দীর্ঘ ৭৮ বছরের ভারতযুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে নামকেওয়াস্তে গণতন্ত্র চলছে৷ সাম্প্রদায়িক দলতন্ত্রী দলছুট শাসকদের দ্বারা শাসনে দেশ গভীর সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে৷ অন্ধবিশ্বাস, ধর্মমতের বিদ্বেষ যেমন বিচ্ছিন্নতাবাদকে উৎসাহিত করছে অপরদিকে ধনকুবেরদের নির্দয় শোষণে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত৷ সম্প্রতি সমীক্ষায় দেখা গেছে এখনো মোট বোটার এর ৪আনা যুক্তিবাদী নাগরিকগণ কোন দলেরই অন্ধ স্তাবক নয়! তাঁরা সচেতন নাগরিক হিসাবে সেই দলছুট শাসকদের মধ্যে যাঁরা সত্যই কিছু ভালো কাজ করেন, তাঁদের কাজ দেখে তাঁরা বোট দেন৷ তারই ফলে প্রত্যেক বারে যাঁরা শাসনে আসেন তাঁরা মূলত কিছু ভালো কাজ সব দলই করে থাকে৷ তাই দ্বিতীয় বারে তাঁদেরই সমর্থন জানায়৷ কিন্তু তৃতীয়বারের নির্বাচনে দাঁড়ানোটা সাধারণত কঠিন হয়৷ তবু যদি কিছু ভালো কাজ কিছু করে থাকে, মানুষ নিরপেক্ষভাবে সেটা দেখেন তাহলে সমর্থন জানান৷ কিন্তু চতুর্থবারে পুরাতনদের মধ্যেই এক ধরণের আত্ম অহংকার জন্মায় যার ফলে দলের মধ্যে উপদল বাসা বাঁধে৷ দলে কঠোর অনুশাসন না থাকায় দল বিভক্ত হয়ে যায়৷ চিরসংগ্রামী মমতাজীর দলে তাই হয়েছে কেন্দ্রের সবকটি সাম্প্রদায়িক দলই শাসনক্ষমতা কায়েম করতে আঞ্চলিক দলগুলিকে ভাঙতে থাকে৷ আর এ বিষয়ে কেন্দ্রের সরকারের ২টি মোক্ষম অস্ত্র সিবিআই ও ইডি দিয়ে আঞ্চলিক শাসক দলগুলিকে ভাঙতে দেখা গেল সেই বয়স্ক নিরপেক্ষ সচেতন নাগরিকদের দ্বারা৷ সেই কংগ্রেস সহ সবকটি কেন্দ্রীয় দল আঞ্চলিক দলগুলির উপর চাপ সৃষ্টি করতো কল্পিত নানা অভিযোগ সামনে এনে৷ দেখা গেছে মহামান্য আদালত চার্জ সীট দিতেই পারতেন না৷ ঐ কেন্দ্রের সিবিআই ও অন্য তদন্ত দলের অফিসারগণ ফলে ভয়ে অভিযুক্তরাই অনেকে দলছেড়ে কেন্দ্রের দলে যোগ দেয়৷ এই তো অবস্থা দেশের গণতান্ত্রিক শাসনের৷ তাই দুর্নীতির এটি আখড়া বিশেষ! তাই আজ দেশটি একেবারেই এক মিথ্যাচারীতায় স্বর্গরাজ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে! সততা বলতে কোথাও কিছু নেই৷ তাই নির্বাচনটাই হয়েছে এক অদ্ভুদ! প্রধান নির্বাচন কমিশন দ্বারা সেই শ্রীজ্ঞানেশ কুমার যিনি নাকি এমন শক্তির অধিকারী এস.আই.আর বা সেই নিবিড় সমীক্ষায় তিনি প্রায় এই পশ্চিমবাংলায় ৮০ লক্ষ নাগরিকদের বোটদান থেকে দূরে রেখে বোট সম্পাদন করে পশ্চিমবাংলার শাসক পরিবর্তন করেছে৷ এই তো গণতন্ত্র! এদেশের তবে সেই অটলজী ছিলেন সকল অভিযোগের বহুদূরে৷ তিনি এক স্মরণীয় প্রধানমন্ত্রী৷ কিন্তু তাঁর দলের উত্তরসুরীরাই আজ দেশকে ধবংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে৷
- Log in to post comments