Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আদি বিদ্বান মহর্ষি কপিল---বিশ্বের প্রথম দার্শনিক

মনোতোষ মণ্ডল

প্রাচীন বাংলায় একটি অতি পরিচিত প্রবাদ---সব তীর্থ বার বার গঙ্গাসাগর একবার৷ এমনটা বলার একটাই কারণ -- ভারতীয় পরম্পরা অনুযায়ী বিভিন্ন উপলক্ষে গঙ্গায় অবগাহন করা, পূণ্যদায়ক৷ তবে সর্বত্র নয় কয়েকটি বিশেষ তীর্থস্থানে৷ যেমন -- হরিদ্বার, প্রয়াগ ও কাশি ইত্যাদি৷ এই সব স্থানে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উপলক্ষে স্নানযোগের বিধান আছে৷ কিন্তু গঙ্গাসাগরে স্নান যোগ মাত্র একটাই -- মকর সংক্রান্তি অর্থাৎ উত্তরায়ণ সংক্রান্তির দিন৷ 

হিমালয় পর্বতে অবস্থিত গঙ্গোত্তরী নামক স্থানটি হচ্ছে -- গঙ্গা নদীর উদগম স্থল৷ আর এই গঙ্গাই হচ্ছে -- ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠতম নদী যা ভারতের বিভিন্ন শহরের পাস দিয়ে প্রবাহিত হয় ও অবশেষে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়৷ এই মিলনস্থলটির নাম -- গঙ্গাসাগর অথবা সাগর সঙ্গম৷ জনগণের বিশ্বাস, এই সঙ্গম স্থলেই কোন এক সময় সাংখ্য দর্শনের প্রবক্তা মহর্ষি কপিলের আশ্রম ছিল৷ সুতরাং আজকের এই শুভ লগ্ণে মহর্ষি কপিল সম্পর্কে যৎকিঞ্চিৎ আলোচনা বাঞ্ছনীয়৷ 

জ্ঞানের নিধান ও আদি বিদ্বান মহর্ষি কপিল ছিলেন বিশ্বের প্রথম দার্শনিক৷ আজ থেকে প্রায় চার হাজার বছর আগে মহর্ষি কপিলের জন্ম হয়েছিল -- বর্তমান পশ্চিম বঙ্গের পুরুলিয়া জেলান্তর্গত পাট ঝালদা গ্রামে যা বর্তমান ঝালদা রেলওয়ে স্টেশনের অতি নিকটে৷ আর এই গ্রামের অনতিদূরে অবস্থিত কপিলা পাহাড়ের এক গুফায় তিনি সাধনায় সিদ্ধিলাভ করার পর গঙ্গাসাগরে নিজস্ব আশ্রম স্থাপিত করেন৷ 

প্রতি বছর বহু আস্থাবান তীর্থযাত্রী মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে গঙ্গাসাগরে স্নান করতে আসেন ও স্নানান্তে মহর্ষি কপিলের আশ্রমে গিয়ে বিশ্বের আদি বিদ্বানকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন৷ জ্যোতিষীয় মতে এই দিনটিকে বলা হয় -- উত্তরায়ণ সংক্রান্তি৷ কারণ এই দিনের পর সূর্যের গতি উত্তরাভিমুখী হয়ে ক্রমশঃ বিষুব রেখাভিমুখে যাত্রা শুরু করে৷ ব্যাসদেব রচিত মহাভারত গ্রন্থে উল্লেখ আছে -- কুরুক্ষেত্রের মহান যোদ্ধা ও কৌরব পক্ষের প্রথম প্রধান সেনাপতি ভীষ্ম পিতামহ এই দিনটিতেই শরীর ত্যাগ করেন৷ 

বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ই অথবা ১৫ই জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়৷ বাংলা পঞ্জিকা মতে এই দিনটি হচ্ছে -- বাংলা বছরের নবম মাস পৌষের শেষ দিন৷ পৃথিবীর বার্ষিক গতি পৌষ মাসে সূর্য ধনু রাশিতে অবস্থান করে মকর সংক্রান্তির দিন মকর রাশিতে প্রবেশ করে৷ প্রতিটি রাশিতে সূর্যের অবস্থান কাল ক্রমশঃ ২৯/৩০/৩১/৩২ দিন দিন হয়৷ আর সূর্যের রাশিগত অবস্থানকে কেন্দ্র করেই বাংলা বছরের মাংসগুলোর দিন গণনা করা হয়৷ 

বাঙলার মানুষের কাছে মহর্ষি কপিল বিশ্বের আদি বিদ্বান রূপেই চিরপরিচিত৷ তাই বাঙলার স্বনামধন্য কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত তাঁর রচিত একটি কবিতায় উল্লেখ করেছেন --

‘জ্ঞানের নিধান আদি বিদ্বান কপিল সাংখ্যকার৷

এই বাংলায় রচিল হায় সূত্রে হীরক হার৷৷’

বিংশ শতাব্দীর মহান দার্শনিক ও সত্যদ্রষ্টা ঋষি শ্রীশ্রী আনন্দমূর্তিজী তাঁর রচিত ’মহাভারতের কথা’ নামক গ্রন্থে লিখেছেন--’মহর্ষি কপিলের সাংখ্য দর্শন হচ্ছে বিশ্বের প্রাচীনতম দর্শন৷ অবশ্য সাংখ্য দর্শনের সঙ্কলন মহাভারতের পরেই হয়েছে৷ কিন্তু জনমানসে এর একটি চিন্তাধারা মহাভারত কালের অনেক আগেই হয়েছিল৷ বিশ্বের প্রথম দর্শনের জন্ম -- ভারতবর্ষেই হয়েছিল আর এর প্রথম প্রস্তুতিও মহাভারতের যুদ্ধক্ষেত্রেই হয়েছিল৷’

মহামুনি ব্যাসদেব রচিত শ্রীমৎ ভাগবৎ গীতাতেও মহর্ষি কপিলের কথার উল্লেখ আছে৷ শ্রী মদ্ভাগবৎ গীতার দশম অধ্যায়ের ২৬তম শ্লোকে বলা হয়েছে --

অশ্বত্থ সর্ববৃক্ষাণাং দেবর্ষিণাং নারদঃ৷

গন্ধর্বাণাং চিত্ররথঃ সিদ্ধিনাং কপিলোমুনি৷৷

এতদ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, মহামুনি কপিলের আবির্ভাব মহাভারত কালের অনেক পূর্বেই হয়েছিল ও সাংখ্য দর্শনের রচনাও হয়েছিল৷ আর সম্ভবতঃ এই কারণেই শ্রীমৎ ভাগবৎ গীতার দ্বিতীয় অধ্যায়ের নামকরণ করা হয়েছে -- সাংখ্য যোগ৷ অতএব এটাই স্পষ্ট যে, শ্রী কৃষ্ণ সাংখ্য দর্শনকেই জ্ঞানের পর্যায়বাচী রূপে স্বীকার করেছেন৷ এতদতিরিক্ত পঞ্চম অধ্যায়ের পঞ্চম শ্লোকে বলা হয়েছে -- 

’ যৎ সাংখ্যৈঃ প্রাপ্যতে স্থানং তৎ যোগৈরপি গম্যতে৷

একং সাংখ্যং চ যোগঞ্চ যঃ পশ্যতি সঃ পশ্যতি৷৷’

অর্থাৎ এটাই স্পষ্ট যে, শ্রী কৃষ্ণ সাংখ্য দর্শনকে মহিমান্বিত করার যথেষ্ট প্রয়াস করেছেন৷ অতএব সুস্পষ্টভাবেই প্রমাণিত যে, সাংখ্য দর্শনই বিশ্বের প্রথম দর্শন ও মহর্ষি কপিল বিশ্বের বুকে প্রথম দার্শনিক৷

বৈদিক যুগেও দর্শন ছিল কিন্তু কোন সঙ্কলিত দর্শন ছিল না৷ মহাভারতের পরবর্তী সময়েই মানুষ এই বিষয়ে গম্ভীরভাবে চিন্তা ভাবনা শুরু করে: জগতের সৃষ্টি কেমন ভাবে হয়েছে? মানব জীবনের লক্ষ্য কী? ইত্যাদি৷বিশেষ বলাবাহুল্য, গীতায় শ্রী কৃষ্ণের শিক্ষার পরিপ্রেক্ষিতেই এই ধরণের জীবন-জিজ্ঞাসা জন্ম নিয়েছিল৷ মানব জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকার সমস্যার সমাধান কল্পেই দর্শনের জন্ম হয়৷ ভারতীয় দর্শনকে মূলতঃ দুই ভাগে ভাগ করা যায়৷ ১৷ আস্তিক্য দর্শন ও ২৷ নাস্তিক্য দর্শন৷

প্রাচীন কালের মানুষের মধ্যে বিশ্বাস ছিল যে, ‘বেদনিন্দুকং নাস্তিকম৷’ অর্থাৎ যে দর্শন বেদের নিন্দা করে তাহাই নাস্তিক্য দর্শন৷৷ বৌদ্ধ দর্শন, জৈন দর্শন ও চার্বাক দর্শনে বেদে বর্ণিত কর্মকাণ্ড ও পশুবলির ঘোর নিন্দা করা হয়েছে৷ সুতরাং ভারতীয় বিদ্বানদের মতে বৌদ্ধাদি দর্শন সমূহ অবশ্যই নাস্তিক্য দর্শন৷ আর আস্তিক্য দর্শন সমূহকে সামুহিক রূপে বলা হয় -- ভারতীয় ষড়দর্শন যা নিম্নরূপ:--

১৷ সাংখ্য দর্শন ২৷ যোগ দর্শন 

৩৷ ন্যায় দর্শন ৪৷ বৈশেষিক 

৫৷ মীমাংসা ও ৬৷ বেদান্ত দর্শন 

 আবার দু-দুটো দর্শনকে মিলিয়ে এক একটি বিভাগ রচনা করা হয়েছে৷

(ক) সাংখ্য ও যোগ দর্শনের মিলিত নাম সাংখ্য বিভাগ৷ সাংখ্য দর্শনের প্রবক্তা ছিলেন মহর্ষি কপিল ও যোগ দর্শনের প্রবক্তা ছিলেন মহর্ষি পতঞ্জলি৷ সাংখ্য দর্শনকে বলা হয়, নিরীশ্বর সাংখ্য৷ আর যোগ দর্শনের বিশেষ নাম সেশ্বর সাংখ্য৷ 

(খ) ন্যায় ও বৈশেষিক দর্শনের সংযুক্ত নাম -- ন্যায় দর্শন৷ ন্যায় দর্শনের আদি প্রবক্তা ছিলেন -- ঋষি গৌতম৷ পরবর্তীকালে বাংলার স্বনামধন্য দার্শনিক রঘুনাথ শিরোমণি গৌতমীয় ন্যায়ের অবাস্তব তথ্যগুলো সরিয়ে দিয়ে নব্য-ন্যায় রচনা করেন৷ আর বৈশেষিক দর্শনের প্রবক্তা ছিলেন মহর্ষি কণাদ৷ 

(গ) মীমাংসা ও বেদান্ত দর্শনের সামবায়িক নাম দেওয়া হয় -- মীমাংসা বিভাগ৷ প্রথমটিকে বলা হয় -- পূর্ব মীমাংসা ও দ্বিতীয়টির নামকরণ করা হয় -- উত্তর মীমাংসা৷ পূর্ব মীমাংসার রচয়িতা ছিলেন -- জৈমিনী ও বেদান্ত দর্শনের জন্মদাতা ছিলেন -- আদি শঙ্করাচার্য৷ 

বিভিন্ন পৌরাণিক গ্রন্থে মহর্ষি কপিলের চর্চা করা হয়েছে৷ কোন কোন পুরাণমতে মহারাজ সগর পুত্র কর্তৃক অত্যাচারিত হয়ে তাদেরকে ভস্মীভূত করে দিয়েছিলেন৷ এর থেকে এটাই স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, তৎকালীন সময়ের জনসাধারণ মহর্ষি কপিলের অলৌকিক শক্তি সম্বন্ধে ভালো ভাবেই জ্ঞাত ছিলেন৷ আজো মহর্ষি কপিলের প্রতি ভারতীয় জনগণের অটুট শ্রদ্ধা বিদ্যমান৷ তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ -- প্রতি বছর মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে দূর দূরান্ত থেকে আগত লক্ষাধিক শ্রদ্ধাবান মানুষ প্রচণ্ড শীতের পরোয়া না করেই গঙ্গাসাগরে স্নান সেরে কপিল মুনির আশ্রমে পুজার্চনা করেন৷ 

বিংশ শতাব্দীর মহান দার্শনিক ও সত্যদ্রষ্টা ঋষি শ্রী শ্রী আনন্দমূর্তিজী তাঁর রচিত অধ্যাত্ম গ্রন্থ ’ নমামি কৃষ্ণ সুন্দরম এ উল্লেখ করেছেন -- ’ প্রাচীনতম দর্শন রূপে আমি সাংখ্য দর্শনকেই মেনে নিচ্ছি৷ সাংখ্য দর্শনের মূল বক্তব্য হচ্ছে -- জগতে যত সব মৌলিক বস্তু আছে অর্থাৎ যে সব বস্তুর সমবায়ে জগৎ সৃষ্টি হয়েছে -- জগৎ, জীব ও ঈশ্বর তার সংখ্যা নিরুপিত করে দিয়েছেন৷ বলা হয়েছে -- এই সব বস্তুর সমন্বয়েই বিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে৷ মহর্ষি কপিলের মতে এই রকম মোট চবিবশটি মূল তত্ত্ব রয়েছে যাদেরকে বলা হয় -- মৌলিক বস্তু৷ অবশ্য তৎকালীন তত্ত্বের সঙ্গে আজকের তত্ত্বের কোন মিল নেই৷ 

আমরা সকলেই জানি -- দুটি বাহু যখন কোন একই বিন্দুতে মিলিত হয় আর এই অভিন্ন বিন্দুকে স্পর্শ করে যে ভূম্যাংশ তৈরি হয় তাকে কোণ বলা হয়৷ জ্যামিতিতে কোণ বিজ্ঞানের আবিষ্কারক ছিলেন -- বিশ্বের আদি বিদ্বান মহর্ষি কপিল৷ তিনিই প্রথম ব্যষ্টি যিনি বলেছিলেন -- একটি সমকোণ ত্রিভুজের তিনটি কোণের যোগফল ১৮০ ডিগ্রি হয় আর সমবাহু ত্রিভুজের প্রত্যেকটি কোণ ৬০ ডিগ্রি হয়৷ অবশ্য জ্যামিতি সম্বন্ধে এর বেশি কিছুই বলেন নি৷ সম্ভবতঃ দার্শনিক তত্ত্বের আলোচনায় অত্যধিক ব্যস্ত থাকার ফলে জ্যামিতি নিয়ে বিশেষ আলোচনা করা সম্ভব হয়নি৷ 

তাঁর অবদান সম্পর্কে আরেকটি কথা অবশ্যই স্মরণীয় যে, তিনি জ্যামিতি ব্যতিরেকে যৎকিঞ্চিৎ বীজগণিত সম্বন্ধেও আলোচনা করেছেন যার উপর ভিত্তি করে বীজগণিত আজো দণ্ডায়মান৷ বলতে কোন বাধা নেই যে, ‘এ + ‘বি’ এর হোল স্কোয়ার সূত্রটি তাঁরই আবিষৃকত৷ তাই তাঁদের অভুতপূর্ব অবদানের কথা মনে রেখেই মুনি ঋষিদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনার্থে স্নানকালে নিয়মিত পিতৃযজ্ঞ করে থাকি ও সেই সময় -- ‘পিতৃপুরুষেভ্যো নমঃ -- ঋষিদেবেভ্যো নমঃ’ বিশেষ মন্ত্রটি উচ্চারণ করে থাকি৷ 

১৯৮৭ সালের আগে মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে একমাত্র সাগর সঙ্গমেই মহর্ষি কপিলকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হতো৷ কিন্তু ১৯৮৭ সালের ১৪ই জানুয়ারি প্রথমবার বিশ্বের প্রথম দার্শনিক কপিলকে তাঁর জন্মস্থানে কপিল স্মৃতি উৎসব পালিত হয়৷ এই উৎসবের আয়োজক ছিলেন -- আনন্দ মার্গ প্রচারক সংঘের জনৈক সন্ন্যাসী আচার্য কীর্ত্যানন্দ অবধূত৷ তিনি নিজের জীবদ্দশায় প্রতি বছর কপিল স্মৃতি উৎসব পালন করে গেছেন৷ পরবর্তীকালেও জনৈক সন্ন্যাসী কপিলোৎসবের আয়োজন করে থাকেন৷ আজকের এই শুভ লগ্ণে মহান দার্শনিক মহর্ষি কপিলকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সঙ্গে সঙ্গে স্বর্গতঃ আচার্য কীর্ত্যানন্দ অবধূতকেও জানাই অশেষ শ্রদ্ধা ও শত কোটি প্রণাম৷

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved