Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

‘নোতুন পৃথিবী’র কর্তব্যবন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে সত্যলোকে সত্যশিবানন্দ

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sat, 20-02-2021

 

প্রাউটিষ্ট ইয়ূনি্বার্সালের বাংলা মুখপত্র ‘নোতুন পৃথিবী’র সঙ্গে সব কর্তব্য বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে সত্যলোকে পাড়ি দিলেন আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী ভোর তিন ঘটিকায় ৭৮ বছর বয়সে৷ বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন৷ রোগের প্রকোপ বাড়লেও তিনি কখনই দায়িত্ব ও কর্তব্য থেকে বিশ্রাম নেননি৷ বাংলায় প্রবাদ আছে---‘‘কাজ করতে করতে মর’৷ প্রাউট প্রবক্তা পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার বলতেন--- ‘‘তোমরা মরতে মরতেও কাজ করে যাবে৷’’ প্রবক্তার সেই নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করে গেলেন বিশিষ্ট প্রাউট তাত্ত্বিক আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত৷

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত তাঁর সংঘ জীবনের  শুরুর কয়েক বছর ছাড়া আজীবন প্রাউটিষ্ট ইয়ূনি্বার্সালের বাংলা মুখপত্র নোতুন পৃথিবীর সম্পাদক ছিলেন৷ মাঝে দুই দশক নোতুন পৃথিবীর বাইরে ছিলেন৷ তবে  সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাননি৷ সম্পাদকের দায়িত্বেই ছিলেন জলপাইগুড়ি থেকে প্রকাশিত বাঙলা মুখপত্র ‘আলোর পথের নিশানা’ পত্রিকার৷

আদর্শে অটল, কর্তব্যে অবিচল এক অনুপম ব্যষ্টিত্বের অধিকারী ছিলেন আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত৷ দায়িত্বে অবহেলা ও সন্ন্যাস জীবনের নিয়ম নিষ্ঠার কোন খাম্‌তি ছিল না জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত৷ শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কখনই তাঁকে কর্তব্য থেকে বিরত করতে পারেনি৷

আচার্য প্রবুদ্ধানন্দ অবধূতের স্মৃতিচারণ ---

‘নোতুন পৃথিবী’ খবরের কাগজ ছিল বাবার ব্রেকফাস্ট৷ অর্থাৎ নোতুন পৃথিবী পত্রিকা ছাপানো হয়েছে দেখে বা জেনে তারপর বাবা জলখাবার খাওয়ার সম্মতি দিতেন৷ তাই অধিকাংশ সময় সত্যশিবানন্দদা ও অন্যান্য কর্মীবৃন্দ সারারাত জেগে লিখে মোমবাতি বা লম্ফ বা হ্যারিকেন জ্বালিয়ে  কম্পোজ করে নিয়মিত ‘নোতুন পৃথিবী’ ম্যানুয়ালী ছাপিয়ে পত্রিকা হাতে নিয়ে বাবার কোয়াটার্স লেকগার্ডেন মধুমালঞ্চে পৌঁছাতেন৷ ‘নোতুন পৃথিবী’ না হলে বাবা হয়ত অভুক্ত থাকবেন৷ তাই অনেক সময় নিজে অভুক্ত থেকে সারারাত জেগে পত্রিকা ছেপে লেকগার্ডেনে পৌঁছে দিতেন৷ দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা ও ঐকান্তিক গুরুভক্তির এমন নিদর্শন খুব কমই পাওয়া যায়৷

সেযুগে না ছিলো অফসেট ছাপাখানা, না ছিল বৈদ্যুতিক সাজসরঞ্জাম৷ অর্থবলও তেমন ছিলনা৷  ছিল এক মাত্র আদর্শ, কর্ম-নিষ্ঠা, কর্তব্য পরায়ণতা ও অবিচল ভক্তি৷ এরই জোরে সেদিন সমস্ত রকম প্রতিকূল পরিবেশকে উপেক্ষা করে প্রতিদিন প্রভাতে বাবার হাতে নোতুন পৃথিবী পৌঁছে দিতেন৷  এমনি প্রেরণাদায়ক কর্মী ছিলেন সকলের প্রিয় আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত৷ আজ তিনি পাড়ি দিয়েছেন উর্দ্ধলোকে, আশ্রয় নিয়েছেন বাবার স্নেহময় ক্রোড়ে৷ তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি ও মুক্তি কামনা করি৷ জানাই তাঁকে সশ্রদ্ধ প্রণাম৷ প্রাউটিষ্ট ইয়ূনি্বার্সালের বাংলা মুখপত্র ‘নোতুন পৃথিবী’র সঙ্গে সব কর্তব্য বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে সত্যলোকে পাড়ি দিলেন আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী ভোর তিন ঘটিকায় ৭৮ বছর বয়সে৷ বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন৷ রোগের প্রকোপ বাড়লেও তিনি কখনই দায়িত্ব ও কর্তব্য থেকে বিশ্রাম নেননি৷ বাংলায় প্রবাদ আছে---‘‘কাজ করতে করতে মর’৷ প্রাউট প্রবক্তা পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার বলতেন--- ‘‘তোমরা মরতে মরতেও কাজ করে যাবে৷’’ প্রবক্তার সেই নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করে গেলেন বিশিষ্ট প্রাউট তাত্ত্বিক আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত৷

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত তাঁর সংঘ জীবনের  শুরুর কয়েক বছর ছাড়া আজীবন প্রাউটিষ্ট ইয়ূনি্বার্সালের বাংলা মুখপত্র নোতুন পৃথিবীর সম্পাদক ছিলেন৷ মাঝে দুই দশক নোতুন পৃথিবীর বাইরে ছিলেন৷ তবে  সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাননি৷ সম্পাদকের দায়িত্বেই ছিলেন জলপাইগুড়ি থেকে প্রকাশিত বাঙলা মুখপত্র ‘আলোর পথের নিশানা’ পত্রিকার৷

আদর্শে অটল, কর্তব্যে অবিচল এক অনুপম ব্যষ্টিত্বের অধিকারী ছিলেন আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত৷ দায়িত্বে অবহেলা ও সন্ন্যাস জীবনের নিয়ম নিষ্ঠার কোন খাম্‌তি ছিল না জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত৷ শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কখনই তাঁকে কর্তব্য থেকে বিরত করতে পারেনি৷

‘নোতুন পৃথিবী’ খবরের কাগজ ছিল বাবার ব্রেকফাস্ট৷ অর্থাৎ নোতুন পৃথিবী পত্রিকা ছাপানো হয়েছে দেখে বা জেনে তারপর বাবা জলখাবার খাওয়ার সম্মতি দিতেন৷ তাই অধিকাংশ সময় সত্যশিবানন্দদা ও অন্যান্য কর্মীবৃন্দ সারারাত জেগে লিখে মোমবাতি বা লম্ফ বা হ্যারিকেন জ্বালিয়ে  কম্পোজ করে নিয়মিত ‘নোতুন পৃথিবী’ ম্যানুয়ালী ছাপিয়ে পত্রিকা হাতে নিয়ে বাবার কোয়াটার্স লেকগার্ডেন মধুমালঞ্চে পৌঁছাতেন৷ ‘নোতুন পৃথিবী’ না হলে বাবা হয়ত অভুক্ত থাকবেন৷ তাই অনেক সময় নিজে অভুক্ত থেকে সারারাত জেগে পত্রিকা ছেপে লেকগার্ডেনে পৌঁছে দিতেন৷ দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা ও ঐকান্তিক গুরুভক্তির এমন নিদর্শন খুব কমই পাওয়া যায়৷

সেযুগে না ছিলো অফসেট ছাপাখানা, না ছিল বৈদ্যুতিক সাজসরঞ্জাম৷ অর্থবলও তেমন ছিলনা৷  ছিল এক মাত্র আদর্শ, কর্ম-নিষ্ঠা, কর্তব্য পরায়ণতা ও অবিচল ভক্তি৷ এরই জোরে সেদিন সমস্ত রকম প্রতিকূল পরিবেশকে উপেক্ষা করে প্রতিদিন প্রভাতে বাবার হাতে নোতুন পৃথিবী পৌঁছে দিতেন৷  এমনি প্রেরণাদায়ক কর্মী ছিলেন সকলের প্রিয় আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূত৷ আজ তিনি পাড়ি দিয়েছেন উর্দ্ধলোকে, আশ্রয় নিয়েছেন বাবার স্নেহময় ক্রোড়ে৷ তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি ও মুক্তি কামনা করি৷ জানাই তাঁকে সশ্রদ্ধ প্রণাম৷

 

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
জীবনের মূল মন্ত্র
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
ধন–সঞ্চয় সম্পর্কে প্রাউটের নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা
ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবী

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে
  • ভারতের ভয়ঙ্কর দশা থেকে বাঁচতে  শোষিত নাগরিকদের  ঐক্যবদ্ধ হতে হবে
  • প্রকৃত দেশপ্রেমিক ঋষি ডঃ আবদুল কালাম
  • চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ
  • বাঙালী জাতির অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
  • দুর্নীতিতে দেশ ডুবে যাচ্ছে ঃ মুক্তির উপায়?
  • ভারত কী শ্রীলঙ্কার পথে

পুরানো মাসিক খবর

  • February 2021 (117)
  • January 2021 (207)
  • December 2020 (82)
  • November 2020 (149)
  • October 2020 (87)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 4
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved