Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

গল্প বলার প্রয়োজনীয়তা

কাজরী বসু

অল্পকথায় গল্পকথার প্রয়োজন সম্পর্কে আজ আমি কিছু বলবো৷ সেই আদিম যুগের শিকার পদ্ধতিকে বলার মাধ্যম হিসেবে, গল্প বলা শুরু৷তারপর কত রূপকথা সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে এসে, আজ এই স্ক্রিনের প্রতি ভয়ানক আসক্তির যুগেও গল্প বলা বা গল্প শোনার প্রয়োজন ভীষণভাবে প্রাসঙ্গিক৷গল্প আমার, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটিই আজ দু এক কথায় বলতে চাই৷

গল্প বলা শিশুদের শব্দ ভান্ডারকে বাড়িয়ে দেয়৷গল্প শুনতে শুনতে তারা অনেক নতুন নতুন শব্দ শেখে৷

 গল্প শোনার দক্ষতাকে বাড়ায়৷ গল্পের মতো করে বললে, শিশুরা মন দিয়ে শোনে৷

 গল্প শিশুদের কল্পনা শক্তিকে বাড়ায়৷গল্পের মতো করে ভেবে তারাও মনে মনে কত রঙিন জগৎ গড়ে নেয়৷

গল্প শিশুদের সৃজনশীলতাকে বৃদ্ধি করে৷ শিশুরা গল্প শুনতে শুনতেই একদিন গল্প বলতে বা লিখতে শেখে৷

 গল্প বলা সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটায়৷ ছোট্ট শিশু গল্পের মাধ্যমেই খুব সহজভাবে ভালো আর কালোর পার্থক্য বুঝতে শেখে৷

গল্প শিশুদেরকে চারপাশের বিশ্বকে বুঝতে ও পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে৷

এছাড়াও গল্প ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও সামাজিক রীতিনীতি সম্পর্কে একটা ধারণা দিতে পারে৷ এটি শিশুদের একে অপরের সাথে এবং তাদের সংস্কৃতির সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে৷

গল্প বলা একটি শক্তিশালী তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম হয়েও ওঠে৷ গল্প বলা ক্লাসের মধ্যে একটি কার্যকর শিখন পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হয়৷যার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করা যেতে পারে৷

 গল্প শিশুদের গঠনমূলক চরিত্র নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে৷শিশুরা গল্পের চরিত্রের সাথে একাত্মতা অনুভব করে৷

গল্প বলা অভিভাবক ও শিশুদের মধ্যে একটি মজবুত সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করে৷অমনোযোগী শিশুকেও গল্পের মাধ্যমে কিছু বললে বা বোঝালে সে শোনে ও শেখে৷গল্পের মাধ্যমে খুব সহজেই সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ শেখানো যায়৷

গল্প বলা একটা শক্তিশালী শিক্ষাগত হাতিয়ার, যা জটিল বিষয়কে সহজ ভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে৷ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গল্পগুলো সংস্কৃতির ঐতিহ্য মূল্যবোধকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করে৷

গল্প আমাদের যেকোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে৷আমরা আমাদের জীবনের অভিজ্ঞতাগুলোকে কিছুটা হলেও গল্পের মাধ্যমেই উপলব্ধি করি৷

গল্প আমাদের মনে রাখতে এবং কল্পনা করতে সাহায্য করে৷ প্রতিনিয়ত মানুষ গল্প তৈরি করে৷ বাড়িতে বাইরে বেরোনোর আগে যে কোন কাজের পরিকল্পনা সে একটা গল্পের মতো করেই মাথায় রাখে৷ 

গল্প আমাদের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে৷ গল্প বলা আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে৷ গল্প আমাদের অন্যদের বুঝতে সাহায্য করে৷ গল্প বলা এবং শোনার মাধ্যমে আমরা অন্যদের সম্পর্কে জানতে, তাদের পরিস্থিতি বুঝতে পারি৷

বর্তমান প্রজন্মের স্ক্রিনের প্রতি ভয়ঙ্কর আসক্তি থেকে বাঁচার অন্যতম বিকল্প মাধ্যম হতে পারে গল্পবলা৷ ঘুমোতে যাওয়ার মুহূর্তে কানের ভেতর দিয়ে মনের দরজায় যদি রূপকথা টোকা দেয়, তবে স্বপ্ণ গুলোও রামধনু রং পেয়ে যায়৷

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved