Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ

প্রভাত খাঁ

আজ প্রকৃতির বুকে অসংখ্য মানুষের সমাজে অসংখ্য জনগোষ্ঠী আছে৷ যাদের অন্যতম পরিচয় তাদের মাতৃভাষা যে ভাষা প্রতিটি মানুষ তার মায়ের কাছ থেকে প্রাকৃতিক কারণে পায়৷ আর যে সামাজিক আচার অনুষ্ঠান সেই বাল্যকাল থেকে পায় মায়ের মাধ্যমে সেটি আর যে ধর্মমত পায় বা শুনে সেটি স্বাভাবিক পাওয়া৷ মা হলেন শিশুর পিতা কে শিশুকেই জানান৷ তিনিই শিশুর জন্মদাতা হন৷ এই ধরণের সে সংখ্যক মানুষ অতি প্রাচীনকাল থেকে এই স্থানে আত্মীয় স্বজনের মত বাস করেন৷ তাঁহাই হন প্রতিবেশী৷ এমনটি হতে অতি প্রাচীনকাল থেকে অনেক বছরই লেগেছিল৷ সংগ্রামের মধ্য দিকে এই মানুষের নারী পুরুষদের চলতে হতো৷ ধীরে ধীরে সেই সমাজের মধ্যে এমন কিছু সাহসীও সংগ্রামী মানুষ জন্মাতেন মূলতঃ মহিলারা তাঁরা সেই সমাজের রক্ষাদাত্রী হতেন৷ আজও দেখা দেখা অনেক ক্ষেত্রে সেই মহিলাগণ সেই সমাজ এর প্রধান হতেন৷ পুরুষগণ বেশী দিন বাঁচতেন না নানা কারণে৷ জানা যায় পুরুষ অধিকাংশই অল্পবয়সেই মারা যেতেন৷ কারণ লড়াই ও চরম প্রাকৃতিক বিপর্যয়-এর মধ্যে থাকতে হতো! মাই হলেন শিশুগুলির রক্ষাকর্ত্রী৷ তাঁদের ছেড়ে মায়ের যাওয়াটা ছিল অসম্ভব৷ ধীরে ধীরে পুরুষগণ তাদের মধ্যেই থেকে প্রতিরোধ করতো৷ তাই সেই শক্তিশালী ব্যষ্টি যে সচেতন ও দায়িত্বশীল সেই দায়দায়িত্ব নিত৷ ধীরে ধীরে সেই ব্যষ্টি হয়ে ওঠেন দলপতি৷ এই দলপতিগণ অনেকক্ষেত্রে কিছুটা উন্নত জনগোষ্ঠী হয়ে উঠলে তিনিই ভাগ্য বিধাতা হয়ে উঠতো সেই সেই জনগোষ্ঠীর৷ কিন্তু আজও মাতৃতান্ত্রিক কিছু কিছু সমাজ আছে যেখানে মহিলাগণই প্রধান৷ আজ এইভাবে আমরা মানুষ উন্নত শ্রেষ্ঠ জীব এই পৃথিবীর৷ আজ অত্যাধুনিক হয়ে নাকি উঠেছে৷ আর নারীপুরুষ সব ব্যাপারেই সমান সমান সব কিছুর অধিকারী হয়েছে৷ কিন্তু এটা হতে অতীতে হাজার হাজার বছর লেগেছে৷ এই মহাপ্রকৃতি হলেন পরমপুরুষেরই অংশ৷ কারণ সেই মহান স্রষ্ঠা সৃষ্টি তত্ত্বে মাতেন তার সৃষ্টি তত্ত্বের মধ্যে থেকে৷ এটাই বিজ্ঞান সেই সূক্ষ্মতম মানসিক ইচ্ছাশক্তি যেটি মহান পুরুষের তাই বলা হয় যে প্রকৃতি হলেন সেই পরমপুরুষেরই ইচ্ছাশক্তি৷ তাঁকে বলা হয় অর্দ্ধনারীশ্বর৷ সেই ঈশ্বর ও ঈশ্বরী একই! এক থেকে বহু আর বহু হয়ে যায় এক সেই৷ সৃষ্টিতত্ত্বে এটি হলো সেই আমরা যথা হতে আসি তথায় ফিরিয়া যাই দীর্ঘ প্রবাসের পর মাতা ধরিত্রী কোল থেকে! আর মা হলেন সৃষ্টি তত্ত্বের সকলেরই জন্মদাত্রী৷ তাই প্রাণীমাত্রেরই আছে পিতা ও মাতা! সেই জীবজন্তু ও গাছাপালার সবই প্রাণময় জগৎ সবই আলাদা কিন্তু অসহায় মানুষকে বাঁচতে সকলেরই দরকার৷ তাই সব কিছু সৃষ্টির পরই শ্রেষ্ঠতম প্রাণী মানুষ আসে এই পৃথিবীতে৷ তাই মানুষই পারে সৃষ্টি রহস্য জানতে সেই দৈহিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক বিজ্ঞানের অনুশীলনের মাধ্যমে৷ অন্য কোন পথ নেই৷ আর একমাত্র সদ্‌গুরুই পারেন সেই পথের সন্ধান দিত৷ সেই চরম বিজ্ঞান সেটি হলো ভৌতিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক বিজ্ঞান একাধারে যুক্ত৷ এটাই হলো চরম ‘ঋতম্‌’ অর্থাৎ অর্র্থৎ সত্যম্‌৷ এই মানুষই হয়ে যায় ব্রহ্মজ্ঞাণী মুক্ত পুরুষ৷ পরমারাধ্য বাবা শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তির মর্তে আগমণ মানুষকে পরমলক্ষ্যের পথ দেখাতে৷ কারণ মানুষই হলো শ্রেষ্ঠতম উন্নত জীব৷ এই মানুষই পারে সেই সৃষ্টিরসত্তাকে জানতে আধ্যাত্মিক সাধনার দ্বারা ও মানবতাবাদে উদ্বুদ্ধ হতে৷ এই ভারতের যুক্তরাষ্ট্র প্রায৪৪টি সমাজ আছে তাকে স্বনির্ভর করবে মানবতাবাদী সরকার ভারতের সংবিধান মতে শাসকগণ৷
এখানে শাসনের ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িকতাটাই নিষিদ্ধ যেটা বর্তমান এই দেশে প্রবল৷ তাই এই সরকারগুলি যারা সম্প্রদায়কে প্রাধান্য দেয় জাতপাত প্রশ্রয় দিয়ে ভেদাভেদ সৃষ্টি করে তারা সমাজের ও মানবতার বন্ধু নয় শত্রু৷ সমাজকে রক্ষা করা বৈচিত্র্যকে রক্ষা করাটাই মানবতাবাদী ধর্মমত নিরপেক্ষ সরকারের লক্ষ্য ও আদর্শ৷ পৃথিবীতে প্রায় ২৫৬টি সমাজ আছে আর এই ত্রিভুজাকৃতি ভারতে আছে ৪৪টি সমাজ যারা নানা ধর্মমতের ও ভাষাভাষীর নরনারী৷
সনাতন ধর্ম হলো সেই অধ্যাত্মবাদ যা সেই পরমশ্রষ্টা, গড, আল্লাহকে জ্ঞাত করার পথ৷ এই সনাতন ধর্ম তিন স্তরের৷ উত্তম ব্রহ্মসদ্ভাব, মধ্যম ধ্যান ধারণা আর মূর্ত্তি পূজা প্রাথমিক স্তর এই পথে৷ তাই সেই ধর্ম নিয়ে সবাই গুরু গিরি করতে পারে না৷ মহান গুরু হবেন সদ্‌গুরু সেই পরমব্রহ্ম যাঁর মধ্যে তিলমাত্র কুসংস্কার নেই আছে যুক্তি ও বিজ্ঞানসম্মত আধ্যাত্মিক সাধনার পথ৷ সেথায় যেতে বহু হাজার বছর লাগে৷ ভৌতিক জগতের দলীয় সাম্প্রদায়িক নেতাদের তাই স্থূলজগতে সকল জীবজন্তু গাছপালার সার্থক বিকাশে মানবতাবাদী হয়ে সাহায্য করতে হয়৷ তাই তাদের ধর্মমত নিরপেক্ষ হয়ে মহান ধর্মের পথে চলতে হবে সকল ধর্মমতকে মান্যতা দিয়ে অর্থাৎ সকলেই সেই তাঁর সন্তান মনে করে সেবা করা৷ সেটাই এখানে অস্বীকৃত শাসকদের মধ্যে৷ দল মানে দলাদলে মারামারি! শাসক কখনো সংকীর্ণতাবাদী হতে পারে না৷ এই মহান ভারতযুক্ত রাষ্ট্রে৷ শুনরে মানুষ ভাই৷ সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই৷ 
সভ্য তবে তো মানুষ একটু হতে পারবে শাসক হিসাবে৷ তাই মহান অটল বিহারী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এই পথের শাসক কিছুটা ছিলেন৷
‘ভারত জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আলস লাভে৷’ সত্যদ্রষ্টার কবির কথা! এতে জগতের কাছে হেয় হয়ে যাচ্ছে, হাস্যবাদ হয়ে পড়ছে৷ আর ভারতের শাসকগণ সেই নরকের পথে এগুচ্ছে বলেই যুক্তিবাদীরা মনে করেন৷ তাই ভারতে শাসককে হতে হবে মানবতাবাদী, জাত পাত সম্প্রদায়ের উর্দ্ধে উঠে জনসেবায় মন দিতে হবে৷ মানুষকে তার পরম লক্ষ্যের পানে চলার পথ দেখাতে হবে৷
 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • February 2026 (59)
  • August 2022 (106)
  • July 2022 (93)
  • June 2022 (167)
  • May 2022 (92)
Pagination
  • Page 1
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved