Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ন্যায় ও সত্যের পথে দেশকে পরিচালিত করতে এই দলতান্ত্রিক সাম্প্রদায়িক সরকারের পরিবর্তন জরুরী

প্রভাত খাঁ

চির সংগ্রামী সেই নেতাজীর জন্মভূমি পশ্চিম বাঙলার নির্বাচনে বাঙালী ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে বাঁচাতে নির্ভয়ে মতদান করে বাঙালীর মান মর্যাদা রক্ষা করুণ! সাধারণ নির্বাচন কথাটি শুনতে খুবই ভালো লাগে কিন্তু মতদান করাটা বড়োই কঠিনতম দায়িত্ব ও দেশের কল্যাণের জন্য যে শাসক নির্বাচন সেটার জন্য প্রয়োজন সেই যুক্তিবাদী মনে বোধ শক্তি৷ সেখানে ভোটারকে হতে যুক্তিবাদী ও বুদ্ধিমান৷ যাঁদের বলা হয় ‘উইটেন’--- এটি ল্যাটিন ভাষার শব্দ৷ আর বোটারদের বলা হয়--- ‘উইটেনাগেমট্‌’--- বুদ্ধিমানের গোষ্ঠী৷ কিন্তু এই ভারত-এর যাঁরা রাজনৈতিক নেতা তারাই তো সাম্প্রদায়ীকতা , দলাদলি ও গোষ্ঠীবাজী করা সংকীর্ণ মনে মানুষ! তাই তাঁদের মনটা তো অনুদার৷ তাই তাঁদের সাধারণ নির্বাচনে কি করে সেই নীতির রাজা রাজনীতির মহান ব্যক্তিত্বকে এদেশে পাবে কোথায় বোটারগন? তাছাড়া বোটারগনই তো নেদামার্র্ক! তাই সেই অতীতের মহান ভারতবর্ষ এ দিকে চলেছে সেই ধবংসেরই পথে! ভারতের বুকে চলছে এক নাগাড়ে সেই দলতন্ত্রের ধবজাধারীদেরই ধান্দাবাজদের গদী লড়াই যাতে সিংহভাগ হতভাগ্য মানুষ সেই ধনীদের সেবা দাসদের শোষণে অর্ধমৃত দশা৷ নিছক বোটের স্বার্থে অদ্যাবধি সেই দলতন্ত্রীরাই ২১ বছর থেকে নেমে সেই ১৮ বছর আবার ১৮ থেকে নেমে সেই কচি ছেলে মেয়েদের বোটার করেছে৷ যাতে সহজেই তাঁদের বোট কব্জা করা যায়৷ তাই দুঃখের সঙ্গে বলি এই নরক যন্ত্রণার হাত থেকে বাঁচতে হলে আর দেরী না করে শাসক দলের খোল নলচে পাল্টাতে আজ অতি প্রয়োজন বেশ কিছু মানবতাবাদী দেশপ্রেমিক জনসেবকদের যাঁরা হবেন সেই অতীতের মহান আদর্শবান নেতাজী সুভাষচন্দ্রের মতো দেশপ্রেমিক যিনি জীবনপন করে ছিলেন ভিক্ষালব্ধ ক্ষমতার হস্তান্তর নয়, পূর্ণ স্বাধীনতার জন্যে৷ কিন্তু দেশীয় পুঁজিপতিদের সেবক জাতীয় কংগ্রেসের গান্ধীলবির চক্রান্তে তিনি ব্যর্থ হন৷ পরবর্ত্তীতে তিনি দেশত্যাগ করে জার্মান হয়ে জাপানে এসে রাসবিহারী বসুর আজাদ হিন্দ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে অবতীর্ণ হন৷ কিন্তু সেই দেশীয় নেতাদের বিশ্বাস ঘাতকতায় তিনি ব্যর্থ হলেও তাঁর মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্যে আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেম আজও যুব সমাজ প্রেরণা দেয়৷

দেশবন্ধু সুভাষচন্দ্রের দেশপ্রেম আত্মত্যাগ স্বাধীনতার আগে থেকেই ভারতীয় রাজনীতি থেকে উধাও হয়ে যায়৷ তাই দেশভাগ করে ক্ষমতা ভিক্ষা করে নেয় ব্রিটিশের কাছ থেকে৷ আজ সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি দেশের কর্ণধার৷ দেশের অর্ধেকের বেশী সম্পদ মুষ্টিমেয় পুঁজিপতির দখলে৷ সাধারণ মানুষ হাহাকার করছে৷ তাই এই নির্বাচনে বাঙলাই পথ দেখাবে দেশকে দলতান্ত্রিক সাম্প্রদায়িক বাঙলা বিদ্বেষী দিল্লির শাসকের বাঙলা দখলের চক্রান্ত ব্যর্থ করে৷

অর্ধকোটির বেশী বোটারের নাম বাদ গেছে এস আই আরের প্রক্রিয়ায়৷ যা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় অশনি সংকেত৷ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বোট দান জনগণের মৌলিক অধিকার৷ শুধু অধিকারই নয়, শাসকের জনস্বার্থ বিরোধী কাজের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ প্রকাশের শান্তিপূর্ণ মাধ্যম নির্বাচন ব্যবস্থা৷ কিন্তু মানুস যদি শান্তিপূর্ণ উপায় ভোট দিতে না পারে তখন সে স্বাভাবিকভাবেই ভিন্ন পথ ধরে৷ নির্বাচন কমিশনারই যদি শাসকের দাস হয়ে যায়, জনগণ যদি তার মৌলিক অধিকার প্রয়োগের পথ না পায় তখন ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ সমাজকে, রাষ্ট্রকে অস্থির অশান্ত করে তোলে৷ নির্বাচন কমিশনার কি পশ্চিমবঙ্গবাসীকে সেই পথেই ঠেলে দিতে চান৷ হয়তো বাঙালী সম্পর্কে মিঃ জ্ঞানেশ কুমারের জ্ঞানের কোন অভাব নেই৷ তাই এই ধরণের হিতাহিত জ্ঞাণশূন্য সিদ্ধান্ত নিচ্ছে প্রায় অর্ধকোটি মানুষ বোটাধিকার হারিয়ে রাষ্ট্রহীন নাগরিকে পরিণত হয় তারফলে রাজ্যে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে তার দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে৷

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved