Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ঢ

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

আমরা সাপকে যত ভীষণ জীব ৰলেই মনে করি না কেন, সাপ আসলে একটি ভীরু স্বভাবের জীব৷ সে সব সময় আত্মরক্ষায় অতি তৎপর থাকে৷ কোন দিক থেকে নেউল (নকুল> নউ>নেউল বর্জিকা> বজ্জিআ> বেজি৷ ৰাংলায় নেউল ও বেঁজি দুটোই---এর প্রচলিত নাম,ইংরেজীতে (mongoose) আসছে, কোন্‌ দিক থেকে ময়ূর আসছে সেই ভয়েই সে শশব্যস্ত৷ এই ৰাঁচার তাগিদেই সে সর্বদাই রণমুখী হয়ে ফোঁসফোঁস করে৷ কিন্তু দুই একটি ক্ষেত্র ৰাদে পালাবার সুযোগ পেলে সে তেড়ে না এসে পালিয়েই যায়৷ সাপের ন্যাজে পা পড়লে সে মৃত্যুভয়ে ভীত হয়েই মানুষকে কামড়ায়৷ নির্র্মেক ত্যাগের সময় কিছুকাল চামড়া পাতলা থাকায় সে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে৷ তাই একটুতেই কামড়ায়৷ স্বভাবগতভাবে কেউটে ৰাদে অধিকাংশ সাপই পালাবার রাস্তা খোঁজে৷ কেউটের বিষ ৰেশী থাকায় তার স্বভাব একটু গরম৷ তাই তারা কিছুটা ঠাণ্ডা পরিবেশ পছন্দ করে যদিও সাপ গরম আৰহাওয়ার জীব৷ ঠাণ্ডা দেশে সাপ থাকলেও তার বিষ থাকে না৷ সূর্যাস্তের পর রেল লাইন একটু ঠাণ্ডা হয়ে যায় ৰলে সাপ রেল লাইনে গা ফেলে শুয়ে থাকে৷ গাড়ীর শব্দ পেয়ে আর সব সাপ পালায় কিন্তু গরমস্বভাব কেউটে পালায় না৷ সে ভাবে, যে শত্রুই আসুক না কেন আমি তার সঙ্গে যুঝে যাৰ৷ এর ফলে রেল লাইনে কাটা পড়ে সে সব সাপ মরে তাদের ৰেশীর ভাগই কেউটে৷

কেউটে হচ্ছে গোক্ষুরা জাতের একটি সাপ৷ গোক্ষুরা সাপ সাধারণতঃ গৃহবাসী৷ পুরোনো গৃহই এদের প্রিয় আবাসস্থল৷ ন্যাজ খসে যাওয়া ৰুড়ো গোক্ষুরাকে অনেকে বাস্তু সাপ ৰলে থাকেন৷ বাস্তুভিটায় থাকে, তাই ‘বাস্তুসাপ’৷ এই গোক্ষুরার বিভিন্ন প্রজাতি---কালী গোখরো, পদ্ম গোখরো, চক্র গোখরো, শ্বেত গোখরো, ৰুনো কেউটে, আল কেউটে প্রভৃতি৷ মনে রাখা দরকার যে কেউটেও বৃহত্তর গোক্ষুরা বর্গে অন্তর্ভুক্ত৷ ইংরেজীতে সবাই কোবরা বর্গীয়৷ এমনকি বৃহত্তম বিষধর সর্প চন্দ্রচূড়কেও ইংরেজীতে কিং কোবরা ৰলা হয়৷ এই গোখরো বা গোক্ষুরা পশ্চিম রাঢ়ে সাধারণত ‘খরিস’ নামে পরিচিত৷ সাপের এই স্বভাবের জন্যে অর্থাৎ সব সময় প্রাণরক্ষার তাগিদে শত্রু খোঁজ করার জন্যে ‘ঢুণ্ঢ্‌’+ ‘ড’ প্রত্যয় করে যে ‘ঢ’ শব্দ পাচ্ছি তার একটি মানে ‘সাপ’৷

সাপ মানুষ ও অন্যান্য অধিকাংশ জীবের জাতশত্রু৷ সাপ যেমন মানুষকে ভয় পায় মানুষও তেমনি সাপকে ভয় পায়৷ সাধারণতঃ নির্বিষ সর্পের (non-venomous) চক্র থাকে না৷ বিষধর সর্প অচক্র হয় না৷ তবে এর অল্পবিস্তর ব্যতিক্রমও আছে৷ নির্বিষ সাপের দেশজ ৰাংলায় সাধারণ নাম ‘ঢোঁড়া’৷ ঢোঁড়া সম্বন্ধে একটু পরে বলছি৷ চিতি, হেলে ও অন্যান্য সমস্ত নির্বিষ সাপই মুখ্যতঃ ঢোঁড়া প্রজাতির মধ্যে পড়ে৷ যাই হোক মানুষ বিষধর সাপকে ভয় পায়৷ 

সাপের পর্যায়বাচক নাম ঃ সর্প, আশীবিষ, ভুজগ, ভুজঙ্গম, অহি, ফণী প্রভৃতি৷ তার সঙ্গে সঙ্গে ‘ঢ’ শব্দটিও তোমরা ব্যবহার করতে পার৷                  (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের লঘুনিরক্ত থেকে সংগৃহীত)

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved