Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ম

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

(২৮) বিশ্বের কোন সম্পদই অপরিমিত নয়৷ সব কিছুই পরিমেয়৷ সেকালের মানুষ ধনৈশ্বর্যের দেবী রূপে যাকে কল্পনা করত সেই লক্ষ্মীরও শক্তি-সামর্থ্য সীমিত....সেও সীমিতা৷ পৌরাণিক গল্পের মহালক্ষ্মী উদ্ভূতা হয়েছিল সমুদ্র মন্থনের ফলস্বরূপ....সমুদ্রোত্থিতা৷ তাই সমুদ্র থেকে উত্থিতা মহালক্ষ্মী, পারিজাত, অমৃত, ধন্বন্তরি (আদি বৈদ্য), ঐরাবত-এদের কারুরই শক্তি-সামর্থ্য অসীমিত নয়........হতে পারে না৷ সবাই সীমার ৰন্ধনে আবদ্ধ৷ তাই ‘মা’ ধাতু+ ‘ড’ করে যে ‘ম’ শব্দের একটি অর্থ মহালক্ষী বা লক্ষী৷ এই ‘ম’ শব্দটিও স্ত্রীলিঙ্গবাচক৷

২৯) ‘মা’ ধাতুর একটি অর্থ ধারণ করা৷ সব জীবেরই জননী হচ্ছেন গর্ভধারিণী৷ যিনি গর্ভে ধারণ করেছেন তিনি মা+ তৃচ্‌= মাতৃ, মানে ‘মা’ (মাতা> মাআ> মা মাতৃ> মাই-ই> মাইয়া মাতা> মাআ> মায়৷ বাংলা/হিন্দীতে ‘মা’, মগহী/ভোজপুরী/ব্রজভাষাতে ‘মাইয়া’, মৈথিলী/অঙ্গিকায় ‘মায়’৷ ‘মা’ ধাতু+ড’ করে যে ‘ম’ শব্দ পাচ্ছি তার একটি অর্থ হ’ল ‘গর্ভধারিণী জননী’৷ এই ‘ম’ শব্দটিও স্ত্রীলিঙ্গবাচক৷

(৩০) ‘মৃ’ ধাতু+ ল্যুটপ্রত্যয়ে আমরা ‘মরণ’ শব্দ পাচ্ছি৷ ‘মৃ’ ধাতু+‘ড’ প্রত্যয় করে যে ‘ম’ শব্দ পাচ্ছি তার একটি অর্থ মৃত্যু বা death.

(৩১) ‘মা’ ধাতু+ ‘অনট প্রত্যয় করে আমরা ‘মান’ শব্দ পাচ্ছি যার মানে মাপা৷ ‘মান’ মানে ষ্ট্যাণ্ডার্ডও হয়৷ ‘মান’ শব্দটি, পদমর্যাদা অর্থেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে৷ সম্যক্‌রূপ মানকে অর্থাৎ ৰেশী মানকে আমরা ‘সম্মান’ বলে থাকি৷ ‘সম্মান’-কে কেউ কেউ ভুল করে ‘সম্মান’ বলে থাকে৷ এই ভুল সংশোধন করা উচিত৷ এই অর্থে ‘মা’ ধাতু+ ‘ড’ প্রত্যয় করে যে ‘ম’ শব্দ পাচ্ছি তার মানে পরিমাপ৷ এই ‘ম’ শব্দটিও স্ত্রীলিঙ্গবাচক৷

(৩২) এই মাপ বা পরিমাপ অর্থে যে ‘ম’ শব্দটি তার একটি অর্থ তুলাদণ্ড বা মানদণ্ড বা তরাজু (শব্দটি আরবী)৷

(৩৩) ‘মদ ধাতুর অর্থ হ’ল আনন্দ পাওয়া/আনন্দ দেওয়া/সৌন্দর্য-সাধন করা/চকচক করা৷ এই ‘মদ্‌’ ধাতু+ ‘ড’ করে যে ‘ম’ শব্দটি পাচ্ছি তার একটি অর্থ ‘অন্ধকারের বুক চিরে ৰেরিয়ে আসা আলোক-রশ্মি’৷

(৩৪) ‘মদ্‌’ ধাতু থেকে আমরা মণি-মাণিক্য শব্দগুলিও পাচ্ছি যার ভাবারূঢ়ার্থ হ’ল ‘চকচকে বস্তু’, যোগারূঢ়ার্থে ‘মণিমাণিক্য’৷ এখানে মনে রাখা দরকার, ‘মণি’ মানে ‘জুয়েল’ Jewel), আর ‘মাণিক্য’’ মানে যাকে কথ্য বাংলায় চুনী ৰলা হয়, ইংরেজীতে রুৰী ruby) হয়৷

(৩৫) মণি-মাণিক্য থেকে যে দ্যুতি বিচ্ছুরিত হয় সেই দ্যুতিকেও ‘ম’ ৰলা হয়৷

(৩৬) মানুষের সব চেয়ে বড় দ্যুতি হল তার বিদ্যার দ্যুতিতার বৈদুষ্যের জেল্লা৷ তাই ‘ম’ শব্দের আর একটি অর্থ হ’ল ‘বিদ্যা’৷

(৩৭) ‘মদ্‌’ ধাতুর একটি অর্থ হ’ল সাজগোজ করা৷ সেই অর্থে ‘মদ্‌’ ‘ড’ করে যে ‘ম’ শব্দ তার মানে হ’ল ‘প্রসাধন’ বা মেকআপ৷               (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের লঘুনিরক্ত থেকে সংগৃহীত)

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved