Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

অর্থের বর্হীস্রোত ঘটিয়ে বাঙলাকে শোষণ করে সোনার বাঙলা গড়া কখনোই সম্ভব নয়

এইচ.এন. মাহাত

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মোদীজী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সকল ছোট বড় নেতা মন্ত্রী সান্ত্রীরা বাঙলার নির্বাচনে বলে বেড়াচ্ছেন বাঙলা জয় করলে আগামীতে সোনার বাঙলা গড়বেন৷ বাঙলাতো বরাবর ধন ধান্যে,বিদ্যা বুদ্ধিতে, জ্ঞানে বিজ্ঞানে, বৈদগ্দে মনিষায়,শৌর্যেবীর্যে বরাবর  সোনার বাঙলাই ছিলো৷ অতীতের ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের  শোষণে   বর্তমানে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের রাজনৈতিক চক্রান্তে বাঙলা ও বাঙালীর বর্তমান করুনদশা হয়েছে৷ এরা বলছে কিনা বাঙলাকে সোনার বাঙলা বানাবে৷

এদের বর্তমান চক্রান্ত হচ্ছে বাঙলায় যত ঘুচপেটিয়া আছে তাদেরকে তাড়াবেন ও নতুন করে ঘুচপেটিয়া আর ঢুকতে দেবেন না৷  এখন একটি প্রশ্ণ বাঙলাদেশে স্বাধীনতার বলি বাঙালীরা অত্যাচারিত হয়ে এপার বাঙলায় এলে তাঁরা ঘুচপেটিয়া হয়ে যাবে, অপরদিকে  পাকিস্তান থেকে অত্যাচারিত হয়ে যারা ভারতে প্রবেশ করলো তারা কেন ঘুচপেটিয়া নয়? আসল  রহস্যটা কি? আসলে বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকারের একটাই লক্ষ্য বাঙলা থাকে বাঙালীকে সংখ্যা লঘুতে পরিণত করা৷ যেমন বাঙালীস্তানের অংশ কেটে তৈরী হয়েছিল অসম রাজ্য৷ এক সময় এই অঞ্চলের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর নাম ছিলো বাঙালী৷ আজ বিজেপি পরিচালিত বাঙালী বিদ্বেষী অসম রাজ্য সরকার ও  কেন্দ্রীয় সরকার যৌথভাবে রাজশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বলপূর্বক বাঙালী জনগোষ্ঠীকে সংখ্যা লঘুতে পরিণত করে ছেড়েছে৷ তাতেও তারা থেমে থাকেনি৷ বর্তমান বিজেপি সরকার রাজশক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাঙালীকে উৎখাত করার গভীর ষড়যন্ত্র করে চলেছে৷ অসমে প্রায় ১৯ লক্ষাধিক বাঙালীকে এন.আর.সির আওতায় এনে নাগরিকত্ব হরণ করে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে নরক যন্ত্রণা ভোগ করার অপচেষ্টা করে চলেছে৷ অসমে বাঙালীদের প্রমাণ পত্র থাকার পরেও তারা নাগরিক নয়৷ তাদের মধ্যে অধিকাংশ রাজবংশী, মতুয়া বা নমশূদ্র৷ গত নির্বাচনে এই বিজেপির নেতারা অসমে প্রচার  করছেন আমরা সরকারে এলে সকল বাঙালীকে নাগরিকত্ব দেবেন৷  অথচ আমরা দেখেছি অসমের নতুন বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করলেন৷ এটাই বিজেপির চরিত্র৷

এবার আসা যাক পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাঙলা গড়ার নামে বাঙালী ভোটারদের মন জয় করতে বলছেন সরকারে এলে তাদেরকে  নাগরিকত্ব দেবেন ও নানা রকমের উন্নয়ন করবেন৷ বিশেষ করে নমশূদ্র,মতুয়া, রাজবংশী ছাড়াও বিদেশী গোর্র্খদেরকে স্থায়ী নাগরিকত্ব দেবেন৷ তাহলে আপনারাই বুঝুন কোনটা সত্যি! অসমের ডিটেনশন ক্যাম্প না বাঙলার বাঙালীদের জন্যে ভাঁওতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া৷ এর পিছনে রহস্যটা হলো বাঙালীরা বিপ্লবীর বংশধর, শোষক নয়৷ ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কখনোই একটি বা দুইটি রাজ্যের  উপর নির্ভরশীল নয়৷ আসলে পশ্চিম ভারতের বেনিয়ারা জলবায়ুর  আদ্রতার কারণে পূর্ব ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারিত করতে ভালবাসে৷ অতীতে বাঙলার ঐশ্বর্যে প্রলুব্ধ হয়ে ইংরেজরা যেমন বাঙলাতেই বানিজ্য কুঠি স্থাপন করে ছিলো তেমনি একই লক্ষ্য উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে দেশীয় শোষক বেনিয়া পুঁজিপতি গোষ্ঠীর লোকেরা সোনার বাঙলা গড়ার শ্লোগানকে সামনে রেখে বাঙলা জয় করার অজুহাতে বাঙালী জাতিসত্তাকে ধবংস করতে চাইছে৷ তার প্রমাণ হোলো তারা শুধুমাত্র ব্যবসাকে প্রতিষ্ঠা করতেই বাঙলায় আসেনি নিজের বিশ্বস্ত স্বজাতিদেরকে সঙ্গে এনে দল ভারি করেছেন৷ পরিণতিতে বাঙলায় গুজরাটের বেনিয়াদের সাম্রাজ্যবাদের শিকার হয়েছে বঙ্গের শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চল৷ বহিরাগত বেনিয়ারা প্রথমে স্থানীয় রাজনীতিতে নাক না গলালেও ধীরে ধীরে তাদের গুটি বসাতে শুরু করে৷ বর্তমান রাজনৈতিক নেতারা টাকার হাঙ্গর হওয়ার ফলে বেনিয়ার টাকার বিনিময়ে নেতাদের কিনে নেয়৷ তার ফলে বাজারে জিনিসপত্রের দাম অগ্ণিমূল্য হলেও নেতারা প্রতিবাদ করেন না৷ বহিরাগত বেনিয়ারা তাদের কাজকর্মের জন্য বাঙলার বুকে বহিরাগত কর্মীদের বেশী করে নিয়োগ করার ফলে স্থানীয় যুবকরা কর্মহীন হওয়ায় তারা কাজের তাগিদে বর্হীরাজ্যে যেতে বাধ্য হয়৷ বাঙলায় স্থানীয় শ্রমজীবীদের হয়ে কোন রাজনৈতিক নেতারা পাশে নেই বলেই বহিরাগতদের বাঙলায় এতো ভীড়৷ বিশেষজ্ঞদের অভিমত বাঙলার বিশেষ বিশেষ জায়গায় মুটে থেকে মজুতদার বহিরাগত পরিবারে সংখ্যা প্রায় ৭০ শতাংশ৷ তার ফলে বাঙলার যুবক যুবতীরা কর্মসংস্থানের তাগিদে বর্হীবাঙলায় যেতে বাধ্য হয়৷

বহিরাগতরা বাঙলা থেকেও বাংলা ভাষা সংসৃকতিকে গ্রহণ না করে উল্টে নিজেদের ভাষা ও সাংসৃকতিকে চাপিয়ে দিচ্ছে স্থানীয়দের৷ আর এই কাজে রাজনৈতিক স্বার্থে সহযোগিতা করে চলেছে স্থানীয় নেতারা৷ শুধু তাই নয়, বাঙলার মানুষ সকলকে ভালোবাসে বলেই বহিরাগতদের  নিজের মত মানিয়ে নিলেও বহিরাগতরা কোনদিনই বাঙলাকে আপন না করে এখানকার অর্থ ও সম্পদের বর্হীস্রোত ঘটিয়ে বাঙলাকে অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে দিচ্ছে৷ প্রকৃতপক্ষে বহিরাগত বেনিয়া পুঁজিপতিরাই বাঙলার শোসক ও ঘুচপেটিয়া৷ কাজেই বর্তমানে যারা সোনার বাঙলা গড়ার আকাশকুসুম কল্পনার ধারক বাহক তার আগে স্থানীয় বাংলা ভাষা, সংসৃকতি ও অর্থনৈতিক মজবুত করতে প্রথমেই অবাঙালী ঘুচপেটিয়াদের এন.আর.সির আওতায় আনুন, তাদেরকে বাঙলা থেকে বিতাড়িত করুন৷ পারবেন কী? বাঙলার কৃষ্টি সংসৃকতির সঙ্গে নিজেদের মিলিয়ে নিন৷ বাঙলা থেকে অর্থের বহিঃস্রোত না ঘটিয়ে বাঙলার সার্থের সঙ্গে নিজেদের সার্থের সঙ্গে একাত্ম করে নিন তবেই না বাঙলায় আপনারা স্থানীয় মানুষের মত মর্যাদা পাবেন৷ তা না করে যদি বাঙলার স্থানীয় মানুষ বাঙালীদেরকে ঘুচপেটিয়া অপবাদ দিয়ে বা এন.আর.সির মাধ্যমে রাষ্ট্রহীন চিহ্ণিত করে তাড়াবার চেষ্টা করেন তবে বুমেরাং হতে বাধ্য৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
জীবনের মূল মন্ত্র
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
ধন–সঞ্চয় সম্পর্কে প্রাউটের নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা
ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবী

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে
  • ভারতের ভয়ঙ্কর দশা থেকে বাঁচতে  শোষিত নাগরিকদের  ঐক্যবদ্ধ হতে হবে
  • প্রকৃত দেশপ্রেমিক ঋষি ডঃ আবদুল কালাম
  • চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ
  • বাঙালী জাতির অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
  • দুর্নীতিতে দেশ ডুবে যাচ্ছে ঃ মুক্তির উপায়?
  • ভারত কী শ্রীলঙ্কার পথে

পুরানো মাসিক খবর

  • March 2022 (79)
  • February 2022 (385)
  • January 2022 (43)
  • November 2021 (121)
  • September 2021 (189)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 2
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved