সংবাদ দর্পণ

ভিন্ রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে বাঙালী যুবকের মৃত্যু

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতে  দেখা যাচ্ছে, গ্রামাঞ্চলের  অধিকাংশ যুবক কাজের উদ্দেশ্যে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে৷  অন্যরাজ্যে গিয়ে তারা যে খুব ভালভাবে  আছে, তা কিন্তু  নয়৷

হুগলির  ধনিয়াখালির এক যুবক গুজরাতের দিশা থানার পালংপুরে কাজ করতে যায়৷ হঠাৎ খবর  পাওয়া যাচ্ছে, ওই যুবক নাকি  গলায়  দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে৷ ওই যুবকের  নাম শান্তনু সাঁতরা৷ সে সোণা-রূপার কারিগরের কাজ করত৷ শোণা যাচ্ছে,  তার সঙ্গে মালিকের  টাকা-পয়সা নিয়ে গোলমাল চলছিল৷ এখন  ওই মালিকই শান্তনুকে মেরে  ফেলেছে কিনা এ নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধছে৷ শান্তিপুর বাড়ীর লোকের অন্ততঃ তাই ধারণা৷

এক বিধায়ক= ১০০ কোটি টাকা, কর্ণাটকে সরকার গড়ার শপথ নিল বিজেপি

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

কর্ণাটকে  সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের  ফলাফল ঘোষিত  হল ১৫ই মে৷  মোট ২২৪ টি আসনের মধ্যে  নির্বাচন হয়েছে ২২২ টি আসনে৷ ২টি আসনে নির্বাচন স্থগিত  আছে৷ নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর দেখা পেল বিজেপি পেয়েছে ১০৪, কংগ্রেস ৭৮,  জেডি (এস) ৩৭, বি এস পি ১, অন্যান্য ২৷

বিজেপির  প্রাপ্ত আসন সংখ্যা সর্বাধিক হলেও জয়ের জন্যে  দরকার ১১২ টি  আসন৷ বিজেপি এই ম্যাজিক  সংখ্যায় পৌঁছাতে পারিনি৷ এদিকে  নির্বাচনের  ফলাফল ঘোষণার  সাথে সাথেই ইয়ূপি -এর চেয়ারপার্সন  সোনিয়া গান্ধী আসরে নেমে পড়লেন৷ তিনি  জিডি (এস)-এর  সর্বভারতীয় সভাপতি  এইচ-ডি দেবেগৌড়া ফোন করে জানান, কংগ্রেস তাঁর ছেলে  কুমারস্বামীকে মুখ্যমন্ত্রীত্বের  পদ দিতে রাজী যদি  জেডি (এস) সরকার তৈরী করতে রাজী থাকে, কংগ্রেস বাইরে  থেকে  সমর্থন  জানাবে৷  দেবেগৌড়া জানান, বাইরে  থেকে নয়, কংগ্রেসকে সরকার  থাকতে হবে ৷ কংগ্রেস রাজী হয়ে যায়৷  এই অবস্থায় কংগ্রেস ও জেডি (এস)-এক মোট আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৫ টি৷ অর্থাৎ ম্যাজিক সংখ্যার ওপরে৷ স্বাভাবিকভাবে  তারা  রাজ্যপালের  কাছে  সরকার গড়ার  দাবী জানায়৷

অপরপক্ষে রাজ্যপাল কিন্তু  সর্বাধিক  আসনের অধিকারী পার্টি এই যুক্তিতে বিজেপিকেই  সরকার  গড়তে  আমন্ত্রণ জানায়৷ বিজেপি তৎক্ষণাৎ সুযোগ এই গ্রহণ  করে ও সরকার গড়াতে সম্মতি জানায়৷

সেই অনুসারে  রাজ্যপালের  সম্মতি লাভ  করে  বিজেপি ১৭ইমে বৃহস্পতিবার সরকার গড়ার  জন্যে  শপথ  গ্রহণ করে৷  বিজেপি’র পক্ষে  মুখ্যমন্ত্রীর দাবীদার এস ইয়েদুরাপ্পা  শপথ গ্রহণ  করেন৷ রাজ্যপাল তাঁর  সরকারকে ১৫দিনের মধ্যে  সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন  দেখানোর  নির্দেশ দিয়েছেন৷

এবার শুরু হয়ে গেছে বিধায়ক কেনা বেচার রমরমা বাজার৷ জনতাদল (এস)-এর নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রিত্বের অন্যতম দাবীদার এইচ্ ডি কুমারস্বামী অভিযোগ করেছেন, বিজেপি’র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিধায়ক পিছু ১০০ কোটি টাকা ঘুষের  প্রস্তাব দিয়েছে৷ গোপনে তাদের বিধায়ক কেনার চেষ্টা চলছে৷

দলীয় রাজনীতির বলি কলেজ-ছাত্র

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কলেজ ইয়ুনিয়নে দলীয় রাজনীতির অনুপ্রবেশের সবচেয়ে বড় কুফল হ’ল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনুগত ইয়ুনিয়নদের মধ্যে সংঘর্ষ৷ এখন প্রায় সর্বত্র  তৃণমূল কংগ্রেসের  অনুগত টি.এম.সিপি’র ইয়ুনিয়ন৷ অধিকাংশ কলেজে অন্যান্য ইয়ুনিয়ন প্রায় নিশ্চিহ্ণ৷ এ  অবস্থায় আবার  নূতন সমস্যা  দেখা  দিয়েছে, একই  তৃণমূল কংগ্রেসের  বিভিন্ন গোষ্ঠীর অনুগত ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ দেখা দিচ্ছে৷ যেমন, কলকাতার দীনবন্ধু এন্ড্রুজ কলেজে  টি.এম .সি.পি’রই দু-গোষ্ঠীর মধ্যে ১৬ই মে ছাত্র সংঘর্ষে  প্রায় ১৪ জন আহত হয়েছে৷ এদের মধ্যে ৫ জন ছাত্রা৷ এদের অনেককে এস আর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷ দুইগোষ্ঠীর তরফ থেকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হামলাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে৷

২১টি তাজা প্রাণ বলি  - গণতন্ত্রের বেনামীতে গণমেধ যজ্ঞ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

 জনসাধারণের, শান্তি, স্বস্তি ও অধিকার  রক্ষার  জন্যেই জনসাধারণ একদিন রাজতন্ত্র ও স্বৈরতন্ত্রকে  হটিয়ে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করেছিল৷ গণতান্ত্রিক উপায়ে  নির্বাচনের  উদ্দেশ্যে তাই যারা কেন্দ্রীয় স্তর থেকে  পঞ্চায়েত স্তরে  শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করবে  সেইসব আধিকারিকদের শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করা৷ কিন্তু বর্তমানে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের নামে চরম অশান্তি, ‘জোর যার মুলুক তার’ নীতিতে মারপিট সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে নিরস্ত করে বা খুন জখম ঘটিয়ে ক্ষমতা অধিকার  করা হচ্ছে৷  তাহলে এর সঙ্গে গণতন্ত্রের সম্পর্ক থাকল কী করে?Panchayet election

এবারে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যথেচ্ছভাবে  সন্ত্রাস সৃষ্টি করে প্রতিপক্ষকে  মারধর করে, এমনকি  খুন-জখম করে, কোথাও বা ছাপ্পা বোট দিয়ে, কোথাও ব্যালট পেপার  ছিনতাই  করে,  ব্যালট বাক্স জলে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে তথাকথিত ‘শান্তিপূর্ণ-নির্বাচন’ হয়েছে৷ অন্ততঃ শাসকদল তো তা-ই বলছে৷ বলা বাহুল্য, বিরোধীরাও  ধোয়া তুলসী পাতা নয়,  যেখানে  যার শক্তি বেশী, সেখানে তারা শক্তি প্রদর্শন করতে  ভুলেনি৷

এইভাবে গণতন্ত্রের নামে  এই গণমেধ যজ্ঞে ২১টি প্রাণ বলি হয়েছে৷ নির্বাচনের  দিনের সন্ত্রাসের  জের এখনও  গ্রামে গঞ্জে রয়েছে৷

এটাকে গণতন্ত্র বলা যাবে কিনা--- তা নিয়ে  বহু মানুষের মনে যথেষ্ট সন্দেহ আছে৷

উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার  জংশনের নিকটে  একটি পঞ্চায়েত বুথে শাসকদলের সমর্থকদের ছাপা বোট দেওয়ার বহর দেখে  ও বিরোধী প্রার্থীর পোলিং এজেন্টকে মারধর করা দেখে বিরক্ত হয়ে শাসক দলেরই  প্রার্থী অনিতা দেবনাথ  ও একমাত্র বিরোধী প্রার্থী শিখা দে উভয়েই এই ঘটনার প্রতিবাদ  করে নির্বাচন  থেকে সরে  দাঁড়িয়েছেন৷  তারা উভয়েই উপস্থিত  পুলিশ  কর্র্তর মাধ্যমে বি.ডি.ও-র উদ্দেশ্যে চিঠি দিয়ে তাঁদের  সেই  সিদ্ধান্তের  কথা জানিয়েছেন৷ পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসার থেকে প্রাপ্ত জানা যায়, জনৈক হাইস্কুলের শিক্ষক  বিকাশ  বিশ্বাস  বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন৷ তাঁকে  তাঁর মনোনয়ন পত্র তুলে নেওয়ার  জন্যে বিরোধীরা চাপ দিয়েছিল৷ কিন্তু তিনি তা মানেন নি৷ তখন বিরোধীরা স্কুলে ঢুকে  ছাত্র-ছাত্রাদের  সামনে ওই  শিক্ষককে মারধর করেছে৷ ওই শিক্ষক মহকুমা শাসকের  কাছে  এর প্রতিবাদ করেছেন৷

গণতন্ত্রের নামে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে  যা চলছে --- তাকে আর যাই হোক গণতন্ত্র বলা  চলে না৷

তবে এটাও ঠিক, এরাজ্যে সিপি-এম  যখন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত  ছিল, তারা এর বহুগুণ বেশী সন্ত্রাসের পরিবেশ  সৃষ্টি করেছিল৷  এতদিন সিপিএম পার্টিতে যারা গ্রামে গ্রামে  সন্ত্রাস সৃষ্টি  করে’ নিজেদের  আখের গোছাত, ওঁরাই  সুকৌশলে নূতন শাসকদলে ঢুকে তাদের  পুরোনো খেলা  খেলতে  শুরু করেছে৷

মমতা যদি না এদের কড়া হাতে  নিয়ন্ত্রণ করেন, তাহলে  কিন্তু নিজের পায়ে কুড়ুল মারবেন৷ এখনও সারা রাজ্যেজুড়ে তাঁর প্রতি জনগণের যে সমর্থন আছে তা কিন্তু ভবিষ্যতে  নাও থাকতে পারে৷ শান্তিপ্রিয় জনসাধারণ এধরণের সন্ত্রাস পছন্দ  করে না৷

প্রয়াত রমাকান্ত সরকারের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

শ্রীরামপুর ঃ গত ১৮ই এপ্রিল  শ্রীরামপুর আনন্দমার্গ স্কুলের  প্রাক্তন শিক্ষক শ্রী রমাকান্ত সরকার  (৪৭) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেন৷  তাঁর মৃত্যুতে  এই এলাকার আনন্দমার্গীদের  মধ্যে লোকের ছায়া নেমে আসে৷ গত ৬ইমে শ্রীরামপুর আনন্দমার্গ স্কুলে অনুষ্ঠিত সেমিনারে উপস্থিত সকলে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে প্রয়াত রমাকান্ত সরকারের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন ও তাঁর বিদেহী আত্মার  মুক্তির জন্যে পরমাত্মার কাছে প্রার্থনা করেন৷

শ্রীরামপুরে আনন্দমার্গের সেমিনার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

শ্রীরামপুর ঃ গত ৬ই মে সারা দিন ব্যাপী স্থানীয় আনন্দমার্গ স্কুলে আনন্দমার্গ দর্শনের  ওপর একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়৷ সেমিনারের আলোচ্য বিষয় ছিল তারকব্রহ্ম, মনের ক্রমবর্ধমান  বিস্তার, প্রাউটের উৎপাদক সমবায় ও উপভোক্তা সমবায়, আর প্রভাত সঙ্গীতের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে নবজাগরণ৷

এই বিষয়গুলির ওপর আলোচনা করেন প্রবীণ আনন্দমার্গী শ্রী প্রভাত খাঁ৷ তিনি আধ্যাত্মিকতা সম্পর্কে আলোচনাকালে বলেন, আধ্যাত্মিক সাধকের  নিকট তারকব্রহ্ম তথা সদগুরুর ভূমিকা সর্র্বধিক৷  তিনি  বলেন সাধনার  দ্বারা নিরন্তর  বৃহতের  ভাাবনার  দ্বারা মনের ক্রমবিস্তার ঘটানো হয়৷ আর মনই মানুষের বন্ধন বা মুক্তির কারণ৷

প্রাউটের  প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, আজকের সমাজের  দারিদ্র্য ও বেকার সমস্যা সমাধানের জন্য প্রাউটই একমাত্র পথ৷ প্রাউট-প্রবক্তা শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার যে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের কথা বলেছেন তার ভিত্তি হ’ল দেশে ব্যাপকভাবে  কৃষিতে  ও শিল্পে উৎপাদক সমবায়  ও উপভোক্তা সমবায় গড়ে তোলা৷ জনসাধারণের অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধানের চাবিকাঠি আছে ‘প্রাউট দর্শনে’৷

শ্রী প্রভাত খাঁ, প্রভাত সঙ্গীত সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, প্রভাতসঙ্গীতে  বর্তমান সমাজে নবজাগরণের বার্তা নিয়ে এসেছে৷

রাহুলের পৈত্রিক সম্পত্তি

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

দিল্লির নেহেরু-গান্ধী পরিবারের সদস্যদের বদ্ধমূল ধারণা এই ভারত তথা ভারতের জাতীয় কংগ্রেস তাদের পরিবারের পৈত্রিক সম্পত্তি৷ অন্তত এদের কথাবার্তা থেকে তাই মনে হয়৷ আর মনে হবে না কেন? এ পর্যন্ত কংগ্রেসের ইতিহাসটাই তো তা-ই৷ আগেকার যুগে যেমন রাজতন্ত্র চলত, রাজার ছেলে রাজা---তার ছেলে রাজা৷ কংগ্রেসের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে৷ দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাও তার পরিবারের কুক্ষিগত৷ নেহেরু, তারপর মেয়ে ইন্দিরা, তারপর ছেলে রাজীব, তারপর ছেলের বউ সোনিয়া৷ তারপর কে?

কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারকালে বেঙ্গালুরুতে স্থানীয় বিশিষ্ট নাগরিদের সঙ্গে এক মত বিনিময় অনুষ্ঠানে রাহুল সরাসরি বলেন ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ‘আমিই হব প্রধানমন্ত্রী৷’ কেন কংগ্রেসের আর কেউ নেই? তাছাড়া গণতান্ত্রিক রীতি মেনে এক্ষেত্রে উত্তর হওয়া উচিত ছিল পার্টি যাকে নির্বাচিত করবে সেই প্রধানমন্ত্রী হবে৷ না---তা কিন্তু রাহুল বললেন না৷ স্পষ্ট বোঝা যায়, রাজতন্ত্রই এদের রক্তে প্রবাহিত৷ দেশসেবক নয়৷ গদী দখলই এঁদের লক্ষ্য৷

ঝাড়খন্ডের পাথর খাদানে বিস্ফোরণে বহু শ্রমিক হতাহত

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

১০ইমে রাত আনুমানিক ১০টায় বীরভূম জেলা সংলগ্ণ ঝাড়খন্ডের শিকারীপাড়ায় একাধিক পাথরখাদানে পর পর বিস্ফোরণে ম্যানেজারসহ ১৩জনের মৃত্যু হয়েছে৷ আহত একাধিক৷ ঘটনাস্থল থেকে এ পর্যন্ত ম্যানেজারসহ ৩টি মৃতদেহ  উদ্ধার করা হয়েছে৷ প্রাথমিক  তদন্তে জানা গেছে, যে মাটি কাটার  যন্ত্রে সর্টসার্কিট  থেকেই এই বিস্ফোরণ৷

পাথর খাদানে ডিটোনেটর ও জিলেটিন ষ্টিক  দিয়ে নিয়ন্ত্রিতভাবে বিস্ফোরন ঘটানো হয়৷ সে কারনে পাথর খাদানে প্রচুর পরিমানে  বিস্ফোরক মজুত ছিল৷ সটশার্কিটের ফলে ওই বিস্ফোরকে আগুন লেগে যায়৷ পর পর বিস্ফোরন হতে থাকে৷  এর রেশ গিয়ে পরে পাশের খাদানগুলিতে৷ বহু শ্রমিকও আহত হয়৷

কান্দীতে ‘আনন্দপূর্ণিমা’ উৎসব

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কান্দী ঃ মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দী আনন্দমার্গ আশ্রমে  মহাসমারোহে শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী জন্মতিথি উৎসব অখন্ড কীর্ত্তন, মিলিত সাধনায়, বাণী পাঠ, প্রভাত সঙ্গীত প্রভৃতির  মাধ্যমে  পালন করা হয়৷

এই উপলক্ষ্যে কান্দী সদর হাসপাতালে শতাধিক রোগীর মধ্যে ফল বিতরণ করা হয়৷

অখণ্ড কীর্ত্তন ও চিকিৎসা শিবির

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

৯ই মে ঃ ওড়িশার অন্তর্গত ময়ূরভঞ্জ জেলার কুশমী ব্লকের নয়াগ্রামে আনন্দমার্গের ১২ ঘণ্টা ব্যাপী অখণ্ড কীর্ত্তন ও তৎসহ দাতব্য চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়৷

অখণ্ড কীর্ত্তন পরিচালনা করেন আচার্য ব্রতনিষ্ঠানন্দ অবধূত, সঙ্গে সহযোগিতা করেন যোগেশ্বর মাহাত৷ চিকিৎসা শিবিরে চিকিৎসা করেন ডঃ কৌশিক দত্ত ও যুধিষ্ঠির মাহাত৷ দেড় শতাধিক দুঃস্থ রোগী এই চিকিৎসা শিবিরের দ্বারা উপকৃত হন৷

অখণ্ড কীর্ত্তনের পরে আচার্য ব্রতনিষ্ঠানন্দ অবধূত, সুরেশ নায়েক, ভুক্তিপ্রধান বিশ্বনাথ মাহাত প্রমুখ আনন্দমার্গের আদর্শ ও কীর্ত্তন মাহাত্ম্যের ওপর বক্তব্য রাখেন৷ অনুষ্ঠানে সকলকে নারায়ণ সেবায় আপ্যায়িত করা হয়৷  শরৎ মাহাত, সত্যবতী মাহাত, গীতা মাহাত, প্রীতিলতা নায়েক প্রমুখের আন্তরিক প্রয়াসে অনুষ্ঠানটি সাফল্যমণ্ডিত হয়৷