Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

বাঙালী জাতির অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ

প্রফুল্ল কুমার মাহাত

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

‘‘অতীতে যাহার হয়েছে যাহার হয়েছে সূচনা, সে ঘটনা হবেই হবে৷ বিশ্বভুবন ভরিবে আবার, বাঙালীর গৌরবে৷’’ ‘‘বাঙলার সেই অতীত গৌরবময় ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে স্ব-মহিমায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত পুনঃ জাগরিত করতে, সমগ্র বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে পথ দেখাতে, উন্নত মহান আদর্শের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে বিশেষ প্রয়াস প্রচেষ্টা প্রয়োজন৷ কারণ একাজ সহজ সাধ্য নয়৷ এজন্য দুর্দমনীয় অধ্যবসায়, ত্যাগ স্বীকার ও সংগ্রামী মানসিকতার প্রয়োজন৷ মহান দার্শনিক সমাজগুরু, সমাজ সংস্কারক, যুগ ত্রাতা শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারও এই কথাই বলেছেন৷ তিনি বলেছেন, ‘দ্য টাস্ক ইস গ্লোরিয়াস, দ্য টাস্ক ইজ্‌ নোবেল৷ লিড দ্য লাইফ অফ এ ওয়ারিওয়র এ্যাণ্ড কনসাল্টটেন্টলি, ফাইট এগেনস ইভিলস, ইউ উইল বি ভিক্টোরিয়াস্‌! শো মাচ্‌ এ হেড্‌ মাচ্‌ এ হেড্‌’ ইতিহাস কখনো থেমে থাকে না৷ শাসকগোষ্ঠী রক্তচক্ষু দেখিয়ে মানুষের মুক্তির এষণাকে চিরদিন দাবিয়ে রাখতে পারে না৷ বাঙলা একদিন মোগল সাম্রাজ্য, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে৷ সংগ্রাম করেছিল৷ আজ আবার হিন্দী সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম করার সময় আগত৷ বাঙলার খণ্ড বিখণ্ড রূপকে একত্রিত করে তুলতে হবে বাঙলার স্বার্থে, ভারতের স্বার্থে ও সমগ্র বিশ্বের মানব সমাজের স্বার্থে৷ তাই বলি এগিয়ে চলো বন্ধুরা পাপশক্তি হবে পরাভব, সরিবে দুর্নীতিরাজ৷

‘‘মানুষের জীবন হচ্ছে আদর্শের ধারাপ্রবাহ৷ তার সভ্যতা ও সংস্কৃতি ও সতত গতিশীল, তথা প্রগতিশীল৷ এটাই হচ্ছে প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম, এটাই হচ্ছে ইতিহাসের সাবলীল ধারাপ্রবাহ৷ এর দুর্বার গতিকে কেউ রোধ করতে পারেনি, পারেনা ও ভবিষ্যতেও পারবে না৷ ইতিহাসে তার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে৷ ফ্রান্সের স্বৈরাচারী সর্র্বেধবংসীয় সম্রাট  ষোড়শ লুই, অষ্ট্রিয়ার প্রধানমন্ত্রী মেটারনিক, নাৎসীবাদী জার্র্মন অধিকারী হিটলার ফ্যাসিবাদী নেতা মুসোলিনী, ভ্রান্ত ও ত্রুটিপূর্ণ সাম্রাজ্যবাদের উদগাতা কালমার্কস, ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদের ধারক ও বাহক ব্রিটিশশক্তি প্রমুখ হটকারীর দল ইতিহাসের স্বতঃস্ফুর্ত, স্বাভাবিক সাবলীল গতিকে রোধ করতে পারেনি বা বিপরীত গতিতে প্রবাহিত করতে পারে নি৷ তাই ভারতের হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সকল ষড়যন্ত্র সব রকমের কলা কৌশল বাঙলার চিরন্তন শাশ্বত ঐতিহ্যকে লুপ্ত করতে পারবে না, বাঙালী জাতির সুকঠিন অস্তিত্বকে বিপন্ন বা বিলুপ্ত করতে পারবে না৷ বাঙলার সমুন্নত সভ্যতা সংস্কৃতিকে অবদমিত করে রাখতে পারবে না৷ তাই কবি কন্ঠে কন্ঠ মিলিয়ে বলি--- মেঘ দেখে কেউ করিস নারে ভয় আড়ালে তার সূর্য হাসে৷’ হারা শশীর, হারা হাসি, অন্ধকারেই আসে৷

বাঙলা ও বাঙালী একদিন ছিল সমগ্র মানব সমাজের মুক্তির সোপান, তাকে আবার স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠা করতে ও সেইসঙ্গে শোষণমুক্ত স্বয়ংসম্পূর্ণ সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চল বাঙালীস্থান করতেই বাঙালী জনগোষ্ঠীর সঞ্চাচালক ও প্রতিভূ ‘আমর বাঙালী’র জন্ম হয়েছে৷ আমরা বাঙালীর শোষণ বিরোধী আন্দোলনকে সাম্প্রদায়িকতা বা প্রাদেশিকতা বলা যাবে না, কারণ এর ভিত্তি সংবিধানের বিশেষ ধারার উপর প্রতিষ্ঠিত৷ বাঙালীস্তানের আন্দোলন আঞ্চলিকতাও নয় কারণ অন্য অঞ্চলের স্বার্থকে বিপন্ন করে এই আন্দোলন গড়ে ওঠেনি৷ এটা সমগ্র বাঙালী জনগোষ্ঠীর  নিজস্ব মাতৃভূমির দাবীতে আন্দোলন ও বাঙালী জাতি বলতে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙলার সাহিত্য কৃষ্টি-সংস্কৃতির সঙ্গে যারা একাত্মতা অনুভব করে সে সব অধিবাসীকেই বুঝায়৷ এই অর্থে দু’শত বৎসর পূর্বে বাঙলায় মধ্যপ্রদেশ থেকে আগত সাঁওতাল ও আদিবাসী সম্প্রদায়ও বাঙালী৷ এককথায় বাঙলার সামাজিক, অর্থনৈতিক জীবনস্রোতে মিলে মিশে থাকা সবাই বাঙালী৷ মহান  সমাজ সংস্কারক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার বাঙলার মতো ভারতের আরও ৪৪টি সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘটনের কথা বলেছেন৷ প্রতিটি অঞ্চলের মধ্যে সৌহার্দ্য সম্প্রীতি থাকবে৷ কোন প্রকার বিদ্বেষ বা বিরোধিতা থাকবে না৷ কোনও অঞ্চলের আর্থিক শোষণ ও অর্থের বহিঃস্রোত থাকবে না৷ শ্রী সরকার এইভাবে সমগ্র পৃথিবীকে দুশো অধিক ২৪৭টি সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিন্যস্ত করার কথা বলেছেন৷ তিনি বলেছেন--- আমাদের এই গৌড় দেশ কে  সামগ্রিকভাবে গৌড় দেশ অথবা পঞ্চগৌড় অথবা বাঙলা বা বাংলাদেশ যেকোন একটা নাম দেওয়া যেতে পারে৷ বাঙালীস্তান বলাও যেতে পারে কারণ যে অর্থে তামিলনাড়ু, রাজস্থান, নাগাল্যাণ্ড, মিজোরাম, নামগুলি চলছে হুবুহু সেই অর্থে গৌড়দেশকে বাঙালীস্তান বললেও মহাভারত অশুদ্ধ হবে না৷  ওতে আঁৎকে ওঠার কী আছে? বরং এই নাম এই পরিচিতি বহন করবে যে দেশটা বাঙালীদের মাতৃভূমি৷ বিশ্বের এইসব সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চলে সকল প্রকার সামাজিক সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে আজ যুগের প্রয়োজনেই দেখা দিয়েছে নোতুন নেতৃত্ব, নোতুন সংঘটন, নোতুন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক আদর্শের৷ সে আদর্শও আজ আমাদের হাতে, যার নাম ‘প্রাউট’৷ সংকীর্ণ রাজনৈতিক দলাদলির উর্ধে উঠে  সব বাঙালীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শ্রী শ্যামাপ্রসাদ বলেছিলেন---‘‘ আজ রাজনীতির চুলচেরা বিচার নয়, নয় দলাদলি, বাঁচতে হবে, বাঁচাতে হবে, বাঙলার লক্ষ লক্ষ মৃত্যু পথ যাত্রী নরনারীকে৷ বাঁচাতে হবে বাঙালী কৃষ্টি সাহিত্য ঐতিহ্যকে৷ আমরা বিশ্বাস করি, এই বেদনাময় হলাহলের মুখ থেকে জেগে উঠবে বাঙলা৷ তার ক্ষতির ক্ষত দিয়ে নিঃসারিত হবে  মহাতেজ, জাগবে রাঙা প্রভাত৷’’ প্রভাত সঙ্গীতে বাঙলার পথ ধরে বিশ্বের অঙ্গনে বিশ্বৈকতাবাদ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে৷

বাঙলীর যত আশা, বাঙালীর প্রিয় ভাষা,

বিশ্বৈকতাবাদে ফিরে পাক প্রত্যাশা৷৷ (ক্রমশঃ)

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • October 2017 (106)
  • September 2017 (136)
  • August 2017 (105)
  • July 2017 (111)
  • June 2017 (104)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 12
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved