Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

দুর্নীতিতে দেশ ডুবে যাচ্ছে ঃ মুক্তির উপায়?

সুকুমার সরকার

পশ্চিমবঙ্গ সহ সমগ্র ভারতবর্ষের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি এটাই প্রমাণ করেছে যে, চরম এক মাৎস্যনায় অবস্থায় বিরাজ করছি আমরা৷ শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যে মাৎস্যন্যায় অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, বর্তমান অবস্থা তার থেকেও খারাপ৷ সেই যুগের সেই মাৎস্যন্যায় অবস্থা থেকে বাঁচতে মানুষ একজন গোপালকে সিংহাসনে বসিয়েছিলেন৷ তারপর প্রায় তিনশো বছর বাঙলা তথা ভারতবর্ষ একটি সমৃদ্ধ সুশাসনে এসেছিল৷ বর্তমান পরিস্থিতি থেকে বাঁচার উপায় কী?

ভারতবর্ষ স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গে তেমন কোনো শিল্পোন্নতি হয়নি বললেই চলে৷ বিগত চৌত্রিশ বছর বামফ্রন্ট পশ্চিমবঙ্গকে বন্ধ্যা রাজ্যে পরিণত করে ছেড়েছে৷ যা কিছু শিল্প কলকারখানা ছিল, তার বেশিরভাগই বন্ধ করে ছেড়েছে৷ শিক্ষা-সংস্কৃতি সবেতেই একটি ভাবজড়তার পরিবেশ সৃষ্টি করে দিয়ে গেছে৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার তারচেয়েও কয়েককাঠি উপরে৷ এখন চারিদিকে শুধুই অরাজকতার পরিবেশ৷ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, চাকরি সর্বক্ষেত্রেই সে যুগের মাৎস্যন্যায় অবস্থাকেও ছাড়িয়ে গেছে৷ সেসবের ফিরিস্তি দিয়ে নিবন্ধের কলেবর বাড়িয়ে লাভ নেই৷ কমবেশি সকলেরই জানা৷ পুঁজিবাদী প্রচারযন্ত্রগুলি সারাদিন এসবের পক্ষে-বিপক্ষে তর্কযুদ্ধের বুলবুলি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে৷ উদ্দেশ্য মানুষকে বিভ্রান্ত করা ও ভুলিয়ে রাখা৷ বিচার বিভাগ কখনো কখনো গোপাল খোঁজার মতন দু’একটি সমাধানের ইঙ্গিত দিচ্ছেন বটে৷ কিন্তু প্রকৃত মুক্তির পথ অধরা৷ কেননা, বর্তমানের সমাজ-রাষ্ট্র  শশাঙ্কের পরের মাৎস্যন্যায়ের থেকে ভিন্ন৷ বর্তমান সমাজ-রাষ্ট্রে পুঁজিবাদী হস্তক্ষেপ যান্ত্রিক উন্নয়নের নিরিখে বিচার্য. তাও আবার তা মানস-অর্থনৈতিক শাসন-শোষণের আওতাধীন৷ আর এতদিনের সকল প্রতিরোধ আন্দোলন বা দর্শন দিশার অভিমুখ ছিল সাধারণ অর্থনীতি কেন্দ্রিক৷ যা সাধারণ মানুষের  কাছে অজ্ঞেয়৷ আর তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রেও বুঝেও না বোঝার ভান করা কিংবা সত্যিই না বোঝা৷ ফলে তাঁদের চিৎকার বা প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা সমাধানের দাওয়ায় ভিন্ন অনেকগুলি সমস্যার সৃষ্টি করে চলেছে৷ পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় এসেই জড়িয়ে পড়ল সারদা-নারদা সহ নানান আর্থিক দুর্নীতিতে৷ ভাড়াটে বুদ্ধিজীবীদের তর্ক-বিতর্কে তার সমাধান হলো না৷ সাধারণ মানুষ টাকা ফেরত পেল না৷ সম্প্রতি যোগ হয়েছে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি৷ শুধু শিক্ষক নিয়োগে নয় যে কোনো চাকরি, যেকোনো বদলি সর্বক্ষেত্রে এখন টাকা দিতে হয়৷ পশ্চিমবঙ্গ সহ প্রায় প্রতিটি রাজ্যে সরকারগুলি নানান দুর্নীতিতে গলা জলে ডুবে থেকেও উন্নয়নের নামে মিথ্যা গলা ফাটাচ্ছেন৷ নানান কেলেঙ্কারিতে দেশের নেতা-মন্ত্রীরা নিমজ্জিত৷ সেসব দুর্নীতি থেকে বাঁচতে দল ভেঙে ক্ষমতাশালী দলে নাম লেখাচ্ছেন৷ পাঁচ বছরের আগে সরকার ফেলে দিয়ে চোরেদের সরকার গড়ছেন৷ এতসব মাৎস্যন্যায় অবস্থার কত ফিরিস্তি তুলে ধরবো? আসলে ভারতবর্ষের জন্য সেদিনের গোপালের মতো একজন শুধু ভালো মানুষ নন আজ একটি ভালো দর্শন দিশার খোঁজ করতে হবে আমাদের৷ নইলে এতসব কেলেঙ্কারি থেকে সমাজ-রাষ্ট্রের উত্তরণ ঘটবে না৷ পুঁজিবাদীদের ভাড়াটে বুদ্ধিজীবীদের তত্ত্বের কচকচানি বা তর্কযুদ্ধের ঝড়ে মানুষ আজ দিশাহারা৷ শিক্ষার নামে কুশিক্ষা বা ভুল শিক্ষা৷ শিক্ষার নামে  কুশিক্ষা বা ভুল শিক্ষা৷ উন্নয়নের নামে দান-খয়রাতি৷ উৎপাদনের  নামে অনুৎপাদিত প্রকল্পে অর্থ ব্যয়৷ পুঁজিবাদী অঙ্কের হিসেবে দেশের জিডিপি বাড়লেও সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে৷ একদিকে  এক শ্রেণীর মানুষ ক্রমান্বয়ে ভিখারিতে পরিণত হচ্ছে, আরেক দিকে এক শ্রেণীর মানুষ অর্থের পাহাড় গড়ছে৷ সেখানে দুর্নীতি অবধারিত বিষয়৷ যতই আমরা তত্ত্বের কচকচানি করি না কেন, নোতুন কোনো আর্থসামাজিক দর্শন দিশা ছাড়া এর থেকে প্রকৃত মুক্তির উপায়  নেই৷ বর্তমানে যে চরম মানস-অর্থনৈতিক শাসন-শোষণের  যুগ  চলছে এর থেকে মুক্তি পেতে গেলে সেদিনের গোপাল খোঁজার মতো মানস-অর্থনৈতিক দর্শন খুঁজতে হবে আমাদের৷ দু’একজন  ববিতা সরকার আদালতে জিতে চাকরি পেলেও হাজার হাজার  ববিতা সরকাররা বঞ্চিতই থেকে যাবেন৷ স্থায়ী চাকরির পরিবর্তে সরকারগুলি সিভিক ভলেন্টিয়াররা বা অগ্ণিবীর-এর মতো স্বল্প বেতনে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করবেন৷  অল্প পয়সার অস্থায়ী কর্মচারী নিয়োগ করে সাধারণ মানুষের  ভবিষ্যতকে অনিশ্চিত অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবে৷ এর বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ আন্দোলনও যে খুব একটা হবে তাও নয়৷ কারণ প্রতিবাদ  আন্দোলন যারা করবেন সেই যুব সমাজের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে৷ প্রতিবাদ আন্দোলন এখন হাতের দর্পনে৷ প্রতিটি মানুষের হাতে পুঁজিবাদীপা এমন একটি যন্ত্র তুলে দিয়েছে, যার দর্পনে প্রতিটি মানুষ বুদ হয়ে পড়ে আছেন৷ স্বপ্ণে সকলেই এখন ইথারীয় বিশ্ব দেখছেন৷ বাস্তবের মাটির সঙ্গে খুব একটা সম্পর্ক নেই৷ বাস্তবের মাটির সঙ্গে  যা সম্পর্কিত তা গুজব ও দাঙ্গা ফ্যাসাদের বিষয়৷ গঠনমূলক কোনো বিষয় নিয়ে নয়৷ এটাও পুঁজিবাদীদের মানস অর্থনৈতিক শোষণের এক ধরণের কৌশল৷ এসব থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে৷ নোতুন কোনো প্রগতিশীল উপযোগ তত্ত্বের সহায়তা নিয়ে কৃষি, শিল্প, চাকরি, ব্যবসা সর্বক্ষেত্রে একটি সুসন্তুলিত আর্থসামাজিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হবে৷ জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন নয় পুঁজিবাদীদের মানস-অর্থনৈতিক শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে মানস-অর্থনৈতিক দর্শনদর্শন দিয়ে বৌদ্ধিকভাবে তার মোকাবিলা করতে হবে৷ নইলে পুঁজিবাদীদের নানান যান্ত্রিক কৌশলের কাছে সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন৷ অসৎ নেতা-নেত্রীদের নিত্যনতুন নানান কেলেঙ্কারি, নানান দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে যাবে৷ প্রতিকার অধরাই থেকে যাবে৷

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • October 2017 (106)
  • September 2017 (136)
  • August 2017 (105)
  • July 2017 (111)
  • June 2017 (104)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 12
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved