Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

এটা গুরুং-তামাংয়ের নাটক নয়তো!!

নিজস্ব সংবাদদাতা
Fri, 13-10-2017

দার্জিলিংয়ে তিন মাসের অধিককাল জবরদস্তি বন্ধ্ ও তার সঙ্গে সঙ্গে থানা জ্বালানো, পুলিশের গাড়ীতে অগ্ণিসংযোগ, বিভিন্ন সরকারী সম্পত্তিতে অগ্ণিসংযোগ, এখানে ওখানে মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটানো---এই সমস্ত চলতে থাকায় দার্জিলিংয়ে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১২০০ কোটি টাকায় এসে পৌঁছেছে৷ জনসাধারণের দুর্গতির শেষ নেই৷ কিসের জন্যে? বাঙলা ভেঙ্গে গোর্খাল্যাণ্ড রাজ্যের দাবীতে৷ কারা দাবী করছে? তারা কি এখানকার আদি বাসিন্দা? না, তাও নয়৷ এরা নেপাল থেকে আগত৷ জীবিকার প্রয়োজনে দার্জিলিংয়ে এসেছে৷ ১৯৫০ সালের ভারত-নেপাল চুক্তিতেই বলা হয়েছে এভাবে নেপালীরা ভারতে জীবিকার জন্যে আসতে পারে৷ তাদের সে সুযোগ দেওয়া হবে, কিন্তু তারা ভারতের নাগরিকত্ব পাবে না, এখানে এসে রাজনীতি করতে পারবে না৷ তা সত্ত্বেও গোর্খারা আগ্ণেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পাহাড়ের সবাইকে সন্ত্রস্ত করে ‘গোর্খাল্যাণ্ডে’র দাবীতে আন্দোলনে সামিল হতে বাধ্য করছে৷ সাধারণ শান্তিপূর্ণ জনসাধারণ অনিচ্ছা সত্ত্বেও ওদের হাত থেকে বাঁচার জন্যেই ওদের সমর্থন করছে৷

এখানে উল্লেখ্য গোর্খারা দার্জিলিংয়ে সংখ্যাধিক্য জনগোষ্ঠীও নয়৷ সব নেপালীরাও গোর্খা নয়৷ গোর্খা ছাড়া নেপালে তামাং, নেওয়ারী, থারু প্রভৃতি ১৪টি গোষ্ঠী রয়েছে৷ তারা কিন্তু গোর্খা নয়৷ তাদের ভাষাও গোর্খালী নয়৷ দার্জিলিং পার্বত্যাঞ্চলে বসবাসকারী সরল নিরীহ মানুষদের ভুল বুঝিয়ে ও ভয় দেখিয়ে তাদের আন্দোলনে সামিল করা হয়েছে৷ দার্জিলিংয়ের মূল অধিবাসী লেপচা ও ভুটিয়ারা কোচ জাতিভুক্ত৷ এই কোচেরা আদি বাঙালী৷ ‘কোচ’ গোষ্ঠীর একটা অংশ সিকিম-ভূটানের সংকোচ নদীর দুই তীরে বসতি স্থাপন করেছিল৷ আর তাদেরই একটা অংশ উত্তরের পাহাড়-পর্বত এলাকায় বসবাস শুরু করেছিল৷ লেপচা, ভুটিয়ারা বাঙালীর জীবন আর সংসৃকতির মূল স্রোতের সঙ্গে সবসময় সম্বন্ধিত থেকেছে৷ অন্যদিকে গোর্খারা ষ্পষ্টত বহিরাগত৷

তাই দার্জিলিং কোনও যুক্তিতে গোর্খাদের ‘ল্যাণ্ড’ বা আদি বাসভূমি নয়৷ তাই পৃথক রাজ্যের তো প্রশ্ণই ওঠে না৷ ‘গোর্খা পার্বত্য পরিষদ’ বা ‘গোর্খাল্যাণ্ড’ টেরিটোরিয়্যাল এ্যাডমিনিষ্ট্রেশন---এ সব কিছুই অবৈধ৷  এখানকার উন্নয়নের জন্যে তৈরী কোনও পর্ষদের নামের সঙ্গে এইভাবে ‘গোর্খা’ বা‘ গোর্খাল্যাণ্ড’ শব্দটা জুড়ে দেওয়াটাই বে-আইনি হয়েছে৷ এতে এখানকার মূল অধিবাসী, এখানে বসবাসকারী অন্যান্য জনগোষ্ঠীর প্রতি অবিচার করা হয়েছে৷ গোর্খাদের জঙ্গীপনার কাছে মাথা নত করেই এটা করা হয়েছে---যা আদৌ ঠিক হয়নি৷ ---এটাতে ওঁরা আরো আসকারা পেয়েছে ও একধাপ এগিয়ে পৃথক রাজ্য চাইছে৷

এখানে এটা সবার মনে রাখাটা জরুরী যে, দার্জিলিংয়ে বিশেষ কোনও গোষ্ঠীর স্বার্থে বা তাদের নামে পর্ষদ্ বা রাজ্য গড়ার বৈধতা বা অবৈধতার প্রশ্ণ না তুলেও বলব, এই ধরণের কোন পৃথক রাজ্য তৈরী করা অযৌক্তিক, অবৈজ্ঞানিক’---এটা উন্নয়নের একেবারে পরিপন্থী৷

এ যুগে বিশালাকার প্রাণী ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাষ্ট্র বা রাজ্যের কোনও ভবিষ্যৎ নেই৷ আগেকার বিশাল বিশাল ডায়নোসর জাতীয় প্রাণী অবলুপ্ত হয়ে গেছে৷ ছোট ছোট রাজ্যগুলিও ধীরে ধীরে আশপাশের রাজ্যগুলির সঙ্গে মিশে বৃহত্তর রাজ্য/রাষ্ট্র তৈরী করছে৷ এই ভারতে ব্রিটিশ আমলে চার শতাধিক স্বাধীন রাজ্য ছিল৷ সেগুলি স্বাভাবিকভাবে আজ আর টিঁকে নেই৷

সম্প্রতি অনেক ছোট ছোট রাজ্য হ’ল৷ এদের কোনও রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থা আগের থেকে আদৌ উন্নত হ’ল না৷ কেবল নতুন নেতানেত্রীদের ও এক শ্রেণীর পুঁজিপতিদের লুণ্ঠনের স্বর্গরাজ্য তৈরী হয়েছে৷ আর দার্জিলিংয়ে মাত্র আড়াইটা ব্লক নিয়ে রাজ্য তৈরী সম্পূর্ণ যুক্তিহীন, অবৈজ্ঞানিক ও হাস্যকর ব্যাপার৷ এ দাবী আসলে দার্জিলিংয়ের সাধারণ মানুষের উন্নয়নের কথা ভেবে করা হচ্ছে না৷ এর পেছনে রয়েছে এক বিরাট ষড়যন্ত্র৷ কিছু নেতানেত্রীর ক্ষমতার লালসা, মোটা টাকা গুছিয়ে নেওয়ার মৎলব ও তার পেছনে একটা আন্তর্জাতিক চক্রান্ত, যাতে চীনও জড়িত৷ দার্জিলিংকে কব্জা করার এ এক ষড়যন্ত্র৷ দার্জিলিংয়ের বিশেষ করে শিলিগুড়ি এলাকাকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ‘চিকেন নেক’ বলা হয় কারণ এর অতি নিকটে চীন, নেপাল, বাঙলাদেশ---এই তিন ভিন্ন রাষ্ট্রের সীমান্ত৷ এই চিকেন নেকটির ওপর চীনের লুব্ধ দৃষ্টি রয়েছে৷ তাই চীন দার্জিলিংয়ে বিমল গুরুংকে গোপনে উস্কানী ও নানাভাবে সাহায্য দিয়ে চলেছে৷

আর ইদানিং বিমল গুরুং ও বিনয় তামাংয়ের মধ্যে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে, তাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উল্লসিত হওয়াটাও উচিত নয়৷ এটা একটা স্রেফ নাটকও হতে পারে৷ এর পেছনে বিমল গুরুং ও তার উপদেষ্টাদের গোপন মৎলব রয়েছে বলেই মনে হয়৷ অনুগত বিনয়ের সঙ্গে মতবিরোধের নাটক করে বিমল গুরুং একদিকে ‘গোর্খাল্যাণ্ড’ প্রতিষ্ঠায় নিজের দৃঢ় সংকল্প সম্পর্কে জনমনে একটা ভাবমূর্ত্তি তৈরী করছে৷ সঙ্গে সঙ্গে দার্জিলিংবাসীদেরও দীর্ঘ বন্ধের পর একটা দম ফেলার সুযোগ করে দিচ্ছে ও মমতার সাথে চুক্তি করিয়ে সরকারী কর্মচারী ও চা বাগানের কর্মীদের হাতে বেতন ও বোনাল তুলে ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷ এটা রাজনৈতিক কূট-কৌশল ছাড়া অন্য কিছু বলে মনে হয় না৷ অন্ততঃ এটাই স্বাভাবিক৷

তাই মুখ্যমন্ত্রী সাবধান! বিনয় তামাংরাও কিন্তু অবৈধ গোর্খাল্যাণ্ডের দাবী ত্যাগ করেননি৷ তাই ওঁকেও বেশী আশকারা দেওয়া উচিত নয়৷ বরং এই সুযোগে জিটিএ টাই বাতিল করে দিয়ে দার্জিলিংয়ের উন্নয়নে  এখানকার  লেপচা, ভুটিয়া প্রভৃতি সমস্ত গোষ্ঠীকেই সমভাবে যুক্ত করা উচিত৷

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
জীবনের মূল মন্ত্র
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
ধন–সঞ্চয় সম্পর্কে প্রাউটের নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা
ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবী

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে
  • ভারতের ভয়ঙ্কর দশা থেকে বাঁচতে  শোষিত নাগরিকদের  ঐক্যবদ্ধ হতে হবে
  • প্রকৃত দেশপ্রেমিক ঋষি ডঃ আবদুল কালাম
  • চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ
  • বাঙালী জাতির অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
  • দুর্নীতিতে দেশ ডুবে যাচ্ছে ঃ মুক্তির উপায়?
  • ভারত কী শ্রীলঙ্কার পথে

পুরানো মাসিক খবর

  • August 2022 (106)
  • July 2022 (93)
  • June 2022 (167)
  • May 2022 (92)
  • April 2022 (168)
Pagination
  • Page 1
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved