Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

এদেশে গণতন্ত্রের ত্রুটিগুলির কিছু দিক

নিরপেক্ষ

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকদের গুরুত্ব সর্বাধিক৷ কারণ গণতন্ত্রের মূল কথা জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য, জনগণের সরকার৷ কিন্তু ভারতের মতো বহুদলীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পুঁজিবাদী নিয়ন্ত্রিত সামাজিক অর্থনৈতিক কাঠামোয় গণতন্ত্র শুধু অসার বুলি ও জনগণকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেবার বাহনে পরিণত হয়েছে৷ স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও সাধারণ মানুষের  ৮০ শতাংশের মধ্যে আজও সামাজিক অর্থনৈতিক রাজনৈতিক সচেতনতা নেই৷ সেখানে গণতান্ত্রিক পথে  সরকার নির্বাচন এক প্রহসন মাত্র৷ দেশের কমপক্ষে ৫১ শতাংশ মানুষ সচেতন না হলে জনগণের সরকার কখনই প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব নয়৷ কারণ সাধারণ মানুষ ধূর্ত রাজনৈতিক নেতাদের চতুর্চালে বশীভূত হয় ভোট দেন৷ ভালোমন্দ বিচার করার ক্ষমতা তাদের নেই৷ ভারতীয় গণতন্ত্রের অন্যতম ত্রুটি নির্বাচকদের বয়স নির্ধারণ৷ ১৮ বছর  মাপকাঠিটা মোটেই গ্রহণীয় নয়৷ নাগরিকদের নাগরিক হওয়ার নূ্যনতম গুণ সামাজিক অর্থনৈতিক রাজনৈতিক সচেতনতার অবশ্যই অধিকারী হতে হবে৷  এদেশে সেটির দিকে নজর দেওয়া হয়নি৷ বহুদলীয় গণতন্ত্রটাও ঐক্য সংহতির পক্ষে খুব একটা বিজ্ঞানসম্মত নয়৷ তাই পোড় খাওয়া রাজনৈতিক নেতারা এটাকে পাল্টাতে বলে থাকেন দলহীন গণতন্ত্র৷ কিন্তু রাজনৈতিক দলের মানসিকতাই হয় মূলতঃ আত্মকেন্দ্রিক ও দলকেন্দ্রিক৷ তাই কথায় উদারতা থাকলেও বাস্তবে সংকীর্ণ দলীয় মানসিকতার মধ্যে আবদ্ধ৷ এখানে গণতন্ত্রের রীতিনীতিগুলি প্রতি পদে পদে অবহেলিত হয়৷ অনেক সময় রাজনৈতিক দলগুলির নেতাদের পরস্পরের মধ্যে সাধারণ সৌজন্যতা বোধটুকুও দেখা যায় না৷ একে অপরের শত্রুতায় পর্যবসিত হয়৷  এর প্রধান কারণ ভারতীয় গণতন্ত্র ধনতন্ত্রের বাতাবরণেই লালিত -পালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়৷ তাই সাধারণ মানুষের  সার্বিক কল্যাণের চিন্তা রাজনৈতিক দলগুলি মনে স্থান পায় না, স্পষ্ট করে বললে হয় পুঁজিপতিরা স্থান পেতে দেয় না৷ কারণ রাজৌনতিক দলগুলিকে পুঁজিপতিদের অঙ্গুলি হেলনে চলতে হয়৷ তাই পুঁজিপতিদের  ভাগ করো ও শোষন করো নীতির কবলে পড়ে ভারতীয় গণতন্ত্র গোষ্ঠীতন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ, জাত-পাত সম্প্রদায়ের সংঘাতে লিপ্ত৷

তাই অতি গরিবদেশ ভারতের গণতান্ত্রিক শাসনে বৃহত্তর দরিদ্র জনগণ আরো শোষিত ও নির্যাতিত হচ্ছে আর মুষ্টিমেয় কয়েকজন ধনী ব্যষ্টিরা দিন দিন ফুলে ফেঁপে উঠছে৷  দলগুলি যখনই যে শাসনে আসে তারা পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে পুঁজিপতিদের স্বার্থরক্ষা করতে শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে বাধ্য হয়, ছল বল কৌশলের পথ ধরে শাসন ক্ষমতাকে কাজে লাগায়৷ এখানে বিরোধীদের ভূমিকাকে কোনরকম মান্যতা দেওয়া হয় না৷ এটাই দেখা যাচ্ছে বর্ত্তমানে মূলতঃ কেন্দ্র সরকারের শাসন ও আচার আচরণে বেশী করেই প্রকাশ পাচ্ছে৷

উদ্ধত ও অহংকার আর হুঁমকী হলো তাদের শাসনের মূল চাবিকাঠি৷ গণতন্ত্রে নাগরিকগণই সুপ্রিম অর্থরিটি এদের ক্ষমতা ক্ষুন্ন করাটা যেন তাদের কাজ৷ কথায় কথায়  এরা দলীয় সংকীর্ণ স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করে সংখ্যাধিক্যের অজুহাতে বিরোধীদের অগ্রাহ্য করে৷ এই নজির পদে পদে৷ সেটি অনেক সময় মহামান্য বিচার বিভাগ পছন্দ করেন না৷ প্রবীন নাগরিকগণ অসন্তুষ্ট৷ প্রতিটি দেশের নিরাপত্তা রক্ষার দায় নাগরিকদেরই৷ শাসক এদিকে নজর দেবেন৷ নিরাপত্তা রক্ষার জন্য অভ্যন্তরীণ ও বহিঃ বিভাগের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা৷ এর জন্য সরকারকে কোন কাব্য করার দরকার হয় না নোতুন নাম দেবার৷ তবে যাঁরা এই বিভাগের অধীনে আসবেন তাঁদের জন্য নূ্যনতম বৎসর অন্ততঃ ১০ বছর করা জরুরী৷ এই পদে নিয়োগ করাটা বিধিসম্মত নয়৷ তাদের নিযুক্তরা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগবে বা শিকার হবে৷ এটি গণতন্ত্র বিরোধী বলে মনে হয়৷ এ ব্যাপারে বর্তমানের কোন দলীয় সরকারই বিশ্বাসযোগ্য নয় কারণ পরে যারা আসে দেখা যায় তারা আগের বিধান খারিজ করে এক অচলাবস্থারই সৃষ্টি করে৷ এতে কারোর উপদেশই খাটে না৷  স্বেচ্ছাচারিতারই পরিচয় দিয়ে গণতন্ত্রকে বার বার খেলো করছে জনগণের  নজরে৷ এটাই হলো অত্যন্ত দুঃখের  বিষয় এদেশের গণতন্ত্রে! আর গরিব নাগরিকগণ এই শাসনে সব দিক থেকে শোষিত হচ্ছে৷ গণতন্ত্রে দলীয় সহমতের ভিত্তিতেই গভর্নর ও রাষ্ট্রপতি  মনোনীত হওয়াটাই কাম্য---নিরপেক্ষ মহান ভারতে রাজনৈতিক দলগুলির উচিত রাজনৈতিক লড়াই! আর এই পদগুলি পূরণের সময় কখনোই উচ্চনীচ ছোট বড়ো জাতপাত উল্লেখ না করাটা মানবিক মূল্যবোধকেই মর্যাদা দেওয়া৷ গণতন্ত্রে জাতপাতকে ধীরে ধীরে  উল্লেখ না করাটাই কাম্য কারণ আজকের স্রষ্ঠার দৃষ্টিতে সকলেই তাঁর সন্তান৷ জাত পাতের ভেদাভেদ যারা মানে তারা মূলতঃ স্রষ্ঠাকেই অগ্রাহ্য করে৷ এটা গণতন্ত্রের পক্ষে এক ধরণের অসহনীয় কথা দলীয় রাজনীতি ও ধান্দাবাজির কথা৷ উন্নত মানসিকতার লক্ষণ হল গণতান্ত্রিক রীতি নীতিকে মর্যাদা দিয়ে মানুষের মধ্যে সব রকম ভেদাভেদকে দূর করে দেওয়া৷

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • August 2018 (120)
  • July 2018 (154)
  • June 2018 (112)
  • May 2018 (139)
  • April 2018 (161)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 10
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved