Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

প্রগতিশীল তত্ত্ব অনুসারে কৃষি সমস্যার সমাধান করতে হবে

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

স্বাধীনতার পর ৭৩ বছর কেটে গেল৷ একটা দেশের পক্ষে সাবালোক হওয়ার জন্য ৭৩টা বছর অনেক বেশী৷ কিন্তু ভারত সামাজিক, অর্থনৈতিক রাজনৈতিক সবদিকেই এখনও নাবালোক--- হামাগুড়ি দিচ্ছে, সামাজিক ভেদ-বিদ্বেষ, অর্থনৈতিক বৈষম্য, রাজনৈতিক সংঘাত দেশকে অধঃপতনের শেষ সীমায় নিয়ে যাচ্ছে ৷ স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোন সরকারই সামাজিক শান্তি ও একতা রক্ষা করতে ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে কোন বলিষ্ঠ নীতি গ্রহণ করতে পারে নি৷ আসলে পুঁজিপতিদের অর্থেপুষ্ট রাজনৈতিক দলগুলো যে যখন ক্ষমতায় এসেছে সে তখন পুঁজিপতিদের তুষ্ট করেছে আর নিজের মতো করে  তুঘলকি শাসন চালিয়ে গেছে৷ সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ধর্ম-সাহিত্য- সংসৃকতি-ভাষানীতি কোন বিষয়েই কোন সরকারই কোন বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিতে পারে নি৷ এক কথায় সরকারের খাম খেয়ালীপনার খেসারত দিচ্ছে দেশের সাধারণ জনগণ৷

কৃষিপ্রধান দেশ ভারতবর্ষে গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নত না হলে দেশের  সার্বিক আর্থিক বিকাশ কখনই সম্ভব নয়, গ্রামীণ অর্থনীতির ভিত্তি  কর্ষককূল৷ অথচ সেই কর্ষকরাই আজ সবথেকে বেশী অবহেলিত৷ কোন সরকারই কর্ষকদের দুঃখ-দুর্দশা দুর করার চেষ্টা করেনি৷ শিল্পায়ণের দোহাই দিয়ে পুঁজিপতিদের তোষণ করে গেছে৷

সম্প্রতি সরকারের নূতন কৃষি আইনের প্রতিবাদে দেশ উত্তাল৷ তবে আইনের পক্ষে বিপক্ষে যতই আন্দোলন হোক, নূতন পুরনো কোন আইনেই কৃষি সমস্যা সমাধানের কোন বলিষ্ঠ পথ নির্দেশনা নেই৷ কৃষিসমস্যা সমাধানে কোন সরকারেই বিশেষ নজর নেই৷ সরকারের লক্ষ্য আমলা ও ধনকুবেরদের সন্তুষ্ট রেখে গদি বাঁচান৷ এই ব্যাপারে ডান-বাম-রাম সব পক্ষই একই পথের পথিক৷ দেশের মানুষকে যারা ক্ষুধার অন্ন যোগায়, পরণের বস্ত্র যোগায়, সেই কর্ষককুল সবথেকে বেশী কলুষিত রাজনীতির শিকার হয়েছে৷

বাঙলা তথা ভারতে কৃষিব্যবস্থার উন্নয়নের যথেষ্ট সুযোগ আছে৷ কিন্তু সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে কোন বলিষ্ঠ পরিকল্পনা আজ পর্যন্ত নেওয়া হয়নি৷ সরকারের নীতিহীনতা ও দুর্বলতার সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেছে মহাজন ও পুঁজিপতিরা৷ রাজনৈতিক দলগুলো কর্ষকদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে৷ ফলে মহাজনী শোষণ ও বঞ্চনার শিকার হয়ে বাঙলার কর্ষককুল দারিদ্র্যের অভিশাপ বহে বেড়াচ্ছে৷

একথা স্মরণে রাখা দরকার, গ্রামীন অর্থনীতি উন্নত না হলে দেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে না৷ গ্রামীণ অর্থনীতি সম্পূর্ণ কৃষিনির্ভর৷ কৃষিকে অবহেলা করলে বা পুঁজিপতিদের স্বার্থে কৃষিকে ব্যবহার করলে শুধু কর্ষকরাই নয়, দেশের অর্থনীতির ভিতও দুর্বল হবে৷ প্রাণীন ও অপ্রাণীন সকল সত্তার সার্বিক কল্যাণের কথা ভেবে প্রাউট প্রবক্তা কৃষি শিল্পের সমন্বয়ে এক বাস্তবমুখী বলিষ্ঠ অর্থনৈতিক পরিকল্পনার পথনির্দেশনা দিয়েছেন৷ সেই পথেই সম্ভব কৃষি সমস্যার  সার্বিক সমাধান৷

প্রগতিশীল উপযোগ তত্ত্ব অনুসারে ঔপনিবেশিক ও সাম্রাজ্যবাদী শোষণের হাত থেকে বাঙলার কর্ষককুলকে  বাঁচাতে হলে প্রথমেই কেন্দ্রীত অর্থনীতির মূলচ্ছেদ করে বিকেন্দ্রিত পথে ব্লকভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে কৃষি ও শিল্পের সমন্বয়ে গ্রামীন অর্থনীতির উন্নয়ন করতে হবে৷ কৃষিকাজ ও কৃষিব্যবস্থায় শিল্পগুলিতে সমবায় প্রথা গড়ে তুলতে হবে৷ কৃষিকে শিল্পের সমান মর্যাদা দিয়ে কৃষি ও কৃষিভিত্তিক শিল্প, কৃষি সহায়ক শিল্প সমবায় প্রথার মাধ্যমে গড়ে তুলতে হবে৷ এই  সমবায় প্রথায় পরিযায়ী তথা অস্থায়ী বাসিন্দাদের স্থান হবে না৷ হয় তাদের সেই অঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে নতুবা নিজ রাজ্যে ফিরে যেতে হবে৷ উৎপাদন বৃদ্ধির দিকে লক্ষ্যরেখে আর্থিকভাবে লাভজনক জোত economic holding) গঠন করতে হবে জমির উর্বরতা, জলবায়ু প্রভৃতি বিচার করে৷ এইভাবে প্রগতিশীল তত্বের প্রয়োগ করে বাস্তবমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে গ্রামীন অর্থনীতিকে উন্নত করতে হবে৷ পুঁজিবাদ নির্ভর  কেন্দ্রিত অর্থনৈতিক পরিকাঠামোয় নূতন পুরনো কোন আইনেই কর্ষকের দারিদ্র্য ঘুচবে না৷ তবে কোন পরিকল্পনাই বাস্তবায়িত হবে না মানুষের শুভ চেতনা না জাগলে৷ প্রগতিশীল উপযোগ তত্ত্বের প্রবক্তার কথায় ‘‘মানুষের উন্নত শুভবুদ্ধিই সকল মানবীয় সমস্যার একমাত্র সমাধান৷’’ দেশ ও দশের স্বার্থে সরকার, আন্দোলনরত কর্ষক ও রাজনৈতিক নেতাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • June 2019 (110)
  • May 2019 (129)
  • April 2019 (111)
  • March 2019 (138)
  • February 2019 (122)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 8
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved