নির্বাচন কমিশনার ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী একটি নিরপেক্ষ স্বাধীন সংস্থা৷ সেই সংস্থা যদি পক্ষপাতে দুষ্ট হয় তবে গণতন্ত্র ও দেশের বিপদ৷ গণতন্ত্র সম্বন্ধে বলা হয় জনগণের জন্য জনগণের দ্বারা জনগণের সরকার৷ কিন্তু দেশের ৫১ শতাংশ মানুষ যদি সামাজিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে সচেতন না হয় তবে তা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপদ স্বরূপ৷ চতুর ধূর্ত লোকেরা জনগণকে বোকা বানিয়ে শাসক হয়ে বসে ক্ষমতার অপব্যবহার করবে৷ দেশের ও জনগণের সর্বনাশ করবে৷ ভারতবর্ষের বর্তমান পরিস্থিতি তাই৷ শাসক দলের বিরুদ্ধে যেমন স্বৈরতন্ত্রের অভিযোগ, তেমনি নিরপেক্ষ সংস্থা নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠছে৷ গতবার যে বোটার তালিকার সংশোধন করতে দু’ বছর সময় নিয়েছিল এবার তা দুমাসে করছে নির্বাচন কমিশন৷
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন--- কমিশন যদি পক্ষপাতে দুষ্ট হয় তবে দেশ ও সংবিধান বিপন্ন হবে৷ তিনি বলেন কমিশন যদি পক্ষপাত দুষ্ট হয় তার মানুষ বিচার পাবে কোথায়৷ আমরা চাই সংবিধানের যথাযথ মর্যাদা৷
কিন্তু আসল সত্য হলো যে যখন দিল্লির মসনদে বসেছে সেই নিজের মতো করে দলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন করেছে৷ ৭৫ বছরে ১০৬ বার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে৷ কিন্তু তাতে সাধারণ মানুষের কোন কল্যাণ হয়নি৷ কারণ এই সংবিধানে পুঁজিপতি শোষণ প্রতিহত করার কোন ব্যবস্থা নেই৷ তাই ভারতীয় জনগণ রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেলেও স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরেও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেনে৷
- Log in to post comments