February 2022

হাওড়া কলিকাতার পুরভোট-১৯সে ডিসেম্বর

রাজ্য সরকারের প্রস্তাব মতো আগামী ১৯শে ডিসেম্বর কলিকাতা ও হাওড়া পুরসভার নির্বাচন ঘোষণা করলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার৷ তবে হাওড়া পুরসভার ৬৬টি আসনের ৫০টিতে ভোট হবে৷ ১৬টি আসন নিয়ে পুনরায় বালি পুরসভা ঘটিত হবে৷ অর্থাৎ হাওড়া পুরসভার মধ্যে থাকবে ৫০টি আসন৷ ২০১৫ সালে বালি পুরসভাকে হাওড়ার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ তবে বালি পুরসভার নাগরিকদের এতে সায় ছিল না৷ তাদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল, বালিকে পৃথক পুরসভা করা৷ তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে বালিবাসীর দাবী মেনে নিল তৃণমূল সরকার৷

সূর্য গবেষণায় বাঙালী

নাসা ও লকহিড মার্টিন সোলার এ্যাণ্ড এ্যাস্ট্রো ফিজিক্স ল্যাবরেটরী যৌথভাবে সূর্য নিয়ে গবেষণা করবেন পশ্চিমবঙ্গের আলিপুর দুয়ারের গবেষক শৌভিক বসু৷ তিনি এর আগে ২০১৯ সালে  সূর্যকণার ওপর গবেষণা করেছিলেন নাসাতেই৷ এবারে তিনি নাসাতেই সূর্য নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ পেয়েছেন৷

শৌভিক জানায় এবার পি.এইচ.ডি শেষ করার পর লকহিড মার্টিন সোলার এ্যাণ্ড এ্যাস্ট্রো ফিজিক্স ও  নাসায় সূর্য নিয়ে গবেষণার সুযোগ পেয়েছি৷ এই গবেষণার কাজ তিন বছর চলবে৷

 

মানব সমাজের একতা ও অস্তিত্ব রক্ষা করতে প্রাউট ছাড়া অন্য কোন পথ নেই---প্রভাত খাঁ

গত ৭ই আগষ্ট শ্রীরামপুর ঃ- ‘‘একতাবদ্ধ মানবগোষ্ঠী সভ্যতাকে গড়ে তোলে, সম্মিলিত বাঁচবার প্রয়াসই তাকে বাঁচিয়ে রাখে৷’’ প্রাউট প্রবক্তার এই কথাগুলি তুলে ধরে প্রবীন প্রাউটিষ্ট নেতা শ্রী প্রভাত খাঁ বলেন---আজ মানুষের সমাজ ও সভ্যতা চরম সঙ্কটে পড়েছে৷ জাতপাত ও সম্প্রদায়গত ভেদ-বিদ্বেষ, দলীয় সংঘর্ষ,চরম অর্থনৈতিক বৈষম্য এই সঙ্কটের কারণ৷

অসার দাবী অমানবিক আন্দোলন

অসার দাবীর ভিত্তিতে অমানবিক  আন্দোলনের বলি হলো এক অসহায় অবুঝ বালক৷ মালদহের মোথাপাড়ার জোত অনন্তপুর গ্রামের বাড়ীর ছাদ থেকে পড়ে জখম হয় ৭ বছরের বালক সাকিবুল৷ তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল৷ তাকে এ্যাম্বুলেন্সে করে চিকিৎসার জন্যে কলিকাতায় আনা হচ্ছিল৷ সেই সময় কৃষ্ণনগরে পথ  অবরোধ করেছিল কিছু উচ্ছৃঙ্খল মানুষ৷ তাদের প্রথা ছিল জগদ্বাত্রীর বিসর্জন সাঙে (বাঁশের মাচায়) করে বেহারাদের কাঁধে নিয়ে যেতে হবে৷ করোনাকালে উচ্চ আদালত তা নিষিদ্ধ করে দেয়৷ কিন্তু মাতাল ভক্তরা তা মানবে কেন?

রাজ্য মন্ত্রীসভায় রদ বদল অর্থমন্ত্রকের মাথায় অমিত মিত্র

শারীরিক কারণে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হননি রাজ্যমন্ত্রী সভার সফল অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র৷ তবু তিনিই অর্থমন্ত্রী হয়েছিলেন তৃণমূলের তৃতীয় মন্ত্রীসভায়৷ কিন্তু তার মেয়াদ ছিল ছয় মাস৷ সেই মেয়াদ শেষ হয়েছে ৯ই নভেম্বর৷ মুখ্যমন্ত্রী অর্থ দপ্তর নিজের হাতে রেখে অর্থ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী করলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে৷ তবে অর্থনৈতিক উপদেষ্টা করে পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদায় অর্থদপ্তরের মাথার উপর রাখলেন অমিত মিত্রকে৷ অর্থ দপ্তরের যে কোন বিষয়ে নীতি নির্ধারণে অমিত মিত্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে৷ সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শূন্য আসনে বসালেন পুলক রায় কে৷ পুলক রায় পুরনো দপ্তর জনস্বাস্থ্য কারিগরির সঙ্গে পঞ্চায়েত দপ্তর

আত্মনির্ভতার অলীক কল্পনা নয় --- অর্থনীতিকে বাস্তবমুখী হতে হবে

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

অর্থনীতির অর্থ---ধনের বা সম্পদের ব্যবহারিক নিয়ম৷ সেই নিয়ম  এমন হওয়া উচিত যাতে বিশ্বের সকল মানুষ তথা সকল জীবের অস্তিত্ব সুরক্ষিত হয়৷ মহান দার্শনিক প্রাউট প্রবক্তা শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকারের ভাষায় ‘‘অর্থনীতি হবে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও প্রয়োগভৌমিক বিজ্ঞান, আর একে বিশ্বের সর্বস্তরের মানুষ, সর্বজীবের  তথা সর্ব অস্তিত্বের সার্বিক কল্যাণের স্বার্থে বিকশিত হতে হবে৷’’

সদাশিবের আলোকে যোগ, রাজযোগ, অষ্টাঙ্গিক ও রাজাধিরাজ যোগ

আর্যরা ভারতে বসবাস করার  পরে অনার্য সমাজে জন্মেছিলেন এক বিরাট পুরুষ৷ মঙ্গোলীয়–আর্য মিশ্র কুলে জাত এই বিরাট পুরুষ ছিলেন উন্নতনাসা ও শুভ্রকান্তি৷ ইনি ছিলেন মহাতান্ত্রিক, মহাযোগী৷ অনার্য সমাজের এই মহাপুরুষ শিব নামে প্রসিদ্ধ ছিলেন৷ একাধারে এত গুণ মানুষের মধ্যে যে থাকতে পারে এ কথা লোকে ভাবতে পারে না, তাই তাঁকে বলা হ’ত গুণাতীত বা নির্গুণ পুরুষ৷ তন্ত্রসাধনার ফলে এই শিব অর্জন করেছিলেন অলোকসামান্য শক্তি৷ এই শক্তিকে তিনি লাগিয়ে গেছলেন জনকল্যাণের কাজে৷ তন্ত্রশাস্ত্রকে সুসংৰদ্ধরূপ ইনিই দিয়েছিলেন৷ তাই তান্ত্রিকের বা যোগীর ইনি ছিলেন গুরু–ইনি ছিলেন পিতা৷ এই ৰ্রহ্মজ্ঞ মহাপুরুষের

ৰৃহত্তর ৰাঙলা

প্রায় ৫০০০ বছর আগে অষ্ট্রিক, মঙ্গোলিয়ন আর নিগ্রো রক্তের সংমিশ্রণ–জাত ৰাঙালী জনসমুদায় সৃষ্টি হয়েছিল৷ সেই সময় ৰাঙলার ভাষা ছিল সংস্কৃত, তাই ৰাংলাভাষারও পথনির্দেশক ভাষা হচ্ছে সংস্কৃত৷ প্রায় ১২০০ বছর আগে ৰাংলাভাষার এক রূপান্তরণ হয়েছিল৷ সেই সময় ৰাঙলা বলতে বোঝাত বর্তমানের পশ্চিমবঙ্গ, নেপালের ঝাপা জেলা, বিহারের পূর্বাংশ, সম্পূর্ণ ৰাঙলাদেশ আর বর্মা, মেঘালয়ের সমতল অংশ, প্রাগজ্যোতিষপুরের কিছু অংশ আর অসমের বরপেটা, কামরূপ ও নগাঁও৷ ৰৃহত্তর ৰাঙলার এই ছিল এলাকা৷ আজ ৰাঙালী বলতে ৰোঝায় দুই প্রকারের অভিব্যক্তি– ভারতীয় ৰাঙালী আর ৰাঙলাদেশী ৰাঙালী ৷ এই দু’য়ের মধ্যে একটা সংহতিকরণ বা মিশ্রণ অবশ্যই হওয়া উচিত৷

রাজনৈতিক ভণ্ডামী ও দ্বিচারিতা বন্ধ হোক

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

ভারত এর জনগণের ভাগ্যে যে সব রাজনৈতিক দল শাসনে এসেছে তাদের অধিকাংশই সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থেই মসগুল৷ যেজন্য দেশের স্বাধীনতার প্রয়োজন ছিল জনগণের সেটা অদ্যাবধি তিলমাত্র পূরণ হয়নি৷ ফলে জনগণ গত ৭৪ বছরে দেশীয় শাসনে এ দেশের ধনী ব্যবসাদারদের শোষনের চরমভাবে শিকারই হয়ে চলেছে৷ আর দেশীয় সরকারগুলি সংবিধানের  মূল লক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে সাম্প্রদায়িকতাকে  ও নানা ভেদ বিদ্বেষকে মূলধন করেই দেশ শাসনের নামে সেই দলীয় শাসনকে জিয়িয়ে রেখেছে৷ স্বাধীন ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে সরকারকে বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্যদের সচেতন থাকতেই হয় সংযত ভাষা ও কিছুটা উদারতার দরকার হয় জনগণের স্বার্থরক্ষায় কিন্তু দেশের শাসকগণের তার বড়ই অভ

রাজ্যগুলিকে অবশ্যই অর্দ্ধশিক্ষিত ও শিক্ষিত বেকারদের কোন না কোন কাজে নিয়োগ করতেই হবে দেশে-বেকারত্বের অভিশাপ রুখতে

প্রভাত খাঁ

বাংলার কবি চন্ডিদাস বলেন--- শুনরে মানুষ ভাই

সবার উপরে মানুষ সত্য, সেই মানুষকে নিয়েই হতভাগ্য ভারতের নামকেওয়াস্তে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের শাসকগণ করে চলেছেন করোনার আক্রমণে সারা দেশে৷ মিথ্যাচারিতা ও ধান্দাবাজি৷