সংবাদ দর্পণ

নদীয়া জেলায় কৃষ্ণনগর ডিট লেবেল সেমিনার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর মোমিনপার্কে অবস্থিত জাগৃতি ভবনে  ১১ও ১২ই আগষ্ট  শনি ও রবিবার শতাধিক আনন্দমার্গের সদস্য-সদস্যার উপস্থিতিতে কৃষ্ণনগর ডায়োসিস সচিব আচার্য বিশ্বেশ্বরানন্দ অবধূত ও ভুক্তি কমিটির সদস্যবৃন্দের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কৃষ্ণনগর ডিট লেবেল সেমিনার অনুষ্ঠিত হ’ল৷

১১ই আগষ্ট আচার্য দেবেশানন্দ অবধূত ও অবধূতিকা আনন্দবিভূকণা আচার্যার পরিচালনায় বেলা ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা ব্যাপী মানবমুক্তির মহামন্ত্র ‘বাবা নাম কেবলম্’ অখণ্ড সংকীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ কীর্ত্তন শেষে মিলিত সাধনা, গুরুপূজা হয়৷ সাধ্যায় করেন আচার্য দেবেশানন্দ অবধূত৷ এরপরেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ অবধূত, ডায়োসিস সচিব আচার্য বিশ্বেশ্বরানন্দ অবধূত, ভুক্তিপ্রধান অনিল চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ সেমিনারের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন৷ মধ্যাহ্ণ আহারের পরে সেমিনারের প্রধান প্রশিক্ষক আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ অবধূত ‘সংগ্রামের বৈপরিত্যম’ ও ১২ তারিখে ‘ব্রহ্মসদ্ভাব’ বিষয় দুটির ওপর ক্লাস নিতে গিয়ে তিনি বলেন, সাধনার মাধ্যমে মনকে আত্মায় প্রতিষ্ঠিত করলে পরমাত্মাকে পাওয়া যায়৷ সমাধি হলে সে অনুভব করবে পরমপুরুষ এক তখন তাঁর মন হারিয়ে যায়৷

এছাড়া সেমিনারের দু’দিন ধরে সকাল-বিকেলে প্রভাত সঙ্গীত, মিলিত কীর্ত্তন, মিলিত সাধনা, গুরুপূজা হয়৷ সেমিনারটি পরিচালনা করেন বিদায়ী ডায়োসিস সচিব আচার্য মন্ত্রশুদ্ধানন্দ অবধূত৷

রঘুনাথবাড়ীতে তত্ত্বসভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২৫শে আগষ্ট রঘুনাথবাড়ীর চাঁইপুর গ্রামে শ্রী অসিত মাইতির বাড়ীতে একটি তত্ত্বসভার আয়োজন করা হয়৷ উক্ত অনুষ্ঠানে প্রথমে প্রভাত সঙ্গীত, কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পরে আনন্দমার্গ দর্শনের ওপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন শ্রীসুভাষপ্রকাশ পাল ও রঞ্জিত কুমার রাউথ৷ জেলার ভুক্তিপ্রধান শ্রী সুভাষ চন্দ্র পাল বলেন, সাধনা, সেবা ও ত্যাগের মাধ্যমেই মানব জীবন সার্থক হয়ে ওঠে৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন শ্রী সঞ্জিত বাগ৷

কৃষ্ণনগরে প্রভাত সঙ্গীত প্রতিযোগিতা ২০১৮

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২রা সেপ্ঢেম্বর রবিবার রেণেশাঁ আর্টিষ্টস্ এ্যাণ্ড রাইটার্স এ্যাশোসিয়েশন কৃষ্ণনগর শাখা সকাল ১০টা থেকে ১০৫ জন বিভিন্ন বিভাগের প্রতিযোগীদের নিয়ে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে---কৃষ্ণনগর হাইস্কুলে বিশ্ববন্দিত মাহান দার্শনিক ও কালজয়ী সঙ্গীতগুরু শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার রচিত ও সুরারোপিত প্রভাত সঙ্গীতের ৩৬ বছর পূর্ত্তি উপলক্ষ্যে প্রভাত সঙ্গীত, প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য ও অঙ্কণের প্রাক্ চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হ’ল৷ এই প্রতিযোগিতায় অর্গানাইজার ছিলেন শ্রী আনন্দ মণ্ডল, অনুময় বিশ্বাস, গোবিন্দ বিশ্বাস, গোরাচাঁদ দত্ত, বৃন্দাবন বিশ্বাস, মনোরঞ্জন বিশ্বাস, গৌরাঙ্গ মল্লিক সহ ভুক্তিকমিটির সদস্যবৃন্দ৷

একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববন্দিত মহান দার্শনিক ও কালজয়ী সঙ্গীতগুরু শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের প্রতিকৃতিতে বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ---জেলা রাওয়া সচিব ডাঃ নিখিল চন্দ্র দাস, কৃষ্ণনগর ডায়োসিস সচিব আচার্য বিশ্বেশ্বরানন্দ অবধূত, ভুক্তিপ্রধান অনিল চন্দ্র বিশ্বাস, বিশিষ্ট প্রবীণ আনন্দমার্গী শ্রী জয়দেব ভট্টাচার্য মাল্যদান করেন ও অতিথিবৃন্দ আনন্দমার্গের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখার পরই প্রতিযোগিতা শুরু হয়৷ প্রতিযোগিতা শেষে উপস্থিত সদস্যবৃন্দ প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন৷

কোচবিহার ‘আমরা বাঙালী’র  অসমগামী রেল-রোকো আন্দোলন ২০০০ আমরা বাঙালী কর্মী গ্রেফ্তার ও পরে মুক্তি

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

অসমে  নাগরিকপঞ্জীর তৈরীর নামে  প্রায়  ৪০ লক্ষ বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণের  প্রতিবাদ গত ৩০শে আগষ্ট আমরা  বাঙালীর  তরফ থেকে  নিউকোচবিহার  রেলষ্টেশনে অসমগামী রেল অবরোধ আন্দোলনের  কর্মসূচী নেওয়া হয়৷  এই  অনুসারে  এদিন সকালে কোচবিহার থেকে ২ হাজারের বেশি  ‘আমরা বাঙালী’র কর্মী  নিউ কোচবিহার ষ্টেশনে  এসে  পৌঁছে  যায়৷  এখানে  আমরা বাঙালীর  আন্দোলন  রুখতে  ১ হাজারের বেশি  রেল পুলিশ  মোতায়েন  ছিল৷  তাদের সঙ্গে  আমরা বাঙালীর কর্মী ও সমর্থকদের দফায় দফায় বাত-বিতণ্ডা ও ধবস্তাধস্তি চলতে থাকে৷  আন্দোলনকারীরা বাঙালী বিদ্বেষী অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সেনওয়ালের কুশপুত্তলিকাও দাহ করে৷

আমরা বাঙালীর  সমর্থকদের  একটি দল ঘুরপথে গিয়ে  একটু  দূরে  রেল লাইন অবরোধ করে বসে পড়ে৷  তখন  রেল পুলিশের ও একটা বড়  অংশ সেখানে  গিয়ে রেললাইন অবরোধকারীদের  রেললাইন  থেকে হটানোর  চেষ্টা করে৷  এইভাবে  দিনভর  দফায় দফায়  রেলপুলিশের  সঙ্গে  আমরা বাঙালী সমর্থকদের লুকোচুরি  খোলা চলতে  থাকে৷  ঘন্টাখানেক  এইভাবে  চলার পর  জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ঘটনাস্থলে  এসে পৌঁছান৷

তিনি আন্দোলনকারীদের  গ্রেফতারের পর আবাার বিনা শর্তে মুক্তি দেন৷

আমরা বাঙালীর এই আন্দোলনের  সঙ্গে  মানব সুরক্ষা ও জাগরণ  সংঘটনের  নেতা  রাজু ঘোষ  ও সর্বভারতীয় নমঃশূদ্র কমিটির  সম্পাদক  মুকুল বৈরাগ্য ও তাঁর লোকজনও সামিল  হয়েছিলেন৷ এছাড়া অসমের  গুয়াহাটির  বিশিষ্ট আইনজীবী নজরুল ইসলাম  প্রমুখ  এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন৷

এছাড়া  অসম থেকে আগত  বহু বাঙালী এই বাঙালী  এই আন্দোলনে  যোগ দেন৷ তাঁরা  সাংবাদিকদের  কাছে  নথিপত্র  দেখিয়ে  বলেন, তাঁরা  যে অসমের  বৈধ নাগরিক তার স্বপক্ষে তাঁরা   ১৯৭১ সালের  আগেরও  অনেক নথিপত্র  সরকারের কাছে  জমা দিয়েছেন,  তা সত্ত্বেও নাগরিকপঞ্জীর  থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া  হয়েছে৷ ফলে তাদের জীবনে অনিশ্চিততা নেমে আসছে৷ এ থেকে  স্পষ্ট  প্রমাণিত হচ্ছে যে,  অসম থেকে  বাঙালীদের  তাড়ানোর  এক  ভয়ঙ্কর  ষড়যন্ত্র চলছে৷

এই পরিপ্রেক্ষিতে  আমরা বাঙালীর  সচিব  বকুলচন্দ্র রায় বলেন,  ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তে  আগেকার  বাঙলার বহু অংশ যেমন গোয়ালপাড়া, লামডিং কাছাড় প্রভৃতি  অসমের সঙ্গে  সংযুক্ত  করা হয়েছে৷ তাছাড়া  ওপর  বাঙলা থেকে আগত  বাঙালীরাও স্বাধীনতার পর  কেন্দ্রীয়  সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি  অনুসারে  ভারতের  বৈধ নাগরিক৷ অতএব৷ অসমের  একটি  বাঙালী ও বিদেশী নয়,  প্রত্যেকেই  ভারতের নাগরিক৷

স্থানীয় জনসাধারণও আমরা  বাঙালীর এই আন্দোলনকে  সমর্থন  জানায়৷ তাঁদের  সামনে  আমরা বাঙালী সচিব  বকুলচন্দ্র রায়  ছাড়াও বক্তব্য রাখেন  সাংঘটনিক  সচিব  খুশী রঞ্জন মন্ডল, উত্তরবঙ্গের  সাংঘটনিক  সচিব দলেন রায়,  কেন্দ্রীয়  পঞ্চশাখা  সচিব  সুবোধ  বর্মন, জেলা সচিব  সন্তোষ মোদক৷  কেন্দ্রীয়  কমিটির  সদস্য শ্রীমতী প্রতিমা রায়, নীরদ অধিকারী, রাঢ়ের  সাংঘটনিক  সচিব  বিভূতি দত্ত, শ্যামসুন্দর  দাস প্রমুখ৷

এলাকার  সবাই  আমরা  বাঙালীর  আন্দোলনকে  স্বতঃস্ফূর্তভাবে  সমর্থন জানায়৷

অসমে বিদেশী আখ্যা দিয়ে বাঙালী নির্র্যতন ও বিতাড়নের বিরুদ্ধে পূর্বমেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকায়  ‘আমরা বাঙালী’র পথসভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত  ৩রা সেপ্ঢেম্বর ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে অসমে বিদেশী  আখ্যা দিয়ে ৪০ লক্ষকে বাঙালীদের  নির্র্যতন ও বিতাড়নের বিরুদ্ধে পূর্বমেদিনীপুরে বিভিন্ন  এলাকায়  প্রতিবাদ মিছিল বের হয়৷ যেমন --- পাঁশকুড়া ষ্টেশন এলাকা,  পুরুষোত্তমপুর, দামোদরপুর, রাধামণি বাজার, তমলুকের হসপিটালের মোড় ও মেছেদা বাসস্ট্যাণ্ডের সন্নিকটে  এই প্রতিবাদ মিছিলটি শেষ হয় ও জেলার প্রচুর ‘আমরা বাঙালী’ কর্মীরা এই প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভায়  অংশগ্রহণ করে৷ উক্ত পথসভায় বক্তব্য রাখেন--- জেলা সচিব চিন্ময় কালসার, কেন্দ্রীয় অর্থসচিব শুভেন্দু ঘোষ, আন্দোলন সচিব রাজু মান্না,   রাঢ় বাংলার  সাংঘটনিক সচিব বিভূতি দত্ত, কেন্দ্রীয় সচিব বকুলচন্দ্র রায় প্রমুখ৷

ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস পালন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১১ই আগষ্ট হাওড়ার সাঁকড়াইল ব্লকের আলমপুর মোড়ে ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস উপলক্ষ্যে ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়৷ উক্ত পথসভায় প্রথমে ক্ষুদিরাম বসুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন কেন্দ্রীয় সচিব শ্রী বকুল চন্দ্র রায়, উৎপল কুণ্ডু চউধুরী, অর্ণব কুণ্ডু চউধুরী, গোপা শীল প্রমুখ৷ তাঁরা পথসভায় ক্ষুদিরাম বসুর স্বপ্ণকে কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়---এসম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অসমের এন.আর.সি. প্রসঙ্গও টেনে আনেন৷ সেখানে বাঙালীদের কীভাবে বিদেশী আখ্যা দেওয়ার ঘৃণ্য পরিকল্পনা চলছে তার তীব্র প্রতিবাদ করেন৷ উক্ত অনুষ্ঠানে অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়৷

আমরা বাঙালীর মিছিল ও পথ সভাও স্মারকপত্র পেশ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

জলপাইগুড়ি ঃ অসমে জাতীয় নাগরিকপঞ্জীর নামে প্রায় ৪০ লক্ষ বাঙালীকে অসম থেকে বিতাড়নের চক্রান্তের প্রতিবাদে আমরা বাঙালীর জলপাইগুডি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে গত ২৩ শে আগষ্ট এখানকার জেলা শাসকের কাছে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে এক স্মারকলিপি পেশ করা হয়৷ এই স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন আমরা বাঙালীর র সাংঘটনিক সচিব খুশীরঞ্জন মণ্ডল৷ জেলা সচিব কেশবচন্দ্র সিন্হা, সহসচিব ধীরেন্দ্রনাথ রায়, নীরদ অধিকারী, জেলা সাংস্কৃতিক সচিব বিনয় সরকার প্রমুখ৷

স্মারকলিপি প্রদানের পর আমরা বাঙালীর কর্মী ও সার্থকগণ মিছিল করে কদমতলাতে পৌঁছে এখানে এক পথসভা করেন৷ পথ সভায় বক্তব্য রাখেন খুশীরঞ্জন মন্ডল, কেশব চন্দ্র সিনহা৷ হরেন্দ্র নাথ রায় প্রমুখ৷

তারা বলেন, যে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ করেছে, রক্ত দিয়েছে , ফাঁসী কাঠে প্রাণ দিয়েছে বাঙালীরা৷

আজ হিন্দী সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তে সেই বাঙালীদের অসম, মণিপুর, ত্রিপুরা--- সর্বত্র বিদেশী তকমা দিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে৷ এর প্রতিবাদে সমস্ত বাঙালীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রামে নামতে হবে৷

রক্ত ঝরা বন্ধ হোক, গণতন্ত্রে শাসকগণ আর্থিক উন্নয়নে মন দিন

সংবাদদাতা
প্রবীর সরকার
সময়

আইনের রক্ষক ও ধারক মহামান্য সুপ্রিমকোর্ট এর রায় মেনেই যে ৩৪ শতাংশ আসনে পঞ্চায়েতের বোর্ড ঘটনের আয়োজন হয় সেখানকার অধিকাংশ ক্ষেত্রে যে বিক্ষোভ মারামারি ও হত্যাকান্ড ঘটে, গোলাগুলি চলায় সেটা মর্মান্তিক ও গণতন্ত্রের কলঙ্ক ছাড়া কিছুই নয়৷ এমন মর্মান্তিক ঘটনা ভারতের অন্য কোন রাজ্যে হয়েছে বলে অন্ততঃ স্মরণে আসছে না৷ কিন্তু দেখা গেল সেই একই অভিযোগ রাজনৈতিক দলগুলির তা সরকার পক্ষ বিরোধীদের আর বিরোধী পক্ষ সরকার পক্ষের উপর দোষারোপ করছে৷

ইতিবৃত্তের প্রেক্ষিতে কিন্তু আমরা সেই প্রথম থেকে দেখে আসছি সেই ১৯৪৭ সালের আগে  থেকে রাজনীতির কারবারিরা নিছক নিজেদের সংকীর্ণ স্বার্থ সিদ্ধি র জন্য রক্তঝরা বিভৎস্য কান্ড করে আসছে যাতে হতদরিদ্র জনগণের প্রাণ ও তাদের ছেলেমেয়েরাই মারা পড়ছে৷ লক্ষ লক্ষ মানুষ মরেছে সেই বিদেশী ইংরেজ সরকার ও এদেশের স্বার্র্থন্ধ নেতা যারা দেশভাগ করে নেতার আসনে বসতে মরিয়া ছিল৷ ঠিক আজও দেখা গেল সেই সব নেতা ও নেত্রীদের উস্কানীতেই পঞ্চায়েত বোর্ড ঘটনকালে বিজয়ী প্রার্থী থেকে আরম্ভ করে ঐ সব অঞ্চলের সমর্থকগণ অকালে প্রাণ হারালো গুলিবিদ্ধ হয়ে না হয় ছোড়া ও লাঠির আঘাতে৷ এমন কি এমনও দেখা গেল পুরুলিয়ার মাটিতে পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে  প্রার্থী সদলবলে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের ছত্রছায়ায় এসে হাজির হলো৷

আবার এমনও ঘটনা ঘটলো এক সময়ে যারা কংগ্রেসে ছিল তারা তৃণমূলে সপরিবারে এলো কিন্তু সেই পরিবারের তৃণমূল নেতা অকালে প্রাণ হারালে সেই জঘন্য দলীয় রেসারেসির কারণে৷

এটা কেমন ধরনের রাজনীতি? এটা কেমন ধরণের গণতন্ত্রের বাতাবরণে হিংসা হিংসী কান্ড? পঞ্চায়েতে তো প্রতিবেশী হিসাবে সবাই একই স্থানে বাস করে থাকে৷ মতামত আলাদা হতেই পারে এটাতো গণতন্ত্র৷ গণতন্ত্রতার জন্য হত্যা করে বিরোধী বলে জীবন কেড়ে নিয়ে পরিবারকে পথের কমেছে৷ কিন্তু কেন্দ্র এর কর্মচারীও অন্যান্যরা বেসিক  ৭ শতাংশ ডি.এ ২ শতাশ করে পাবে৷ আর রাজ্যের আর্থিক সংকট সেখানে কর্মচারীরা বঞ্চিত হবেন৷ কেমন কেন্দ্র সরকার?

আমরা আমাদের সেই ১৯৪৭ সাল থেকেই দেখে আসছি তা হলো যে রাজনৈতিক দলগুলো দখল করেই চলেছে৷ তারা সব রাজার হালে আছে৷ তাদের সম্পত্তির বৃদ্ধি কারোর কারোর আকাশ ছোঁয়া৷

তত্ত্বসভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

হাওড়া ঃ হাওড়ার আমতা ব্লকের জগন্নাথপুর গ্রীন হাউসে সম্প্রতি একটি তত্ত্বসভার আয়োজন করা হয়৷ তত্ত্বসভায় ‘আজকের সমাজে আনন্দমার্গ দর্শন’ ও ‘কৌষিকী নৃত্যের প্রয়োজনীয়তা’র ওপর আলোকপাত করেন অবধূতিকা আনন্দন্বেষা আচার্যা৷ উক্ত তত্ত্বসভায় শতাধিক মহিলা উপস্থিত থেকে তত্ত্বসভাটিকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন৷  সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন হাওড়া জেলার নারী কল্যাণ বিভাগের সচিব দীপ্তি বিশ্বাস৷

২৩শে সেপ্ঢেম্বর প্রভাত সঙ্গীতের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

প্রভাত সঙ্গীতের ৩৬বর্ষ পূর্ত্তি উপলক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ, অসম, ত্রিপুরা, ঝাড়খণ্ড প্রভৃতি বাংলাভাষী এলাকার বাইরেও কোথাও কোথাও প্রভাত সঙ্গীত প্রতিযোগিতা চলছে৷ এবার প্রভাত সঙ্গীতের কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত প্রভাত-সঙ্গীত প্রতিযোগিতার সঙ্গীত, অংকন ও নৃত্য বিভাগে ৬৮টি কেন্দ্রে প্রাথমিক প্রতিযোগিতা হচ্ছে৷ কোনও কোনও কেন্দ্রে এই প্রতিযোগিতা হয়ে গেছে, কোথাও হচ্ছে, কোথাও আগামী ১৬ই সেপ্ঢেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে৷ 

এখানে উল্লেখ্যযোগ্য, এবার নূতন ৭ জায়গায় প্রভাত সঙ্গীতের প্রতিযোগিতা হচ্ছে, জানা গেছে এবার মুম্বাইতেও প্রভাত সঙ্গীতের প্রতিযোগিতা হচ্ছে৷ ওখানকার আনন্দমার্গীরা এ ব্যাপারে বিশেষভাবে উদ্যোগী৷ ওইসব  প্রাথমিক প্রতিযোগিতায় যাঁরা ১ম ও ২য় হবেন তাঁরা কলকাতায় অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন৷

 আগামী ২৩শে সেপ্ঢেম্বর কলকাতায় ভি.আই.পি নগরে প্রভাত সঙ্গীতের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা হবে৷

এর আগে, ১৪ই সেপ্ঢেম্বর অন্য বছরের মত এবছরেও কেন্দ্রীয় কার্যালয় সহ সর্বত্র প্রভাত সঙ্গীতের ৩৬ বর্ষপূর্ত্তি উৎসব অনুষ্ঠিত হবে৷