Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আটপৌরে মেয়ে

পত্রিকা প্রতিনিধি

একজন মহিলা, সাধারণ ঘরের আটপৌরে মহিলা৷ ৮০-এর দশকে পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমের সন্ত্রাসে তটস্থ পশ্চিমবঙ্গ৷ দিল্লিতে সরকার চালাতে কংগ্রেসের পাসে সি.পি.এম, তাই দিল্লির শাসক কংগ্রেস রাজ্যে সিপিএমের অত্যাচার নিয়ে কোন কথা বলতো না৷ রাজ্য কংগ্রেসের নেতারাও সিপিএমের সঙ্গে সখ্যতা রেখে চলে৷ বিদ্রোহিনী শুধু কালীঘাটের পটুয়া পাড়ার একটি আটপৌরে মেয়ে৷ যেখানে সিপিএমের সন্ত্রাস সেখানেই ছুটে যান৷ তাবড় কংগ্রেস নেতারা তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না৷ ১৯৮৪ সালে লোকসভা নির্বাচন৷ সিপিএমের দুর্গ যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র৷ সেখানে সাংসদ সিপিএমের দাপুটে নেতা সোমনাথ চ্যাটার্জী৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জব্দ করতে কংগ্রেস যাদবপুরে সোমনাথ চ্যাটার্জীর বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দাঁড় করিয়েছিলেন৷ সেদিন অতিবড় রাজনীতিবিদও কল্পনা করেনি সোমনাথ চ্যাটার্জী হারবেন৷ আর কংগ্রেস নেতারাও কল্পনা করেনি এই মেয়ের কাছেই একদিন তাদের জব্দ হতে হবে৷ কিন্তু সেদিন সোমনাথ চ্যাটার্জী হেরে ছিলেন মমতা ব্যানার্জীর কাছে, কংগ্রেস নেতারাও জব্দ হয়েছেন৷

কংগ্রেসের চিরাচরিত নীতি দিল্লির প্রতি--- আরও স্পষ্ট করে বললে নেহেরু পরিবারের প্রতি আনুগত্য না থাকলে দলে থাকা যায় না৷ মমতা ব্যানার্জীরও স্থান হলো না কংগ্রেসে৷ নোতুন দল করে সিপিএমকে উচ্ছেদ করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন ২০১১ সালে৷ 

যার পেছনে দিল্লি ছিল না, আধা সেনা ছিল না, নির্বাচন কমিশনার ছিল না, যিনি শতাব্দী প্রাচীন কংগ্রেসকে পশ্চিমবঙ্গে সাইনবোর্ডে পরিণত করেছেন৷ ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকা দোর্দন্ড প্রতাপ সিপিএমকে শূন্যে নামিয়ে এনেছে, টাটার মত শিল্পপতিকে সিঙ্গুর থেকে তাড়িয়েছেন৷ এত শত্রু পরিবেষ্টিত হয়ে, নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েও ১৫ বছর যেভাবে সিপিএমের ফেলে যাওয়া ছিবড়ে পশ্চিমবঙ্গকে চালিয়েছেন এই কৃতিত্ব স্বাধীন ভারতে এখনো পর্যন্ত আর কোন নেতা মন্ত্রীর নেই৷ দোষ ত্রুটি নিশ্চয়ই আছে, থাকাটাই স্বাভাবিক, তবুও আগামী দিনের ইতিহাস পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদানকে অস্বীকার করতে পারবে না৷

ভালো-মন্দ যাই হোক, স্বাধীন ভারতে ১৫ বছর বাঙলা বাঙালীর হাতে ছিল৷ বিধান রায় থেকে সিদ্ধার্থ শংকর রায় বাঙলার রাশ ছিল দিল্লির নেহেরু থেকে ইন্দিরা গান্ধীর হাতে৷ পঞ্জাব যেভাবে উদ্বাস্তু সমস্যার সমাধান করেছে, বিধান রায় সেভাবে করেননি কারণ নেহেরু চায়নি৷ 

আনুগত্যের বিরুদ্ধে গেলেই দল থেকে বিতাড়িত ----- প্রণব মুখার্জি, প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি৷ তারাও পশ্চিমবঙ্গে নতুন দল গড়েছিল, হালে পানি না পেয়ে আবার ঝাঁকের কই ঝাঁকে গিয়েই মিশেছিল৷ সিপিএমের ৩৪ বছরও দিল্লি থেকে পলিটব্যুরোর অঙ্গুলি হেলনে চলত৷ বিপরীত করতে গিয়ে সইফুদ্দিন চৌধুরী, সোমনাথ চ্যাটার্জী বিতাড়িত, জ্যোতি বসুকে প্রধানমন্ত্রী হতে না দেওয়ার ঐতিহাসিক ভুল৷ ভালো-মন্দ যাই হোক স্বাধীন ভারতের ৭৮ বছরে ১৫ বছর বাঙলা বাঙালী চালিয়েছে৷ আজ বাঙলা আবার দিল্লির অধীনস্থ৷

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved