Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ভ

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

ভূমিষ্ঠ ঃ যে এ যাবৎ মাতৃগর্ভে ছিল, এইমাত্র ধরিত্রী মাতার আশ্রয়ে এল, আমরা ৰলৰ সে ভূমিষ্ঠ হ’ল৷ ৰলা হয়ে থাকে মানুষ দশ মাস দশ দিন মাতৃগর্ভে বৃদ্ধি পায় ও বৃদ্ধির চরম পর্যায়ে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে ভূমিষ্ঠ হয়৷ ভূমিষ্ঠ হবার পর ভূমিগর্ভে বা পৃথিবীতে ৩৯ বছর বয়স পর্যন্ত বদর্িত হতে থাকে৷ এইভাবে যতদিন সে বদর্িত হতে থাকে ততদিন তার অবয়বকে ‘তনু’ ৰলা হয়৷ ‘তনু’ শব্দটি ‘তন ধাতু থেকে এসেছে যার মানে স্বভাবগতভাবে যে ৰেড়ে চলে৷ ঊনচল্লিশ বছর বয়সের পর থেকে শরীর ক্রমশঃ ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে৷ মানুষ ও অন্যান্য সমস্ত জীবই যখন বর্দমানতা বা ৰাড়ার স্তরে থাকে তখন তাদের এই বৃদ্ধি ঘটে পায়ের অঙ্গুষ্ঠ থেকে ধাপে ধাপে ব্রহ্মতালুর দিকে৷ আর যখন ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে তখন তা হতে থাকে ব্রহ্মতালু থেকে ধীরে ধীরে পায়ের অঙ্গুষ্ঠের দিকে৷ অবয়বের এই ক্ষয়প্রাপ্তির অবস্থা অর্থাৎ যখন তা শীর্ণ হতে থাকে তখন ৰলে শরীর৷ অর্থাৎ শীর্ণ হওয়াই যার কাজ৷ সকল অবস্থায় শরীরকে দেহ ৰলা যেতে পারে৷ ‘দেহ’ শব্দটি সংস্কৃত ‘দিহ ধাতু থেকে এসেছে যার মানে সাজিয়ে গুজিয়ে রাখা৷ নিজের দেহকে সবাই সাজিয়ে গুজিয়ে রাখতে চায়, তাই তাকে দেহ ৰলে৷ এরপর পঞ্চাশ বছর বয়স পর্যন্ত শরীর জাগতিক সমস্ত কাজেরই উপযুক্ত থাকে৷ কিন্তু পঞ্চাশের পর থেকে কেবল শরীরেই নয় মনের দিক থেকেও ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে, স্মৃতিশক্তিও কমে যায়৷ প্রাচীনকালে তাই ৰলা হত ‘পঞ্চাশোধের্ব ৰনং বজেৎ’৷ যাই হোক এইসব কিছু হতে থাকে মানুষের ভূমিষ্ঠ হবার পরে৷ 

ভূরি ঃ প্রচুর৷

ভেক ঃ ভিক্ষার পোষাক৷

ভেট ঃ উপহার৷

ভেটকি ঃ মাছটিকে ইংরেজীতে ‘ভেক্টি’ ৰলা হয়৷ ৰাংলায় ‘ভেটকি’ শব্দটা ৰেশ জনপ্রিয়৷ গ্রামাঞ্চলের কোথাও একে ‘কোড়াল’ মাছও ৰলা হয়৷ এই সুস্বাদু তৈলযুক্ত কুৎসিত-দর্শন মাছটিও নোনা জলের মাছ৷ এরাও থাকে মোহানার নিকটবর্তী সমুদ্রে৷ মোহানার কাছে যেখানে নদীর জল নোনতা সেখানে ভেটকি মাছ পাওয়া যায়৷ পদ্মা নদীর মিষ্টি জলেও কিছু দূর পর্যন্ত এরা উজানে যায়৷ ইলিশের মত এই মাছটি পচা-গলা মাংস খেতে ভালৰাসে৷ তাই ইলিশের মত এরও আঁশটে গন্ধ খুৰ ৰেশী৷

ভেল ঃ নকল৷

ভৈমী ঃ ভীম সংক্রান্ত৷ ভী+ অণ্‌= ভৈম, স্ত্রীলিঙ্গে ভৈমী৷ মহাভারতের গল্প অনুসারে মধ্যম পাণ্ডব ভীম একবার নাকি সাত মণ খই খেয়ে একাদশী উদযাপন করেছিলেন৷ তখন থেকেই সেই তিথিটিকে ভৈমী একাদশী ৰলা হয়ে থাকে৷

ভৈরব ঃ ‘ভীরু’ শব্দের উত্তর ‘ঠঞ্‌’ প্রত্যয় করে ভৈরব’’ শব্দ পাচ্ছি যার ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে যাকে দেখে অন্যে ভীরু হয়ে যায় বা ভয় পায়৷ যোগারূঢ়ার্থে প্রচণ্ড / ভয়োদ্রেককারী/ছন্দ-প্রধান নাচ/শিবসন্তান/শিবাবতার৷      (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের লঘুনিরক্ত থেকে সংগৃহীত)

 

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

সংশ্লেষণের মহত্ত্ব
‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা
মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পূর্বার্দ্র তত্ত্ব
যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

ধর্মের নামে বজ্জাতি
বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত বিজেপি
বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড

প্রবন্ধ শিরোনাম

আঞ্চলিক শ্রীবৃদ্ধির পথ ধরে বিশ্বৈকতাবাদের প্রতিষ্ঠা
ভয়ঙ্কর সাম্প্রদায়িক খেলা বন্ধ হোক
হিংস্র দুঃসময়ের সম্মুখীন বাঙালী
1 বাউল মহারাজ আবুল সরকারের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদ
গোরাচাঁদ ও একতারা
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সংবিধানকে বাঁচিয়ে রাখার প্রধান দায়বদ্ধতা হলো যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনেরই আর স্বৈরাচারিতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা!
হিংস্র দুঃসময় বাঙালীর দুয়ারে
আর্থিক বিকাশ শেষ কথা নয়

পুরানো মাসিক খবর

  • October 2020 (87)
  • September 2020 (72)
  • August 2020 (52)
  • July 2020 (80)
  • June 2020 (96)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 5
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved