Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

দার্জিলিংয়ে নেপালী-গোর্খাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী দাবীকে কেন্দ্র যেন আদৌ সমর্থন না করেন

প্রভাত খাঁ

সমস্যা সংকুল পশ্চিমবাংলায়  বিভিন্ন সমস্যাগুলোর সৃষ্টি হয়েছে নানাকারণে৷ এদেশে যে শাসনব্যবস্থা চলছে সেটা মূলত যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা৷ এই শাসন ব্যবাস্থায় দেশের নিরাপত্তা যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের দ্বারা রক্ষিত হয়৷ কিন্তু দীঘকাল ধরে দেখা যাচ্ছে বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ চলে যাওয়ার পর যে যে দল কেন্দ্রে ও রাজ্যে শাসনে এসেছে তারা কিন্তু আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করেনি৷ বরং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার  দলীয় স্বার্থে সীমান্তের নিরাপত্তায় অবহেলা দেখিয়েছে৷ যার দরুণ বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় রাজ্যগুলি নানা সমস্যায় ভুগছে৷ যেটা সারা ভারতের পক্ষে চরম ক্ষতিকর৷ এই ধরণের ভয়ঙ্কর সমস্যার কবলে পশ্চিম বাংলা৷ উত্তরে হিমালয় অঞ্চলের অন্তর্গত দার্জিলিংয়ে গোর্খাদের নিয়ে সমস্যা আজ এক বিষফোঁড়ার মত এ রাজ্যকে ভোগাচ্ছে৷

একসময়ে নেপাল সহ ভারতবর্ষ ইংরেজের শাসনে ছিল৷ তখন প্রজা হিসাবে নেপাল থেকে ভারতবর্সে গোর্খারা এদেশে আসত ভাগ্যান্বেষনে৷ তারা প্রথমে বেশীর ভাগ আসে প্রতিবেশী এলাকা দার্জিলিংয়ে৷ পরে সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়ে৷ যারা ১৯৪৫ সালের আগে আসে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর তাদের নাগরিক হিসাবে স্বীকৃতি দেয় কেন্দ্রীয় সরকার৷ সঙ্গে সঙ্গে এও বলা হয় এর পর যারা ভারতে আসবে তারা এদেশে জীবিকা অর্জন করতে পারবে কিন্তু এদেশের নাগরিকত্ব পাবে না৷ কিন্তু এরপরও নেপাল থেকে যারাই এদেশে আসত তারাই স্থায়ীভাবে বসবাস করত৷ ধীরে ধীরে দেখা গেল দার্জিলিং যাদের মাতৃভূমি, মূলত সেই পাহাড়ী বাঙালী, ভুটানী, লেপচারা নিগৃহীত হচ্ছে৷ নেপালীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হচ্ছে৷ এদিকে নেপালীরা দার্জিলিংয়ে এসে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে আন্দোলন আরম্ভ করে৷ এই আন্দোলনে উৎসাহ দেয় কমিউনিষ্ট দল৷ রতনলাল ব্রাহ্মণ ছিলেন তাদের নেতা৷ বহু বছর ধরে এরা আন্দোলন করছে৷ জ্যোতি বসুর শাসনকালে পশ্চিম বাংলায় এই নেপালী গোর্খারা অধিকার পায়৷ গত ১৯৮৮ সালের ২২শে আগষ্ট সুবাস ঘিসিংয়ের নেতৃত্বে ‘দার্জিলিং গোর্খা পার্বত্য হিল কাউন্সিল’ গঠিত হয়৷ এতে উৎসাহিত হয়ে তারা বাংলা ভেঙ্গে পৃথক রাজ্য হিসেবে ‘গোর্খাল্যাণ্ড’ আদায়ে পাহাড়ে চরম হিংসাত্মক আন্দোলন শুরু করে ও এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে৷ বামফ্রণ্ট তাকে সামল দিতে সক্ষম হয়নি৷ হিল কাউন্সিলের উন্নয়নকল্পে যে টাকা দেওয়া হত সুবাস ঘিসিং সেই টাকা এক নাগাড়ে আত্মসাৎ করায় দলের মধ্যেই তিনি একঘরে হয়ে যান৷ এই সুযোগে সুবাস ঘিসিংকে সরিয়ে যুব নেতা বিমল গুরুং দলের নেতৃত্ব ছিনিয়ে নেন৷ সুবাস ঘিসিং তখন পাহাড় থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন৷৷ এই বিমল গুরুং নতুন দল তৈরী করেন, দলের নাম দেন ‘‘গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা’’৷ প্রথমে বিমল গুরুং  ‘গোর্খাল্যাণ্ডে’র দাবীতে অহিংস আন্দোলন করার কথা বলেন, কিন্তু কার্যত তিনি আবার হিংসাশ্রয়ী আন্দোলনে মেতে উঠে পাহাড়কে অশান্ত করে তোলেন৷ তাঁর স্পষ্ট দাবী---পার্বত্য কাউন্সিল নয়, চাই গোর্খাল্যাণ্ড৷ বামফ্রণ্ট শাসনের পতনের পর তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দার্জিলিংয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ২০১১ সালের ১৮ই জুলাই পিণ্টেল গ্রামে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে বিমল গুরুংকে প্রধান করে আরও বেশী ক্ষমতা দিয়ে ‘‘গোর্খাল্যাণ্ড টিউটোরিয়াল অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন’’ তৈরী করেন৷  স্মরণে রাখা দরকার এই সংস্থার আয়তন ও অধিকার তৃণমূল সরকার অনেকখানি বাড়িয়ে দেন৷ বিমল গুরুং প্রথমে কিছুদিন শান্ত থাকলেও আবার হিংসাশ্রয়ী আন্দোলন শুরু করে৷ দার্জিলিংয়ের অফিস কোর্ট, কাছারিতে অগ্ণি সংযোগ থেকে শুরু করে দার্জিলিংয়ের সমগ্র পাহাড়ী এলাকাকে চরমভাবে অশান্ত করে তোলে৷ সরকারের সঙ্গে গুরুং বাহিনীর তুমুল লড়াই শুরু হয়ে যায়৷ গুরুং নিজে গোপন আস্তানায় চলে গিয়ে জঙ্গী বাহিনীর সাহায্যে হিংসাত্মক কাজকর্ম চালাতে থাকে৷ এমনকি জঙ্গী বাহিনী গঠন করেন৷ জিটিএর ৪৫ জন মোর্চা প্রতিনিধি পদত্যাগ করেন৷ এরপর মুখ্যমন্ত্রী বিনয় তামাংকে জিটিএ-র প্রধান করে জিটিএ পুনর্গঠন করেন৷ এদিকে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তলে তলে গুরুংদের মদত দেন৷ এতে কেন্দ্র ও রাজ্যের মতান্তর হয়৷ সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনের পর বিজেপির এ রাজ্যের নির্বাচিত সদস্য সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধিতে দার্জিলিংয়ের পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে৷

বিজেপি বিমল গুরুংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে তারা কেবল নিজেদের সংকীর্ণ দলের স্বার্থের কথাই ভাবছে৷ বাংলার স্বার্থ তো দেখছেই না, এমনকি বিরাট ভারতের ঐক্য ও সংহতির কথাও ভাবছে না৷

আমরা বাঙালী দল সেই সবাস ঘিসিংয়ের সময় থেকেই বিদেশী গোর্খাদের সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনৈতিক ‘গোর্খাল্যাণ্ড’ আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে৷ বর্তমানে  যে ‘গোর্খাল্যাণ্ড টেরিটোরিয়্যাল অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন (জি.টি.এ)’ চলছে এর মধ্যে ‘গোর্খাল্যাণ্ড’ শব্দটার মধ্যেই বিচ্ছিন্নতাবাদের বীজ লুকিয়ে আছে৷ দার্জিলিং বাংলার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ৷ গোর্খারা মূলত নেপালের বাসিন্দা৷ এখানে তাদের জীবিকা অর্জনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে মাত্র, কিন্তু সেই সুযোগ পেয়ে বিদেশী গোর্খারা যেভাবে বাংলার বুকে ছুরি বসিয়ে---বাংলাকে দু’ভাগ করে বাংলার বুক থেকে দার্জিলিংকে ছিনিয়ে নিতে চায় এটা মোটেই বরদাস্ত করা যায় না৷ ভারতের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত দার্জিলিংয়ে এইভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকে মদত দেওয়া যে ভারতের নিরাপত্তার পক্ষে কত বিপজ্জনক, কশ্মীরের অভিজ্ঞতা থেকেও কি ভারত সরকারের সে চেতনা হচ্ছে না? আমরা আশা করব কেন্দ্র নিজেদের দলীয় স্বার্থের কথা না ভেবে দেশের স্বার্থে গোর্খাদের অবৈধ, অনৈতিক দাবীকে বিন্দুমাত্র আমল না দেন৷

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
জীবনের মূল মন্ত্র
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
ধন–সঞ্চয় সম্পর্কে প্রাউটের নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা
ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবী

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে
  • ভারতের ভয়ঙ্কর দশা থেকে বাঁচতে  শোষিত নাগরিকদের  ঐক্যবদ্ধ হতে হবে
  • প্রকৃত দেশপ্রেমিক ঋষি ডঃ আবদুল কালাম
  • চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ
  • বাঙালী জাতির অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
  • দুর্নীতিতে দেশ ডুবে যাচ্ছে ঃ মুক্তির উপায়?
  • ভারত কী শ্রীলঙ্কার পথে

পুরানো মাসিক খবর

  • May 2019 (129)
  • April 2019 (111)
  • March 2019 (138)
  • February 2019 (122)
  • January 2019 (101)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 8
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved