Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

দেশে চলছে মাৎস্যনায়---দেশের স্বার্থে মানবতাবাদীদের এগিয়ে আসতে হবে

প্রভাত খাঁ

মনে পড়ে সেই ইংরেজ আমলের সময় ছোট এক টুকরো পশ্চিমবাংলায় ১৫টি সত্যাশ্রয়ী জেলা ছিল৷ স্বাধীন ভারতে বর্তমানে ২৪টি জেলা৷ ১৫ টিকে ২৪টি করেন৷ বর্তমানে কেন্দ্রে এনডিএ সরকার এসে পশ্চিমবাংলার নানা কৌশল করে শাসন ক্ষমতায় হাতে নিয়ে প্রথম বাজেটেই ঘোষণা করে দিয়েছেন যে তারা নতুন পাঁচটি জেলা করবেন৷ গদিতে বসেই ঘোষণা করেছেন সরকারের হাতে টাকা নেই৷ নতুন জেলা যদি বাড়ানো হয় তাহলে তার প্রশাসনিক ব্যয় বাড়বে৷ আর রাজ্যে যদি জেলার সংখ্যা বাড়ে তাহলে রাজ্যের আয় বাড়াতে হবে৷ এদিকে আগেই সরকার ঘোষণা করেছেন যে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে যাবে, তাহলে যে সীমান্তবর্তী একটি রাষ্ট্র তার নানা সমস্যা বিশেষ করে এই ছোট্ট রাষ্ট্রের নানা সমস্যা৷ কিন্তু প্রতিটি নিম্ন মধ্যবিত্তেরও যারা গরিব তাদের পরিবারে কর্মক্ষম ছেলে মেয়েরা এমনকি উচ্চ শিক্ষিত হয়েও রোজগারের কোন ব্যবস্থা নেই৷ তাদের সংসারের আর্থিক অবস্থা শোচনীয়৷ এমনকি দুরারোগ্য ব্যাধির মতো অতীতের যে দেশভাগের পর উদ্বাস্তু সমস্যা সেটা আজও মেটেনি৷ চরম আর্থিক সমস্যায় হতভাগ্য মানুষগুলি যে কত অভাবের মধ্যে আছেন সেটা বাঙালী জনগোষ্ঠী টের পাচ্ছেন৷ এখনো হয়তো সরকার বলবেন যে সমস্যা মেটাতেই এই রাষ্ট্রে নতুন পাঁচটি জেলা হচ্ছে৷৷ সেখানে নতুন নতুন চাকরির সৃষ্টি হবে, কিন্তু জেলা যত বেশি হবে তাতে অপরাধীদের অপরাধ করে গা ঢাকা দেবার সুবিধা কি বাড়তে পারবে না বিশেষ করে সীমান্তের রাষ্ট্রের দেশভাগটাই তো অভিশাপ বিশেষ৷ ভারতবর্ষের পূর্ণ স্বাধীনতার জন্য কংগ্রেস দল গদির স্বার্থেই ইংরেজ সরকারের দান মেনে নেন গান্ধীজি ও তার অনুগামীরা৷ পূর্ণ স্বাধীনতার কথা সেই কংগ্রেস সভাপতি নেতাজি সুভাষ চন্দ্রের অভিমতকে অগ্রাহ্য করেন কংগ্রেস৷ বিশেষ করে সেই মাননীয় জহরলাল নেহেরু আর রটনা করে দেন যে গান্ধীজি জাতির জনক হয়ে স্বাধীনতা আনেন৷ এটা কোন ধরনের দেশ সেবা ও দেশ নেতাদের কাজ৷ কেন্দ্রের শাসনের যারাই আসুন না কেন তাদের দেশের ভবিষ্যতের কথা মানবতাবাদী শাসক হয়ে করতে হবে সেটা বুঝতে পারিনি৷ আবার ইংরেজ এমনই এক বিশ্বাসঘাতক শাসক ছিল যে তারা সারা বাংলাটাকেই পাকিস্তান করার ষড়যন্ত্র করে তৎকালীন মুসলিম লীগের রাজ্য সরকারের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেন তার হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে মহান ব্যারিস্টার সেই বাংলার বাঘ মাননীয় আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের এর সুযোগ্য পুত্র ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ হিন্দু মহাসভা করে তীব্র আন্দোলন করে কলিকাতা ও পশ্চিমবাংলা কে বাঁচান৷৷ কংগ্রেসের সেদিকে নজর ছিল না৷ লজ্জার কথা যে গান্ধীজি নরমপন্থী ছিলেন তাই তিনি শোনা যায় নাকি বলতেন তার কিছুটা ইংরেজ শাসকের প্রতি দুর্বলতা ছিল৷ বিশ্বযুদ্ধের সময় ইংরেজের প্ররোচনায় তখন সাম্প্রদায়িকতার লড়াই লাগানো হয় এই বাংলায়৷ এটা ছিল এক ধরনের সেই ইংরেজ ও মুসলিম লীগ সরকারের জঘন্য অনৈতিক পাপচারিতা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশভাগ হয় যা চিরকালের জন্য বাঙালী জাতিকে ধবংস করার ষড়যন্ত্রবিশেস৷ সেটা একনাগাড়ে চলছে সেই ৭৮ বছর ধরে৷

কেন্দ্রের কংগ্রেস সরকার দ্বিচারিতা করে চলেছেন একনাগাড়ে তখন কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন সেই শেখ মুজিবুর রহমান৷ তিনি মুসলিম লীগের ছাত্র সংগঠনের সেনেট হলে এই কলিকাতায় পাকিস্তানের রাজধানী হবে বলে আনন্দে মাতোয়ারা হন একথা এক কজন জানেন ছাত্র হিসেবে৷ ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন তার পিতৃদেবের মত যুক্তিবাদী ও সংগ্রামী৷ কংগ্রেস তাকে কতটা শ্রদ্ধা করতেন রাজ্যের তৎকালীন বাঙালি কংগ্রেসীরা বলতে পারেন৷ তবে তিনি হিন্দু মহাসভা ত্যাগ করেন বিশেষ এক কারণে৷ তিনি কুৎসিত সাম্প্রদায়িকতাকে উদার বাঙালি সন্তান হিসেবে সহ্য করতে পারেননি তাই মাতামাতি করাতে তার পছন্দ করেন না তিনি নোংরা রাজনীতির ধারে ধার ধারতেন না চিন্তাকালীন যুক্তিবাদী প্রবীণ নাগরিকগণ বাঙালি হিসেবে সবই দেখতে দেখে যাচ্ছেন আর ভাবছেন তারা তাদের সন্তান-সন্ততিদের কাদের হাতে রেখে যাবেন দুঃখের দুঃখের বিষয়ে অদ্যাবধি একটিও দেশসেবক জন্মালেননা যিনি বিরাট দেশটিকে দেশ সেবক হিসেবে মানবতাবাদী হয়ে দেশকে সেবা দিতে এগিয়ে এলেন সবকটি ধান্দাবাজ সম্প্রদায়িক দলের নেতা মাতামাতি করছেন তবে বারবার মনে পড়ে সেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর কথা যিনি মাননীয় অটল বিহারি বাজপেয়ী কে তিনি একমাত্র মহান দেশটি যিনি আনন্দমার্গ এর প্রতিষ্ঠাতা যাকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা ষড়যন্ত্র করেন ইন্দিরা গান্ধী৷ তাকে দেখতে জেলে যখন জান তিনি অনশন করেছেন ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে তার সঙ্গে ছিলেন দিল্লির জামা মসজিদের প্রধান৷ 

শ্রীশ্রীআনন্দমূর্তিজিক্ তারা অনুরোধ করেন আপনার মত মানুষের বেঁচে থাকাটা জরুরি কারণ আপনার মত মানুষের বড়ই অভাব পৃথিবীতে বর্তমানে তাই তার মতো আজ একজনও প্রধানমন্ত্রী হলেন না বিশাল দেশে তাদের অনুরোধে সেই পরমারাধ্য বাবা শ্রীশ্রীআনন্দমূর্তিজি বলেছিলেন যে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত৷ তবে বিশেষ কারণেই অনশন করছেন৷ আর বলেন তিনি অনশন করেই চলবেন বর্তমানে রাজনীতি হলো ছোট মাছকে বড় মাছ গিলে খাচ্ছে অর্থাৎ আবার আমি মূল আলোচনায়৷ সেটা হলো বিশেষ করে কেন্দ্রের যে শাসক দল তারা সাম্প্রদায়িকদের সংকীর্ণ মানসিকতা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী নেতা৷ তারা জাতপাতকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন ও শাসন ক্ষমতা আকড়ে শাসকের পদে থাকতে ভালোবাসেন৷ তাদের মানবিকতা বলতে কিছুই অন্তরে নেই কিন্তু নির্বাচনে জিতে শাসনে যাবার সময় তাদের ঝুড়িঝুড়ি প্রতিশ্রুতির কথা মুখ দিয়ে বেরোয়, কিন্তু নির্বাচনের পর আর মনে থাকে না এটাই জনগণের কাছে বড়ই বেদনার তাই সেই মহান চিন্তাশীল নাগরিকদের উচিত প্রকৃত নীতিবাদীদের খুঁজে তাদের শাসনে পাঠানোটাই দেশের কল্যানে অত্যাবশ্যক৷ তাই সেই নীতিবাদীদের উদ্দেশ্যে রবীন্দ্রনাথের কথায় বলি--- নাগিনীরা চারিদিকে ফেলিতেছে বিষাক্ত নিঃশ্বাস শান্তির ললিতবাণী শোণাইতেছে ব্যর্থ পরিহাস তাই বিদায় নেবার আগে ডাক দিয়ে যাই৷

 

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved