Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সুভাষচন্দ্রের ‘কৌলালিক’ ভূমিকা

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

পরমশ্রদ্ধেয় শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার তাঁর ‘শব্দ চয়নিকা’ (জ্ঞানকোষ) গ্রন্থে ‘কুলাল’ শব্দ ও তার বিভিন্ন অর্থ নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে সুভাষচন্দ্র বসুর ‘কৌলালিক’ ভূমিকা সম্পর্কে যে অভিমত ব্যক্ত করেছেন তা তুলে দেওয়া হ’ল৷১১৯

‘কুলাল’–এর একটি অর্থ হচ্ছে শিল্পগত বা ভাবগত বা আদর্শগত ব্যাপারে যাঁর বৈদগ্ধ্যিক  স্বাতন্ত্র্য রয়েছে ও যিনি তদনুযায়ী পরিকল্পনা করে এগিয়ে চলেছেন৷ এই ধরণের স্বাতন্ত্র্য বা পরিকল্পনা–মন্তুন্তু ভীত হয়ে অনেকেই–বিশেষ করে বিরুদ্ধবাদী মতবাদের বাহকেরা অনেক সময় অযথা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন ও কুলালের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন৷ এ ব্যাপারে বিচারকের বা সমালোচকের তটস্থ বুদ্ধি নিয়েই গবেষণা চালাতে হবে৷

 ভারতের স্বাধীনতার প্রাক্কালে যে উদগ্র কুলাল–চেতনা এখানকার জনমতকে আলোড়িত, আন্দোলিত ও প্রমথিত করেছিল সেটা ছিল রাজনৈতিক জগতে সুভাষ বোসের কৌলালিক ভূমিকা৷ যাঁরা বিচার–বিমর্ষে নিরপেক্ষ হয়ে থাকতে ভালবাসেন তাঁদের আজ জিনিসটা অনুধাবন করবার দিন এসেছে৷ সেকালের ভারতের নেতৃবর্গের প্রতি তিলমাত্র অশ্রদ্ধা না জানিয়েই বলতে পারি, তাঁদের মধ্যে সমাজচেতনা ও বৈপ্লবিক চেতনার অভাব তো ছিলই, কোন দৃঢ়নিবদ্ধ অর্থনৈতিক চেতনা বা সংরচনাগত কুলালত্বও ছিল না৷ তাঁরা চেয়েছিলেন, বিভিন্নভাবে জনমত গড়ে তুলে  ব্রিটিশকে তিক্ত–বিরক্ত করে তাঁদের হাত থেকে স্বাধীনতারূপী ফসলটি আলতোভাবে কাস্তে চালিয়েই তুলে নিয়ে মরাই–জাত করে নেওয়া৷ এতে সাপও মরবে না.....লাঠিও ভাঙ্গবে না৷ যারা ভাবেন, অহিংসানীতি কোন নীতিই নয়, ........অনন্যোপায় মানুষের একটি রাজনৈতিক চাল তাঁদের মনে রাখা উচিত যে সেদিনের নেতাদের সেই মানসিকতা ঠিক অনন্যোপায় অবস্থা–প্রসূত ছিল না৷ জনগণের ওপর তাঁদের যে প্রভাব ছিল সেই প্রভাবের সাহায্যে তাঁরা গণচেতনাকে ব্যাপকভাবে আন্দোলিত করে স্বাধীনতা হাসিল করার চেষ্টা করতে পারতেন৷ একথা অনস্বীকার্য যে মহাত্মা গান্ধী গণজাগরণ আনিয়েছিলেন কিন্তু উদ্বুদ্ধ গণচেতনাকে সংগ্রামের পথে পরিচালনা করেন নি৷ বলতে পারা যায় যে তাঁদের সকল নীতির মৌলিকত্ব একধরণের নেতিবাদে ও সংগ্রামের পথে পরিচালনা করেন নি৷ বলতে পারা যায় যে তাঁদের সকল নীতির মৌলিকত্ব একধরণের নেতিবাদে ও সংগ্রামহীনতাতেই আবর্ত্তিত ছিল৷ সুভাষ বোসের কুলালত্ব ভিন্নধর্মী৷ তিনি চেয়েছিলেন অবস্থার সুযোগ নিয়ে, আরও স্পষ্ট বাংলায় ঝোপ বুঝে কোপ মেরে প্রতিপক্ষকে বিবশ করে স্বাধীনতা হাসিল করা৷ এইখানেই ছিল তাঁর তৎকালীণ নেতৃত্বের সঙ্গে কুলালত্বগত বিরোধ বা বৈষম্য৷

গান্ধীবাদের তথাকথিত অহিংসা–মন্ত্রে সরলতার ষোল আনা অভাব না থাকলেও কিছুটা অভাব ছিল৷ বৈয়ষ্টিক জীবনে গান্ধীজী যতটা সরল ছিলেন হয়তো বা তাঁর অনুগামীরা ততটা ছিলেন না যার ফলে এই কুলালত্বগত ভেদটা লোকলোচনে আরও প্রকট হয়ে উঠেছিল৷ কংগ্রেস সভাপতি পদে (কংগ্রেস সভাপতিকে সেকালে রাষ্ট্রপতি বলা হত৷ বলাটা একটু হাস্যকর নয় কি রাষ্ট্রই নেই, তার আবার রাষ্ট্রপতি মাথা নেই, তার মাথার মুকুট) পট্টভি সীতারামাইয়ার সঙ্গে সুভাষ বোসের যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল তা ছিল এই কুলালত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতা৷ গান্ধীজী সরল মানুষ ছিলেন৷ তাই সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সুভাষ বোসের জয়ে তথা সীতারামাইয়ার পরাজয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষাতেই বলেছিলেন–সীতারামাইয়ার পরাজয় আমার পরাজয় (Sitaramaiya's defeat is my defeat)৷ সুভাষ বোস গান্ধীজীর সঙ্গে এই কুলালত্বগত বিষমতাকে কখনও বৈয়ষ্টিক স্তরে নেবে আসতে দেননি৷ গান্ধীজীও তা’ দেননি৷ কিন্তু কংগ্রেসের কিছু উচ্চাশাবাদী (ambitious) নেতা তা’ দিয়েছিলেন৷ আর তাঁদের এই বৈয়ষ্টিক গরলের অভিপ্রকাশ তথা অহিংসার অজগর–পাশ সুভাষ বোসের দেশত্যাগের অনেক কারণের মধ্যে একটি কারণ৷ রাজনীতির মর্মমূলে প্রবেশ না করেও ভাসা ভাসা জ্ঞান নিয়ে অথবা ভিন্ন ধরণের উদ্দেশ্য–প্রণোদিত হয়ে যারা সুভাষ বোসকে কুলঘ্ণ বা ভ্রান্ত দেশপ্রেমিক misguided patriot) বলত  তারা হয়তো এটুকু খতিয়েও দেখেনি যে দৈশিক স্বাধীনতা রক্ষার জন্যে অর্থনৈতিক মতবাদে ভিন্নমেরু হওয়া সত্ত্বেও রুশের সঙ্গে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র যদি এক পঙ্ক্তিতে বসে ফলার করতে পারে তাহলে একটি সামরিক শক্তিবিহীন স্বাধীনতাকামী দেশের পক্ষে অক্ষ শক্তির (জার্মানী, জাপান ও ইতালী) সহায়তা নিয়ে সুভাষ বোস এমন কি মহাভারত অশুদ্ধ করেছিলেন আসলে যুদ্ধটা তো ছিল দু’টি সাম্রাজ্যবাদী তথা সম্প্রসারণবাদী শক্তির মধ্যে৷ কোন পক্ষই গঙ্গাজলে ধোয়া তাঁক্ষা–তুলসীপাতা ছিল না৷ দেশের স্বাধীনতার জন্যে সুভাষ বোস যে পক্ষেই যোগদান করতেন, প্রতিপক্ষ তাঁকে নিন্দা করতই৷ যাঁরা সুভাষ বোসের কর্মপন্থা বা ভাব–সরণকে সুভাষবাদ বলেন তাঁরা ভুল করেন৷ ‘সুভাষবাদ’ বলে কোন মতবাদ নেই৷ সুভাষ বোস দেশের স্বাধীনতা চেয়েছিলেন.....আর তা চেয়েছিলেন উদগ্রভাবেই৷ তাই তিনি এ ব্যাপারে প্রকৃত সুযোগ–সন্ধানীর ভূমিকাতেই নেবেছিলেন৷ এতে কেউ যদি তাঁর নিন্দা করে তাহলে বুঝতে হবে সে রাজনৈতিক জীবনে গায়ে আঁচড়টি  না লাগিয়েই সস্তায় কিস্তী মাৎ করতে চেয়েছিল৷

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
জীবনের মূল মন্ত্র
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
ধন–সঞ্চয় সম্পর্কে প্রাউটের নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা
ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবী

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে
  • ভারতের ভয়ঙ্কর দশা থেকে বাঁচতে  শোষিত নাগরিকদের  ঐক্যবদ্ধ হতে হবে
  • প্রকৃত দেশপ্রেমিক ঋষি ডঃ আবদুল কালাম
  • চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ
  • বাঙালী জাতির অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
  • দুর্নীতিতে দেশ ডুবে যাচ্ছে ঃ মুক্তির উপায়?
  • ভারত কী শ্রীলঙ্কার পথে

পুরানো মাসিক খবর

  • March 2022 (79)
  • February 2022 (385)
  • January 2022 (43)
  • November 2021 (121)
  • September 2021 (189)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 2
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved