আবার এন.ডি. এ. ক্ষমতায়
আবার এন.ডি.এ জোট বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় এল৷ লোকসভায় ৫৪২টি আসনের মধ্যে এন.ডি.এ পেল ৩৫৩ টি আসন, ইয়ূপিএ ৯২টি ও অন্যান্যরা ৯৭টি আসন৷ এর মধ্যে---
বিজেপি ৩০৩
কংগ্রেস ৫২
ডি এম কে ২৩
আবার এন.ডি.এ জোট বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় এল৷ লোকসভায় ৫৪২টি আসনের মধ্যে এন.ডি.এ পেল ৩৫৩ টি আসন, ইয়ূপিএ ৯২টি ও অন্যান্যরা ৯৭টি আসন৷ এর মধ্যে---
বিজেপি ৩০৩
কংগ্রেস ৫২
ডি এম কে ২৩
গত ২৪,২৫,২৬ শে জুন আনন্দনগরে আনন্দমার্গের ধর্মমহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হল৷ আনন্দমার্গের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজীর ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উৎসব পালন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই ধর্মসম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গ ঝাড়খণ্ড, বিহার, অসম, ত্রিপুরা ও ওড়িশা রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে, তাছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ও বহির্ভারতেরও বিভিন্ন দেশ থেকে আনন্দমার্গীরা যোগদান করেছিলেন৷
৩০শে মে (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যে সাতটায় রাষ্ট্রপতি ভবন প্রাঙ্গণে দেশ বিদেশের প্রায় ৮ হাজার অতিথির উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নরেন্দ্র মোদি৷ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ নরেন্দ্র মোদি সহ ৫৮ জন মন্ত্রিকে শপথ বাক্য পাঠ করান৷ প্রধানমন্ত্রী মোদির পরে আরও যাঁরা শপথ গ্রহণ করেন তাঁদের মধ্যে আছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, নীতিন গড়গড়ি, রাজনাথ সিং, প্রাক্তন বিদেশ সচিব এস. জয়শঙ্কর প্রমুখ৷ পশ্চিমবাঙলার বাবুল সুপ্রিয় ও দেবশ্রী চউধুরীও এদিন মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন৷
৪৬-এর দাঙ্গা, আজও দগদগে ঘা বাঙালীর বুকে৷ মাতৃভূমির বুকচিরে স্বাধীনতা---তাতেও কি পেল বাঙালী?
রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্যোপাধ্যায় গত ২৭শে মে ফেসবুক পেজে ‘ছাত্র শিক্ষক’ -এর যাঁরা শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, কীভাবে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় উৎকর্ষ আনা যায়, সে ব্যাপারে পরামর্শ চেয়েছেন৷
ভারতের লোকসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে ১৯শে মে আর গণনা হয় ২৩শে মে৷ ২৪শে মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হয়৷ এই ফলাফলে এন.ডি.এ জোট পেয়েছে ৩৫৩টি আসন৷ ৩০৩টি আসন পেয়ে বিজেপি দল এককভাবে সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করে ভারতের শাসন ক্ষমতার অধিকার লাভ করেছে৷ অপরদিকে ইউ.পি.এ. ৯২টি আসন পেয়েছে৷ কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছে ৫২টি আসন, বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে গেলে এক দশমাংশ অর্থাৎ ৫৪টি আসনের প্রয়োজন ছিল৷ সেটা হয়নি৷ তাই কংগ্রেস আপন শক্তিবলে বিরোধী দলের মর্যাদা পাচ্ছে না ও অন্যান্য দলের মোট আসন ৯৭ টি৷
আনন্দমার্গের প্রতিষ্ঠাতা ধর্মগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী পিতৃপ্রদত্ত নাম শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার৷ পিতার নাম শ্রীলক্ষ্মীনারায়ণ সরকার ও মাতার নাম শ্রীমতী আভারাণী সরকার৷ ১৯২১ সালের বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে সকাল ৬টা ৭মিনিটে বিহারের মুঙ্গের জেলার অন্তর্গত জামালপুর শহরে শ্রীপ্রভাতরঞ্জন জন্মগ্রহণ করেন৷ অবশ্য তাঁর পৈত্রিক বাসভূমি ছিল বর্ধমান জেলার বামুনপাড়া গ্রামে৷ বর্ধমান শহর থেকে মাইল সাতেক দক্ষিণ–পূর্বে ও বর্ধমান–হাওড়া রেলপথের শক্তিগড় রেলষ্টেশনের মাইল তিনেক পশ্চিমে এই বামুনপাড়া গ্রাম৷ শ্রীপ্রভাতরঞ্জনের পিতৃদেব শ্রীলক্ষ্মীনারায়ণ সরকার জামালপুর রেলওয়ে ওয়ার্কশপে অ্যাকাউণ্ঢ্যান্ট হিসেবে চাকুরিতে যোগদান
২০১৪ খ্রিষ্টাব্দ ষোড়শ লোকসভা ভোটের আগে নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি মঠ-মন্দিরে প্রণাম করে ভোটার লড়াইয়ে নেমেছিলেন৷ জয়ী হয়ে সংসদের সিঁড়িতে মাথা ঠুকে সংসদে প্রবেশ করেছিলেন পাঁচ বছরের জন্য দেওয়া প্রতিশ্রুতির বোঝা মাথায় নিয়ে৷ সেই প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি দেখলেন চারিদিকে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠেছে!
বর্তমান যুগটা হ’ল হাইটেক যুগ এই হাইটেক যুগেও আমাদের সমাজ সংসার আজ হাজারো সমস্যার মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। ব্যষ্টি তথা সমষ্টি জীবন সর্বত্রই চলছে চরম অরাজকতা–চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। এক ভয়ঙ্কর জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই আমরা এগিয়ে চলছি ধীরে ধীরে হয়তো ধংসেরই দিকে....
আমার সকল জ্বালা জুড়ায়ে দাও
কাছে আমার এসে,
মধুর ভাবে এসো তুমি আমায় ভলোবেসে৷
সবাই বলে তুমি দুঃখ হরা৷
তোমার ছোঁয়ায় সবার হূদয় ভরা,
(তবে) আমি কেন কাঁদি একা বসে৷
সারা জীবন মিছে মায়ায় রয়ে,
মিছে খেলা খেলছি জীবন বেয়ে,
তোমার চরণ ছাড়া হয়ে, আছি কত ক্লেশে৷৷
আমার খেলার শেষে জানি নাকো
যাবো সে কোন দেশে,
তখন তুমি আমায় কোলে নিয়ে,
তোমার কৃপা পরশ দিয়ে
রেখো আমায় জড়ায়ে বক্ষ দেশে৷৷
নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।
সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত
Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved