সংবাদ দর্পণ

ইন্দোনেশিয়া ভূমিকম্প ও সুনামি

সংবাদদাতা
পি.এন. এ.
সময়

ইন্দোনেশিয়াতে গত ২৮ শে সেপ্টেম্বর ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প ও এই ভূমিকম্পের কারণে সমুদ্রের তলদেশে ধস নামতে সৃষ্টি হয়৷ ভয়ঙ্কর সুনামি৷ এর ফলে ৮৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সরকারীভাবে প্রচার করা হয়৷

তবে এও বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে বিধবস্ত ৪টি প্রদেশের মধ্যে একটিতে মাত্র উদ্বারকারীরা যেতে পেরেছে৷ বাকি ৩টি অঞ্চলে উদ্বারকারীরা পৌঁছতেই পারেনি৷ কারণ ওইসব এলাকা সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন৷ পালু শহর ধবংসস্তুপে পরিণত হয়েছে৷ এই অবস্থায় ছোট বাজারগুলিতে ব্যাপক লুঠপাট চলছে৷

নাগের বাজারে বোমা বিষ্ফোরণ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

২রা অক্টোবর দক্ষিণ দমদমের নাগেরবাজারের কাজিপাড়ায় হঠাৎ এক বিষ্ফোরণ ঘটে৷ এই বিষ্ফোরণে বিভাস ঘোষ নামে ৮ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয় ও কে বা কারা এই বিষ্ফোরণ ঘটিয়েছে, এ ব্যাপারে কিছুই জানা যায়নি৷ বিষ্ফোরণের তীব্রতায় সারা এলাকা কেঁপে ওঠে৷

এই বিষ্ফোরণ নিয়ে স্বাভাবিকভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রতিপক্ষের ওপর এই বিষ্ফোরণের দায় চাপাচ্ছে৷ কেউ বলছেন,এদিন ছিল খাগড়াগড় বিষ্ফোরণের ৪ বছর পূর্তির দিন বিজেপি৷ তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বলা হচ্ছে, থাকতে পারে৷ তবে প্রকৃত কারা এই বিষ্ফোরণ ঘটিয়েছে--- তা তদন্ত সাপেক্ষ৷

মেডিকেলে আগুন

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

গত ৩রা অক্টোবর বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের এম.সি.এইচ বিল্ডিংয়ের ওষুধ কাউণ্টারে আগুন লাগে৷ খবর পেয়েই দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে ছুটে যায়৷ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ শুরু হয়ে যায়৷ দলকল কর্মীদের সঙ্গে রোগীদের অভিভাবকরা সবাই মিলে তৎপরতার সঙ্গে এম.সি.এইড বিল্ডিংয়ের প্রায় ৪০০ মুমুর্ষু রোগীকে পাশের বিল্ডিংয়ে স্থানান্তরিত করেন৷ সবার মিলিত চেষ্টায় দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়৷ মেডিকেল কলেজের মত এমনই এক গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিংয়ে কেমন করে এভাবে আগুন ধরল এটা সবার কাছে আশ্চর্যের বিষয়৷ ঘটনার সি.আই.ডি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

লুঠেরাদের  মিছিল

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

ইতোপূর্বে প্রায় সবার জানা হয়ে গেছে যে পুঁজিপতি বিজয় মালিয়া ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ শোধ না করে বিদেশে পালিয়ে গেছেন৷ তারপর দুই হীরা ব্যবসায়ী মামা ও তার ভাগ্ণে যথাক্রমে নীরব মোদী ও মহুল চোকসী ১১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে ফাঁকি দিয়ে তারা বিদেশে পাড়ি দিয়েছে৷

ব্যাঙ্কে রাখা জনগণের গচ্ছিত টাকা এমনি করে লুঠরার দল লুট করে নিয়ে যাচ্ছে৷

সব শেষ খবর, নীতিন সন্দেশরা নামে আর এক পুঁজিপতি সেও ব্যাঙ্ক থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা নিয়ে ফাঁকি দিয়ে পালিয়েছে৷ শোণা যাচ্ছে, এখন আছে নাইজেরিয়ায়৷ নাইজেরিয়ার সঙ্গে ভারতের কোনও প্রর্তপন চুক্তি নেই৷ তাই এই নীতিন সন্দেশরাকে ধরাও যাচ্ছে না৷

বলা বাহুল্য, এই নীতিন সন্দেরা হ’ল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাটের ষ্টারলিং বায়োটেক কোম্পানীর মালিক৷ ই.ভি. ও ও সিবিআই-এর এর ওপর আগে থেকে নজর ছিল বলে জানা যাচ্ছে৷ তা সত্ত্বেও এদের ফাঁকি দিয়ে রহস্যময়ভাবে নীতিন উধাও হয়ে গেছে৷

অন্য আঙ্গিকে নন্দোৎসব

সংবাদদাতা
অম্বর চট্টোপাধ্যায়
সময়

ডেঙ্গু,থ্যালাসেমিয়া ম্যালেরিয়া প্রভৃতি  মারণ রোগের  বিষয়ে  জনসচেতনতা  বাড়াতে  সেরাম থ্যালাসেমিয়া  প্রিভেনশন ফেডারেশনের  এক অভিনব  প্রচার চলে  গত ৩রা সেপ্টেম্বরে৷

শ্যামবাজার পাঁচ  মাথার  সংযোগস্থলে  এর প্রচার  অভিযান শুরু --- চলে  কাঁকুড়গাছি, লেকটাউন  বাগবাজার , কুমোরটুলিসহ অনেকস্থলে ৷

৩রা সেপ্টেম্বর  ছিল  জন্মাষ্টমীর  পরের দিন৷  দেশজুড়ে  নন্দোৎসব পালিত  হয়৷  অন্য আঙ্গিকে  এক নাটক ‘নন্দোৎসব’-এর মাধ্যমে  ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ  কতটা  সহযোগী তা প্রচার  করা হয়৷

‘‘নন্দোৎসব’’ নাটকের  গ্রন্থনা, পরিচালনা  ও প্রযোজনা  করেছেন  সেরাম থ্যালাসেমিয়া  প্রিভেনশন  ফেডারেশনের  সম্পাদক  সঞ্জীব আচার্য্য  মহাশয়৷ ভিনয়ে যুক্ত  ছিলেন  সংঘটনের  সদস্যবৃন্দ৷

ভেঙ্গে পড়ল আর একটি নির্মীয়মান সেতু

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

গত ২৪শে সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ন’টায় কাকদ্বীপের কালনাগিনী নদীর ওপর নির্মীয়মান সেতু ভেঙ্গে পড়েছে৷ কাকদ্বীপ পশ্চিম ষ্টীমার ঘাট এলাকায় এই সেতুটি তৈরী হচ্ছিল৷ এই সেতুটি নির্মাণের দায়িত্ব ছিল সুন্দরবন উন্নয়ন পর্ষদের ওপর৷ সেতুটি ভেঙ্গে পড়ার সময় আশেপাশে কেউ ছিল না৷ তাই কেউ হতাহত হয়নি৷ গঙ্গাসাগর মেলায় যাবার পথে এই সেতুটি নির্মিত হচ্ছিল৷ অভিযোগ উঠেছে, বিভাগীয় ইঞ্জিনিয়রের পরামর্শ ছাড়া সেতুর তিনটি গার্ডারের সাপোর্ট খুলে দেওয়াই এই দুর্ঘটনার কারণ৷ তাছাড়া নিম্নমানের মালমশলা দেওয়ার অভিযোগও উঠছে৷

সিকিমে নতুন বিমানবন্দর

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

আকাশ পথে সিকিমকে যুক্ত করার জন্যে সিকিমে একটি বিমানবন্দরের উদ্বোধন করা হ’ল৷ ২৪শে সেপ্টেম্বর এই বিমানবন্দরটি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷

এতদিন বিমান পথে সিকিম যাওয়া যেত না৷ এবার সেই অসুবিধা দূর হ’ল৷ সিকিমের রাজধানী গ্যাঙ্গটক থেকে এই নবনির্মিত বিমানবন্দরের দূরত্ব ৩৩ কিলোমিটার৷

মহাসমারোহে প্রভাত সঙ্গীতের ৩৬ বর্ষপূর্ত্তি অনুষ্ঠান প্রভাত সঙ্গীতের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে নবজাগরণের আহ্বান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

২৩ সেপ্টেম্বর ঃ প্রভাত সঙ্গীতের ৩৬ বর্ষপূর্তি উৎসব উপলক্ষ্যে আয়োজিত কেন্দ্রীয় প্রভাত সঙ্গীত প্রতিযোগিতা কলকাতায় সাফল্যের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হ’ল৷ আনন্দমার্গের কলকাতা ভি.আই.পি নগরস্থ প্রধান কার্র্যলয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই প্রভাত সঙ্গীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড , অসম, ত্রিপুরা প্রভৃতি বাঙালী অধ্যুষিত এলাকা , এমনকি মহারাষ্ট্র থেকেও প্রতিযোগীরা যোগদান করেছেন৷ ওইসব এলাকা থেকে ইতোপূর্বে ৬৮ টি প্রারম্ভিক প্রতিযোগিতা কেন্দ্রে বিজয়ীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন৷ এই ধরণের ৯০০ জন প্রতিযোগী ও তাদের সঙ্গে অভিভাবক-অভিভাবিকা , আগ্রহী দর্শক এমনি করে প্রায় তিন হাজারের বেশি মানুষের সমাগমে এদিনের এই অনুষ্ঠানে বিশাল আনন্দ মেলার রূপ নিয়েছিলো৷ প্রথমে বিভিন্ন ‘জোন’ (এলাকা) ভিত্তিক বয়স অনুসারে ক, খ, গ, ঘ---এই চারগ্রুপে প্রভাত সঙ্গীত (সঙ্গীত বিভাগ), প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য ও প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে অংকন বিভাগে ব্যষ্টিগত ও সমবেত অনুষ্ঠানের প্রতিযোগিতায় হয়৷ এটি ছিল প্রাক্-চূড়ান্ত অনুষ্ঠান৷ এই অনুষ্ঠান হয় ৯-৩০ থেকে ১টা পর্যন্ত৷ এরপরে ১টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা হয়৷ এভাবে ‘নবরত্ন’, ‘ত্রিরত্ন’ ও ‘রাওয়া রত্ন’ নির্র্ধরিত হয়৷ প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ী প্রতিযোগীদ্রেদর পুরস্কৃত করা হয়৷ অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণকারী সমস্ত ছেলে-মেয়েদের ‘রাওয়া মেডেলও দেওয়া হয়৷

(আগামী সংখ্যায় বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করা হবে)৷

এখানে উল্লেখ্য ১৯৮২ সালে ১৪ই সেপ্টেম্বর মহান্ দার্শনিক পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার (যিনি ধর্মগুরু শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী রূপ সমধিক পরিচিত) দেওঘরে এই প্রভাত সঙ্গীত রচনা শুরু করেছিলেন৷ এরপর ১৯৯০ সালের ২০শে অক্টোবর তার মহাপ্রয়াণের পূর্বদিন পর্যন্ত তিনি ৫০১৮টি প্রভাতসঙ্গীত করেছেন ও নিজেই সেগুলিতে সুরারোপণ করেছেন৷ অভিনব ভাব,ভাষা সুর ও ছন্দের সমন্বয়ে রচিত তাঁর এই যুগান্তকারী সঙ্গীত মানুষের চেতনালোকে আজ যে অমানিশা ঘণীভূত সেই অমানিশার অবসানে প্রভাতের সূচনা করেছে৷ তাই এই সঙ্গীত ‘প্রভাত সঙ্গীত’ নামে অভিহিত৷

এই প্রভাত সঙ্গীতকে সারা বিশ্বের প্রচারের দায়িত্বে থাকা ‘রাওয়া’ (রেণেশাঁ আর্টিষ্টস্ এ্যাণ্ড রাইটার্স এ্যাসোসিয়েশন) এই প্রভাত সঙ্গীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল৷ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করে’ ‘রাওয়া’র কেন্দ্রীয় সচিব আচার্য রবীশানন্দ অবধূত এই প্রভাত সঙ্গীতের মাধ্যমে আত্মিক চেতনার জাগরণের জন্যে সবার কাছে আবেদন রাখেন৷ সারা বিশ্বজুড়ে নবজাগরণের আহ্বান জানান৷ তিনি বলেন, আনন্দমার্গের অধ্যাত্ম ভিত্তিক সর্বান্যুসূত দর্শনেরই প্রকাশ ঘটেছে ওই প্রভাত সঙ্গীতে৷ এই প্রভাত সঙ্গীতের ব্যাপকচর্চার জন্যে তিনি সবাইকে আহ্বান জানান৷ তিনি সমস্তরকম পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠান, বিভিন্ন সুরে বিভিন্ন আঙ্গিকে, ভক্তিমূলক, সমাজচেতনামূলক , নব্যমানবতাবাদ মূলক --- সমস্ত রকমেরই গান রয়েছে প্রভাত সঙ্গীতের ভান্ডারে৷

বাংলাসহ ইংরেজী৷ হিন্দি, উর্দু প্রভৃতি ৮টি ভাষায় প্রভাত সঙ্গীতও রয়েছে৷ তাই সবাই এই অপূর্ব সঙ্গীতের চর্চা করুন -এটাই সবার কাছে আবেদন৷

বিধায়কের বার্ষিক গড় আয়

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

সম্প্রতি অ্যাসোসিয়েশন  ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্ম (এ ডি আর) দেশের বিধায়কদের আয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন৷ দেশের সমস্ত রাজ্যের মিলে ৪০৮৬ বিধায়ক৷ তাদের মধ্যে ৩১৪৫ জন বিধায়ক তাদের হলফনামায় তাদের আয়ের উৎস জানিয়েছেন৷ এদের আয়ের বিশ্লেষণ করা হয়েছে৷

দেখা গেছে দেশের বিধায়কদের গড় আয় বছরে ২৪.৫৯ লক্ষ টাকা৷ এর মধ্যে ২০৩ জন বিধায়কের গড় আয় এর থেকে বেশী৷ এরা দক্ষিণ ভারতের৷ দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির বিধায়কদের গড় আয় বার্ষিক ৫১.৯৯ লক্ষ টাকা৷ পূর্ব ভারতের বিধায়কদের গড় আয় তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম৷ বার্ষিক ৮.৫ লক্ষ টাকা৷

আশ্চর্য্যের বিষয়, যে সমস্ত বিধায়কদের শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী উত্তীর্ণ তাদের গড় বার্ষিক আয় ৩১.০৩ লক্ষ টাকা৷ অন্যদিকে যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা স্নাতকোত্তর তাদের গড় আয় তুলনামূলকভাবে কম৷ বার্ষিক ২০.৮৭ লক্ষ টাকা৷ আর যাঁরা ‘অশিক্ষিত’, মানে পঞ্চম শ্রেণী থেকে কম পড়ালেখা জানা, তাদের বার্ষিক গড় আয় ৯.৩ লক্ষ টাকা৷ গৃহবধু বিধায়কদের বার্ষিক গড় আয় সবচেয়ে কম৷ বার্ষিক ৩.৭৯ লক্ষ টাকা৷ দেশের সবচেয়ে ধনী বিধায়ক নাগারাজু৷ ইনি বেঙ্গালুরু (গ্রামীণ)-এর বিধায়ক৷ তাঁর গড় আয় বার্ষিক ১৫৭.০৪ কোটী টাকা৷ অন্যদিকে দরিদ্রতম বিধায়ক হলেন অন্ধ্রপ্রদেশের বি. ইয়ামিনি বালা৷ তাঁর বার্ষিক গড় আয় মাত্র ১,৩০১ টাকা৷ তবে বলা বাহুল্য এ হিসেব উল্লেখিত বিধায়করা তাদের হলফনামায় যে আয়ের হিসেব দিয়েছেন তার ওপর ভিত্তি করে৷ এ হচ্ছে শাদা টাকা৷ এখানে কার কাছে কত কালো টাকা বা বার্ষিক কালো টাকা তার আয়ের হিসেব নেই৷

অসমে  ইয়ূপিএসফ ও ইয়ূ পি ওয়াই এফ-এর  রাজ্যসম্মেলন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আগামী ৬ ও ৭ই  অক্টোবর অসমের  আমবাগানে  ইয়ূনিবার্স্যাল প্রাউটিষ্ট  ষ্টুডেন্টস্ ফেডারেশন (ইয়ূ পি এস এফ ) ও ইয়ূনিবার্সাল  প্রাউটিষ্ট ইয়ূথ ফেডারেশন (ইয়ূ পি ওয়াই এফ)-এর অসম রাজ্য  সম্মেলন  অনুষ্ঠিত  হচ্ছে৷ স্থান-আনন্দমার্গ সুকল, আমবাগান, (নওগাঁ,অসম)  এই অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন আচার্য বিশ্বমিত্রানন্দ অবধূত ৷