্রব্যেরই  মূল্যবৃদ্ধি  হচ্ছে ৷ আর দেশের  দরিদ্র জনসাধারণকে  এই মূল্যবৃদ্ধির  বোঝা বইতে বইতে  ওষ্ঠাগত প্রাণ৷

প্রভাত সঙ্গীতের ৩৬ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে  প্রভাত সঙ্গীত প্রতিযোগিতা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

প্রভাত সঙ্গীতের ৩৬ বর্ষপূর্তি উৎসবের অঙ্গ হিসেবে পঃবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরা, ঝাড়খণ্ড প্রভৃতি সমস্ত  বাংলাভাষী এলাকায়, কোথাও কোথাও বাংলা ভাষী এলাকার  বাইরেও  মহান দার্শনিক  শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার রচিত  সুরারোপিত প্রভাত সঙ্গীত ও এই  প্রভাত সঙ্গীত  অবলম্বনে নৃত্য ও অংকনের  প্রতিযোগিতা চলছে৷  বর্তমানে  ৬৮টি  কেন্দ্রে  প্রাথমিক  পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চলছে৷

প্রাথমিক  কেন্দ্রগুলি  থেকে প্রথম  ও দ্বিতীয় স্থানাধিকারীরা আগামী  ২৩ শে  সেপ্টেম্বর কলকাতায় আনন্দমার্গের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায়  অংশগ্রহণ করবেন৷  বিভিন্ন স্থান থেকেই মহাসমারোহে প্রভাত সঙ্গীত  প্রতিযোগিতার  সংবাদ আসছে৷

দুর্লভপুর (বাঁকুড়া) ঃ গত ৮ই, ৯ই সেপ্টেম্বর দুর্লভপুর আনন্দমার্গ  স্কুলে ৬০০ প্রতিযোগীকে  নিয়ে রেণেসাঁ আটিষ্টস্ এ্যান্ড রাইটার্স এ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)-এর  উদ্যোগে  প্রভাত সঙ্গীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  হয়৷  প্রতিযোগী, প্রতিযোগিদের  অভিভাবক-অভিভাবিকা, আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব ও সাধারণ  দর্শক এই সব  নিয়ে  ২ দিন  ধরে  এই প্রতিযোগিতা প্রকৃতই  উৎসবের  রূপ নেয়৷  সঙ্গীত ও নৃত্যে ৫টি  ও অংকনে  ৪টি  করে গ্রুপে প্রতিযোগিতা হয়৷ ৪০ জন বিচারক, ৫০ জন অফিসিয়াল  ষ্টাফ ও ৩০ জন ভলান্টীয়ার্সের  অক্লান্ত  পরিশ্রমে  প্রতিযোগিতাটি  সুচারুভাবে  সম্পন্ন হয়৷

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যাঁদের   উজ্জ্বল  উপস্থিতি লক্ষণীয় তাঁরা হলেন সভাপতি আনন্দমার্গের  কেন্দ্রীয় প্রকাশন  সচিব আচার্য মন্ত্রেশ্বরানন্দ অবধূত, বিশেষ অতিথি আচার্য তন্ময়ানন্দ  অবধূত, অবধূতিকা আনন্দ অভীষা আচার্যা, ভারত কলাকেন্দ্র সঙ্গীত মহাবিদ্যালয়ের কর্ণধার  সৌরভ চ্যাটার্জী, পার্থ ফিলানথ্রফিক ট্রাষ্ট-এর সদস্য শ্রী নিশাকর পান্ডা, শ্রী মাধব বসাক  প্রমুখ৷ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ কৃতী প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার  তুলে দেন৷  তাঁরা তাঁদের  বক্তব্যে অভিনব ভাব, ভাষা,  সুর ও ছন্দবিশিষ্ট প্রভাত  সঙ্গীতের  ভূয়সী প্রশংসা করেন৷

অনুষ্ঠানের  উদ্যোক্তা ও পরিচালক  আচার্য সত্যানিষ্ঠানন্দ অবধূত  সকলকে  ধন্যবাদ জ্ঞাপন  করেন৷  অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শ্রী গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য৷

মদনপুর ঃ গত ৯ই সেপ্টেম্বর  স্থানীয়  ‘রাওয়া’ সচিব ডাঃ নিখিল চন্দ্র দাসের  উদ্যোগে ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের  অকুন্ঠ সহযোগিতায় স্থানীয়  আনন্দমার্গ স্কুলে  ১৫০ জন প্রতিযোগিতাকে  নিয়ে  নদীয়া জেলার মদনপুরে প্রভাত সঙ্গীত ও প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে  নৃত্য ও অংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷

কান্দি ঃ  গত ৯ই সেপ্টেম্বর মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দিতে রেঁণেসা আর্টিষ্ট এ্যান্ড রাইটার্স এ্যসোসিয়েশন (রাওয়া)-এর পক্ষ থেকে  কান্দি পৌরসভার কমিউনিটি হলে  প্রভাত   সঙ্গীত  ও প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য ও অংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷ এই প্রতিযোগিতায় তিনশতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে৷ উক্ত প্রতিযোগিতায়  মুখ্য বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  অবধূতিকা আনন্দ পূর্ণপ্রাণা আচার্যা৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি  পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন  আনন্দমার্গ স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল আচার্য বিশ্বোত্তরানন্দ অবধূত ৷  সহযোগিতায় ছিলেন  অন্যান্য  শিক্ষকবৃন্দ ও কান্দি আনন্দমার্গ ইউনিটের সদস্যবৃন্দ৷

নিউব্যারাকপুর ঃ গত ৯ই সেপ্টেম্বর নিউব্যারাকপুর রেঁণেসা আর্টিষ্ট এ্যান্ড রাইটার্স এ্যসোসিয়েশন (রাওয়া)-র পক্ষ থেকে  নিউব্যারাকপুর আনন্দমার্গ আশ্রমে  প্রভাত   সঙ্গীত  ও প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য ও অংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷ এই প্রতিযোগিতায় ৯৩ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন৷  এদের মধ্যে সঙ্গীতে অংশগ্রহণ করেন ৩৬ জন৷ উক্ত প্রতিযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন আচার্য বোধিসত্তানন্দ অবধূত৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি  পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন  আনন্দমার্গ  নিউব্যারাকপুর  ইউনিটের সদস্যবৃন্দ৷

রামনগর (কাঁথি) ঃ গত ১২ই আগষ্ট  আনন্দমার্গ  প্রচারক সংঘের  সাংস্কৃতিক  প্রকোষ্ঠ রেঁণেসা আর্টিষ্ট এ্যান্ড রাইটার্স এ্যসোসিয়েশন -এর উদ্যোগে  রামনগর  শাখার  প্রভাত সঙ্গীত  অবলম্বনে  অঙ্কন , গীত ও নৃত্যের প্রারম্ভিক  প্রতিযোগিতা  রামনগর হাইস্কুলে অনুষ্ঠিত হয়৷  এই  প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগে মোট ১২০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে৷ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন বিদ্যালয়ের  ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক  শ্রীপতি দাস৷  সম্মানীয়  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  অনিন্দ্য দাস (প্রধান শিক্ষক, কালিন্দী ইউনিয়ন  হাইস্কুল), বিশিষ্ট  নাট্যকার সম্মানীয় অলক মাইতি, ডাঃ গৌতম  প্রধান প্রমুখ৷ প্রধান  অতিথিরূপে  আমন্ত্রিত ছিলেন রামনগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাইচরণ সার৷ বিচারকের আসন  অলঙ্কৃত  করেছিলেন  আচার্য শিবপ্রেমানন্দ অবধূত, আচার্য সত্যসাধনানন্দ অবধূত ও নীলোৎপল  ঘোষ দস্তিদার মহাশয়৷  প্রভাত সঙ্গীতের  প্রেক্ষাপট , প্রাসঙ্গিকতা  ও গুরুত্ব  তুলে ধরেন  ‘রাওয়া’ সম্পাদক  বিদ্যাসাগর  মাইতি৷ তিনি  বলেন  মার্গগুরু আনন্দমূর্ত্তিজী তথা শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার  ১৯৮২ সালের  ১৪ই সেপ্টেম্বর  থেকে ১৯৯০ সালের ২০শে অক্টোবর মাত্র ৮ বছরে বিভিন্ন ভাব -ভাষা -সুর-ছন্দ  ও রাগ  রাগিনীর  মোট  ৫০১৮ টি সঙ্গীত  রচনা করেছেন  ও সুর দিয়েছেন যা অতিবিস্ময়ের৷ ১ম, ২য় ও ৩য় স্থানাধিকারী ছাড়াও সকল  অংশগ্রহণকারীকে  পুরসৃকত  করা হয়৷ আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর  কলিকাতার  ভি.আই.পি বাজারস্থিত  আনন্দমার্গ আশ্রমে অনুষ্ঠিত  হবে বিভিন্ন  জোন  থেকে  বিজয়ীদের  নিয়ে প্রাক্-চুড়ান্ত  ও  চুড়ান্ত প্রতিযোগিতা৷ অনুষ্ঠানে  প্রত্যক্ষ ও সক্রিয় সহযোগিতায় ছিলেন  সদস্য  বিজয়ানন্দ মাইতি, মনোরমা মাহাত, শ্রীকৃষ্ণ পাত্র, সৌমেন কামিলা, অজয় পাহাড়ী, শম্ভু শীট, অমিতাভ  মাইতি, ক্ষিতিশ জানা প্রমুখ৷

অগ্ণীশ নাট্যগোষ্ঠীর বার্ষিক অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৬ই আগষ্ট অগ্ণীশ নাট্যগোষ্ঠী তাদের বার্ষিক অনুষ্ঠান করলো মিনার্র্ভ থিয়েটার হলে৷ অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল দুটি নাটক হইতে সাবধান ও সুন্দর, এছাড়া উক্ত দিনে সংস্থার মাসিক মুখপত্র ‘‘নাটকের নক্সি খাতা’’ প্রকাশিত হয়৷ সেদিন মঞ্চে যে সব অতিথিদের বরণ করা হয় তারা হলেন অধ্যাপক ও অভিনেতা ডঃ শঙ্কর ঘোষ, সাংবাদিক অপূর্ব দাস, সমাজসেবী মহিত সাহা ও বিশিষ্ট আলোক শিল্পী-ভানু বিশ্বাস৷ নৃত্য অনুষ্ঠান পরিবেশন করে সংবেদন এর সদস্যারা সমগ্র দিক দিয়ে অনুষ্ঠানটি বেশ মনোরম হয়েছে ৷ অগ্ণীশের কর্ণধার শিবাশীষ সেনগুপ্ত সমগ্র অনুষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন৷

পূর্বমেদিনীপুরে  প্রভাত সঙ্গীত প্রতিযোগিতা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কাঁথি ঃ গত ৫ই আগষ্ট পূর্বমেদিনীপুর জেলার কাঁথি মডেল স্কুলে আনন্দমার্গের রেঁণেসা আর্টিষ্ট ও রাইটার্স এ্যসোসিয়েশনের  পক্ষ থেকে প্রভাত সঙ্গীত ও   প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য ও  অংকন প্রতিযোগিতা   অনুষ্ঠিত হয়৷ উক্ত প্রতিযোগিতায় প্রায় দেড় শতাধিক  প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন৷ প্রত্যেক প্রতিযোগিদের  আপ্লুত চেষ্টায় সমগ্র অনুষ্ঠানটি খুবই প্রশংসনীয় হয় ও প্রত্যেক দর্শকেরা বিশেষ আনন্দধারার উপলদ্ধি করেন৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন শ্রী শুভেন্দু ঘোষ৷

রামনগর ঃ গত ১২ই আগষ্ট রামনগর  উচ্চবিদ্যালয়ে আনন্দমার্গের রেঁণেসা আর্টিষ্ট ও রাইটার্স এ্যসোসিয়েশনের  পক্ষ থেকে প্রভাত সঙ্গীত ও প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য ও  অংকন প্রতিযোগিতা   অনুষ্ঠিত হয়৷  উক্ত প্রতিযোগিতায় প্রায় শতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন শ্রী বিদ্যাসাগর  মাহাত৷

মার্গীয় বিধিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

চিতমু ঃ গত ৩রা আগষ্ট চিতমু নিবাসী বিশিষ্ট আনন্দমার্গী ভুটু গরাঞ-এর দেহাবসান হয় ও ৮ই আগষ্ট আনন্দমার্গের সমাজ শাস্ত্রানুসারে তাঁর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান হয়৷ এতে পৌরোহিত্য করেন অবধূতিকা আনন্দতপশীলা আচার্যা৷ এই উপলক্ষ্যে ৩ ঘন্টাব্যাপী অখন্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ এটি পরিচালনা করেন আচার্য শিবপ্রেমানন্দ অবধূত ও আচার্য সুবোধানন্দ অবধূত৷ কীর্ত্তনশেষে স্বাধ্যায় করেন আচার্য মুক্তানন্দ অবধূত৷ অবধূতিকা আনন্দতপশীলা আচর্যা

পরে মানুষের জীবন মৃত্যুরহস্য, শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের তাৎপর্য প্রভৃতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন আচার্য মুক্তানন্দ অবধূত৷ আচার্য শিবপ্রেমানন্দ অবধূত প্রমুখ৷

পাঁশকুড়া : গত ২৫ জুলাই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভুক্তি প্রধান শ্রীসুভাষ প্রকাশ পাল ও সুশান্ত কিশোর পালের পিতৃদেব শ্রী গৌরহরি পাল শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন৷ গত ৩রা আগষ্ট শ্রীসুভাষপ্রকাশ পালের বাড়ীতে তাঁদের পিতৃদেবের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান আনন্দমার্গীয় প্রথায় অনুষ্ঠিত হয়৷ অনুষ্ঠানে প্রভাত সঙ্গীত ও কীর্ত্তন পরিবেশন করেন আচার্য রাজেশ ব্রহ্মচারী, মীরা পাল ও পার্থসারথী পাল৷ অনুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত৷ শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের স্মৃতিচারণ করেন আচার্য দেবাত্মানন্দ অবধূত, ডাঃ রামকৃষ্ণ মাইতি, অধ্যাপক গোষ্ঠবিহারী বর ও আচার্য নিত্যতীর্থানন্দ অবধূত৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন বাকুলদা আনন্দমার্গ স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রীনিল মণ্ডল৷

আনন্দমার্গ সেমিনার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

হাওড়া জেলার শ্যামপুর ব্লকের সুলতানপুর আনন্দমার্গ স্কুলে গত ৫ই আগষ্ট একটি ব্লক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়৷ সেমিনারে ‘ব্রহ্মসদ্ভাব’-এর ওপর আলোচনা করেন আমতা আনন্দমার্গ স্কুলের প্রবীণ শিক্ষক শ্রীলক্ষ্মীকান্ত হাজরা৷ ‘নব্যমানবতাবাদে’র ওপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন শ্রীমিয় পাত্র৷ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন আচার্য পুণ্যব্রতানন্দ অবধূত, বিশিষ্ট আনন্দমার্গী জয়ন্ত শীল, অবধূতিকা আনন্দ রূপলীনা আচার্যা ও স্থানীয় মার্গী ভাই-বোনেরা৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন শ্রীসুব্রত কুমার সাহা, স্বতন্ত্র বৈতালিক প্রমুখ৷

গত ১৫ই আগষ্ট উলুবেরিয়া মহকুমার হাসপাতালে হাওড়া জেলা ভি.এস.এস.-এর পক্ষ থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার করা ও রোগীদের মধ্যে ফল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়৷ উপস্থিত ছিলেন হাওড়া জেলার ভি.এস.এস.-এর ভুক্তিপ্রধান শ্রী অমিয় পাত্র, প্রবীণ ভি.এস.এস. ভলেণ্টিয়ার নরহরি মণ্ডল, ভি.এস.এস.-এর সি.এস. আচার্য সর্বজয়ানন্দ অবধূত, ভুক্তিপ্রধান সুব্রত সাহা, আচার্য পূর্ণব্রতানন্দ অবধূত, বকুল চন্দ্র রায় প্রমুখ৷ গার্লস্ ভলেণ্টিয়ার্সের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অবধূতিকা আনন্দ গুণময়া আচার্যা, অবধূতিকা আনন্দ চিরমধুরা আচার্যা, অবধূতিকা আনন্দ অন্বেষা আচার্যা, গোপা শীল, মণিকা দেবী প্রমুখ৷

গত ২৫শে আগষ্ট আনন্দমার্গ সেবাদলের পক্ষ থেকে হাওড়ার বাগনান ব্লকে একটি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়৷ উক্ত মেডিকেল ক্যাম্পে ডাঃ চাঁদমোহন পাল ও শ্যামাপদ দলুই শতাধিক দুঃস্থ রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন ও বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করেন৷ এই মেডিক্যাল ক্যাম্পটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ভুক্তিপ্রধান সুব্রত সাহা ও অমিয় পাত্র৷ এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সেবাদলের আচার্য সন্দৃপ্তানন্দ অবধূত, গোবিন্দ ভৌমিক, মহাব্রত দেব, অবধূতিকা আনন্দ চিরমধুরা আচার্যা ও অবধূতিকা আনন্দ অন্বেষা আচার্যা৷

হুগলী ঃ গত ২৭ ও ২৮ শে জুলাই  হুগলী জেলার শ্রীরামপুরে মশাট আনন্দমার্গ স্কুলে ডিটের  ডিট সেমিনার অনুষ্ঠিত  হয়৷  ২দিন ব্যাপী এই সেমিনারে মুখ্য প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আচার্য সুবিকাশানন্দ অবধূত (ডি.এস. হুগলী)৷  সেমিনারে আনন্দমার্গ দর্শনের ওপর ও ব্রহ্মসদ্ভাবের ওপর বিস্তারিত আলোকপাত করেন  আচার্য সুবিকাশানন্দ অবধূত৷ এই সেমিনারে প্রায় শতাধিক মার্গী ভাই-বোনেরা উপস্থিত ছিলেন৷

চুঁচুঁড়া ঃ গত ২৬ শে আগষ্ট  চুঁচুঁড়া ডিটের ডিট সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় ধনেখালি আনন্দমার্গ প্রাইমারি স্কুলে৷ উক্ত সেমিনারে আনন্দমার্গ দর্শনের বিস্তারিত আলোচনা করেন আচার্য সুবিকাশানন্দ অবধূত৷

আরামবাগ ঃ গত ৪ ও ৫ই আগষ্ট আরামবাগ  ডিটের ডিট সেমিনার  অনুষ্ঠিত হয় বালিপুর আনন্দমার্গ স্কুলে৷ ২ দিন ব্যাপী এই সেমিনার উপস্থিত ছিলেন প্রায় শতাধিক মার্গী ভাই-বোনেরা৷  উক্ত সেমিনারে প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অবধূতিকা আনন্দ দূ্যতিময়া আচার্য ও আচার্য সুবিকাশানন্দ অবধূত৷

শ্রীরামপুর ঃ গত ২রা সেপ্ঢেম্বর শ্রীরাম ব্লকের ব্লক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় শ্রীরামপুর আনন্দমার্গ স্কুলে৷ উক্ত সেমিনারে শ্রীরামপুরের বহু মার্গী ভাই-বোনেরা উপস্থিত ছিলেন৷ উক্ত সেমিনারে প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আচার্য সুবিকাশানন্দ অবধূত৷

অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

মেদিনীপুর ঃ গত ২রা সেপ্ঢেম্বর সকাল ৮-৩০ থেকে ১১-৩০ পর্যন্ত মেদিনীপুরের বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রীমতী কল্পনা গিরির নাতনী কুমারী দিব্যশ্রী গিরির জন্মদিন উপলক্ষ্যে তিন ঘণ্টা ব্যাপী অখণ্ড নাম সংকীত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ অনুষ্ঠানে প্রভাত সঙ্গীত  ও কীর্ত্তন পরিবেশন করেন অবধূতিকা আনন্দ কীর্ত্তিলেখা আচার্যা ও আচার্য সেবাব্রতানন্দ অবধূত৷ মিলিত সাধনা ও গুরুপূজার পরে কীর্ত্তন মহিমা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন আচার্য তন্ময়ানন্দ অবধূত৷

 গত ২৬শে আগষ্ট শ্রাবণীপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে মেদিনীপুর কেরানীতলা আনন্দমার্গ আশ্রমে ৩ ঘন্টাব্যাপী  অখন্ড ‘বাবা নাম কেবলম্’ নাম সংকীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ কীর্ত্তন শেষে শ্রাবণী পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখেন আচার্য নিত্যতীর্র্থনন্দ অবধূত৷

মেদিনীপুর, গোয়ালতোড় ঃ গত ৪-৫ই সেপ্ঢেম্বর গোয়ালতোড় আনন্দমার্গ স্কুলে ২৪ ঘন্ট্যা ব্যাপী অখন্ড নাম সংকীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ এই অনুষ্ঠানে  স্থানীয় দুই শতাধিক মার্গী ভাই-বোনেরা উপস্থিত ছিলেন৷ কীর্ত্তন শেষে বক্তব্য রাখেন আচার্য নিত্যতীর্র্থনন্দ অবধূত ও আচার্য অমৃতাবোধানন্দ অবধূত ৷ কীর্ত্তন উপলক্ষ্যে  প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের নারায়ণ সেবার আয়োজনও করা হয়েছিল৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিচালনার দায়িত্ব ছিলেন বঙ্কিম মাহাত (ইউ. বি.পি) ও আনন্দমার্গ স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ৷

হুগলী, চাঁপাডাঙ্গা ঃ গত ২৬শে আগষ্ট হুগলী জেলার চাঁপাডাঙ্গা, বালিপুর, তারকেশ্বর আনন্দমার্গ  স্কুলে শ্রাবণী  পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে অখন্ড ‘বাবা নাম কেবলম্’ নাম সংকীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ অনুষ্ঠান শেষে শ্রাবণী পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখেন আচার্য সুবিকাশানন্দ অবধূত৷

মার্গীয় বিধিতে বিবাহানুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পাঁশকুড়া ঃ গত ১৩ই আগষ্ট পাঁশকুড়া ব্লকের রাজনারায়ণচক নিবাসী শ্রী বঙ্কিম বিহারী পালের জ্যেষ্ঠ পুত্র শ্রীলক্ষ্মীকান্ত পাল রঘুনাথবাড়ী গোগ্রাস গ্রামের শ্রী অমল নায়েকের জ্যেষ্ঠ কন্যা অর্পিতা নায়েকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন৷ বিবাহ অনুষ্ঠানে পাত্রপক্ষে পৌরোহিত্য করেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত ও পাত্রীপক্ষে পৌরোহিত্য করেন অবধূতিকা আনন্দ নিরুক্তা আচার্যা৷ আনন্দমার্গের এই বৈপ্লবিক বিবাহ সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট  মার্গী শ্রীশুভেন্দু ঘোষ ও আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত৷

বাঁকুড়া আনন্দমার্গ স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বাঁকুড়া আনন্দমার্গ স্কুলের পক্ষ থেকে গত ৪ঠা আগষ্ট বাঁকুড়া মিউনিসিপ্যাল  হাইস্কুলের হলে আনন্দমার্গ স্কুলের ছাত্র -ছাত্রাদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷ এই অনুষ্টানে আনন্দমার্গ স্কুলের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা বাংলা ছড়া, ইংরেজী রাইমস্, কবিতা৷ প্রভাত সঙ্গীত , প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য, প্রভৃতি পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করে দেয়৷

এই দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মুখ্য আকর্ষণ ছিল শ্রী প্রভাত রঞ্জন সরকারের গল্প অবলম্বনে রচিত নাটক ‘ধর্মের-জয়’৷ সারেঙ্গা আনন্দমার্গ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রারাও এই সাংস্কৃতিক অনুষ্টানে সহযোগিতা করেছিলেন ৷ এছাড়া বিশিষ্ট গায়কী সাবিত্রী সেনগুপ্ত ও আচার্য শুদ্ধানন্দ অবধূত প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন করে সকলকে আনন্দ দান করেন৷

এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের ধর্মপ্রচার সচিব আচার্য বিকাশানন্দ অবধূত৷ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেকেণ্ডারী এডুকেশনের ডিষ্ট্রিক্ট ইন্সপেকটর শ্রী পংকজ সরকারও বিশেষ অতিথি ছিলেন মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রী সাধন ঘোষ, প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি মহাশয় তাঁদের ভাষণে আনন্দমার্গের শিক্ষ্যাব্যবস্থার ভূয়সী প্রশংসা করেন ও আনন্দমার্গ স্কুলের সর্বাত্মক উন্নতি কামনা করেন৷ সভাপতির ভাষণে আচার্য বিকাশানন্দ অবধূত বলেন, শিক্ষার আদর্শ হ’ল, সা বিদ্যা যা বিমুক্তয়ে’--- সেইটাই বিদ্যাশিক্ষা যা মানুষকে জাগতিক মানসিক ও আধ্যাত্মিক --- সর্বস্তরে সমস্ত প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্তির পথ দেখায়৷ তিনি বলেন, আনন্দমার্গের শিক্ষাদর্শের এইটাই হ’ল মূল ভিত্তি আনন্দমার্গের শিক্ষাব্যবস্থায় বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের নৈতিক ও আত্মিক বিকাশের দিকে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হয়৷