Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আজ দলতন্ত্রী কুশাসনে পুঁজিবাদের শোষণে দেশবাসী সংকটে পরিত্রাণের পথ প্রাউট

প্রভাত খাঁ

আজ দলতন্ত্রী কুশাসনে মহান প্রাউট হলো মানব সমাজকে রক্ষা করবার একমাত্র পথ কারণ ধনতন্ত্র টাই গরীবদের ভাতে মারে ও প্রাণে মারে৷ 

ভারত বর্তমানে একটি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ একটি দেশ নয়৷ তাই সেই বাঙলার মহান কবি বলেছেন--- নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান বিবিদের মাঝে দেখো মিলন মহান৷ তাই যেন তেনো প্রকারের শাসনে সে যদি সাম্প্রদায়িক দলগুলো মনে ভেবে নেয় যে তারা যা বলবে সবাই তাদের ক্রীতদাস হয়ে মেনে নেবে, সেটা তো বাতুলতা৷ এক ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা৷ তাই শাসকদের শ্রদ্ধার সঙ্গে মনে রাখতেই হবে যে এই উপমহাদেশ টি হলো একটি সেই মহান সৃষ্টির কর্তার ইচ্ছায় এমন দেশ যেটি হল বৈচিত্রের মধ্যে অবস্থিত মিলি জুলি দেশ, সারা পৃথিবীটা যাতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি বৃহৎ পরিবারের মতো মিলেমিশে শান্তিরক্ষা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে৷ এরই জন্য বাঁচো আর বাঁচতে দাও৷ এই উদারনীতিকে মান্যতা দিয়ে শাসকদলের লোভ সংবরণ করে মানবতাবাদী হয়ে সমাজগুলিকে স্বীকৃতি দিতে হবে৷ সেই সমাজতন্ত্রকেই মান্যতা দিয়ে শাসনকার্য চালিয়ে যেতে হবে শাসকদের৷ আর সারা পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অতীতের যুদ্ধবাজ সরকার গুলি আঘাত খেয়েই বিশ্ব রাষ্ট্র সংস্থা গড়ে তোলেন৷ যার নাম রাষ্ট্রসংঘ৷ তাকেই আজ সেই যুদ্ধবাজরা অমান্য করে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় মেতে ওঠে৷ অস্ত্র তৈরি করছে আর সেই অস্ত্র অন্য রাষ্ট্রকে বিক্রি করে বিশ্বময় যুদ্ধের পরিবেশ সৃষ্টি করে চলেছে বিশেষ করে কয়টি দেশ৷ তাদের নাম সবাই জানে এই কঠিন পরিস্থিতিকে ছোট ছোট রাষ্ট্রগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি ধান্দাবাজ রাষ্ট্রগুলিকে উচিত শিক্ষা দিতে হবে, তাদের সঙ্গে এমনভাবে সম্পর্ক রাখতে হবে সেটা যেন তাদের বুঝতে পারে৷ তাই নিজেও মাতৃভাষা কৃষ্টি সংস্কৃতি সামাজিকতাকে ফেলে কারোকে অনুসরণ করলে চলবে না৷ পাশাপাশি রাষ্ট্রগুলি যেগুলি ছোট ছোট তাদের সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্যকে চালাতে হবে৷ আত্মনির্ভরশীল হয়ে চলতে হবে৷ 

আর সমবায় পদ্ধতিকে গুরুত্ব দিয়ে নিজে নিজে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলতে হবেই৷ অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণের দিকটা কে প্রাধান্য দিতে হবে৷ তাতে সমাজতন্ত্রটা বাঁচবে ও গণতন্ত্রে অর্থনৈতিক কেন্দ্রীকরণের কোন অবস্থায় প্রশ্রয় দিলে চলবে না প্রশ্রয় দেয়৷ সেইসব শাসক যারা ধনীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত দল৷ সেইগুলি প্রধানত সাম্প্রদায়িক দল ধনীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তারা গরীবকে শোষণের জন্য ধনীদের নিয়ন্ত্রিত বড় বড় কলকারখানা করে ভোগ্যপণ্য উৎপাদন করে সস্তায় বাজারে ভোগ্য পণ্য বিক্রয় করে সমবায় ব্যবস্থাকে মার খাইয়ে সেই সমাজ ব্যবস্থাকে ধবংস করে৷ সেই শোষণের উপর সমৃদ্ধি মারাত্মক ধবংসাত্মক নীতিকে প্রশ্রয় দিয়ে মানব সভ্যতাকে ধবংস করে ছাড়ছে৷৷ তাই শোষিত নিপীড়িত মানুষদের বাঁচার জন্য জাগ্রত প্রহরীর মত ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের পায়ে দাঁড়াবার চেষ্টা টাই হলো বাঁচার একমাত্র পথ৷ তাই আর ধনতান্ত্রিক সমাজ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সেবা দান হয়ে শোষিতরা বাঁচবে না এ ব্যাপারে প্রাউটের সমাজ আন্দোলনই হবে শোষণ মুক্তির আন্দোলন৷ এই আন্দোলনে জাতি সম্প্রদায় কোন প্রকার ভেদাভেদ থাকবে না৷ এটা হবে বিশ্বের সমস্ত শোষিত মানুষের আন্দোলন৷ প্রতিটি শোষিত মানুষের আর্থিক শোষণমুক্তি এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য৷

সেই কারণে শোষণ মুক্তির আন্দোলনকে জাগিয়ে তোলাটাই বাঁচার পথ৷ এটি আজকের অতি প্রয়োজন আত্মবিশ্বাসকে ভর করে নিজেদের শক্তিকে নিজেদের দাঁড় করাতে হবে৷

 

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved