সংবাদ দর্পণ

২৭শে জুলাই  শতাব্দীর  দীর্ঘতম চন্দ্র গ্রহণ

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

আগামী ২৭ শে জুলাই  এই শতাব্দীর  দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ হবে৷ দেশের প্রায় সব জায়গা  থেকেই দেখা যাবে৷  এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের  স্থায়িত্ব হবে ১ ঘন্টা  ৪৩ মিনিট৷ আংশিক গ্রহণ  ১ ঘন্টা৷  ২৭ শে জুলাই ভারতীয় সময় রাত ১১ টা  ৫৪ মিনিটে  গ্রহণ শুরু হবে৷ চলবে রাত ২ টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত৷

 

অন্ধবিশ্বাসের   বলি একই বাড়ীর ১১ জন

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

দিল্লির বুরারির সন্তনগরে  গত ৩০শে  জুন  একই পরিবারের ১০ জনের  ঝুলন্ত মৃতদেহ  পাওয়া যায়, আর ১ জন বৃদ্ধার  মৃতদেহ  পড়েছিল  পাশের ঘরে৷  সবার হাত-পা বাঁধা৷ একইভাবে বাদুড়ের  মত ঝুলছিল এতগুলি  মৃতদেহ৷ পরদিন  সকালে  পুলিশ  এই মৃতদেহগুলি উদ্ধার  করে৷  পুলিশী তদন্তে  মনে হয়েছে,  সবাই  স্বেচ্ছায়  আত্মহত্যাই করেছে৷

পুলিশ এই রহস্যময় মৃত্যুর  তদন্তে নেমে ২টি  নোটবুক  পেয়েছে৷ তাতে  যা লেখা আছে৷ তা থেকে  বোঝা যাচ্ছে, অন্ধবিশ্বাসের বলি হয়ে তারা সহজে মোক্ষলাভ করবে এই আশায় এভাবে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করেছে৷ ওই নোটবুকে নাকি লেখা ছিল, মোক্ষলাভের বেশ কিছু উপায়ের কথা৷ তাতে লেখা ছিল মোক্ষলাভ  করতে হলে হাত পিছমোড়া করে বাঁধা থাকতে হবে, মুখ ঢাকা  থাকবে  ও মুখে  টেপ লাগানো থাকবে৷ সবাইকে বটগাছের  ঝুরির মত  ঝুলে  আত্মহত্যা করতে হবে৷

সন্তনগরের এই পরিবারটি হ’ল ভাটিয়া পরিবার৷ এদের  মধ্যে  সবচেয়ে বয়স্কা হলেন  ৭৭ বছর  বয়সের নারায়ণী দেবী৷ তাঁর  দুই  পুত্র ভবনেশ ভাটিয়া ও ললিত  ভাটিয়া৷ বাকিরা ছিলেন তাঁদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যারা৷

চরম কুসংস্কারের ফল যে কী মর্মান্তিক হতে পারে, এই ভাটিয়া পরিবারের মৃত্যু তারই এক উদাহরণ৷ একই সঙ্গে  ১১ জনের  মৃত্যু, বাইরে থেকে কেউ  খুন করেছে তার  কোনো প্রমাণ না মেলা,  বাড়ীতে  কোনকিছু  চুরি না  হওয়া এতগুলো  মৃত্যু অথচ ধবস্তাধবস্তিরও কোনও চিহ্ণ  নেই৷  তার  ওপর ২টি  রহস্যময়  নোটবই  উদ্ধার৷  এসব থেকে এটা অন্ধবিশ্বাসের  বলি  বলেই  সিদ্ধান্তে আসা গেলেও, তবে এর পেছনে  অন্য কোনো কারণ  আদৌ আছে  কিনা--- এ নিয়ে  তদন্ত  অবশ্য  চলছে৷

 

গাইঘাটায় আনন্দমার্গের চিকিৎসা শিবির

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

উত্তর ২৪ পরগণার গাইঘাটা ব্লকে সোসাডাঙ্গা গার্লস্ হাইস্কুল প্রাঙ্গনে গত ২৩শে জুন আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের তরফ থেকে একটি ফ্রি চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়৷ এই চিকিৎসা শিবিরে স্থানীয় দুঃস্থ রোগীদের বিনা ব্যায়ে চিকিৎসা করা হয়৷ তাদের ফ্রি ওষুধও দেওয়া হয়৷ এই চিকিৎসা শিবিরে চিকিৎসক ছিলেন ডাঃ নির্মল সরকার৷ এদিন ৯০ জন দুঃস্থা রোগীর চিকিৎসা করা হয়৷ এই চিকিৎসা শিবিরের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় ছিলেন কুমুদ দাস, দীপঙ্কর মণ্ডল ও এই জেলার ভুক্তিপ্রধান সন্তোষ বিশ্বাস৷

কাঠমুন্ডুতে আনন্দমার্গের যোগের প্রচার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

নেপালের কাঠমুন্ডুস্থিত নয়াবাণেশ্বর আশ্রমে কয়েকশত ভক্ত ও ছাত্র যুবার সামনে আনন্দমার্গের কেন্দ্রীয় ধর্মপ্রচার সচিব আচার্য বিকাশানন্দ অবধূত যোগসাধনার ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন৷ তিনি বলেন, মানুষের দৈহিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক এই তিন দিকেরই উন্নতির জন্যে যোগসাধনা প্রতিটি মানুষের জীবনে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়৷ আজ সমাজের যে চরম নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিয়েছে, তা থেকে সমাজকে রক্ষা করতে পারে এই যোগ৷ আচার্য পরিপূর্র্ণনন্দ অবধূতের প্রচেষ্টায় এই অনুষ্ঠানটি ব্যবস্থাপনা হয়৷

পশ্চিম মেদিনীপুরে যোগের ওপর আলোচনাসভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পশ্চিমমেদিনীপুরের টাটা মেটালিক স্কিল ডেবেলাপমেন্ট সেন্টার, আই আই টি কলেজের পক্ষ  থেকে আন্তর্র্জতিক যোগ দিবসে আনন্দমার্গের আচার্য নিত্যতীর্র্থনন্দ অবধূতকে তাঁদের প্রতিষ্ঠানে যোগের ওপর আলোচনার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়৷ আচার্য চিরাগতানন্দজী ও আচার্য নিত্যতীর্র্থনন্দজী সেখানে প্রায় ৩৫০ ছাত্র-ছাত্রা, অধ্যাপক ও প্রিন্সিপ্যালের সামনে যোগের ওপর ক্লাশ নেন৷ তাঁরা যোগের প্রকৃত অর্থ ব্যাখ্যা করে বলেন, যোগ বলতে কেবল যোগাসন বোঝায় না৷ যোগের প্রকৃত অর্থ হচ্ছে, জীবমনের সঙ্গে পরমাত্মার সংযোগ ঘটানো৷ এর জন্যে শরীরেও মনকেও সুস্থ রাখার প্রয়োজন৷ তাই যোগাসন ও যোগের অপরিযোগ্য অঙ্গ৷ তাঁরা যোগাসন ও যোগসাধনার প্রশিক্ষণও দেন৷

বিহারে আনন্দমার্গের যোগের প্রচার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আন্তর্জাতিক যোগদিবস উপলক্ষ্যে সীতামারির (বিহার) ডুমরা জেলা সুপারিন্টেণ্ডেন্ট জেল ক্যাম্পাসের মধ্যে যোগাসন ও যোগসাধনার ওপর এক আলোচনার ব্যবস্থা করেছিলেন৷ তাতে ৮০০ জন বন্দী ছাড়াও পুলিশ, পুলিশ অফিসাররা ও জেল সুপরিণ্ডেট নিজেও উপস্থিত ছিলেন৷ সীতামারি আনন্দমার্গ স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল অনির্বাণ ব্রহ্মচারী এখানে যোগের ওপর আলোচনা করেন ও যোগ প্রশিক্ষন দেন৷

পরলোকে সম্ভুত্যানন্দজী

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২২শে জুন আনন্দমার্গের প্রবীণ সন্ন্যাসী আচার্য সম্ভূত্যানন্দ অবধূত পরলোক গমন করেন৷ তিনি সংঘের দুর্দিনে বহু মূল্যবান পরামর্শ দিয়ে মিশনের প্রভূত উপকার করেছেন৷ তাঁর মৃত্যুতে সংঘের অপূরণীয় ক্ষতি হ’ল৷ আনন্দনগরে তাঁর শেষ কৃত্য সম্পন্ন করা হয়৷

বঙ্গাইগাও শহরে আনন্দমার্গী প্রথায় বিবাহ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৮ই জুন সন্ধ্যায়, অসমের বঙ্গাইগাঁও অধিবাসী শ্রী নকুলচন্দ্র সাহা ও শ্রীমতী শুকতারা সাহার প্রথমা কন্যা কল্যাণীয়া নিবেদিতার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের রঘুনাথগঞ্জ নিবাসী স্বর্গীয় আশুতোষ সাঁতরা ও স্বর্গীয়া জ্যোৎস্না সরকারের কনিষ্ঠ পুত্রের শুভ বিবাহ শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী প্রবর্ত্তিত সমাজশাস্ত্রানুসারে এক জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়৷ প্রভাত সঙ্গীত, কীর্ত্তন, সাধনা, গুরুপূজার পর শহরের সুসজ্জিত ‘টেরাপন্থ ভবনে’ বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শত শত অতিথিবৃন্দ আনন্দমার্গের সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই শুভ বিবাহে পাত্রপক্ষে পৌরোহিত্য করেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত ও পাত্রীপক্ষে পৌরোহিত্য করেন অবধূতিকা আনন্দসুমিতা আচার্যা৷ সমস্ত অনুষ্ঠানটি অতীব সুন্দরভাবে সঞ্চালনা করেন শ্রীমতী জয়া সাহা৷

উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দমার্গের যোগসাধনার প্রচার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২১ শে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, চোপরা, পশ্চিমবঙ্গের পক্ষ থেকে ইসলামপুর আনন্দমার্গ স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল আচার্য প্রাণেশ ব্রহ্মচারীকে তাঁদের ছাত্র ও অধ্যাপকদের সামনে যোগও ধ্যানের ওপর বক্তব্য রাখতে আমন্ত্রণ জানান৷ আচার্য প্রাণেশ ব্রহ্মচারী তাঁদের সামনে প্রথম যোগ দর্শন নিয়ে বক্তব্য রাখেন৷ এরপর বিভিন্ন যোগাসন প্রদর্শন করেন ও সেগুলিও উপকারিতার কথা বলেন৷ তিনি প্রায় শতাধিক ছাত্র ও শিক্ষককে যোগসাধনা শেখান৷

এরপর আচার্য প্রাণেশ ব্রহ্মচারীর বক্তব্য ও যোগ প্রশিক্ষণে উৎসাহিত হয়ে উত্তর দিনাজপুরে চোপরা কলেজ থেকেও আচার্য প্রাণেশ ব্রহ্মচারীকে তাঁদের কলেজে যোগসাধনা সম্পর্কে আলোচনার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে৷

নজরুল স্মরণে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

সংবাদদাতা
অম্বর চট্টোপাধ্যায়
সময়

বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের স্মরণে গত ২৬শে মে সন্ধ্যায় শ্যামবাজার সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনের উদ্যোগে এক সাংস্কৃতিক বাতাবরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়৷ ওই সাংস্কৃতিক মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী মধুসূদন বর্মন, গোপাল বর্মন, রুদ্র রায় ও প্রদ্যুৎ মিশ্র প্রমুখেরা৷ উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের বরেন্য শিল্পী বরেন্দ্র মোহন বর্মনের দুই পুত্র মধুসূদন ও গোপাল বর্মন তবলা ও শ্রীখোল বাজিয়ে সাংস্কৃতিক পরিবেশটি মাতিয়ে তোলেন৷ অসামান্য নজরুল গীতি পরিবেশন করেন রুদ্র রায়৷ আলাপ ও গায়কীতে সম্পূর্ণ রাগের ছোঁয়ায় আবিষ্ট ছিলেন দর্শকবৃন্দ৷ বেশ কয়েকটি গজল পরিবেশন করে শিল্পী রুদ্র রায় দর্শকদের মুগ্ধ করেন৷ 

শিল্পী মধুসূদন বর্মন ও গোপাল বর্মনের সঙ্গে হারমোনিয়ামে সহযোগিতা করেন প্রদ্যোৎ মিশ্র৷ সংঘটনের তরফ থেকে শিল্পীদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করেন অধ্যাপক ডাঃ ভাস্করমনি চট্টোপাধ্যায়, সম্পাদক শ্রী সঞ্জীব আচার্য মহাশয় সকলকে উৎসাহিত করেন৷ সম্মাননা পাঠ করেন ও অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সদস্য শোভন চক্রবর্তী সংঘটনের সভাপতি স্বাগত ভাষণের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি শেষ হয়৷