Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ম

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

(২৩) ‘মন ধাতুর অর্থ হ’ল মনন করা৷ ধ্যান করা, ভাবা (To think– to meditate)৷ খুৰ ৰেশী সীমিত ক্ষেত্রে সন্তুষ্ট হওয়া অর্থেও ‘মন ধাতু চলে৷ তবে তা সাধারণ নিয়মে নয়৷ প্রাচীনকালে ভাবা হত চন্দ ৰুঝি মনের সূক্ষ্ম ও স্থূল প্রভাবনগুলি নিয়ন্ত্রণ করে চলেছে৷ আর শনি নিয়ন্ত্রণ করে মনের স্বাভাবিকতা৷ শনি মনকে অতি বিক্ষিপ্ত অবস্থায় এনে ফেললে তবেই নাকি মানুষ আত্মহত্যা করে৷Sui মানে ‘আমি’, cide’ মানে হত্যা৷Suicide মানে আমি-কে হত্যা করা, ফার্সীতে ‘খুশী’৷ ‘খুদ’ মানে স্বয়ং, ‘কুশী’ মানে হত্যা, ‘খুদ্‌ কুশী’ মানে আত্মহত্যা৷

তা সে যাই হোক, সেকালে মানুষ ভাবত৷ কল্পনাপ্রবণতা, কাব্যিকতা, মননশীলতা এগুলি ৰুঝি চন্দ্রেরই অবদান৷ তাই ‘মন ধাতু+ ‘ড’ প্রত্যয় করে যে ‘ম’ শব্দ পাচ্ছি তার একটি মানে চন্দ’৷

(২৪) সুরসপ্তকের চতুর্থ ধবনি হচ্ছে ‘মধ্যম’ (ষড়জ, ঋষভ, গান্ধার, মধ্যম, পঞ্চম, ধৈবত ও নিষাদ) যাকে গায়ক-গায়কীরা গাইবার সুবিধার জন্যে ‘মা’ রূপে ধবনিত করেন৷ আসলে তার সংক্ষিপ্ত নাম ‘ম’৷ এটি কোন ধাতু থেকে আসছে না, আসছে ‘মধ্যম’ শব্দটির আদ্যক্ষর হিসেৰে৷

(২৫) ‘মল ৰলে একটি ধাতু রয়েছে যার মানে অপরিচ্ছন্ন করা...... বিদূষণ করা/গ্লানিতে ভরে দেওয়া৷ ‘মল+ ‘ক’ প্রত্যয় করে আমরা যে ‘ম’ শব্দ পাচ্ছি তার মানে অপরিচ্ছন্ন বস্তু৷ যে চরণালঙ্কার অতি সহজেই অপরিচ্ছন্ন হয়ে যায় সেই আভূষণকেও বাংলায় ‘মল’ ৰলা হয়ে থাকে৷ 

‘‘ধানের ক্ষেতে ঢেউ উঠেছে,

ৰাঁশতলাতে জল,

আয় আয় সই জল আনিগে

জল আনিগে চল

আমরা ৰাজিয়ে যাৰ মল৷৷’’

(২৬) যে কোন অপরিচ্ছন্ন বস্তু বিশেষকেও তাই ‘মল’ ৰলা হয়৷ যে বস্তুতে কোন অপরিচ্ছন্নতা নেই তাকে ৰলি ‘অমল’ (ন + মল্‌)৷ যে বস্তু আগে অপরিচ্ছন্ন ছিল, আজ অপরিচ্ছন্ন নয় তাকে ৰলি বিমল (বিগত মল ইত্যর্থে)৷ যে বস্তু কোন কালে অপরিচ্ছন্ন ছিল কি ছিলনা সে প্রশ্ণ ওঠে না, কিন্তু এখন অপরিচ্ছন্ন নয় তা নির্মল৷ এই ‘মল্‌’+ ‘ড’ করে যে ‘ম’ পাচ্ছি তার মানে হচ্ছে ‘যে কোন প্রকারের অপরিচ্ছন্ন বস্তু৷ উপরি-উক্ত ছাবিবশ প্রকারের অর্থযুক্ত ‘ম’ শব্দ হ’ল পুংলিঙ্গবাচক৷                            (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের লঘুনিরক্ত থেকে সংগৃহীত)

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved