Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ

অসিত দত্ত

কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত প্রকৃতির পক্ষপাতিত্ব দেখে এক সময় বলে উঠেছিলেন, চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ ধরে দিতে পারো গোবি সাহারার বুকে? অর্থাৎ প্রকৃতি সৃষ্ট এই বিরাট পৃথিবীর কোথাও পাহাড়-পর্বত অনুর্বর পাথর কাঁকরে ভরা মৃত্তিকা, কোথাও মরুভূমি, কৃপন বর্ষা, কোথাও নদী-নালা, জঙ্গলাকীর্ণ বনভূমি, কোথাও গরম উর্বর মৃত্তিকা, কোথাও সমুদ্রের বিশালজলরাশি তার মধ্যে ছোট বড় দ্বীপভূমি, পৃথিবী এককথায় বৈচিত্র্যময়৷ সেখানে নানান ধরণের জীবজন্তু, কীটপতঙ্গ, জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণী ও অবশ্যই মানুষ৷ বৈচিত্রময় এই পৃথিবী দেখে স্বাভাবিক ভাবেই মানুষের মনে হতে পারে পৃথিবী পক্ষপাতদুষ্ট৷ কবিও প্রকারান্তরে তাই বলেছেন৷ প্রকৃতি কাউকে বেশী কৃপা করেছে৷ কারোর প্রতি সে অকরুণ৷ কিন্তু জীবজন্তু মানুষ কোন সময়েই প্রকৃতির উপর নির্ভর করে বসে থাকেনি৷ তারা একস্থান থেকে অন্য স্থানে  গিয়েছে অনুকূল পরিবেশের সন্ধানে৷ যেখানে অনুকূল পরিবেশ পেয়েছে সেখানেই সে ঘাঁটি গেড়ে বসেছে৷  অবশ্য যারা অনুকূল পরিবেশের সন্ধান পায়নি তারা পৃথিবীপৃষ্ট থেকে অবলুপ্ত হয়ে গেছে৷ ফসিল হয়ে থেকেছে কেউ কেউ৷ আগ্ণেয়গিরির অগ্ণ্যুপাত, সমুদ্রের জলোচ্ছাস, সাইক্লোন, হঠাৎ হঠাৎ ভূমিকম্পে সমুদ্রের তলদেশ  উপরে উঠে এসেছে৷ মরুভূমি সৃষ্টি করেছে, পাহাড়-পর্বত সৃষ্টি করেছে৷ আবার উপরের স্তর নীচে নেমে জলাশয় বা সমুদ্র সৃষ্টি করেছে৷ পৃথিবী এমন খামখেয়ালীপনায়  মত্ত ছিল৷ ধীরে ধীরে পৃথিবীর  খামখেয়ালীপনা স্তিমিত হয়েছে একটা স্থিতাবস্থায় এসেছে মানুষ তখন অনেক উন্নত হয়েছে৷ যে যেমন পেয়েছে তাকেই তারা সাময়িকভাবে মেনে নিয়েছে৷ কিন্তু তারমধ্যে  পাশবিক প্রবৃত্তিগুলি সমান কার্যকরী ছিল৷ এমন সময় এই মানুষের মধ্যেই আবির্ভূত হয়েছেন সদাশিব৷ যিনি মানুষকে নতুন পথের দিশা  দিলেন৷ পাশবিক প্রবৃত্তিগুলো সংযত  করার শিক্ষা দিলেন৷ গোষ্ঠীতে  গোষ্ঠীতে লড়াই বন্ধ করে শান্তি ফেরালেন৷ নৃত্যগীত, বাদ্য, নাট্য, দিয়ে তিনি মানসিক উন্নতি ঘটাতে চেষ্টা করলেন৷ আর সেখান থেকে কীভাবে আধ্যাত্মিক  পথে অগ্রসর হওয়া যায় তা তিনি শেখালেন৷ আরো অনেক মানসিক সম্পদ মানুষের হাতে তুলে দিলেন৷ এরও  কিছু পরে ভারত মহেঞ্জদারো-হরপ্পার মত সভ্যতা পেয়েছিল৷ এমনি করে চলছিল৷ কিন্তু  মানুষতো  পুরোপুরি পাশবিক প্রবৃত্তিগুলোকে সংযত করতে পারিনি৷ তাই এরপর অনেক ছোট ছোট রাজ্য গড়ে উঠেছিল৷ লোভ লালসার বশবর্তী হয়ে রাজ্যে রাজ্যে লড়াই লেগেই থাকতো৷ রক্তপাত হতেই থাকলো৷ রাজারা সব দুরাচারী হতে লাগলো৷ নিজেদের ভোগ বিলাস কায়েম রাখার জন্য প্রজাদের উপর অত্যাচার চালাতে লাগলো৷ এইরকম একটি অবস্থায় আবির্ভূত হলে শ্রীকৃষ্ণ৷ তিনি দুর্বল  ধর্মপ্রাণ মানুষের  পাশে দাঁড়ান৷  ফলে বিশ্বময় কুরুক্ষেত্রের মহাযুদ্ধ করে মহাভারত রচনা করলেন৷ প্রকৃত শান্তির প্রতিষ্ঠা করলেন৷ শ্রীকৃষ্ণের মহাপ্রয়াণের  পরেও সেই শান্তির পরিবেশ ছিল, সেই পরিবেশে মানুষ শাস্ত্র, ধর্ম, দর্শন, জ্ঞান, বিজ্ঞানের  চর্র্চ করে একটা উন্নত অবস্থায় পৌছে গেল৷ বিশ্বের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় এই সময় সৃষ্টি হয়েছিল৷ মহাত্মা গৌতমবুদ্ধ এরপরে  প্রেম-মৈত্রী- শান্তির  বাণী জগৎবাসীকে  শোণালেন৷ প্রকৃতিও এখানে অকৃপণভাবে সম্পদ ঢেলে দিয়েছিল৷ কিন্তু প্রকৃতি যেখানে  অকরুণ সেই মধ্যপ্রাচ্যের মধ্য এশিয়ার মানুষের  নজরে পড়লো সুজলাং সুফলাং ভারতভূমির দিকে৷ দলে দলে,  শক, হুন, গ্রীক পারসিক, হানাদাররা ভারতের সম্পদ লুন্ঠনের  আশায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল৷

অনেকেই স্থায়ীভাবে এখানে রয়ে গেছেন৷ আরো অনেক পরে তুর্কী,মোঘল, পাঠানরা ভারতের  সম্পদ লুন্ঠনের  আশায়  ঝাঁপিয়ে পড়ে৷ এরাও অনেকে অনুকূল পরিবেশ পেয়ে যায়৷

প্রকৃতি খামখেয়ালী, পক্ষপাতদুষ্ট, অকরুণ, এই যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে তা কী সঠিক? এই পৃথিবীর যাবতীয় সম্পদ সব কিছুই  ব্রহ্মের বিকাশ৷ সমস্ত কিছুতেই তার স্নেহের পরশ রয়েছে৷ তিনিতো উদ্ভিদ, জীবজন্তু, মানুষ সবাইকে ভালোবাসেন৷ তিনিইতো শ্রষ্ঠা৷ তিনিতো কারোর প্রতি পক্ষপাতিত্ব করতে পারেন না৷ কিন্তু  তবুও মানুষে মানুষে হানাহানি, জাতপাতের লড়াই সম্পদের অসম বন্টন, অভাব দারিদ্র্যের জন্য মানুষের দুঃখ কষ্টের সীমা নেই৷ উদ্ভিদ ও জীবজন্তু মানুষের অত্যাচারে জর্জরিত৷ অনেকে ধরা পৃষ্ঠ থেকে  বিলুপ্ত হয়ে গেছে৷ এখানে  দরকার ছিল আর একজন মনীষির যিনি মানুষকে  ডেকে বলবেন মানুষ তুমি পৃথিবীতে  এমন একটি পরিবেশ রচনা কারো যেখানে মানুষ, জীবজন্তু ও উদ্ভিদের  পরিপূর্ণ বিকাশ হয়ে থাকলে সকলে  সুখে শান্তিতে থেকে সেই শ্রষ্টার দিকে এগিয়ে যেতে পারে  সেই মনীষি নিঃসন্দেহে আজকের মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার তথা শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তি৷ তিনি বলেন--- এই জগতের  যাবতীয় জাগতিক, মানসিক, আধ্যাত্মিক সম্পদের  সর্বাধিক উপযোগ গ্রহণ করে সকলের মৌলিক চাহিদা পূরণ করো যুক্তি সম্পন্ন  বন্টন করো, নব্যমানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে জীবজন্তু , উদ্ভিদ মানুষ সকলের বিকাশের জন্য এগিয়ে চলে শ্রষ্টার দিকে নোতুন পৃথিবী গড়ে তোলে৷

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
জীবনের মূল মন্ত্র
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
ধন–সঞ্চয় সম্পর্কে প্রাউটের নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা
ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবী

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে
  • ভারতের ভয়ঙ্কর দশা থেকে বাঁচতে  শোষিত নাগরিকদের  ঐক্যবদ্ধ হতে হবে
  • প্রকৃত দেশপ্রেমিক ঋষি ডঃ আবদুল কালাম
  • চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ
  • বাঙালী জাতির অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
  • দুর্নীতিতে দেশ ডুবে যাচ্ছে ঃ মুক্তির উপায়?
  • ভারত কী শ্রীলঙ্কার পথে

পুরানো মাসিক খবর

  • May 2019 (129)
  • April 2019 (111)
  • March 2019 (138)
  • February 2019 (122)
  • January 2019 (101)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 8
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved