Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ব

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

ব্রহ্ম ঃ ‘বৃহৎ’ শব্দ থেকে ‘ব্রহ্ম’ শব্দ নিষ্পন্ন হয়েছে৷ ৰলা হয়ে থাকে, ‘বৃহত্ত্বাদ ব্রহ্ম, বৃংহনত্বাদ ব্রহ্ম---যার মানে হচ্ছে তিনি বড়, তাই তাঁকে ব্রহ্ম ৰলা হয়৷ আবার তিনি অন্যকে বড় করেন এই অর্থেও তাঁকে ব্রহ্ম ৰলা হয়৷ যাঁরা এই এক ব্রহ্মকে মেনে চলেন তাঁদের নিয়ে রাজা রামমোহন রায়ের উদ্যোগে ও তৎপরবর্তীকালে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে ব্রাহ্মসমাজ গঠিত হয়৷ পরবর্তীকালে ব্রহ্মানন্দ কেশবচন্দ সেন, শিবনাথ শাস্ত্রী ও আরও অনেক মনীষী এই আন্দোলনে অকুণ্ঠ সহযোগিতা দেন৷ এই ব্রাহ্মণরা বর্তমান ভারতে অন্যতম প্রগতিশীল গোষ্ঠী৷ সংখ্যায় কম হলেও এঁদের গুরুত্ব অস্বীকার করার জো নেই৷

ব্রাহ্মণ ঃ ‘ব্রাহ্মণ’ শব্দটি নানান ব্যাখ্যা দেওয়া হয়ে থাকে৷ তবে মুখ্যতঃ এর অর্থ হ’ল ব্রহ্মজ্ঞ৷ মনে রাখা উচিত, বিপ্র ও ব্রাহ্মণ এক শব্দ নয়৷ বিপ মানে ৰুদ্ধিজীবী (Intellectual) আর ব্রাহ্মণ শব্দের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে---

‘‘জন্মনা জায়তে শূদ্রঃ সংস্কারাৎ দ্বিজ উচ্যতে৷

বেদপাঠাৎ ভবেৎ বিপঃ ব্রহ্ম জানাতি ব্রাহ্মণঃ’’৷৷

জন্মসূত্রে সকলেই শূদ্র, দীক্ষা সংস্কারের পর মানুষ হয় দ্বিজ৷ দীক্ষা সংস্কারটিকে নূতন জন্ম ৰলে গণ্য করা হয় এই জন্যে যে দীক্ষা গ্রহণের পর মানুষের জীবনধারা পালটে যায়৷ সে নূতন ভাবে জীবনকে দেখতে শেখে ও তদনুযায়ী চলতে শেখে৷ তাই দীক্ষা সংস্কারের পর প্রতিটি মানুষ দ্বিজ হয়ে যায়৷ সাধারণতঃ মানুষের দাঁত দু’বার জন্মায়৷ এই কারণে দাঁতকেও ‘দ্বিজ’ ৰলা হয়৷ পতঙ্গ, সরীসৃপ,পক্ষীকূল ও বিভিন্ন ধরণের অ-স্তন্যপায়ী জীব (Non-mammal) প্রথমে মাতৃগর্ভ থেকে অণ্ডরূপে প্রসূত হয় (সংস্কৃতে ‘অণ্ড’ থেকে ‘অণ্ডা’ আর ‘ডিম্ব’ থেকে এসেছে ‘ডিম’)৷ তারপর ধরিত্রীর গর্ভে কিছুদিন আবশ্যকীয় উত্তাপের মধ্যে থাকার পর নিজেই অণ্ড থেকে নির্গত হয়৷ তাই এদেরও দু’বার জন্ম হচ্ছে, এই কারণে সমস্ত অণ্ডজ প্রাণীকে দ্বিজ ৰলা হয়৷

‘ব্রাহ্মণ’ সম্বন্ধে ৰুদ্ধ ৰলেছেন, 

জস পুরে চ পচ্ছে চ মজ্‌কে চ নথি কিংচনং৷ 

অকিংচনং অনাদানং তমহং ৰুমি ব্রাহ্মণ৷৷

যে কোন আকাঙ্ক্ষার পেছনে ছুটে যাচ্ছে না যে অতীতের কোন আকাঙ্ক্ষাকে নিয়ে ব্যস্ত থাকছে না যে কোন আকাঙ্ক্ষা মনে পুষে রাখছে না, যে কারও কাছ থেকে কিছু চায় না, যে কারও কাছ থেকে কিছু নেয় না তাকেই আমি ব্রাহ্মণ ৰলি৷

ব্রাহ্মণ্য ঃ বেদ, ব্রাহ্মণ, রাজা ও গো-জাতির প্রতি শ্রদ্ধা নিয়ে পুরাণভিত্তিক যে ধর্মমত ভারতে এককালে প্রচলিত হয়েছিল তাঁকে কেউ কেউ বলতেন নবীন হিন্দুধর্ম, কেউ ৰলতেন পৌরাণিক ধর্ম, কেউ বা ৰলতেন ব্রাহ্মণ্য ধর্ম৷ (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের লঘুনিরক্ত থেকে সংগৃহীত)

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved