Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সাম্রাজ্যবাদের লক্ষ্য বাঙলার অবলুপ্তি

শ্রীমতি সাধনা বন্দ্যোপাধ্যায়

‘মানুষের নববর্ষ আরামের নববর্ষ নয়, সে এমন শান্তির নববর্ষ নয়---পাখির গান তার গান নয়, অরুণের আলো তার আলো নয়৷ তার নববর্ষ সংগ্রাম করে আপন অধিকার লাভ করে আবরণের পর আবরণকে ছিন্ন বিদীর্ণ করে তবে তার অভ্যুদ্বয় ঘটে৷’---রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সুদূর বৈদিক যুগ থেকেই শুরু হইয়াছে তৎকালীন অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ এবং প্রাগজ্যোতিষপুরের উপর তথাকথিত আর্যদের অত্যাচার এবং অবিচার, মহারাজা শশাঙ্কের সময় পর্যন্ত অবশ্য বাংলা আর্যদের কাছে নতি স্বীকার করে নাই কিন্তু বাংলার চিরকালীন দূর্ভাগ্যই হুইল, একই সময়ে সে বীর প্রসবিনী এবং ষড়যন্ত্রকারীদের স্তন্যদাত্রীও৷ মহারাজা শশাঙ্কের সময়ও এর ব্যাতিক্রম হয় নাই, তাই আর্যদের পক্ষে সম্ভব হইয়াছিল রণনীতির দ্বারা নয়, কূটনীতির দ্বারা বাংলাকে পরাজিত করা, কিন্তু সামগ্রিকভাবে বাংলা এমনকি পাঠান এবং মোগলযুগেও বশ্যতা স্বীকার করে নাই৷ তার প্রমান বার ভূঁইয়া৷

বৃটিশ বেনিয়ারাজের রথচক্রের নির্মম পেষনে যখন আসমুদ্র হিমাচল ভারতবর্ষের নাভিশ্বাস শুরু হইয়াছে, তখনও বাংলার যুবশক্তি নিজেদের ঐতিহ্য বজায় রাখিয়া সৃষ্টি করিয়াছে অগ্ণিযুগের৷ তাইSettled factকেUnsettled করিতে দেরী করে নাই পৃথিবীর তৎকালীন সর্বশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য বাদও, অগনিত যুবকের মৃত্যুবরনের বিনিময়েই দ্বিখণ্ডিত বাঙলা একদিন রাহুমুক্ত হইয়াছিল৷

প্রতাপাদিত্য, ঈশাখাঁ, দীনেশ-বিনয়-বাদলের বাঙলা আবার মীরজাফর- মীরনেরও জন্মভূমি৷ তাছাড়া জাতি হিসাবে বাঙালীর বিশ্বাস প্রবনতা প্রায় অপরাধেরই সমতুল্য! কংগ্রেসের ভেদনীতি বা কূটনীতির যথার্থ স্বরূপও, সাধারণভাবে বাঙলার নরনারী উপলব্ধি করিতে পারে নাই, পারিয়াছিল বাঙলার যুবশক্তি আর শ্রদ্ধেয় শ্রীশচন্দ্র বসু, মৌলভি ফজলুল হক ইত্যাদি মুষ্টিমেয় কয়েকজন রাজনীতিবিদ৷ ভারতবর্ষের প্রথম প্রধামন্ত্রী জহরলাল নেহরু, গান্ধী বৈবাহিক রাজাগোপাল আচারী ইত্যাদিদের প্রত্যক্ষ অনুমোদন এবং ‘রামধন’ প্রচারকর্তা মহাত্মাগান্ধীর পরোক্ষ ইঙ্গিতের ফলে, ১৯০৫ সালের সমস্ত প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করিয়া বাঙলাকে আবার ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত করা হয়৷ সামগ্রিকভাবে বাঙলাদেশ ১৯৪৭ সাল হইতেই নিপীড়িত হয় হিন্দুস্থান এবং পাকিস্থানের ডিকটেটারদের দ্বারা৷ দুয়েরই মিলিত অভিযান ছিল ভারতবর্ষের মানচিত্র হইতে বাংলার অবলুপ্তি করিতে৷ দিনের পর দিন তাই শোষণেরও সীমা ছিল না৷ পরে অবশ্য কেদার রায় -- চাঁদরায়ের বাঙলা - সমুচিত উত্তর দিয়াছে, নিজেকে সম্পূর্ণরূপে পৃথক করিয়া৷ আজও পারে নাই এপার বাঙলার লোকেরা৷ 

 (ভারতের অন্যতম উপনিবেশ ---পশ্চিমবাঙলা ভূমিকা থেকে ---শ্রীরমেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়৷ )

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved