Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ভারতীয় রাজনীতির কর্কট ব্যাধি

একর্ষি

পূর্বপ্রকাশিতের পর,

শুরুতেই লক্ষ্য করা দরকার,---৪২তম সংবিধান সংশোধনে ভারতকে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র (সেকুলারষ্টেট্‌) হিসাবে  ঘোষণা করা হ’ল এর সরলার্থ ও বিশিষ্টার্থ হল ধর্মহীন রাষ্ট্র৷ মানে---রাষ্ট্রে কোন ধর্ম থাকবে না,এটা একটা বিকৃত মস্তিষ্কের মানবতা বিরোধী, সমাজ বিরোধী বিজ্ঞান বিরোধী উদ্ভট ভাবনা৷ যেকোন সত্ত্বাকে তার ধর্ম (প্রপার্টি) ধরে  রাখে, অর্থাৎ তার অস্তিত্বকে বজায় রাখে৷ তাহলে ধর্ম ছাড়া মানুষ! মানুষের -ধর্ম না থাকলে মানুষটাই তো থাকবে না৷ মানুষটাই যদি নাথাকল তবে কাদের জন্য সমাজ, শাসনব্যবস্থা ও সংবিধান? কিম্ভূত ব্যাপার!

পরের কথা হল, সংবিধানের ধর্ম সংক্রান্ত ধারাগুলো (২৫থেকে ২৮ অনুচ্ছেদ) অনুসারে পরিষ্কার যে, ‘ধর্মমত’কে ‘ধর্মে’র সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হয়েছে৷ ধর্ম হ’ল যে কোন সত্তারই সত্তাগত গুণ বা বৈশিষ্ট্য---যা কোন অবস্থাতেই পালটানো যায় না বা পরিবর্তন করা যায় না৷ বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলে ‘প্রপার্টি৷ মানুষের ধর্ম হ’ল বৃহতের এষণা৷ অর্থাৎ মানুষ যা চায় অনন্তভাবে চায়৷ নাল্পে সুখম্‌ অস্তি, ভূমৈব সুখম্‌৷ সব যুগে, সব কালে,সবদেশে, সব মানুষের মধ্যে এই বৈশিষ্ট্য আছে৷ এককথায় একে বলা যায় মানবধর্ম৷ কোন মানুষের থেকেই এই গুণকে আলাদা করা যায় না৷  যদি তর্কের খাতিরে ধরেও নেয়া হয়---যায়, তাহলে সে আর মানুষ থাকবে না--- মনুষ ছাড়া অন্য প্রাণীতে রূপ নেবে৷ লোহা থেকেই মরিচা’র সৃষ্টি , কিন্তু  মরিচা আর লোহার ভৌতধর্ম আলাদা আলাদা৷ দুধের শ্বেতত্বকে দুধ থেকে, আগুনের দাহিকা শক্তিকে আগুন থেকে কি আলাদা করা যায়? যায় না৷ কিন্তু  ধর্মমত পাল্টানো যায়৷ ধরা যাক ---একজন মানুষ সকালে হিন্দু ছিল, দুপুরে  মসজিদে গিয়ে মুসলমান হল, বিকালে গির্জায় গিয়ে খ্রীষ্টান হল, রাত দুপুরে গুম্ফায় গিয়ে বৌদ্ধ হল, আবার সকালে উঠে গুরুদুয়ারে গিয়ে শিখ মতাবলম্বী হয়ে গেল৷ অর্থাৎ ইসলাম, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রীষ্ট ইত্যাদি  সবই হ’ল ধর্মমত৷ আসলে যুগে যুগে  বিভিন্ন  অঞ্চলে  বিভিন্ন  মহাপুরুষের আবির্ভাব হয়েছিল৷ তাঁরা তাঁদের সাধনমার্গের মানসআধ্যাত্মিক স্তর, আর বোধহয় সমকালীন আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও সমকালীন আর্থ-সামাজিক  অবস্থা  ও সমকালীন মানুষের মানসিক ঘটন ইত্যাদি বিচার বিবেচনা করে মানুষের আত্মিক ক্ষুধা মেটানোর জন্যে যুগোপযোগী করে কতগুলো জীবনাচার অনুষ্ঠান পালনের নির্দেশনা দিয়েছিলেন ও ঈশ্বর সম্পর্কিত মতামত প্রকাশ করেছিলেন৷ সেগুলোই পরবর্তীকালে ধর্মমত হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে৷ যেমন গৌতম বুদ্ধের বৌদ্ধধর্ম ২৪ জন তীর্থঙ্করের জৈন ধর্ম, যীশু খ্রীষ্টের খ্রীষ্ট ধর্ম ইত্যাদি৷ অর্র্থৎ ধর্মমতের স্রষ্টা আছে, আর আছে তাঁদের নির্দেশিত বাণীর সমাহার রূপ ‘ধর্মগ্রন্থ’ নিয়মাবলী আছে ইত্যাদি৷ কিন্তু ‘ধর্ম’ স্বয়ং-সম্ভূত সত্তা-বৈশিষ্ট্য যা প্রকৃতির  দান, কোন মানুষ বা মহামানব সৃষ্টি করননি৷ কেউ কি  মানুষসহ যেকোন জীব বা সত্তার ‘প্রপাটি’ বা  নিদর্শক  নিয়মাবলী -নির্দেশনা গ্রন্থ বা ধর্মগ্রন্থ দেখেছেন যাকে ভিত্তি করে  ইসলাম-বৌদ্ধ-খ্রীষ্ট প্রভৃতি ধর্মমতের মত জীব, অজীব, জড় অজড় সত্তা সৃষ্টি হয়েছে? শুধু তাইই নয়,, প্রকৃত ধর্মসাধনায় যে পথ তা হল  আধ্যাত্মবিজ্ঞান--- যার ব্যবহারিক নিত্যপ্রয়াস (প্র্যাকটিক্যাল্‌ কাল্ট বা প্রসেস্‌) হল ‘যোগ ও তন্ত্র’৷ এটা ধর্মসাধনার প্রয়োগবিজ্ঞান৷ এর একটা মৌখিক বা লিখিত বা তাত্ত্বিক রূপ আছে ঠিকই  তবে পুরোটাই গুরুনির্ভর, অর্থাৎ শিক্ষক বা আচার্য বা গুরু কাছে ব্যবহারিক রূপটা বা প্রয়োগকৌশলটা শিখতে হয়, আলপটকা কারে মুখে শুনে বা বই পড়ে হয় না৷ এটা কোন ধর্মমতের বা ধর্মগ্রন্থের এক্তিয়ারভুক্তও নয়৷ এটা সমগ্র মানবজাতির  পৈতৃক সম্পদ৷ মজার কথা হল, পৃথিবীর সমস্ত ধর্মগুরুই বা ধর্মমতের স্রষ্টারাই এই আধ্যাত্মবিজ্ঞানকে আশ্রয় করেই মহাপুরুষ বা যুগাবতার বা ধর্মগুরুর আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন৷ অথচ  তাঁরা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ওই অমৃত-ভাণ্ডারটি দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন৷ আর তাঁদের ধর্মমতের যাঁতাকলে পড়ে মানুষ নিজেদের মধ্যে বিভেদের প্রাচীর গড়ে তুলেছে৷ ধর্মমত নিয়ে পৃথিবীতে যত রক্তপাত হয়েছে দু’দুটো মহাযুদ্ধে তা হয়নি৷ এ হানাহানি আজো চলছে৷ সংবিধান এই সংকীর্ণ ভাবজড়তা আশ্রয়ী ধর্মমতকেই মান্যতা দিয়েছে, মানুষের  ধর্মকে বিসর্জন দিয়েছে৷

খ) কার্যত ঃ ধর্মনিরপেক্ষতার নামে সকল ধর্মমতকেই সমর্থন করা হয়৷ নয় কি? তাহলে ভারত সেকুলারকাণ্ট্রি হল কিভাবে?

গ) বহুধর্মমতের দেশ ভারতবর্ষ৷---ভারতের সংবিধান কোন একটি বিশেষ ধর্মমতকে রাষ্ট্রীয় ধর্মমত হিসাবে গ্রহণ করেনি ঠিকই, কিন্তু ধর্মমতের জটিলতা এড়াতে গিয়ে ধর্মের বিজ্ঞান তথা আধ্যাত্মবিজ্ঞানকেই যে বিসর্জন দিয়ে বসেছে! এটাই হল ‘ধর্মচ্যুতি’ ভারত ও ভারতবাসীর স্বার্থে আধ্যাত্মবিজ্ঞানকে (স্পিরিচুয়াল কাল্ট্‌) শিক্ষায়-সমাজভাবনায়-রাজনীতি তথা প্রাত্যহিক জীবন চর্যায় সর্বত্র  আবশ্যিক পালনীয় -অধিকার করা দরকার ছিল৷ অথচ হয়নি এরফলে  যে বিষবৃক্ষ ভারতীয় রাজনীতিতে রোপণ করা হল, তার বিষফলগুলো কী কী এবার তা দেখা যাক---(ক্রমশঃ)

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
জীবনের মূল মন্ত্র
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
ধন–সঞ্চয় সম্পর্কে প্রাউটের নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা
ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবী

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে
  • ভারতের ভয়ঙ্কর দশা থেকে বাঁচতে  শোষিত নাগরিকদের  ঐক্যবদ্ধ হতে হবে
  • প্রকৃত দেশপ্রেমিক ঋষি ডঃ আবদুল কালাম
  • চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ
  • বাঙালী জাতির অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
  • দুর্নীতিতে দেশ ডুবে যাচ্ছে ঃ মুক্তির উপায়?
  • ভারত কী শ্রীলঙ্কার পথে

পুরানো মাসিক খবর

  • February 2021 (117)
  • January 2021 (207)
  • December 2020 (82)
  • November 2020 (149)
  • October 2020 (87)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 4
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved