Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

দুঃসময়ে যারা পাশে থাকে তারাই........

বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায়

বাংলার অধিকাংশ মানুষ দুই বন্ধু ও ভল্লুকের কাহিনী জানে৷ ছোটবেলায় সেই কাহিনী শোনেনি এমন বাঙালী হয়তো পাওয়া যাবে না৷ কিন্তু ২০২৬ এ পশ্চিম বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর যেভাবে পরাজিত তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন নেতা মতামত জানাচ্ছেন প্রকাশ্যে তা দেখে মনে হতে বাধ্য এঁরা কী আদৌ দলটাকে ভালোবেসে জনগণের সেবা (?) করছিল এতদিন ধরে? এঁদের বিবেক হঠাৎ এত দেরিতে জাগলো কেন? সাধারণভাবে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংবাদ মাধ্যমের একাংশ অনেকদিন ধরেই তো তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ জানিয়ে আসছিল৷ সেদিন কিন্তু বিরোধীদের ঐ সমস্ত অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন বর্তমানের এই সমস্ত দমবন্ধ হওয়া নেতারা৷ দল যখন গাড্ডায় পড়েছে তখন সাধারণ মানুষের কাছে সাধু সাজছেন এঁরা৷ ফলে এঁদের আসল পরিচয় ফুটে উঠছে৷ বলা যেতেই পারে এঁরা আদৌ দলকে ভালোবেসে বা সাধারণ মানুষের স্বার্থে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না৷ 

নির্বাচনে জয় পরাজয় থাকবেই৷ যতদিন রাজনীতিতে থাকব ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গেই যুক্ত থাকতে হবে এমন চিন্তাধারার মানুষজনকে কোনো রাজনৈতিক দলেই স্থান দেওয়া উচিত বলে মনে করেন না সাধারণ মানুষ৷ দলের অবস্থা খারাপ দেখলেই যাঁরা হাঁপিয়ে উঠে, দল বদল করে আবার নতুন ভাবে শ্বাস নিয়ে বেঁচে উঠতে চায় , তাঁরা আর যাই হোক কোনো রাজনৈতিক দলেরই সম্পদ বা প্রকৃত বন্ধু হতে পারেন না- এসত্য আজ পরিষ্কার হয়ে গেছে মানুষের কাছে৷

কোনো দল,ক্লাব বা প্রতিষ্ঠানের যাঁরা প্রকৃত বন্ধু তাঁরা যদি কোনোভাবে বুঝতে পারেন খারাপ অবস্থার দিকে তাঁদের দল, ক্লাব বা প্রতিষ্ঠান এগোচ্ছে, তাঁরা তৎক্ষণাৎ সতর্ক করবেন কর্মকর্তাদের৷ এটাইতো স্বাভাবিক৷ তা না করে যাঁরা প্রতিষ্ঠান গাড্ডায় পড়ে যাবার পর প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে আরো অস্বস্তি বাড়িয়ে তোলেন দল বা প্রতিষ্ঠানের, তাঁরা যে কোনোকালেই হিতাকাঙ্খী ছিলেন না এসত্য আজ জলের মতোই স্বচ্ছ৷ অনেকে আরও বলছেন বলার মতো পরিস্থিতি ছিল না দলে, তাই তাঁদের চুপ থাকতে হয়েছিল৷ কেন? আজ যেমন দলের ভেতরে না বলে সাংবাদিকদের সামনে অনেক কিছু বলছেন, তেমনই বলতেন৷ কি আর হতো! আপনি না হয় সাসপেন্ড হতেন! এর থেকে বেশী কিছু তো হতো না৷ তাতে হয়তো আপনার প্রিয় দল বিপদটা টের পেত, আর ঘুরে দাঁড়াতেও পারতো৷ দলের সর্বনাশ হয়ে যাবার পর অনেক কিছুই সাধারণ মানুষকে জানাচ্ছেন৷ সময় থাকতে জানালে দল হয়তো সংশোধনের রাস্তায় যেত! দলের ক্ষতি যা হওয়ার হয়েছে, কিন্তু এখন আপনাদের ভাবমূর্তি মানুষের কাছে কি খুব উজ্জ্বল হলো বলে মনে করছেন? 

নীতিশিক্ষামূলক দুই বন্ধু ও ভল্লুকের গল্পটি যে আজো প্রাসঙ্গিক তা বর্তমানে বিজিত তৃণমূল দলের নেতাদের কথাবার্তা ও আচরণ দেখে বলা যেতেই পারে-- প্রকৃত বন্ধুকে চেনা যায় বিপদের সময়, যারা দুঃসময়ে বন্ধুর পাশে থাকে৷

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved