Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

একর্ষি

পূর্ব প্রকাশিতের পর,

২) বিকেন্দ্রিত অর্থব্যবস্থার  দ্বিতীয় নীতি হল---উৎপাদনের  ভিত্তি হবে উপভোগ (কন্‌জাম্পশন্‌), মুনাফা (প্রফিট) নয়৷ কিন্তু পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ যে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা হল মুনাফা ভিত্তিক অর্থনীতি, অর্থাৎ প্রতিটি অর্থনৈতিক ক্ষেত্র চলে মুনাফা লাভের জন্যেই, লক্ষ্য সর্র্বেচ্চ মুনাফা৷--- লক্ষ্যনীয়, মুনাফামুখী উৎপাদন ব্যবস্থায় কয়েকটি দিকের প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে৷ (অ) যারা মুনাফামুখী-উৎপাদক তারা সেই দ্রব্যের উৎপাদনকেই অগ্রাধিকার দেবে যার দ্বারা সর্বাধিক মুনাফা অর্জন করা যায়৷ এতে সাধারণ মানুষের নূ্যনতম প্রয়োজনপূর্তির সুযোগ বা নিশ্চিততা থাকল কি থাকল না, সাধারণ মানুষ মরল না বাঁচল সেটা নিয়ে তাদের মাথা ব্যথা থাকে না৷ (আ) এই যে সর্বাধিক মুনাফা মুখী বস্তুর উৎপাদন ---তাই নিয়েই উৎপাদকদের মধ্যে তুমুল প্রতিযোগিতা চলে, চলে বাজার দখলেরও লড়াই৷ কার্যত, প্রতিযোগিতার বাজারে, সর্বাধিক মুনাফা পাওয়ার টাগ্‌ অব্‌ ওয়ারে মানুষের সামূহিক-প্রয়োজনপূর্ত্তিমুখী উৎপাদন, সর্বজনীন কল্যাণ উপেক্ষিতই থেকে যায়৷ আবার বাজার দখলের যে লড়াই -সেই লড়াই এর কেন্দ্রটাও ওই লাভের গুড়, অর্থাৎ সর্বোচ্চ মুনাফা৷ সর্বাধিক এই লাভের গুড় খেতে আড়ালে চলে বিকৃত কৃৎ-কৌশল কে কাকে পিছন থেকে ছুরি মেরে--- ল্যাঙ্‌ মেরে এগিয়ে যাবে৷ অর্থাৎ একটা  অসুস্থ প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রণে---একছত্র আধিপত্রের বল্গাহীন সুপ্ত ও উপ্ত বাসনা তথা লোল-লালসা৷ ফলে  উৎপাদন-বন্টনের  নিয়ন্ত্রকের লড়াই-এ সেই ডারউইন-ভিউ, বোল্ড আউট সিম্বলিক্যাল ভিউ৷ ফলে মুনাফামুখী প্রতিযোগিতায় কেউ সাফল্যের  শিখরে  উঠে যাচ্ছে৷ যে বা যারা প্রতিযোগিতা হেরে গেল, নেমে গেল, বসে গেল---সে বা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মাথা তুলে দাঁড়াতে  পারে না, প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে এই ভয়ে তাদের উঠে  দাঁড়াতে দেয়া হয় না, তত্ত্বটা সেই আকাশের এক চাঁদের ---‘ও বেশী লাভ করলে বা থাকলে আমার মুনাফা কমে যাবে, অস্তিত্ব বিপন্ন হবে--- তাই এটা হতে দেয়া যায় না,  প্রতিপক্ষকে যেন কোনভাবে বসিয়ে দিতে হবে৷ ---নূ্যনতম প্রয়োজনে সবার সামূহিক উপভোগেই যে সামগ্রিক কল্যাণ---এখানে সে ঈপ্সা নেই৷ বলাবাহুল্য, ব্যষ্টি বা গোষ্ঠীর সংকীর্ণ স্বার্থের  কেন্দ্রীভূতকরণই বড় কথা৷ বিকেন্দ্রিত অর্থব্যবস্থায় তাই বোধ হয় একটা কথার চল আছে--- ‘লক্ষ্মী বড় চঞ্চলা’৷ লক্ষ্মী কখন যে কার ঘরে যায়, বোঝা বড় দায়৷ অথচ প্রচলিত তথা সব ধরণের  অর্থব্যবস্থাতেই ‘প্রতিযোগিতা’কে--- সাধারণভাবে  ভোগ্যদ্রব্যের গুণগত মানবৃদ্ধি, কর্মে দক্ষতা বৃদ্ধি ও উন্নয়নের  বড় উন্নয়নের বড় উদ্দীপক বা কৌশল হিসেবে স্বীকার করা হয়৷ তবে সে প্রতিযোগিতাকে হতে হবে  অবশ্যই মিত্রসুলভ সহযোগিতামূলক, ঈর্ষান্ধ---শত্রুভাবাপন্ন নয়৷

পক্ষান্তরে, বিকেন্দ্রিত অর্থব্যবস্থায় উৎপাদক ও উপভোক্তা উভয়পক্ষের  আর্থিক নিরাপত্তা ও নিশ্চিততা আসে এই ভাবে ---‘উৎপাদন ও বন্টন’ সর্বস্তরের মানুষের  উপভোগের জন্যেই হওয়ায়, অর্থাৎ উপভোগমুখী উৎপাদন ব্যবস্থায় ---যে কোন সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চলেরই সামূহিক-উপভোগমুখী উৎপাদিত দ্রব্য স্থানীয় বাজারেই বিক্রী হয়ে যাবে, অসুস্থ প্রতিযোগিতার কোন জায়গা প্রায় থাকবে না৷ চাহিদা-যোগানের এই হয়ে যাবে অসুস্থ প্রতিযোগিতার  কোন জায়গা প্রায় থাকবে না৷ চাহিদা-যোগানের এই ভারসাম্য পরিস্থিতির নীট ফল হচ্ছে---(ক) স্থানীয় মানুষের তথা উপভোক্তা ও উৎপাদকের আর্থিক জীবনে কোন অনিশ্চিতা থাকবে না৷ কারণ, ভোক্তা নিশ্চিন্তে থাকবে যে তার প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রব্য স্থানীয় বাজারেই পাওয়া যাবে৷ আবার উৎপাদক ও দুশ্চিন্তা থাকবে না---স্থানীয় বাজারেই তার বা তাদের সব মাল বিক্রী হয়ে যাবে, অবিক্রিত থাকবে না৷ (খ) সবচেয়ে বড় কথা স্থানীয় বাজারেই অর্থ সচল থাকবে, আর এই  কারণে স্থানীয় মূলধনের বহিঃস্রোতও বন্ধ হয়ে যাবে৷ (গ) এতে স্থানীয় অর্থনীতিতে আর্থিক বিপর্যের সুম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে৷  বরং জনসাধারণের আয় উধর্বমুখী হতে থাকবে, তাদের ক্রয়ক্ষমতাও ক্রমাগত বাড়তে থাকবে৷

বাস্তবে এটা ফলপ্রসূ হবে কয়েকটি  ব্যবস্থার সামবায়িক-পারস্পরিক  প্রভাবে৷ যেমন---(১) বিকেন্দ্রিত অর্থব্যবস্থায় খরা-বন্যা-ভূমিকম্প-অতিমার্যা দি বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে বিশেষজ্ঞ সংসদের (কালেকটিভ বডি) তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সামূহিক চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন ও যোগানের ব্যবস্থা, সব সময় চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য বজায় রাখার সতর্ক দৃষ্টি ও আশু  ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ৷ ২) স্থানীয় প্রাকৃতিক -সামাজিক -মনস্তত্বকে মান্যতা দিয়ে স্থানীয় উপকরণে তৈরী সামগ্রী দিয়ে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় তথা নূ্যনতম প্রয়োজনপূর্তিক ব্যবস্থা৷ আর এজন্য বিশেষ বিশেষ নামমাত্র ক্ষেত্র ও সময় ছাড়া স্থানীয় বাজারে বাইরের পণ্য সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধকরণ ও স্থানীয় মানুষদের এই ব্যবস্থা মনে প্রাণে মেনে নেয়া ও গ্রহণ করা৷ (‘বিদেশী জিনিস টেকসই, স্বাদে বা গুণে মানে ভাল, লোকাল মাল পাওয়া যাচ্ছে না--- তাই বাইরের জিনিস নিচ্ছি---এই ভাবনাটারই বদল, ও এই সঙ্গে---‘মরে গেলেও বাইরের জিনিস  কিনব না, ব্যবহার করব না’---এই জিদ চাই৷ ৩) স্থানীয় মানুষের সামাজিক-অর্থনৈতিক স্বার্থ, নিরাপত্তা ও নিশ্চিততা বিষয়ে সতর্ক সচেতনতা৷ (ক্রমশঃ)

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • August 2018 (120)
  • July 2018 (154)
  • June 2018 (112)
  • May 2018 (139)
  • April 2018 (161)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 10
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved