Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটাতে হবে

প্রভাত খাঁ

আজ বর্তমান ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থাটি ভয়ঙ্কর দুর্নীতিবাজ সাম্প্রদায়িক দলতন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের স্বেচ্ছাচারিতার মুখে পড়ে সারা দেশের শাসন ব্যবস্থাটাই যেন সেই জগাখিচুড়ীতে পরিণত হয়েছে! এই দেশের গণপরিষদই সংবিধান রচনা করেন৷ সেই সংবিধানকে কংগ্রেস দলের সরকার কেন্দ্রের স্বীকৃতি দান করেন সর্বসম্মতিক্রমে৷

কিন্তু দেখা গেল সেই কংগ্রেসের শাসনকালেই সেই ইন্দিরাজীর আমলেই অভ্যন্তরীণ জরুরী অবস্থায় ১৯৭৬ সালে সেই মহান সংবিধানকেই জোরপূর্বক সংশোধন করে সংবিধানের সেই মহান রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাকেই শেষ করে দেওয়া হয়৷ ফলে তিনি সেই ইন্দিরাজী কেন্দ্র সরকার দেশের যে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য সেটাকে হত্যা করেন রাষ্ট্রপতি ফকিরুদ্দীনকে ধমক দিয়ে লোকসভার সিদ্ধান্ত আইনে পরিণত করে৷ তাই জরুরী অবস্থা উঠে যাওয়ার পর সারা ভারত যুক্তরাষ্ট্রের যে করুণ পরিণতি সেটা দেখে রাষ্ট্রপতি দুঃখ করে বলেছিলেন---আমি না পড়ে বিশ্বাস করে স্বাক্ষর করেছিলাম৷ তাই আমি চরমভাবে দুঃখিত ও মর্মাহত৷ পরে জনতাদল কেন্দ্রে শাসনে এসে জরুরী অবস্থার সাতটি কালাকানুন বাতিল করেন, কিন্তু রাষ্ট্রপতির অধিকারহরণ আইনটি কেন রেখে দেন সেটাই বড় প্রশ্ণের৷

সেই সাতটি কালাকানুন বাতিল করেন কিন্তু রাষ্ট্রপতির অধিকারহরণটি কেন রেখে দেন সেটাই বড়ো প্রশ্ণের! তাই দেশটার একেবারে সর্বনাশ করছে সেই দলতন্ত্রী একবগ্গা কেন্দ্র সরকারই কারণ সবকটি যেন হাত দিয়ে মাথা কাটতে আসছে সেই দলতন্ত্রী সরকারগুলি! তারা ৫ বছরের এর জন্য শাসনে আসেন৷ তারা কোন অধিকারে সংসদীয় গণতন্ত্রে মাত্র সংখ্যার জোরে আত্ম অহংকারে সংবিধান সংশোধন করেন! এটাতো করার অধিকার গণপরিষদের! দুঃখের কথা সেই গণপরিষদকেই তুলে দেয় কেন্দ্র সরকার! তাই ভারতযুক্ত রাষ্ট্রের সংবিধানকে মিথ্যা গণতন্ত্রের নামে দলীয় স্বেচ্ছাচারী শাসন কায়েম করে ভারত যুক্তরাষ্ট্রকে নরকের দিকে নিয়ে যাচ্ছে৷ শাসনে যিনি আসবেন তিনি শাসক৷ তার আবার নারী পুরুস কী! প্রগতিশীল সমাজে নারী পুরুষ যে কেউ হতে পারেন সারা দেশের শাসক! তাই নারী সমাজের নির্বাচনে জেতার জন্য পুরুষ শাসকদের কোন অধিকার নেই নারীদের সংখ্যা নির্র্দ্ধরণ করার৷ নারী স্বাধীনতাটা তাই আইনত সমান সমান! নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ জনগণের ভাগ্যবিধাতা নন! বোটারগণই তাঁদের ভাগ্যবিধাতা! তাঁদের মাত্র একটাই বোট দেবার অধিকার দেওয়া হয়েছে কিন্তু তাদের কোন রাজনৈতিক অধিকার নেই৷ তাদের দেওয়া বোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি কোন প্রতিশ্রুতি পালন না করলে তাকে বোটারদের কাছে জবাবদিহি করতে হয় না৷ জবাব চাইবার অধিকার কেন বোটারদের নেই? এই প্রশ্ণের উত্তর কি প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিতে পারবেন? তাছাড়া নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জাতবিভাজন কেন? কি করে একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি নিম্নজাতের বলে শোষিত হয়৷ জন প্রতিনিধি নিম্নজাতের বলে এই ভাবনা.. আসে কি করে ? শাসক -এর কোন মান নেই সংবিধান মতে তিনি মহান দেশ শাসক ব্যাপারেই সেই সংকীর্ণ ধান্দাবাজিকে বড়ো করে দেখে মানসিক সংকীর্ণতার কারণে৷ তাই এত বছরেও শাসকগণ মানবিক হতে পারল না৷

শাসকগণকে রাজনৈতিক ভণ্ডামীর আশ্রয় নেওয়াটা কখনোই বোটারগণ মেনে নিয়ে পারেন না৷ কিন্তুনির্বাচনে ঝুড়ি ঝুড়ি উন্নতি করার প্রতিশ্রুতিটা দেওয়ার জন্য প্রার্থীদের বিবেকের কাছে কি কোন দায়বদ্ধতা নেই! বর্তমান কেন্দ্রের সরকার বাজেট আলোচনাকালে ঘোষনা করেন যে সরকার চাকুরী দিতে পারবে না৷ তা হলে কি করে নির্বাচনের ডায়াসে উঠে জোর গলায় বলে যে তাঁদের বোটদানে জয়ী করতে তাঁরা এক কোটি চাকরী দেবেন! আগে তো সেই বোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন জয়ী হলে ২কোটি চাকরী দেব৷ কই প্রতিশ্রুতির ১/৪ অংশকে কি চাকরী দেওয়া হয়েছে! অবসরপ্রাপ্তদের কেন্দ্রে অধীনে সংস্থাগুলিতে লক্ষ লক্ষ পদখালি সেখানে লোক নেওয়া হয়নি! সেনাবিভাগে বহু ক্ষেত্রে সরকার অনেক কেন্দ্র সংস্থাকে সিন্ডিকেটের যাতে বিক্রি করা হয়েছে!

আবার নির্বাচনে প্রচারে এসে বলা হয়েছে এই পশ্চিম বাঙলা জঙ্গলের রাজত্ব, সিণ্ডিকেটের বাড় বাড়ন্ত! শাসকগণ কি করে এতো মিথ্যাবাদী হন? গদী নাই, সরকার চাই কেন? সেটার উত্তর নেই! সারা ভারত যুক্তরাষ্ট্রের শাসক হয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে না বাঁচিয়ে কি কারণে বিজেপি ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়তে সেই যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতন্ত্রের মারাত্মক সর্বনাশ ঘটাচ্ছেন৷ এর কোন জবাব্‌ প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নেই৷ এই সংকীর্ণ হিন্দত্ববাদী সরকার মহান সংবিধানকে ধবংস করে দেশকে খণ্ড খণ্ড করার পথে নিয়ে যাচ্ছে৷

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved