যে আত্মঘাতী যুদ্ধ পৃথিবীকে ধবংস করে, সেই যুদ্ধ বন্ধ করতেই একদিন সেই সাম্রাজ্যবাদী দল আমেরিকা ও ইংল্যান্ড আর রাশিয়া মিলে চিরদিনের মতো পৃথিবী থেকে যুদ্ধ বন্ধ করতে রাষ্ট্র সংঘ ঘটন করে৷ সেই রাষ্ট্র সংঘের আজ সদস্য সংখ্যা প্রায় ২৮৫টির অধিক, তাকে অগ্রাহ্য করে সেই আমেরিকা ও ইজরায়েল ২০২৬শে পৃথিবীর বুকে ইরানকে এমন আঘাত করলো তার অফিস ও বাসভবনে বোমাবর্ষন করে, ফলে ইরানের রাষ্ট্রপ্রধান ও তাঁর পরিবারের অনেকেই নিহত হয়৷ এর কারণ মিঃ ট্রাম্প তাঁর আগ্রাসী নীতি, সেই আমদানী শুল্ক নীতি যার দরুন সারা পৃথিবীটাই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে৷ এই যুদ্ধ যাতে না হয় রাষ্ট্র সংঘের বৃহত্তর সংখ্যক সদস্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করে কিন্তু আমেরিকা ভারতসহ কয়েকটি দেশ ভোট দানে বিরত থাকে৷ গোষ্ঠী নিরপেক্ষ দেশের মোদিজী সেই দেশ থেকে অস্ত্র ক্রয় করছে৷ মোদিজী মানবিকতা হারিয়ে বসেছেন৷ আর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৬০ শতাংশ লোকের সমর্থন হারিয়ে বসেছেন৷ সে দেশের সুপ্রিমকোর্ট শুল্কের হার কমিয়ে শতকরা ১০ শতাংশ করে দিয়েছেন৷
এদিকে যুদ্ধ যাতে না হয় তার জন্য রাষ্ট্র সংঘ সৃষ্টি হলো সেই রাষ্ট্র সংখ্যকে অস্বীকার করে ইরানযুদ্ধ ঘোষনা করেছে তাতে আমেরিকার নাকি এরই মধ্যে ৬ দিনের যুদ্ধে ১ লক্ষ কোটি টাকা খরচ হয়েছে৷ বল্গাহীন মোদিজীর রাষ্ট্রে এখন গ্যাসের হাহাকার যার জন্য সারা দেশে গৃহস্থদের ও যারা রন্ধন শিল্প নিয়ে ব্যবসা করেন তাঁদের সব কিছু বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ও গেছে৷ সারা দেশে এক ভয়ঙ্কর হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে৷ ঠিক বোটের আগে! তাই সারা পৃথিবীটাই চলছে৷ যেন সব কিছু বেসামাল হতে চলেছে৷ এর মূল রয়েছে যারা তারা অত্যন্ত লোভী ও অসংযত শাসক যারা শাসন ক্ষমতা কব্জায় ব্যস্ত৷ তাই এই যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় মেতেছে৷ একে প্রতিহত করতে যারা পারেন তাঁরা হলেন সেই সংনীতিবাদী, মানবতাবাদী বৃহৎ হৃদয় নাগরিকগণ! তাঁদের বিশ্বৈকতা বোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে একমানব সমাজ ঘটনের লক্ষ্যে চলা৷ ভেদাভেদে ধবংস ঐক্যবদ্ধ হয়ে চলাচাই বৃহৎ মনের কল্যাণময় নীতি৷ এটাই চান বিশ্বস্রষ্টা সেই পরমপুরুষ! তাঁকেই এখন সভ্যতার হাল ধরতে হবে৷ জড় বিজ্ঞানের কল্যাণে সমাজের বিকাশ হয়েছে অস্বীকার করা যাবে না৷ তবু মানুষ ভোগবাদের দিকে এগুচ্ছে সেই ধবংসের পথে৷ শোষক ও শোষিতরা আজ মুখমুখি৷ তাই ত্যাগ তিতিক্ষা ও আত্মিক সততাকে সহায় করে সেই বৌদ্ধিক লড়াই করে শোষকরা সংখ্যা অল্প, তাদের পরিত্যাগ করতে মন প্রাণ দিয়ে তাদের দ্বিচারিতায় না ভুলে এগিয়ে গেলেই জয় সুনিশ্চিত৷ তাই সংগ্রাম করতে হবে আত্মপ্রতিষ্ঠার৷ রাষ্ট্র সংঘই পথ দেখাবে৷
মনে রাখতে হবে নীতির রাজা রাজনীতি৷ যেখানে মানবতাবোধ সদা জাগ্রত ও বিরাট মনের কল্যাণধর্মী মানসিকতা আছে সেখানেই রাজনীতি স্বার্থক বাস্তবায়নের পথে বিদ্যমান৷ কিন্তু দলতন্ত্রে এমন সংকীর্ণতা বর্তমান ও স্বার্থান্ধতার নোংরামী আছে সেখানে সব কিছুতেই নোংরা কূটনীতির বহিঃপ্রকাশ এসে পবিত্র রাজনীতি শব্দই যেন ঘোলাটে হয়ে মানুষের মনে ঘোরাফেরা করছে৷ এটাই হলো সর্বনাশের কারণ৷ কথায় কথায় রাজনীতি শব্দকে ব্যবহার করাটা যেন আজ প্রচলিত হয়ে গেছে ঐ সব ধান্দাবাজ দলীয় নেতাদের ও তাঁদের অনুগামীদের মুখে! প্রসঙ্গতঃ বলি একটি অতি সত্য কথা তা হলো এই পৃথিবীর বুকে কখনো কখনো এমন মহামানবের আবির্ভাব ঘটে তাঁদের চিনতে মানুষের বড়ো দেরী হয়ে যায়! কিন্তু তারা নীরবে কাজ করে চলেন বিশ্বকল্যাণের কারণে৷ তাঁরা হতো সংযত হয়ে কাজ করেন দেখে মনে হবে অতি সাধারণ মানুষ৷ কিন্তু যাঁরা কিছুটা যুক্তিবাদী ও ভক্তি শ্রদ্ধাযুক্ত তারা তাঁকে চিনে নেন৷ তাঁরা তাঁকে অনুসরণ করেন৷ দেখে মনে হয় তাঁরা তাকে অনুসরণ করে৷ তিনি ও তাঁদের দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়৷ এমনই এক মহামানবের আবির্ভাব হয়েছে আমাদের দেশে৷ তিনি আনন্দমার্গের প্রতিষ্ঠাতা পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার আধ্যাত্মিক জগতে যিনি শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তি নামে পরিচিত৷ তিনি সর্বশ্রেণীর মানুষের সর্বজীবের, সর্ব অস্তিত্বের সার্বিক বিকাশের জন্যে দিয়েছেন এক জীবন দর্শন৷ এই জীবন দর্শনকে অনুসরণ করে মানুষকে চলতেই হবে, এগিয়ে যেতে হবে সবরকম বাধা অতিক্রম করে বৃহত্তম মানব পরিবারের কল্যাণের জন্যে৷
- Log in to post comments