Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ৰৃহত্তর ৰাঙলা

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

প্রায় ৫০০০ বছর আগে অষ্ট্রিক, মঙ্গোলিয়ন আর নিগ্রো রক্তের সংমিশ্রণ–জাত ৰাঙালী জনসমুদায় সৃষ্টি হয়েছিল৷ সেই সময় ৰাঙলার ভাষা ছিল সংস্কৃত, তাই ৰাংলাভাষারও পথনির্দেশক ভাষা হচ্ছে সংস্কৃত৷ প্রায় ১২০০ বছর আগে ৰাংলাভাষার এক রূপান্তরণ হয়েছিল৷ সেই সময় ৰাঙলা বলতে বোঝাত বর্তমানের পশ্চিমবঙ্গ, নেপালের ঝাপা জেলা, বিহারের পূর্বাংশ, সম্পূর্ণ ৰাঙলাদেশ আর বর্মা, মেঘালয়ের সমতল অংশ, প্রাগজ্যোতিষপুরের কিছু অংশ আর অসমের বরপেটা, কামরূপ ও নগাঁও৷ ৰৃহত্তর ৰাঙলার এই ছিল এলাকা৷ আজ ৰাঙালী বলতে ৰোঝায় দুই প্রকারের অভিব্যক্তি– ভারতীয় ৰাঙালী আর ৰাঙলাদেশী ৰাঙালী ৷ এই দু’য়ের মধ্যে একটা সংহতিকরণ বা মিশ্রণ অবশ্যই হওয়া উচিত৷

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় ভারতীয় নেতাদের মূর্খতার কারণেই ৰাঙলাদেশের সৃষ্টি৷ অসম ও মেঘালয়কে তারা এইভাবে বিচ্ছিন্ন করেছে৷ ৰৃহত্তর ৰাঙলা আজ নানা অংশে বিভাজিত হয়ে গেছে, আর এই পরিস্থিতি চলতে দেওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে ৰাঙলার অধিবাসীদের মধ্যে অনৈক্য৷ তাই এই সমস্যার সমাধানের জন্যে ৰাঙালী জনসাধারণের মধ্যে একতা অত্যন্ত জরুরি৷ লর্ড কার্জনের সময় ভারতীয় নেতাদের বোকামির জন্যেই ৰাঙলা ভাগ হয়েছিল৷ ১৯১২ সালে আবার ৰাঙলা এক হয়েছিল কিন্তু অসম ও ওড়িষ্যার কিছু অংশ ৰাঙলার বাইরে থেকে গেল৷ সেই সময় ৰাঙলার নেতারা এর কোনো বিরোধিতা করেনি৷ ৰাঙলার সব অংশকেই এক ৰৃহত্তর ৰাঙলার সামাজিক–অর্থনৈতিক অঞ্চলে পুনর্বার এক করতে হবে৷ ৰাঙলার মানুষদের একতাই এই রাজনৈতিক বিভাজনকে বদলে দিতে পারে৷

ৰৃহত্তর ৰাঙলার পশ্চিম ও দক্ষিণ–পশ্চিমের মানুষেরা অধিক কালো আর উত্তর ও উত্তর–পূর্বে অধিক হলদেটে৷ এই ৰাঙলার মানুষদের শিরা–ধমনীতে বইছে একই রক্তধারা৷

 আগেই বলা হয়েছে কী ছিল ৰাঙলা বা ৰৃহত্তর ৰাঙলা বা ৰাঙালীস্তানের সামগ্রিক অঞ্চল৷ এখন এই টুকরো টুকরো আর খণ্ডিত ৰাঙলা কীভাবে এক হবে? এই সমগ্র অঞ্চলে একই রকমের সামাজিক–অর্থনৈতিকব্৷ ৰাঙলাদেশে কোনো সুসংহত উন্নয়ন পরিকল্পনা না থাকার জন্যে মানুষেরা অভাব–ভিযোগ আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হচ্ছে৷ উদাহরণস্বরূপ অধিকাংশ স্থানে বছরে একটিমাত্র ফসল হয়, আর বাকি সময় জমি খালি পড়ে থাকে৷ ৰাঙলাদেশের জনসাধারণের জীবনধারণের মান বাড়াবার জন্যে এক সুসংহত পরিকল্পনা খুব জরুরি৷ ভারতের আর্থিক মান যেমন বাড়বে, সেই সঙ্গে ৰাঙলাদেশেও অধিকতর দ্রুততার সঙ্গে সেরকমটি হওয়া উচিত৷ ভারত, ৰাঙলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ আর ত্রিপুরায় আর্থিক স্বয়ম্ভরতা আনতেই হবে৷

 এখন প্রশ্ণ হ’ল, ৰাঙলাদেশ আর ত্রিপুরার মানুষদের কি পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে নিয়ে আসতেই হবে? না, ব্যাপারটা সেরকম নয়৷ আসল কথাটা হ’ল ত্রিপুরা আর ৰাঙলাদেশের মানুষের আর্থিক উন্নতির জন্যে কাজ করা যাতে এদের দীর্ঘস্থায়ী সামাজিক–অর্থনৈতিক প্রগতি সুনিশ্চিত হয়৷ ৰাঙলাদেশে প্রয়োজন হচ্ছে এক গঠনমূলক সামাজিক–অর্থনৈতিক আন্দোলন৷ এর মধ্যে থাকতে হবে কারিগরী শিক্ষা, কৃষির উন্নতি আর সেই ধরনের আন্দোলন যা মানুষকে ভাবজড়তা dogma), কুসংস্কার ইত্যাদি থেকে দূরে নিয়ে যাবে৷ সব ধর্মীয় মতবাদগুলিই এইসবকে প্রোৎসাহন দেয়৷ শিক্ষা কখনো ভাবজড়তা প্রচারের বাহন হতে পারে না, শিক্ষা সবরকমের ভাবজড়তা থেকে মুক্ত থাকবে৷ ইন্দোনেশিয়ার পরেই ৰাঙলাদেশের জনসাধারণ সহ্যের সীমায় পৌঁছে গেছে আর বিক্ষোভের আগুনে ফঁুসছে৷ যেহেতু ত্রিপুরা আর ৰাঙলাদেশে বেশী বৈষম্য, তাই এদের উন্নতির কথা অধিক ভাবতে হবে৷ ধুবড়ি, গোয়ালপাড়া, বরপেটা ইত্যাদি ৰাঙালী অধ্যুষিত জেলাগুলি ছাড়া অসমের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কিছুটা সন্তোষজনক৷

ৰাঙলাদেশের উন্নতির জন্যে কী করা উচিত আর কী না করা উচিত? ৰাঙলাদেশের প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে কাঁচাপাট আর চামড়া৷ পাটের বিকল্পের উপযুক্ত বিকাশ ঘটাতেই হবে, বিশেষ করে ঢ়াকা জেলার নারায়ণগঞ্জ ব্লক যা বড় পাট উৎপাদন কেন্দ্র, সেখানে৷ এছাড়াও মিশ্রচাষ ও পর্যায়ক্রমে (crop rotation) চাষের ব্যবস্থা করে জমির সর্বাধিক উপযোগ করতে হবে৷ ৰাঙলাদেশের যে প্রতিকূলতাগুলি আছে তার মধ্যে পড়ে শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অপুষ্টি আর আর্থিক উন্নতির অভাব৷

ত্রিপুরায় দুই প্রকারের ধান হয়– আউশ আর বোরো চাষ৷ অসমের দুটি প্রধান নদী উপত্যকা হচ্ছে ৰ্রহ্মপুত্র আর বরাক উপত্যকা৷ বরাক উপত্যকার করিমগঞ্জ ব্লকে বাঁশের মান খুব ভাল, একে কাগজ শিল্পে ব্যবহার করা উচিত৷ মিষ্টি আলু আর সুগার বিটের চাষও এ এলাকায় হতে পারে৷ এখানে বছরে চারটি ফসল হওয়া উচিত৷ আনারস থেকে পরিধানের জন্যে কৃত্রিম তন্তু, ওষুধ, জ্যাম–জেলি প্রস্তুত করা উচিত৷ কলাগাছ ও কলাগাছের পাতা ইত্যাদিকে কাজে লাগানো উচিত আর কলাগাছ পুড়িয়ে সোডিয়াম আর সোডিয়াম নাইট্রেট সংগ্রহ করে নিয়ে সাবান শিল্পে ব্যবহূত হওয়া উচিত৷ অসম আর ত্রিপুরায় কাঁটাল খুব ভাল হয়, এর সঙ্গে মধু আর প্রাকৃতিক প্যারাফিনের মোম তৈরী হতে পারে৷

ত্রিপুরায় লালমাটি আছে৷ এই মাটিতে সিলেটের ছোট কমলা, কাজুবাদাম আর পেঁপে উৎপন্ন হতে পারে৷ ছোট ছোট শিল্পও গড়ে তোলা উচিত৷ ত্রিপুরার অমরপুর ব্লকে প্রাকৃতিক রাবারের সঙ্গে সঙ্গে কৃত্রিম রাবারের উৎপাদনকেও উৎসাহ দেওয়া উচিত৷ একই কথা পানিসাগর ব্লকের জাম্পুই পার্বত্য অঞ্চলের জন্যেও প্রযোজ্য৷ চীনাবাদাম, অন্যান্য প্রকারের বাদাম আর সাদা তিল উৎপন্ন হতে পারে৷ এই অঞ্চলের তেল আর প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহারের প্রচুর সম্ভাবনা আছে, আর এর সঙ্গে সৌরশক্তিও উৎপাদিত করতে হবে৷ সৌরশক্তি হ’ল একটি অন্যতম স্থায়ী শক্তির উৎস যা নিঃশেষ হবে না৷ সৌরশক্তিকে ব্যাটারির মধ্যে ভরে সৌর–ব্যাটারি তৈরী করা উচিত৷ ত্রিপুরাকে  শক্তিস্রোতের জন্যে কেন বাইরের ওপর নির্ভর করতে হবে?

 

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
জীবনের মূল মন্ত্র
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
ধন–সঞ্চয় সম্পর্কে প্রাউটের নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা
ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবী

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে
  • ভারতের ভয়ঙ্কর দশা থেকে বাঁচতে  শোষিত নাগরিকদের  ঐক্যবদ্ধ হতে হবে
  • প্রকৃত দেশপ্রেমিক ঋষি ডঃ আবদুল কালাম
  • চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ
  • বাঙালী জাতির অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
  • দুর্নীতিতে দেশ ডুবে যাচ্ছে ঃ মুক্তির উপায়?
  • ভারত কী শ্রীলঙ্কার পথে

পুরানো মাসিক খবর

  • August 2021 (158)
  • July 2021 (46)
  • May 2021 (125)
  • April 2021 (116)
  • March 2021 (139)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 3
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved