Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

দলবাজি ছেড়ে সচেতন হয়ে দেশসেবকদের শাসক করুন

প্রভাত খাঁ

ভারত যুক্তরাষ্ট্রে আজ দেখে শুণে মনে হচ্ছে যে বর্ত্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদা হারিয়ে বসেছে৷ কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সব কাজে যে সরকার রাজ্যে বর্তমানে, মহামান্য সংবিধান নানা কারণে রাজ্যগুলিকে রাষ্ট্রের মর্যাদা দিয়েছেন কিন্তু বর্তমানে হিন্দুত্ববাদী কেন্দ্রের মিলিজুলি সরকার সেই সংবিধানকে পাশে ফেলে রেখে এমন কাণ্ড করেছেন তাঁদের নিয়ন্ত্রণে সেই নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে তা তা একেবারেই স্বৈরাচারী শাসন৷ এস.আই.আর একটি সাংবিধানিক বিষয় সেটি করা উচিত কেন্দ্র ও সেই ছোট ছোট রাষ্ট্রের সঙ্গে, কিছুটা আলোচনা করে৷ কিন্তু বর্তমান কেন্দ্র শাসনে ক্ষমতার জোরে আইন পরিবর্তন করে কমিশনারকে দলদাস বানিয়েছে৷ তাই বর্ত্তমানে পঃবঙ্গে প্রশাসনকে তছনছ করে দিয়েছেন! নিবিড় সমীক্ষায় বোটার তালিকা থেকে না জানিয়ে সেই বোটার নাম বাদ দিয়ে বোটার তালিকা সামনে রেখে কোন কোন রাষ্ট্রে আঞ্চলিক বোট করে সরকার করেছেন যেমন বিহারে! পশ্চিম বাঙলার প্রায় ৬০/৬৫ লক্ষ বোটারের নাম বাদ যাবার খপ্পরে পড়েছে! সংবাদপত্রই বলছে৷ তবে অত্যন্ত আনন্দের কথা এই চরম সংকটে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টও এই রাষ্ট্রের উচ্চ আদালতের সেই ন্যায় সত্যের ও মানবিক মূল্য রক্ষা সংবিধান মোতাবেক কাজে নেমেছেন ৷ তাই পশ্চিমবঙ্গে প্রধান বিচারপতিও এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন এই ব্যাপারে কর্ত্তৃপক্ষের সঙ্গে, তাই বলা হচ্ছে সংবাদপত্রের অনুযায়ী৷ তবুও অসহায় বোটারগন আতঙ্কে আছেন ও আগেই জানা গেছে যে পশ্চিমবঙ্গতে আতঙ্কে ও কাজের চাপে বোটের কাজে বেশ কিছু সংখ্যায় নাগরিক মারা গেছেন ও আত্মহত্যা করেছেন! এটা বড় দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা! যেটির সংবাদে সারা দেশ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এতে কেন্দ্র সরকারেরও নির্বাচন কমিশনের খ্যাতি না রেখে কিছুটা কুখ্যাতিই বেড়েছে!

দীর্ঘ ৭৮ বছর ধরেই কেন্দ্র সরকার যে সব দলের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তাঁরা সকলেই সাম্প্রদায়িক ও বিভিন্ন দলতন্ত্রীদের সরকার---যাঁরা দলতন্ত্রকেই প্রাধান্য দিয়ে শাসনে যান৷ কোন দল শাসক হয় একক বা মিলে মিলে আবার কোন দল সংখ্যা গরিষ্ঠ হয়ে৷ তবে সব চেয়ে দুঃখ ও বেদনার কথা একেবারে বাস্তবসম্মত তা হলো এই বিশাল উপমহাদেশের নাগরিক-এর অধিকাংশই সচেতন ও যুক্তিবাদী নন৷ তাই এতো বছর ধরে সেই দলগুলিই গণতন্ত্রের নামে সেই সংসদীয়গণ সংখ্যার জোরে৷ বিরোধীদের সাসপেণ্ড করে কেন্দ্রে স্বেচ্ছাচারিতা চালিয়ে যাচ্ছে৷ এটা চরম ব্যর্থতা বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে৷ অনেক মামলা রুজু হয়েছে মহামান্য আদালতে৷ তাই দেশবাসী আশা করেন সত্যের ন্যায়েরই জয় হবে৷ এবার বলি সেই বয়স্ক ও সচেতন প্রবীন নাগরিকগণ যাঁরা বেঁচে আছেন তাঁরা কিন্তু একেবারে অনেকেই তাঁদের জীবিত পরিবার বর্গের জন্য অতীব চিন্তিত এই ধরণের ধাপ্পাবাজি কেন্দ্র সরকারগুলির জন্য! বিগত কংগ্রেস তো সেই গদী সামলাতে ইন্দিরার আমলে সেই মিথ্যা জরুরী অবস্থা জারি করে দেশটাকে কারাগারে পরিণত করে বসেছিল৷ শত শত লোক ও পরিবার ধবংস হয়! কংগ্রেসও জনগণের দ্বারা উচিত শিক্ষা পায়৷

আবার জনতা দল শাসনে আসে৷ কিন্তু ৫ বছর পূরণ হয়নি সরকার পড়ে যায়! তবে কিছু ভালো কাজ করে যান তাঁরা! কয়েকটি ইন্দিরার কালাকানুন খারি করে যান কিন্তু মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমতা যেটা কেড়ে নেওয়া হয় সেটাকে খারিচ করেন নি তাই দুঃখের সঙ্গে বলতে চাই তাই একদিকে সংবিধানই অস্বীকৃত হচ্ছে, আর চরম দুঃখের সঙ্গে বলে যাই আজ সেই মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিছক সেই লোকসভার পাশ করা বিলে আইনের স্বীকৃতি দানে তিনি মাত্র স্বাক্ষর করারই পাত্র! তাঁর কোন স্বাধীন মতামত চলে না৷ এটাই আজ সারা ভারত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে চরম সঙ্কট! আজ তাই বর্তমান নির্বাচন কমিশন সংসদীয় গণতন্ত্রের বুকে ছুরি বসিয়ে শাসক দলের একজন অনুগত ইয়েসম্যান হয়ে কেন্দ্রের অবৈধ নির্দেশই পালন করছেন! তাই আজ সচেতন প্রবীন নাগরিকগণ দাবী করেন সারা ভারতযুক্তরাষ্ট্র শাসনে সেই দলতন্ত্রী যাঁরা দলছাড়া কিছুই চেনে না না তাঁদের পরিবর্ত্তে কিছু সৎনীতিবাদী দেশসেবক শাসনে আসুন যাঁরা মানবতাবাদী হয়ে সকল জনগণের জন্য কিছু করতে পারে যাতে চরম বেকার সমস্যা সমাধান, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রিত হয় ও নিম্নমধ্যবিত্ত গরিব সংসারে যাঁরা কর্মক্ষম, শিক্ষিত যুবক-যুবতী বেকার হয়ে বসে আছেন তাঁদের কর্ম সংস্থান হয় কারণ তাতে তাঁরা স্বাবলম্বী হবেন ও সুনাগরিক হবেন৷ নিছক অনুদানে তাদের যে দেশকে দেবার আছে সেটা দিতে পারবে না৷ তাঁদের জীবনটাই হবে একেবারে ব্যর্থ! দেশও বঞ্চিত হবে৷ আজ এদেশে বহু স্কুলের প্রয়োজন৷ প্রাথমিক স্কুল দরকার৷ তাছাড়া গ্রামে গ্রামে ব্লকে ব্লকে দরকার সমবায় প্রথায় কৃষি সহায়ক, কৃষিভিত্তিক ছোট শিল্প গড়ে তোলা পাশাপাশি সমবায় দোকান খুলে দেওয়াটা খুবই জরুরী৷ এভাবেই দেশ আত্মনির্ভরতার পথে এগোবে৷ নিছক বাগাড়ম্বরে দেশ আত্মনির্ভর হবে না৷ আজ গণতন্ত্র শুধু সংবিধান নামক পুস্তকে বন্দি৷ স্বৈরাচারী শাসক জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে৷ তাই অবিলম্বে কেন্দ্রে মানবতাবাদী শাসক দরকার৷

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved