Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সময়োচিত কিছু কথা

বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায়

পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয় আজ থেকে বহু বছর (১৮৬৫সালে)আগেই বর্ণপরিচয়, ২য়খণ্ড বইতে প্রথম পাঠের প্রথমেই কুবাক্য (কুকথা) প্রসঙ্গে লিখেছেন--- ‘‘কখনও কাহাকেও কুবাক্য কহিও না৷ কুবাক্য কহা বড় দোষ৷ যে কুবাক্য কহে কেহ তাহাকে দেখিতে পারে না৷ কুবাক্যই কুকথা৷ বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বর্ণপরিচয় পড়েননি এমন বাঙালী হয়তো হাতে গোনা পাওয়া যাবে৷ তিনি বাংলা ভাষা শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে ছোটোদের মধ্যে নীতি শিক্ষা দেবার জন্যই এই ধরনের বাক্যগুলি বর্ণপরিচয়ে লিখে গেছেন৷ অনেকে এই শিক্ষাকে হৃদয় দিয়ে গ্রহণ করেছেন, আবার কেউ কেউ কেবল পড়ার জন্যই শুধু পড়ে গেছে৷ জীবনে এই শিক্ষাকে গ্রহণ করার প্রয়োজন বোধ করে নি৷ বাঙলায় রাজনীতির দেউলিয়াপনা গভীরভাবে প্রকট হচ্ছে৷ নেতা-নেত্রীদের কুকথা বলার প্রবণতা ইদানীং খুব বেড়ে গেছে৷ আগে যে কেউ বলেননি এমন নয়, কিন্তু নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই কুকথায় একজন অপরজনকে টেক্কা দিচ্ছে৷ প্রকাশ্যে সভায় বা ক্যামেরার সামনে যেভাবে বিভিন্ন নেতা কুকথা বলছেন তা শুনে তাদের শিক্ষা দীক্ষা, রুচিবোধ সম্বন্ধে মানুষের মনে প্রশ্ণ জাগছে৷ কুকথার ফুলঝুরি ছুটিয়ে মানুষের হৃদয়ে এরা আদৌ জায়গা করে নিতে পারেন কিনা জানা যায় না, তবে নেতাজীর মত আদর্শ নেতাদের কথায়, আচরণে ও কাজে মানুষ এতটাই উদ্বুদ্ধ হয় যে তাঁদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সর্বস্ব ত্যাগ করতেও পিছপা হন না৷ দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অনুযায়ী পাঁচ বছর অন্তরই বিধানসভা বা লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়৷ এই নির্বাচনগুলিতে পেশীশক্তি ও অর্থ শক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি কুকথার ব্যবহারও ভীষণভাবে বেড়ে গেছে৷ নির্বাচনে পেশীশক্তিকে (গুণ্ডাদের) উদ্বুদ্ধ করার জন্যই নেতারা হয়তো এধরণের কথাবার্র্ত বলতে পছন্দ করেন! পুরুষদের  পাশাপাশি এখন মহিলারাও পিছিয়ে নেই৷ নেতারা এমন ধরনের কুকথা বলছেন যা বাংলার সংসৃকতি বিরোধী৷ জানা নেই এধরনের রাজনীতি কবে বন্‌ধ হবে! নীতি নিয়ে লড়াই হোক৷ মানুষ তার দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা থেকে কিভাবে মুক্ত হয়ে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে সেই দিশা দেখাক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ৷ তার জন্য নিশ্চয়ই কুকথা বলার দরকার হবে না! ১০০ শতাংশ মানুষের কর্মসংস্থান বা মানুষের ক্রয়ক্ষমতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধির ব্যাপারে কারও কোনও পরিকল্পনা নেই৷ উল্টে কুকথা ও বিদ্বেষমূলক প্রচার করে মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করছে৷ বাংলা ও বাঙালীর জ্বলন্ত সমস্যাগুলো এড়িয়ে গিয়ে ক্ষমতায় আসার  জন্য বা টিকে থাকার জন্য এসব চলছে৷ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে এমন কোনও সদর্থক আলোচনা শোনা যাচ্ছে না৷ বর্তমান নেতৃবৃন্দকে এসব বলে বিশেষ লাভ কিছু হবে বলে মনে হয় না৷ এরা স্বভাব পাল্টাবে না৷ বিদ্যাসাগরের পাঠ  হয় এরা পড়েনি, নতুবা ভুলে গেছে৷ বাঙলার মানুষের উচিত যারা কুকথা বলে বাজার গরম করতে চাইবে তাদেরকে বা সেই দলকে নির্বাচনে ভালোভাবে শিক্ষা দিয়ে দেওয়া৷ যাতে ভবিষ্যতে বাঙলার রাজনীতিতে কেউ আর কুকথা বলার সাহস না দেখায়৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • June 2019 (110)
  • May 2019 (129)
  • April 2019 (111)
  • March 2019 (138)
  • February 2019 (122)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 8
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved