Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

প

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

(১৪) বিবাহিত মানুষের জীবনকে একটি অখণ্ডকালাবস্থা ৰলে গণ্য করলে সেই মানুষের এক একটি বিবাহ কালকে এক একটি পক্ষ বলে গণ্য করা হয়৷ যেমন প্রথম পক্ষের স্ত্রী, দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী, তৃতীয় পক্ষের স্ত্রী৷ কথ্য বাংলায় সাধারণতঃ যে পুরুষ প্রথমবার বিয়ে করে, তাকে ৰলে ৰর বা একৰরে৷ যে দ্বিতীয়বার বিয়ে করে তাকে ৰলে দোজবরে৷ যে তৃতীয়বার বিয়ে করে তাকে ৰলে ‘তেজৰৱে’৷ যে চতুর্থবার বিয়ে করে তাকে বলে ‘চারবরে’৷ তোমরা সেই প্রাচীন কালের বহুবিবাহপ্রথাসম্প কুলীন ঘরের ছড়া জানতো ---

    ‘একৰরে সোয়ামী স্ত্রী পাতে বসে খায়

    দোজৰরে সোয়ামী স্ত্রী সাথে বসে খায়

    তেজৰরে সোয়ামীর স্ত্রী কাঁধে বসে খায়

    চারবরে সোয়ামীর স্ত্রী নাথি* (লাথি) মেরে খায়’৷

(১৫) পাতা দেখে গাছের পরিচিতি পাওয়া যায়৷ তাই ‘প + ‘ড’ করে যে ‘প’ শব্দ পাচ্ছি তার একটা মানে হ’ল পত্র (পাতা)৷

(১৬) অনেকগুলো খণ্ড খণ্ড কাল নিয়ে তৈরী হয় একটা জীবন৷ সেই এক একটি খণ্ড কালকেও ‘প’ ৰলা হয়৷ সব জীবের জীবনেই থাকে দশটা খণ্ডকাল৷ জীবভেদে, দেশভেদে এই খণ্ডকালের হ্রস্বতা বা দীর্ঘতা নিরূপিত হয়৷ যেমন গ্রীষ্মপ্রধান দেশে একজন মানুষের পক্ষে দশটি খণ্ড কালের পরিমাপ হচ্ছে ১) মাতৃগর্ভ আনুমানিক ১০ মাস৷ ২) শৈশবভূমিষ্ঠ হওয়া থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত৷ ৩) বাল্যকাল৫ থেকে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত৷ ৪) কৈশোর১৪ থেকে ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত৷ ৫) পৌগণ্ড ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত৷

‘পৌগণ্ড’ শব্দের আসছে ‘পোগণ্ড’ শব্দ থেকে৷ অপি+ গণ্ড৷ এতে ‘অপি’-র ‘পো’-তে রূপান্তরণ ঘটায় ‘পোগণ্ড’ শব্দ আসছে৷ ‘পোগণ্ড’ মানে যার গণ্ডে অর্থাৎ গালে ঠিকমত দাড়ি আসেনি অর্থাৎ তাকে পুরোপুরি ভদ্রলোক বলে ধরা যাচ্ছে না৷ ওই একই অর্থে অ + গণ্ড= ‘অপোগণ্ড’ শব্দটিও আসছে৷ তবে ‘পোগণ্ড’ শব্দটি চলে সাধারণ অর্থে আর ‘অপোগণ্ড’ শব্দটি চলে নিন্দার্থে (‘‘যত সব অপগণ্ড জুটেছে, একটা কাজও ভালভাবে করতে পারে না’)৷ ইংরেজীতে ‘পৌগণ্ড’কে ৰলা হয় ‘এ্যাডোলেসেন্স’ (adolescence)৷ পোগণ্ড মানুষকে সম্বোধন করা হয় ল্যাড (lad) বলে আর স্ত্রীলিঙ্গে ল্যাস (lass)৷ ৬) যৌবন ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়স পর্যন্ত ৭) প্রৌঢ়ত্ব ৩৯ থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত ৮) বার্দ্ধক্য ৫০ থেকে ৭২ বছর বয়স পর্যন্ত ৯) জরা ৭২ থেকে ১০০ বছর বয়স পর্যন্ত ১০) অথর্ব ১০০ বছরের বেশী বয়স্ক মানুষদের বলা হয় অথর্ব৷ কথ্য বাংলায় ‘অথৰৰ’৷ এই যে মানুষের দশ দশা এর প্রতিটি দশার জন্যেও ‘প’ শব্দ ব্যবহার করা যায়৷

(১৭) মানুষের দশ দশার এক একটি খণ্ডকালকে যেমন ‘প’ ৰলা হয় তেমনি কীট-পতঙ্গ, পক্ষী ও সরীসৃপেরা যে অণ্ড প্রসব করে সেই অণ্ডকেও ‘প’ ৰলা হয় অর্থাৎ ‘প’ শব্দের একটি অর্থ হচ্ছে ডিম৷ ডিম অর্থেও ‘প’ শব্দটি ‘পক্ষ’+ ‘ড’ প্রত্যয় করে পাচ্ছি৷

                      (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের লঘু নিরক্ত থেকে সংগৃহীত)

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved