সর্বে চ পশবঃ সন্তি তলবদ ভূতলে নরাঃ
তেষাং জ্ঞান প্রকাশায় বীরভাবঃ প্রকাশিতঃ৷
বীর ভাবং সদা প্রাপ্য ক্রমেণ দেবতা ভবেৎ৷৷
(রুদ্রযামল তন্ত্র)
Sarve ca pashavah santi talabad bhútale naráh.
Tesám jinána prakásháya viira bhavah prakáshitah
Viira bhávam sadá prápya kramena devatá bhavet.
(Subhásita Samgraha– ৮/৩৩)
ভাবার্থ :-প্রারম্ভিক স্তরে মানুষ পশুস্তরে থাকে৷ আহার-নিদ্রা-ভয়-মৈথুন এই সব নিয়েই ব্যস্ত থাকে৷ এই প্রাথমিক স্তরের অবস্থাটাকে পশুভাব বা পশ্বাচার বলা হয়৷ এর পর তার মনে জাগে আধ্যাত্মিক পথে চলার এষণা৷ সে তখন গুরুর সন্ধান করে ও গুরুনির্দিষ্ট পথে চলতে থাকে৷ এই পথে চলতে চলতে তাকে ভেতরে-বাইরে সংগ্রাম করতে হয়৷ এই সংগ্রাম করে এগিয়ে চলার ভাবকে বলা হয় বীরাচার৷ এই বীরভাবে প্রতিষ্ঠিত সাধক নিরন্তর সাধনার দ্বারা দেবভাবে বা দেবত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়৷ সকল সাধনার মূলমন্ত্রই হ’ল এই দিব্যভাবে পরমাস্থিতি৷ (স্তোস্ত্রমঞ্জুষা থেকে সংগৃহীত)