Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ওঁ–কার ও ইষ্টমন্ত্র

শ্রী শ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী

এখন সংক্ষেপে ‘‘ওঁকার ও ইষ্টমন্ত্র’’ সম্বন্ধে তোমাদের কিছু বলব৷ জেনে বা না জেনে প্রতিটি জৈবিক সত্তা পরমপুরুষকে ভালবাসে, তাঁর ভালবাসা পেতে চায়৷ আর সৃষ্টির ঊষালগ্ণ থেকেই (আমি মানুষের সভ্যতার শুরু থেকে না বলে বলছি মানুষ সৃষ্টির প্রথম অবস্থা থেকে) তাদের সমস্ত আশা–আকাঙক্ষা জ্ঞাতে–জ্ঞাতে সেই পরমপুরুষের দিকেই প্রধাবিত হয়ে চলেছে৷

ওঁম্–কার কী?  বেদে ওঁম্–কার সম্বন্ধে বলা হয়েছে–

‘‘সবে বেদা যৎপদমামনন্তি তপাংসি সর্বাণি চ যদ্ বদন্তি৷

যদিচ্ছন্তো ব্রহ্মচর্যং চরন্তি তত্তে পদং সংগ্রহেণ ব্রুবীম্যোমিত্যেতদ্৷৷’’

‘‘সবে বেদা’’–সর্ব প্রকার বেদ৷ সংস্কৃতে মূল ধাতু বিদ মানে জানা৷ তাই বেদ মানে জ্ঞান৷ সুতরাং সবরকম ক্রিয়াত্মক প্রয়াসে–অর্থাৎ তা জ্ঞানাত্মক বা কর্মাত্মক যাই হোক–লক্ষ্য ছিলেন পরমপুরুষ৷ আর এখনও তিনিই লক্ষ্য, ভবিষ্যতেও পরমপুরুষই লক্ষ্য থেকে যাবেন৷ ‘‘সবে বেদা যৎপদমামনন্তি’’–অর্থাৎ যাঁর অনুসন্ধান বা যাঁকে জানতে.....৷

‘‘তপাংসি সর্বাণি চ যদ্ বদন্তি’’–তপঃ মানে কৃচ্ছ সাধন–নিজে কষ্ট স্বীকার করে অন্যের মঙ্গলসাধন৷ আর আধ্যাত্মিক দিক থেকে তপঃ মানে কেবলমাত্র পরমপুরুষের সন্তোষ বিধানে কষ্টবরণ করা৷ তাই ‘‘তপাংসি সর্বাণি.....’’ কথাগুলির অর্থ অধ্যাত্মপিপাসুরা তাঁকে সন্তুষ্ট করতেই তপসাধনে রত৷

‘‘যদিচ্ছন্তো ব্রহ্মচর্যং চরন্তি’’–অর্থাৎ ব্রহ্মচারীরা তাঁকে পেতে তাঁর মধুর সংস্পর্শে আসতেই ব্রহ্মচর্যের অনুশীলন করে থাকেন৷

‘ব্রহ্মচারী’ কথাটার সঠিক অর্থ তোমরা জান কি? মানুষের জীবন আধ্যাত্মিক সাধনার জন্যে নির্দিষ্ট৷ এ ছাড়া জীবনের অন্য উদ্দেশ্য, অন্য কামনা, অন্য কোন লক্ষ্য থাকতে পারে না৷ কিন্তু তোমার শরীর যা দিয়ে তুমি সবকিছু কর তা জড় জগতের মধ্যেই আছে৷ তাই দেহ পরিপোষণের জন্যে তোমার চাই খাদ্য, বস্ত্র, একটি গৃহ ও অন্যান্য অনেক কিছু৷ সেই জন্যে তোমার চিন্তাভাবনার একটি অংশ–ওই সব জাগতিক বস্তুতে সংলিপ্ত থাকবেই৷ তাহলে তোমার কী করা উচিত? দৈহিক বা মানসিকভাবে তুমি যখন এই সব বস্তুর সংস্পর্শে আস তখন তোমাকে ওই বস্তুসমূহের ওপর ব্রহ্মভাবনার আরোপণ করতে হয়৷ এই ভাবে তুমি যখন প্রতিটি জাগতিক বস্তুর ওপর ব্রহ্মভাবনা তথা নারায়ণ ভাবনা আরোপ করতে থাকবে তখনই তুমি প্রকৃত ব্রহ্মচর্যের অনুশীলনকারী হবে৷

‘‘যদিচ্ছন্তো ব্রহ্মচরং চরন্তি

তত্তে পদং সংগ্রহেণ ব্রুবীম্যোমিত্যেতদ্৷৷’’

–অর্থাৎ যম বলছেন, ‘‘সেই পরমপদে পৌঁছানোর জন্যে, তাঁকে পাবার জন্যে আমি ওঁঙ্কারের উচ্চারণ করি৷’’

তোমরা জান এই মহাবিশ্বে কিছুই স্থির নয়৷ অচঞ্চল নয়৷ সব কিছুই চলে চলেছে৷ আর তা চলছে দেশ–কাল পাত্রাধিগত আপেক্ষিকতার পরিভূর মধ্যে৷ সমগ্র মহাবিশ্ব আবার এক সামবায়িক অস্তিত্ব হিসেবে নিজেও গতিশীল৷ কেননা ভূমাসত্তার কল্পনা ধারায় তথা মানস প্রক্ষেপণেও গতিশীলতা আছে৷ যেখানেই গতি, সেখানেই স্পন্দন আর কোন না কোন জড় শক্তির (energy) অভিপ্রকাশ৷ তোমরা জান সব রকমের শক্তিই পরস্পর পরিবর্তনশীল (Inter-transmutable)৷ আলোকশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে৷ তেমনি মানুষের প্রাণশক্তি বা প্রাণাঃ (Vital energy) আধ্যাত্মিক শক্তিতে, এমনকি বিদ্যুৎশক্তিতে, আলোকশক্তি ও শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে৷ তুমি যখন কথা বলছ তখন তোমার প্রাণশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে৷

এখন এই রূপান্তরণ চলছে অনাদি থেকে অনন্তের দিকে৷ আর এই দুইয়ের মাঝখানে (অনাদি ও অনন্তের মধ্যে) থেকে যাচ্ছে যে বিশাল পরিসর, তার মধ্যেই আমাদের এই মহাবিশ্ব, এই পরিদৃশ্যমান জগতের অস্তিত্ব বিদ্যমান–যা এক ও অদ্বিতীয় কারণ–সত্তা থেকেই সৃষ্ট৷ এই গতিশীলতার জন্যেই উৎসারিত হচ্ছে মহাজাগতিক ধ্বনিগত অভিপ্রকাশ৷ নিষ্ঠাবান সাধক নিজ সাধনার মাধ্যমে নিজের কাণকে উপযুক্ত ভাবে প্রশিক্ষিত করে এই ধ্বনি শ্রবণ করতে পারে৷ সেই ধ্বনিই হচ্ছে ওঁং–কার৷ এই মহাবিশ্বের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক যত ধ্বনি আছে, ওঁঙ্কার হচ্ছে তাদের সামবায়িক বা মিলিত ভাব৷

 

এখন সৃষ্টির সমস্ত তরঙ্গ, সমস্ত স্পান্দনিক অভিব্যক্তি উৎসারিত হচ্ছে একই কেন্দ্রবিন্দু থেকে৷ সেই Supreme Nave থেকে স্থূলতার দিকে সৃষ্টির যে গতি তা যদি ধনাত্মক হয় তাহলে Supreme Nave–এর পানে অগ্রসর হবার জন্যে সাধকের যে প্রয়াস তা অবশ্যই হবে ঋণাত্মক৷ এই প্রয়াস প্রথমে হবে শারীরিক–মানসিক স্তরে৷ দ্বিতীয় স্তরে, বিশুদ্ধ মানসিক তৃতীয় স্তরে, মানস–আধ্যাত্মিক, আর শেষ স্তরে তা হবে বিশুদ্ধ আধ্যাত্মিক৷ সংস্কৃতে এই চারটি স্তরকে বলে–ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ বা চতুর্বর্গ৷

তাহলে দেখা যাচ্ছে ওঁঙ্কারের সূত্রপাত–বিন্দুটি ভূমা মানস–সত্তার সঙ্গে নিকট সম্পর্কযুক্ত [ওঁঙ্কারের আগের স্তরেই হচ্ছে ‘নাদ’৷ তার আগে কামবীজ বিন্দু ও তার আগে ভূমাসত্তা]৷ আর অন্য প্রান্তে আছে অণুমানস সত্তা [যার প্রকৃত লক্ষ্য ভূমাসত্তা বা পরমপুরুষ]৷ ওঁঙ্কারকে প্রণব বলা হয় (যা এসেছে প্র–নু + অল্ প্রত্যয় যোগে)৷ ‘প্রণব’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সেই সত্তা যা তোমাকে অর্থাৎ অণুমানস–সত্তাকে সেই পরম সত্তার দিকে নিয়ে চলে বা প্রেষিত করে৷ কিন্তু মনে রাখতে হবে যে ওঁং–কার যেহেতু মহাজাগতিক ক্ষেত্রে সমস্ত ধ্বনির মিলিত ভাব মুখে উচ্চারণ করবার নয়৷ তা [অন্তঃকর্ণে] শুণতে হয়৷ কেননা তোমার জিহ্বা ঠিকভাবে তা উচ্চারণ করতে পারবে না৷ এটা তার সামর্থ্যের বাইরে৷ (আগেই বলা হয়েছে) ওঁং–কার হ’ল এক অন্তহীন শব্দপ্রবাহ৷ এ জন্যেই একে শব্দব্রহ্মও বলা হয়৷

এখন দেখা যাক ‘ইষ্ট’ শব্দের মানে কী? ‘ইষ্ট’ শব্দের তাৎপর্য অনেকগুলি–‘‘সবচেয়ে প্রিয়’’, ‘‘ভালবাসার পাত্র’’, ‘‘আকর্ষক তত্ত্ব’’, ‘‘লক্ষ্য’’, ‘‘পরম কামনার ধন’’ ‘‘যাত্রা পথের অন্তিম বিন্দু’’ ইত্যাদি৷ ‘মন্ত্র’ শব্দের অর্থ–‘‘মননাৎ তারয়েৎ যস্তু সঃ মন্ত্রঃ পরিকীর্তিতঃ’’৷ ‘‘মনন’’ মানে আন্তরিক অভিভাবন বা মনে বার বার উচ্চারণ করা৷ আর ‘‘তারয়েৎ যস্তু’’ মানে যা আধিভৌতিক, আধিদৈবিক ও আধ্যাত্মিক বন্ধন থেকে ত্রাণ করে৷

সাধকের পক্ষে তার ইষ্টমন্ত্রই হচ্ছে প্রণব৷ কারণ তা তাকে পরমপুরুষের দিকে প্রেষিত করে৷ শুধু তাই নয়৷ এই ইষ্টমন্ত্র সাধককে পরমপুরুষের নিকটতম সংস্পর্শে আসতে, তাঁর সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলেমিশে এক হয়ে যেতে সাহায্য করে৷ সেই জন্যে সাধকের কাছে ওঁং–কার প্রণব নয়, তার কাছে নিজের ইষ্টমন্ত্রই হচ্ছে প্রণব [কেননা ওঁঙ্কার পরমতত্ত্বের সঙ্গে মনকে একীভূত করতে পারে না]৷ এই কারণে সাধনার ক্ষেত্রে ইষ্টমন্ত্রকে এত গুরুত্ব দেওয়া হয়৷ প্রত্যেক সাধকের নিজস্ব ইষ্টমন্ত্রই তার কাছে সবচেয়ে অর্থবহ তথা মূল্যবহ, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দ বা শব্দনিচয়৷ সাধকের কাছে নিজের ইষ্টমন্ত্র ছাড়া অন্যের ইষ্টমন্ত্রের কোন মূল্যই নেই৷

তোমরা হনুমান সম্পর্কে পুরাণের গল্পটা জানতো? পুরাণের গল্প অনুযায়ী হনুমান রামের পরম ভক্ত ছিলেন৷ একবার হনুমানকে অন্যান্য ভক্তেরা বললেন– ‘‘হনুমান, তুমি তো জান ‘রাম’ আর ‘নারায়ণে’র মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, তাঁরা দু’জনে তো আসলে একই সত্তা৷’’

‘রাম’ শব্দের অর্থ–‘‘রমন্তে যোগীনঃ যস্মিন্’’–যোগীর সবচেয়ে প্রিয়, পরম কামনার ধন৷ তিনি কে?–না, পরমপুরুষ৷ ‘রাম’ মানে পরমপুরুষ৷ আর ‘নারায়ণ’ মানে কী? ‘নার’ মানে প্রকৃতি, ভক্তি বা জল৷ তাহলে ‘নার শব্দের তিনটি অর্থ–‘নার’ মানে নীর অর্থাৎ জল (সংস্কৃতে জলের পর্যায়বাচক শব্দগুলি হচ্ছে ‘নীরম্’, ‘জলম্’, ‘পানীয়ম্’, ‘তোয়ম্’, ‘উদকম্’, ‘কম্বলম্’)৷

‘নার’ শব্দের দ্বিতীয় অর্থ ভক্তি৷ প্রাচীনকালে ‘নারদ’ নামে এক মহামুনী ছিলেন৷ [‘দ’ মানে ‘বিতরণকারী’ ]৷ তাঁর কাজ ছিল ভারত, তিব্বত, দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া ঘুরে ঘুরে পরমপুরুষের নাম কীর্ত্তন করা–অর্থাৎ সাধারণ মানুষের মধ্যে ভক্তি বিতরণ করা৷ তাই তিনি ‘নারদ’ নামে জনপ্রিয় ছিলেন–‘‘নার দেনেবালা’’ অর্থাৎ ভক্তি বিতরণকারী৷

‘নার’ শব্দের প্রথম অর্থের ক্ষেত্রে তোমরা জান–রেলওয়ে ষ্টেশনে কিছু লোকের দায়িত্ব থাকে যাত্রীকে জল বিতরণ করা৷ তারাও তো সেই অর্থে ‘নারদ’৷ তাই না? যাই হোক, তাদের বলা হয় ‘পানী পাড়ে’৷

‘নার’ শব্দের তৃতীয় অর্থ হচ্ছে পরমাপ্রকৃতি, মহামায়া, মহালক্ষী–অর্থাৎ পরমপুরুষের সর্জনকারী শক্তি, সগুণাত্মক তত্ত্ব৷ নারায়ণের ‘অয়ন’ শব্দের অর্থ আশ্রয়৷ কালির জন্যে দোয়াত যেমন আশ্রয়৷ তেমনি ‘নার’ অর্থাৎ প্রকৃতির আশ্রয় হলেন ‘নারায়ণ’ অর্থাৎ পরমপুরুষ৷

তাহলে দেখা গেল দার্শনিক দিক থেকে ‘নারায়ণ’ আর ‘রামে’ কোন তফাৎ নেই৷ কেননা ‘রাম’ মানেও পরমপুরুষ, নারায়ণ মানেও পরমপুরুষ৷ তাই হনুমানকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে–‘‘হে হনুমান, তুমি বড় ভক্ত৷ তুমি উচ্চস্তরের সাধক৷ তাহলে তুমি কেন শুধু রাম নামেরই উচ্চারণ কর৷ ভুলেও তো নারায়ণের জপ করনা৷’’ আসল ব্যাপারটা হ’ল হনুমানের ইষ্টমন্ত্র ছিল রাম৷ তাই এ সম্পর্কে হনুমানের যে উত্তর ছিল তা অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ৷ এটা তোমাদের সর্বদা স্মরণ  রাখা উচিত৷ হনুমান বললেন –

‘‘শ্রীনাথে জানকীনাথে চাভেদ পরমাত্মনি

তথাপি মম সর্বস্ব শ্রীরাম কমললোচন৷’’

–‘‘আমি জানি শ্রীনাথ (‘শ্রী’ মানে পরমাপ্রকৃতি আর ‘নাথ’ মানে প্রভু ‘শ্রীনাথ’ মানে পরমাপ্রকৃতির প্রভু অর্থাৎ নারায়ণ বা পরমপুরুষ) ও জানকীনাথের মধ্যে কোন প্রভেদ নেই৷ কেননা জানকীনাথ মানেও রাম–জানকীর নাথ বা পতি অর্থাৎ রাম অর্থাৎ পরমপুরুষ৷ তাই এদের মধ্যে সত্যিকারের কোন প্রভেদ নেই৷ কিন্তু হে প্রিয় সজ্জনেরা, শুণুন৷ আমার কাছে একমাত্র অর্থবহ শব্দ হচ্ছে আমার ইষ্টের নাম অর্থাৎ রাম৷ তাই ‘শ্রীনাথ’, ‘নারায়ণ’ এই শব্দগুলি আমার কাছে মূল্যহীন৷ আমার কাছে এই শব্দগুলির কোন স্বীকৃতিই নেই৷’’

তোমরা আমার ছেলেমেয়েরা, সাধকেরা, এই মহাবিশ্বে তোমাদের কাছে পরম মূল্যবান শব্দ হচ্ছে, তোমার পরম অবলম্বন হচ্ছে তোমার নিজস্ব ইষ্টমন্ত্র*৷ আর বাকী শব্দগুলি [অন্যের ইষ্টমন্ত্র] তোমার কাছে মূল্যহীন৷  

সান্ধ্যকালীন দর্শন, ২২ নবেম্বর ১৯৭০, হায়দ্রাবাদ

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
জীবনের মূল মন্ত্র
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
ধন–সঞ্চয় সম্পর্কে প্রাউটের নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা
ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবী

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে
  • ভারতের ভয়ঙ্কর দশা থেকে বাঁচতে  শোষিত নাগরিকদের  ঐক্যবদ্ধ হতে হবে
  • প্রকৃত দেশপ্রেমিক ঋষি ডঃ আবদুল কালাম
  • চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ
  • বাঙালী জাতির অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
  • দুর্নীতিতে দেশ ডুবে যাচ্ছে ঃ মুক্তির উপায়?
  • ভারত কী শ্রীলঙ্কার পথে

পুরানো মাসিক খবর

  • August 2021 (158)
  • July 2021 (46)
  • May 2021 (125)
  • April 2021 (116)
  • March 2021 (139)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 3
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved