December 2017

মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী সম্পর্কে  এক আনন্দমার্গী ভক্তের নিজস্ব অনুভূতি তুমি এসেছিলে কাউকে না বলে

আচার্য তপেশ্বরানন্দ অবধূত

১৯৭০ সালে উত্তর বিহারের একজন ভাল গৃহী আচার্যের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল৷ তিনি হলেন ডঃ বিদ্যার্থীজী (আয়ুর্বেদিক ডাক্তার)৷ উনি ‘বাবা’র (শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী) খুব ভক্ত৷ তিনি বাবার সম্পর্কে তাঁর এক বিস্ময়কর অনুভূতির কথা আমাকে বলেছিলেন৷ এই ঘটনাটা অনেক আগের৷ তখন তিনি নূতন মার্গী ছিলেন৷ তাঁর ধর্মপত্নী তখনও মার্গী হননি৷ তবে তিনি বিদ্যার্থীজীর সাধনাতে বাধা দিতেন না৷ উনি (ধর্মপত্নী) একবার এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হ’ন৷ প্রতিবেশীরা সবাই পরামর্শ দিলেন স্ত্রীকে বড় শহরে নিয়ে গিয়ে ভাল ডাক্তার দেখাতে৷ তা না হলে যে কোনো সময় তাঁর মৃত্যু হতে পারে৷ বিদ্যার্থীজীর টাকা পয়সা বেশী ছিল না৷ যাই হোক স্ত্রীর

বাংলা বানান সংস্কার

কর্ষক

এমনিতে যাঁরা চাষবাস নিয়ে থাকেন তাঁদের জন্যে সংসৃক্ত ভাষায় বেশি প্রচলিত শব্দ দু’টি রয়েছে–কৃষীবল ও কর্ষক৷ ‘কর্ষক’ শব্দটি কৃষ ধাতু থেকে উৎপন্ন৷ যাঁরা এই কর্ষককে ‘কৃষক’ বানিয়ে ফেলেছেন তাঁরা না জেনেই এই ভুল করেছেন৷ আর যাঁরা আজও ‘কৃষক’ লেখেন তাঁরা ভুলকে ভুল না জেনেই লেখেন৷ আমরা ‘আকর্ষক’ ‘বিকর্ষক’ বলবার সময় ঠিক বলি কিন্তু কেন বুঝি না ‘কর্ষক’ বলবার সময় ভুল করে কৃষক বলে ফেলি৷

সর্জন

মানুষ, প্রকৃতি ও ঔষধ

ভেষজ প্রলেপ

কিন্তু মানুষের ও জীবের ঔষধের সন্ধান এই উপবাস, সূর্য্যালোক, জল, বায়ু বা মৃত্তিকাতে সীমিত থাকেনি৷ প্রাথমিক স্তরে মানুষ যে ঔষধের আবিষ্কার করেছিল তা ছিল বিভিন্ন গাছ–গাছড়া ও তাদের ছাল–মূলের বহিঃপ্রয়োগ৷ সেকালের মানুষ ওই সক্ষ জিনিসকে দাঁতে চিক্ষিয়ে রোগাক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিত বা ঘষত৷ এই প্রলেপ ছিল মানুষের আবিষ্কৃত প্রথম ঔষধ৷

ভেষজ দ্রব্যের অভ্যন্তরীণ প্রয়োগ ঃ এই প্রলেপ যেখানে বাইরে কাজ করত না, তখন তাকে শরীরের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার দরকার হ’ত৷ মানুষ তা চর্বন করে বা গলাধঃকরণ করে ঔষধরূপে ব্যবহার করত৷ এটাই ছিল মানুষের ইতিহাসে ঔষধ ব্যবহারের দ্বিতীয় চরণ৷

পৃথিবীর চারটি মৌলিক জনগোষ্ঠী

পৃথিবীতে মৌলিক জনগোষ্ঠী আছে চারটি–ককেশীয়, মঙ্গোলীয়, অষ্ট্রিক ও নিগ্রো৷ অনেকে অবশ্য সেমিটিক জনগোষ্ঠীকে এর মধ্যে ফেলতে চান না৷ তাদের মতে সেমেটিকরা আলাদা জনগোষ্টী, এরা মধ্যপ্রাচ্যের লোক৷ আবার কারো কারো মতে এরা ককেশীয় ও নিগ্রোদের বিমিশ্রণ৷ ককেশীয়দের তিনটি শাখা রয়েছে–(১) নর্ডিক (ত্ত্বপ্সব্জস্তুন্ন্তু), (২) এ্যালপাইন (ট্টপ্তহ্মনুন্দ্ব), (৩) ভূমধ্যসাগরীয়৷ ‘নর্ডিক’ কথাটার অর্থ হচ্ছে ‘উত্তুরে’৷ লাতিন ‘নর্ড’ (ত্ত্বপ্সব্জস্তু) কথাটা থেকে ‘নর্ডিক’ শব্দটি এসেছে৷ এ্যালপাইনরা বেশী উত্তরেও নয়, আবার বেশী দক্ষিণেও নয় অর্থাৎ এরা মধ্যদেশীয়, আল্প্স্ পর্বতের সানুদেশের বাসিন্দা৷

সে ও তুমি

সাধনা সরকার

হূদয় তন্ত্রীতে অদ্ভূত এক সুর

তোমাকেই চাই

আমি তোমাকেই চাই

সুর     বাজে সুর

এসে গেছো তুমি

এসে গেছো খুব ভেতরে

            এক সূক্ষ্ম তারে

কে যেন নাচছে

তা থৈ থৈ থৈ

তুমি ছিলে

আছ তুমি

নিখিল বিশ্বের তালে তালে

তোমার জন্যেই বেঁচে থাকা

মরণ   সেও তুমি.............৷

গুজরাতে নির্বাচন শেষ ঃ  ১৮ই ডিসেম্বর দিকে সবার নজর

১৪ই ডিসেম্বর গুজরাতের শেষ দফা নির্বাচন হয়ে গেল৷ এই বিধানসভা নির্বাচন অন্যান্য বিধানসভা নির্বাচনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে৷ এর কারণ  এই যে এ নির্বাচন আগামী লোকসভা নির্বাচনের দিক নির্দেশক হয়ে উঠেছে৷

গত ২২ বছর ধরে গুজরাতের মসনদে বিজেপি আসীন৷ কিন্তু মোদি সরকারের বিভিন্ন কার্যকলাপ--- বিমুদ্রাকরণ,  জি.এস.টি, সাম্প্রদায়িক অশান্তি প্রভৃতির কারণে গুজরাতেই বিজেপি’র আসন টলমল৷ যদি এখানে বিজেপি হেরে যায়, তাহলে আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি’র আশা  নেই বলেই বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা৷ আগামী ১৮ই ডিসেম্বর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হবে৷ সেদিকেই সবাই তাকিয়ে আছে৷ 

আমেরিকায় আবার জঙ্গী হামলা

গত ১১ই ডিসেম্বর নিউইয়র্কের  ব্যস্ততম বাস টার্মিন্যালের কাছে সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ অকস্মাৎ এক বিষ্ফোরণ ঘটে৷  একজনকার শরীরে বাঁধা ছিল বিস্ফোরকটি৷ নির্দিষ্ট সময়ের আগে সেটি ফেটে যাওয়ায় বিস্ফোরণের তীব্রতা কম ছিল৷ আহত হয়েছে চারজন৷ হামলাকারীও আহত অবস্থায় ধরা পড়েছে৷  বাংলাদেশী এই জঙ্গীর নাম আকায়েদ উল্লাহ৷ এর পেছনে আই-এস-এর হাত আছে বলে আমেরিকার দাবী৷

 

র্্যাগিং কলঙ্কে কালিমালিপ্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

 স্কুল কলেজগুলি হ’ল মানুষ গড়ার কারখানা৷ এই স্কুল কলেজে শিক্ষিত হয়ে ওঠা মানুষেরাই সমাজের ধারক-বাহক হয়ে ওঠে৷ বিশ্ববিদ্যালয়গুলি হ’ল এসবের নিয়ামক৷ তাদের  মধ্যে আবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের  স্থান শীর্ষে৷ এই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের হোষ্টেলে একের পর এক বীভৎস  র্যাগিং-এর অভিযোগ সবাইকে বিস্মিত করেছে৷

পদ্মাবতী ছবি নিয়ে যে নোংরামী হচ্ছে তা গণতন্ত্রের কলঙ্ক ও ধিক্কারজনক!

পদ্মাবতী সিনেমা নিয়ে  যা সব ঘটনা ঘটছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক৷  ভারতের গণতান্ত্রিক অধিকারকে কিছু কিছু আত্ম অহংকারী, নির্র্বেধ উঠতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের  ক্যাডাররা  এমনভাবে ব্যবহার করছে  যা কহতব্য নয়৷  সম্প্রতি পদ্মাবতীকে নিয়ে যে সব ঘটনা ঘটে চলেছে  সেটা বড়ই দুর্ভাগ্যের বিষয়৷  এটা যে ঐতিহাসিক ঘটনা তাও নয় ৷ এটা একটা কাল্পনিক কাহিনী৷  তাছাড়া পর্র্দয় যারা সরাসরি যুক্ত অনেক ভেবে চিন্তে তাদের কাজ করতে হয় নিছক ব্যবসার খাতিরে৷  সেন্সরবোর্ড যে সিনেমা রিলিজ করে  তা খুঁটিয়ে দেখে তবেই দর্শকদের সামনে আনতে অনুমতি দেন৷ সিনেমা জগৎ স্বেচ্ছাচার চলতে পারে না৷  তবু অনেক সময় কিছু কিছু ছবি জন মনে অসন্তোষ সৃষ্টি করে ৷

আর্শাদ মদনি ও হিন্দু  সংহতির সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের নিন্দা ‘আমরা বাঙালি’র

শিলচর, ৭ই ডিসেম্বর ঃ আর্র্শদ মদনি থেকে শুরু করে হিন্দু সংহতির  কর্মকর্র্ত তপন ঘোষ ও দেবতনু ভট্টাচার্যদের  সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের  তীব্র প্রতিবাদ জানাল আমরা বাঙালি৷ সংঘটনের রাজ্য সচিব সাধন পুরকায়স্থ এক প্রেস বিবৃতিতে  বলেন, ‘অসমে বসবাসকারী বাঙালিরা এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যে নিমজ্জিত৷ এমন সংকটের সময় ধর্মীয় ভাবাবেগে সুড়সুড়ি দিয়ে যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে, তাতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ণ’৷ তিনি বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধ বাঙালি জাতিসত্তা সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টা বুদ্ধিজীবী মহল থেকে শুরু হয়েছে৷ অন্যদিকে, নাগরিক পঞ্জি উন্নীতকরণ প্রক্রিয়ায় বিরাট সংখ্যক বাঙালির নাম অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার