বর্তমানে যারা ভারত যুক্তরাষ্ট্রকে একেবারে ধবংসের মুখে নিয়ে যাচ্ছে কয়েকটা সাম্প্রদায়িক শাসক, যারা কেন্দ্রে শাসনে আছেন তারা সেই ই.ডি, সি.বি.আইকে ব্যবহার করে নিছক নিজেদের হাতে শাসন ক্ষমতা রাখতে৷ কারণ এই জগৎটাই হলো পরিবর্তনশীল৷ এখানে কেউই এক স্থানে বসে নেই৷ পরিবর্তন হয়ে চলেছে৷ তাই ভারতের সেই সংবিধান ও তার অনেক নীতিও পরিবর্তনশীল কিন্তু সে পরিবর্তন রাষ্ট্রের সর্বশ্রেণীর নাগরিকদের সার্বিক বিকাশ ও কল্যাণের কথা ভেবে করা উচিত৷ এটা কিন্তু সাম্প্রদায়িক শাসকগণ জেনেও নিছক দলীয় স্বার্থেই মানতে চান না৷ তারা সবকিছু ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থে বিচার করে৷ তাই যেখানে গণতন্ত্র শব্দটি প্রধান সেখানে দলাতন্ত্রী শাসকদের দলীয় স্বার্থে সেই সংরক্ষণ নীতিটা কি করে চিরস্থায়ী হয়৷ পরিবর্ত্তনশীল জগৎ---এটাতো বিজ্ঞানসম্মত কথা৷ সেদিন যারা এসসি এসটি ছিলেন সেই ছোট ছোট সম্প্রদায় আজও কি তারা পশ্চাতে পড়ে আছেন সবাই৷ তা তো নয় বাস্তব ক্ষেত্রে৷ যদি স্বাধীনতার ৭৯ বছর পরও তথাকথিত পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী এখনও পিছিয়ে থাকে সে দায় সাধারণ নাগরিকদের নয়, সেটা সরকারেরই ব্যর্থতা৷ তাই এটাকে মানবিক স্বার্থেই দেখতে হবে সকলকে, কারণ এটাতে দেশেরই ক্ষতি হয়৷ বিশেষ করে সুবিচারের ক্ষেত্রেও আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে৷ কারণ সেদিন যারা পশ্চাতে ক্ষুদ্র মানব গোষ্ঠীগণ পড়েছিলেন আজ তাদের অনেকে আর্থিক ও সামাজিক দিক থেকে প্রতিষ্ঠিত৷ আবার সেদিনের অনেক উচ্চ বর্ণের গোষ্ঠী নানা কারণে আর্থিক ও সামাজিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছেন৷ যেটা বাস্তবে দেখা যাচ্ছে৷ তারা কোন সাহায্য সরকারের কাছ থেকে পান কি? উত্তর না! কেন৷ যারা সারা জীবন সুযোগ পান তারা সরকারকে সমর্থন করেন তাতে সরকার সুবিধা পান সেই শাসনে যেতে পুনরায়৷ তাই দীর্ঘ ৭৯ বছর ধরে একই নীতি চলছে নাকি!
শুধু তাই নয় এর জন্যই মহামান্য সুপ্রিমকোর্ট বর্তমান মিলি জুলি সরকার কেন্দ্রের এনডিএ প্রশ্ণ করেন সেই বঞ্চিত ছোট ছোট গোষ্ঠী গুলির জাতি সংরক্ষণ কেন নয়৷
মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট জানান দীর্ঘ বছর ধরে একটা মামলা নতুন করে চালানো আদালতের সময় নষ্ট, এমনিতেই আদালতে বিচারকের সংখ্যা অনেক কম৷ আর সিবিআই ৪৫২ দিন দেরি করে৷ দিল্লি আদালতের একটি মামলায় মহামান্য শীর্ষ আদালত জানতে চেয়েছিল--- তারই উত্তর দিল---নাঃ
এই সাম্প্রদায়িক সরকার গুলি সেই দেশের ইংরেজের দেওয়া স্বাধীনতা পেয়ে যেভাবে দেশকে শাসন করছেন নিছক বিশেষ একটি ধনাতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক রাজনৈতিক সংস্থার সমর্থক হয়ে তাতে তো পৃথিবীর বৃহত্তম নামে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রটি একেবারেই প্রায় ৬৫ শতাংশ গরিব নাগরিক নানা কারণে রক্তশূন্য হয়ে মারাই পড়ছেন দিন দিন৷
এটাই কি বাস্তব চিত্র নয়৷ আজ কেউই কি অস্বীকার করতে পারেন যে বর্তমানে অধিকাংশ প্রদেশে কেন্দ্রের সাম্প্রদায়িক দলের নিয়ন্ত্রণে দলের দ্বারা ও তার দলের জন্য দলের শাসন করছেন না! দলও সম্প্রদায়ের উর্দ্ধে উঠে কেউ দেশ শাসন করছে৷ তাই চরম সত্য কথা হলো আজ পর্যন্ত যে কোটি সাধারণ নির্বাচন হয়েছে দেশে সেগুলির মধ্যে কটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক নিয়ম মেনে হয়েছে! ২০২৬ এ পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ নির্বাচন যেটা হলো সেটা কেন্দ্র সরকার জরুরী কালীন অবস্থার মত ন্যায় ভোটারদের প্রায় ৮০ লক্ষের ভোটদান ফ্রিজ করে দিয়েছেন সেই সেটা কি সত্য সত্যই সঠিক নির্বাচন! মহামান্য আদালতে বিচার চলছে এটা ন্যায়ও সত্যের দরবারে সারা ভারত যুক্তরাষ্ট্রের অসম্মান নয় কি? তাই সত্যটাকে মেনে নেওয়াটাই মানবতার কিন্তু বৈচিত্র্যময় সৃষ্টির৷ তাই সত্যটাকে মেনে নেওয়াটাই মানবতার কাজ! কিন্তু বর্তমান শাসকদলের কাছে মানবিকতাই পরিহাসের বিষয়৷
কিন্তু বৈচিত্র্যময় সৃষ্টির তিনি স্রষ্ঠা তিনি আপেক্ষিক জগতে এই অসঙ্গতি মেনে নেবেন কি? এটা কেও হজম করতে হচ্ছে এই ভারত উপমহাদেশে৷ তাই সকলেরই একান্ত কামনা এই মহান দেশের শাসক হবেন সেই মহান সৎনীতিবাদী ও আধ্যাত্মিক আদর্শের সুপ্রতিষ্ঠিত একদল মানবতাবাদী জনসেবক সেই নেতাজি সুভাষচন্দ্রের মতো মহান নেতা৷
কিন্তু আজ হতভাগ্য এই দেশে কিছু অসৎ ধান্দাবাজ নেতা নেতাজীর ও সমালোচনা করে৷ ভারতবর্ষকে আজ ধবংসের কি নার থেকে তুলে আনতে প্রয়োজন নেতাজীর মতই মহান নেতার৷
- Log in to post comments