Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

বিপন্ন সংবিধান---বিপন্ন গণতন্ত্র

মনোজ দেব

নির্বাচন কমিশনার ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী একটি নিরপেক্ষ স্বাধীন সংস্থা৷ সেই সংস্থা যদি পক্ষপাতে দুষ্ট হয় তবে গণতন্ত্র ও দেশের বিপদ৷ গণতন্ত্র সম্বন্ধে বলা হয় জনগণের জন্য জনগণের দ্বারা জনগণের সরকার৷ কিন্তু দেশের ৫১ শতাংশ মানুষ যদি সামাজিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে সচেতন না হয় তবে তা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপদ স্বরূপ৷ চতুর ধূর্ত লোকেরা জনগণকে বোকা বানিয়ে শাসক হয়ে বসে ক্ষমতার অপব্যবহার করবে৷ দেশের ও জনগণের সর্বনাশ করবে৷ ভারতবর্ষের বর্তমান পরিস্থিতি তাই৷ শাসক দলের বিরুদ্ধে যেমন স্বৈরতন্ত্রের অভিযোগ, তেমনি নিরপেক্ষ সংস্থা নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠছে৷ গতবার যে বোটার তালিকার সংশোধন করতে দু’ বছর সময় নিয়েছিল এবার তা দুমাসে করছে নির্বাচন কমিশন৷ 

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন--- কমিশন যদি পক্ষপাতে দুষ্ট হয় তবে দেশ ও সংবিধান বিপন্ন হবে৷ তিনি বলেন কমিশন যদি পক্ষপাত দুষ্ট হয় তার মানুষ বিচার পাবে কোথায়৷ আমরা চাই সংবিধানের যথাযথ মর্যাদা৷

কিন্তু আসল সত্য হলো যে যখন দিল্লির মসনদে বসেছে সেই নিজের মতো করে দলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন করেছে৷ ৭৫ বছরে ১০৬ বার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে৷ কিন্তু তাতে সাধারণ মানুষের কোন কল্যাণ হয়নি৷ কারণ এই সংবিধানে পুঁজিপতি শোষণ প্রতিহত করার কোন ব্যবস্থা নেই৷ তাই ভারতীয় জনগণ রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেলেও স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরেও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেনে৷

 

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved