সংবাদ দর্পণ

মোদী সরকারের সেমিফাইন্যাল

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে নবেম্বর ও ডিসেম্বরে৷ ঠিক তার পরেই অর্থাৎ ২০১৯-এই লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের মোদি সরকারের ভাগ্যপরীক্ষা৷ নবেম্বর-ডিসেম্বরে ৫ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন কী হবে তাতে কিন্তু পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের আভাস মিলবে৷ তাই বিজেপি ও বিরোধী পক্ষ --- উভয়ের কাছে এই বিধানসভা নির্বাচনগুলির বাড়তি গুরত্ব রয়েছে৷ এখন থেকে দু-পক্ষ মরিয়া হয়ে যুদ্ধজয়ের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে৷

বিরোধীতাদের কাছে বড়ো হাতিয়ার --- (১) পেট্রোল ও ডিজেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি যা সব রেকর্ড ছাপিয়ে গেছে৷

(২) ডলারের বিনিময়ে টাকার দামের পতন সর্বকালীন রেকর্ড ছাপিয়েছে৷

(৩) ঋণখেলাপীর পাণ্ডা নীরব-মেহুলের সঙ্গে মোদি ও তাঁর সহযোগীদের যোগসাজসের মারাাত্মক অভিযোগ ৷

(৪) রাফেল যুদ্ধবিমান ক্রয় মারাত্মক দুর্নীতি ইত্যাদি৷

এ সমস্ত ব্যাপারে মোদি বেশ কিছুটা কোনঠাসা ও বিরোধীরা উৎসাহিত৷

আন্দামানে বাঙালীদের সুরক্ষার দাবীতে কলকাতার আন্দামান ভবনে ‘আমরা বাঙালী’র স্মারকপত্র পেশ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বাঙালী বিরোধী জনগোষ্ঠীর দ্বারা দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসবাসকারী বাঙালীদের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন চলছে৷ ‘আমরা বাঙালী’ সংঘটনের পক্ষ থেকে এর তীব্র নিন্দা করা হয়েছে ও সম্প্রীতি ও সংহতি নষ্টকারী এরকম ঘটনাবলীর তীব্র প্রতিবাদ করা হয়েছে৷ এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ই অক্টোবর কলকাতার আন্দামান ভবনের সংযোগ রক্ষাকারীর মাধ্যমে এই দ্বীপপুঞ্জের মাননীয় প্রশাসকের উদ্দেশ্যে ট এক স্মারকপত্র পেশ করা হয়৷ এই স্মারকপত্রে আন্দামানে বাঙালী নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ করে তাঁর কাছে আন্দামানের বাঙালীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবী জানানো হয়৷ স্মারকলিপি পেশের সময় ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংঘটনের কেন্দ্রীয় সচিব বকুল চন্দ্র রায়, যুগ্ণ সচিব হিতাংশ ব্যানাজী, স্বাগতা ব্যানার্জী, শুভদীপ পাল, সুশীল জানা, অরূপ মজুমদার, মিণ্টু বিশ্বাস, শ্যামসুন্দর দেব প্রমুখ৷

 

কলকাতার লেক গার্ডেন্সস্থিত মার্গগুরু ভবনে কীর্ত্তন দিবস পালন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৮ই অক্টোবর কলকাতার লেক গার্ডেন্সস্থিত মার্গগুরু ভবনে বিকেল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত ‘বাবানাম কেবলম্’ মহানামসংকীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ মিলিত সাধনা, গুরুপূজা ও স্বাধ্যায়ের পর মার্গগুরু সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন আচার্য কেশবানন্দ অবধূত ও আনন্দমার্গীদের কাছে ৮ই অক্টোবর কীর্ত্তন দিবসের মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ অবধূত৷ তিনি বলেন---১৯৭০ সালে ৮ই অক্টোবর তৎকালীন বিহারের আমঝরিয়াতে মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী ভক্তদের সামনে অষ্টাক্ষরী মহামন্ত্র ‘বাব নাম কেবলম্’ উচ্চারণ করে সকলকে তা গাইতে বলেন৷ প্রায় দেড়শতাধিক ব্যষ্টি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কীর্ত্তনে অংশ নিয়ে কীর্ত্তনানুষ্ঠানটিকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন৷ সবশেষে সকলে একযোগে নারায়ণ সেবায় অংশগ্রহণ করেন৷নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ গত ৮ই অক্টোবর কলকাতার লেক গার্ডেন্সস্থিত মার্গগুরু ভবনে বিকেল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত ‘বাবানাম কেবলম্’ মহানামসংকীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ মিলিত সাধনা, গুরুপূজা ও স্বাধ্যায়ের পর মার্গগুরু সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন আচার্য কেশবানন্দ অবধূত ও আনন্দমার্গীদের কাছে ৮ই অক্টোবর কীর্ত্তন দিবসের মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ অবধূত৷ তিনি বলেন---১৯৭০ সালে ৮ই অক্টোবর তৎকালীন বিহারের আমঝরিয়াতে মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী ভক্তদের সামনে অষ্টাক্ষরী মহামন্ত্র ‘বাব নাম কেবলম্’ উচ্চারণ করে সকলকে তা গাইতে বলেন৷ প্রায় দেড়শতাধিক ব্যষ্টি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কীর্ত্তনে অংশ নিয়ে কীর্ত্তনানুষ্ঠানটিকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন৷ সবশেষে সকলে একযোগে নারায়ণ সেবায় অংশগ্রহণ করেন৷

পরলোকে রতীশ চৌধুরী ঃ মার্গীয় বিধিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

জলপাইগুড়ির প্রবীণ আনন্দমার্গী শ্রী রতীশ চৌধুরী গত ২৩শে অক্টোবর বার্ধক্যজনিত রোগের কারণে পরলোকে গমন করেন৷ তাঁর মৃত্যুর সংবাদে উত্তরবঙ্গে আনন্দমার্গী মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে৷ যথারীতি মার্গীয় বিধিতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়৷

২রা অক্টোবর আনন্দমার্গীয় সমাজ শাস্ত্রানুসারে তাঁর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন আচার্য শুভমিত্রানন্দ অবধূত৷ জলপাইগুড়িসহ উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট বহু আনন্দমার্গী এই শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন৷ শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের পর স্মৃতিচারণ করেন নীরদ অধিকারী, কেশব সিংহ, খুশীরঞ্জন মন্ডল, রুন্টু চক্রবর্তী প্রমুখ৷ সকলেই তাঁর আদর্শনিষ্ঠা সেবা ও কর্মনিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করেন৷

করণদীঘি হাইস্কুলে যোগ প্রশিক্ষণ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৯ই অক্টোবর করণদীঘি (উত্তর দিনাজপুর) হায়ার সেকেন্ডারী স্কুলের ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে যোগ,শারীরিক বিকাশ ও মানসিক একাগ্রতা-র ওপর আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত বিস্তারিত আলোচনা করেন৷

এরপর আচার্য বিশ্বমিত্রানন্দ অবধূত তাঁদের যোগাসন, কৌশিকী নৃত্য ও তাণ্ডব নৃত্য শেখান৷ মেয়েদের আসন ও কৌশিকী নৃত্য শেখান অবধূতিকা আনন্দ কৃষ্ণপ্রজ্ঞা আচার্যা৷ এছাড়া সবাইকে মানসিক একাগ্রতা সাধনের জন্যে প্রারম্ভিক ধ্যান-প্রক্রিয়াও শেখানো হয়৷

এই অনুষ্ঠানের ফলে স্কুলের ছাত্র-শিক্ষক সবার মধ্যে যোগের প্রতি বিশেষ আগ্রহ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়৷

এন. আর. সি.-র নামে বাঙালী বিতাড়নের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামছে ‘আমরা বাঙালী’ অসম রাজ্য কমিটি

সংবাদদাতা
নিজস্ব প্রতিনিধি
সময়

শিলচর, ৯ অক্টোবর ঃ এন আর সি-র নামে বাঙালী বিতাড়নের প্রতিবাদ্ত্রে জোরদার আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে আমরা বাঙালী৷ সংঘটনের অসম রাজ্য কমিটির সচিব শ্রী সাধন পুরকায়স্থ একথা জানান৷ ৯ই অক্টোবর শিলচরে রাজ্য কমিটির একটি জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ আমরা বাঙালী কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা শাখার সচিব শ্রীমতী অনিতা চন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন৷ এছাড়া অসম রাজ্য কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন৷ শ্রী পুরকায়স্থ অভিযোগ করেন এন আর সি-র নামে নিত্য নতুন ফতোয়া জারী করে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে৷ এন আর সি কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালী সিদ্ধান্তের শিকার হচ্ছে সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ৷ অনেক প্রকৃত ভারতীয়ের পক্ষে নথিপত্র যোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না৷ তিনি আরও বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা অটল বিহারী সরকারের আমলের তৈরী এক আইনকে হাতিয়ার করে সারা দেশে চার কোটিরও বেশী বাঙালীকে বিদেশী বানাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে৷

আনন্দমার্গ স্কুলগুলির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের সম্মেলন

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

গত ৬ ও ৭ অক্টোবর বিভিন্ন আনন্দমার্গ স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হ’ল কলকাতাস্থিত আনন্দমার্গের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে৷ ৬ তারিখ সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল সেক্রেটারী আচার্য বীতমোহানন্দ অবধূত, ইরজ সেক্রেটারী আচার্য নির্মলশিবানন্দ অবধূত, এডুকেশন ইন চার্জ আচার্য প্রিয়কৃিষ্ণানন্দ অবধূত, সেক্টোরিয়াল সেক্রেটারী আচার্য বিশুদ্ধানন্দ অবধূত, আনন্দমার্গ মহিলা কল্যাণ বিভাগের এডুকেশন-ইন-চার্জ অবধূতিকা আনন্দ সংশুদ্ধা আচার্যা প্রমুখ৷

সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, অসম, ঝাড়খণ্ড, বিহার ও ওড়িষ্যা থেকে বিভিন্ন আনন্দমার্গ স্কুলের শতাধিক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক যোগদান করেছিলেন৷

দু’দিন ব্যাপী সম্মেলনে তাঁদের আনন্দমার্গের নব্যমানবতাবাদী শিক্ষা ব্যবস্থা ও আদর্শ মানুষ তৈরীর ক্ষেত্রে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন আচার্য প্রিয়কৃষ্ণানন্দ অবধূত৷ এছাড়া সুচারুরূপে স্কুল পরিচালনা বিষয়ে আলোচনা করেন আচার্য নির্মলশিবানন্দ অবধূত৷ অফিস ম্যানেজমেণ্ট সম্পর্কে ক্লাস নেন আচার্য তথাগতানন্দ অবধূত, যোগসাধনা ও সার্বিক বিকাশের ওপর আলোকপাত করেন আচার্য বিশুদ্ধানন্দ অবধূত৷

সম্মেলনে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ সবাই এই ধরণের সম্মেলনে উপস্থিত হতে পেরে খুবই খুশী ও উপকৃত---এই মর্মে তাঁদের স্বতস্ফূর্ত অনুভূতি ব্যক্ত করেন৷ কারণ স্কুলের উন্নতি, শৃঙ্খলারক্ষা তথা স্কুলের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে এই ধরণের প্রশিক্ষণ বিশেষ জরুরী৷

এই সম্মেলন পরিচালনা করেন সেক্টোরিয়াল এরজ সেক্রেটারী আচার্য তথাগতানন্দ অবধূত৷ তিনি জানিয়েছেন আমাদের কোনো স্কুলে কোনো সমস্যা হলে তারা যেন তৎক্ষণাৎ যোগাযোগ করেন৷ (হোয়াটস্ এ্যাপ নম্বর ৭৪০০০১৪০০)

 

ছাত্র হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবীতে বাঙালী ছাত্র যুব সমাজের পথসভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

সম্প্রতি ইসলামপুরের দারিভিট হাইস্কুলের শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে তাপস বর্মণ ও রাজেশ সরকার---এই দুই ছাত্র হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবীতে ও অপরাধীদের চিহ্ণিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে বাঙালী ছাত্র ও যুব সমাজের পক্ষ থেকে গত ৫ই অক্টোবর শ্যামবাজারে পথসভার আয়োজন করা হয়৷ এই পথসভায় বক্তব্য রাখেন অর্ণব কুণ্ডু চউধুরী, সুপ্রিয় রায়, অর্ণব বিশ্বাস, বিপ্রদীপ সরকার, তপোময় বিশ্বাস প্রমুখ৷ তারা শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলির হস্তক্ষেপেরও তীব্র প্রতিবাদ করেন৷

বাঙালী হঠানোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আন্দামানে বাঙালীদের মহামিছিল

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

পোর্টব্লেয়ার ঃ গত ৭ই সেপ্ঢেম্বর আন্দামানে ‘বাঙালী হঠাও’ আন্দোলনের প্রতিবাদে এখানকার বাঙালীরা ‘বাংলা জয়েন্ট এ্যাকশন ফোরাম’ এই ব্যানারে ঐক্যবদ্ধভাবে এক মহামিছিলে সামিল হয়৷ প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করে --- প্রায় ১০ হাজার বাঙালী পোর্টব্লেয়ারে মিছিল করে --- তেরঙ্গা পার্কে-গণসমাবেশ করে৷ বক্তারা বাঙালীদের বিরুদ্ধে কায়েমী স্বার্থবাদীদের সমস্ত ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করার আহ্বান জানান৷ তাঁরা বলেন, বাঙালী বিরোধী শেখর সিং কমিশনের ইনার লাইন পারমিটের প্রস্তাব তাঁরা মানবেন না৷ ‘আমরা বাঙালী’ নেতা বিমল রাজবংশী তাঁর বক্তব্যে বলেন, এখানে বাঙালীদের নানান্ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে৷ তিনি আরও বলেন, আন্দামানে জনসংখ্যার প্রায় ৭০ শতাংশ বাঙালী৷ এখানে পূর্ববাংলা থেকে শরণার্থী হয়ে যাঁরা এসেছে, তাঁরা এসেছে ভারত সরকারেরই নির্দেশে৷ তাঁদের সরকারীভাবেই পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে৷ এরপর তাদের বিরুদ্ধে ‘বিদেশী’ বলে অভিযোগ ওঠে কী করে? যে বাঙালীররা সবচেয়ে বেশী বুকের রক্ত ঢেলে, ফাঁসীর কাঠে ঝুলে, দ্বীপান্তরে গিয়ে ভারতের স্বাধীনতা আনল, তারা যদি ভারতে বিদেশী হয়, তাহলে স্বদেশী কারা? তিনি বলেন, এটা পরিষ্কারভাবে বাঙালীর বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্র৷ আর এই ষড়যন্ত্র অনেক দিন থেকেই চলছে৷ তিনি বলেন, আন্দামানে সংখ্যাগুরু অংশ বাঙালী হওয়া সত্ত্বেও এখানে বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলি তুলে দেওয়া হচ্ছে, বাংলা শিক্ষক নিয়োগ না করে অবাঙালী শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে৷ তিনি বলেন, এখানে অবাঙালীরা যে ইনার লাইন পারমিটের নাম করে বাঙালী হঠানোর ষড়যন্ত্র করছে, সমস্ত বাঙালীরা ঐক্যবদ্ধভাবে এর বিরুদ্ধে লড়াই করবে৷ তাঁরা ইনার লাইন পারমিট মানে না৷ তাঁরা এই উদ্দেশ্যে প্রণোদিত শেখর সিং কমিশনও মানে না৷

২৭শে অক্টোবর ‘রাওয়া’ অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

মহান দার্শনিক ঋষি শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার কর্তৃক রচিত ও সুরারোপিত প্রভাত সঙ্গীতের ৩৬ বর্ষপূর্ত্তি উপলক্ষ্যে আগামী ২৭শে অক্টোবর সন্ধ্যায় কলকাতার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে৷

আনন্দমার্গের প্রবীণ সন্ন্যাসী আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ অবধূত সভাপতিত্ব করবেন৷ ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলঙ্কৃত করবেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা, বাণিজ্য ও আইন বিভাগের প্রাক্তন ডিন ডঃ রঘুনাথ ঘোষ৷

অনুষ্ঠানে প্রথিতযশা শিল্পীরা প্রভাত সঙ্গীত ও প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য পরিবেশন করবেন৷

অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন, প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী তানিয়া দাম, সৌরভ দাস, কেরালার বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী সাধিকা দেবী, অবধূতিকা আনন্দ অভীষা আচার্যা প্রমুখ৷ নৃত্য পরিবেশন করবেন ভুবনেশ্বরের ‘রাওয়া’ শিল্পীগোষ্ঠী, শান্তিনিকেতনের ‘সবুজকলি’ নৃত্যগোষ্ঠী, কঙ্কনা ভট্টাচায ও তাঁর সম্প্রদায় প্রমুখ৷

এছাড়াও রয়েছে নাটক ও অন্যান্য আকর্ষণীয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান৷