Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না

তপোময় বিশ্বাস

 আমরা সকলেই অবহিত আছি যে বর্তমানে সমস্ত সংবাদ মাধ্যম, সমাজ মাধ্যম, মাঠে ময়দানে রাজনৈতিক সভা সমিতি এস আই আর SIR—Special Intensive Revision)বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন সম্পর্কিত আলোচনা, তর্ক বিতর্কে সরগরম৷ সংবিধানের ৩২৬ ধারা অনুসারে ভারতের নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় বিভিন্ন রাজ্যের বোটার (ভোটার ) তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলছে৷ ইতোমধ্যেই বিহার রাজ্যে এস আই আর সম্পন্ন হয়েছে ও পশ্চিমবঙ্গে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ 

আমরা আরও অবগত আছি যে স্বাধীনতার পর ভারতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৫১--৫২ সালে৷ তারপর প্রতি নির্বাচনের পূর্বে বোটার তালিকার সংশোধন অর্থাৎ মৃতদের নাম বর্জন, নতুন নির্বাচকগণের নাম সংযোজন ও স্থানান্তরিতদের নাম একস্থানে বিয়োগ তথা অন্যস্থানে যোগ--এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া৷ কিন্তু অন্যান্য বারের সংশোধন প্রক্রিয়া থেকে এবারের সংশোধন প্রক্রিয়ার মূল পার্থক্য হচ্ছে ’বিশেষ নিবিড় সংশোধন ’- এই নামকরণের জন্যে৷ তবে কি এই ’এস আই আর ’ এর ক্ষেত্রে কোন বিশেষ উদ্দেশ্য নিহিত আছে?--এই প্রশ্ণটাই বর্তমানে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসী তথা রাজনীতি সচেতন নাগরিকদের মনে ঘোরাফেরা করে চলেছে৷ কারণ এই সংশোধনের জন্যে বিশেষ কয়েকটি তথ্য/নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক৷ শুধু তাই নয়, এই তথ্যগুলি না দিতে পারলে বোটার তালিকায় নাম উঠবে না,ভোটাধিকার বাতিল হয়ে যাবে ও নাগরিক অধিকার তথা সুবিধাগুলো থেকে বঞ্চিত হয়ে বহুবিধ নির‌্যাতনের শিকার হতে হবে৷ আর এই ভয় থেকেই ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকজন আত্মহত্যা করেছেন ও আত্মহননের চেষ্টাও করেছেন৷ এছাড়াও বিভিন্ন বিভাজন সৃষ্টিকারী ও সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন রাজনৈতিক দলগুলি নিজ নিজ স্বার্থসিদ্ধির জন্যে এই এস আই আর-এর মাধ্যমেই কয়েক কোটি বিদেশী চিহ্ণিত করে বিতাড়িত কিংবা ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দী করার আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন৷ এরফলে বহু সাধারণ মানুষ মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন৷

এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মূল কারণ খুঁজতে হলে আমাদের বেশ কিছুটা পিছিয়ে যেতে হবে৷ লক্ষ লক্ষ বাঙালী বিপ্লবীদের আত্মত্যাগ, মুখোমুখি লড়াই ও দেশমাতৃকার মুক্তির জন্যে হাজার হাজার বাঙালীর জীবন বিসর্জনের বিনিময়ে ১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগস্ট ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শাসকের দুরভিসন্ধিতে স্বাধীনতার পরিবর্তে ভারতবর্ষকে দ্বিজাতিতত্বের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়৷ দেশভাগের পরিণামে অখণ্ড বাঙলা ও পঞ্জাব বিভাজিত হয়৷ পঞ্জাবী উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে দিল্লীর কেন্দ্রীয় সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, বাঙালী উদ্বাস্তুদের ক্ষেত্রে তেমন কিছুই করেন নি৷ সেই সময়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সরকার যেটুকু ব্যবস্থা নিয়েছিলেন তা ছিল প্রয়োজনের তুলনায় নিতান্তই নগণ্য৷ ফলস্বরূপ লক্ষ লক্ষ বাঙালী উদ্বাস্তুদের কিছু অংশ ঠাঁই পেলেন সরকারী উদ্বাস্তু শিবিরগুলিতে, বাকিরা পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বনে জঙ্গলে, রেললাইনের ধারে নিজেদের অস্তিত্বটুকু টিকিয়ে রাখার চেষ্টাতে দিনাতিপাত করতে থাকলেন৷ পরবর্তীকালেও বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন সময়ে পূর্ব বঙ্গ/পূর্ব পাকিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে নির‌্যাতিত নিপীড়িত হয়ে শুধুমাত্র জীবন ও মান-সম্ভ্রম রক্ষার তাগিদে সহায় সম্বলহীন অবস্থাতে বহু মানুষ পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতে প্রবেশ করেছেন৷ এইসব অসহায় মানুষের কাছে না ছিল কোন বৈধ কাগজপত্র, না ছিল কোনও সরকারি নথি৷কিছু সংখ্যক সৌভাগ্যবানেরা যদিও সরকারী কাগজপত্র হাতে পেয়েছিলেন----- কিন্তু সময়ের ব্যবধানে দুর্ভাগ্যের সঙ্গে লড়াই করতে করতেই সেসব হারিয়ে ফেলেছেন বা নষ্ট হয়ে গেছে৷ তাই বর্তমানের এই এস আই আর এর জন্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেওয়ার মত অবস্থায় তাঁরা নেই৷ যদিও সেই সময় সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, যেকোন সময়ে তাঁরা এই দেশে এলে তাঁদের সাদরে বরণ করা হবে৷কিন্তু এই মর্মে কোন সরকারী বিজ্ঞপ্তি বা আইনি বৈধতা না থাকার ফলে তাঁরা স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্কগ্রস্ত৷বর্তমান এস আই আর-এর আবহে এই মানুষেরাই হবেন চরম ক্ষতিগ্রস্ত৷ 

‘আমরা বাঙালী’ দল মনে করে তথাকথিত এস আই আর S I R) যেভাবে ও যে রূপে প্রয়োগ করার ব্যবস্থা হয়েছে তার মূল লক্ষ্য বাঙালী জনগোষ্ঠী৷ কারণ, একমাত্র বাঙালী উদ্বাস্তুরাই দেশভাগের শিকার হয়ে ভারতে বিপুল সংখ্যায প্রবেশ করেছেন৷এইS I Rএর মাধ্যমেই তাদের চিহ্ণিত করে অনুপ্রবেশকারী বিদেশী বা অনাগরিক তকমা দিয়ে দেশ থেকে বিতাড়ন অথবা নাগরিকত্ব হরণের একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হবে৷ এই পদ্ধতিতে ঘুরপথে এন আর সি-র পরোক্ষ প্রয়োগ ত্বরান্বিত করা যাবে৷ বর্তমান এস আই আর ও এন আর সি বস্তুতপক্ষে একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ৷ আর এরফলে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বাঙালী জনগোষ্ঠী৷ আরেকবার বাঙালীরা নিজভূমে পরবাসীতে পর্যবসিত হয়ে ছিন্নমূল ভাসমান জনগোষ্ঠীতে পরিণত হবেন৷ সুতরাং এই ধরনের অমানবিক বাঙালী বিদ্বেষী প্রক্রিয়াকে বাংলা ও বাঙালীর স্বার্থে সমর্পিত রাজনৈতিক দল হিসেবে ’আমরা বাঙালী ’ সমর্থন করে না--- করতে পারে না৷

ভারতের স্বাধীনতার সময় দেশভাগের তথা বাঙলা ভাগের সিদ্ধান্ত বাঙালীদের মতামতের ভিত্তিতে গৃহীত হয় নি ----এটি ছিল সম্পূর্ণতঃ ব্রিটিশ প্রশাসন ও ক্ষমতালোভী অবাঙালী নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্ত,যার বলি হয়েছিলেন কয়েক কোটি বাঙালী৷ সুভাষচন্দ্র বসু ও অন্যান্য বাঙালী নেতৃবৃন্দ সর্বদাই অখণ্ড ভারতের পূর্ণ স্বরাজের পক্ষপাতী ও সমর্থক ছিলেন৷স্বাধীনতার পর বিভিন্ন রাজ্য পুনর্ঘটনের নামে বাঙলার উর্বর কৃষি জমি ও খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ ভূমি কেটে অন্যান্য অবাঙালী পার্শবর্তী রাজ্যগুলিকে ভেট দেওয়া হল আর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জন্য পড়ে থাকল ছিবডেটুকু৷বাঙালী জাতির ঐক্য বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ভাষা-উপভাষা, জনজাতি-উপজাতি,পাহাড়ী-সমতল, ধর্মমত-সম্প্রদায়গত বিভেদ ভাবনা উসকে দেওয়া হয়েছিল৷ সর্র্বেপরি ভারতের অর্থনীতি ও রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করে অবাঙালী পুঁজিপতি- শিল্পপতি গোষ্ঠী৷ তাদেরই অঙ্গুলিনির্দেশে শিক্ষা দীক্ষা, জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নত সচেতন বাঙালী জাতিকে ধবংস করার উদ্দেশ্যে বিবিধ ষড়যন্ত্রের নীলনকসা রচিত হয়েছে৷ এছাড়াও বাঙালীর জাতিসত্তা ও সংস্কৃতিকে নষ্ট করার লক্ষ্যে বাঙালী সংস্কৃতির জগতে অবাঙালী অসংস্কৃতির সূচিকাভরণ করে বাঙালীজাতির মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেওয়ার ধারাবাহিক চক্রান্ত চলছে৷

এস আই আর---এস আই আর এর পাশাপাশি আর একটি প্রক্রিয়া চলছে তার নাম সিএএ CAA) বা ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, ২০১৯ Citizenship Amendment Act ,2019 ) যার দ্বারা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আগত হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, পার্সী ও খ্রীষ্টানদের বিশেষ কতকগুলি শর্তে নাগরিকত্ব প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে৷ কিন্তু এই আইনে আবেদনকারীকে প্রথমেই স্বীকার করতে হবে যে তিনি একজন বেআইনী অনুপ্রবেশকারী৷ পরবর্তীকালে যদি ওই আবেদনকারীকে নাগরিকত্ব না দেওয়া হয় তবে তিনি নিজের ঘোষণার দ্বারাই অনুপ্রবেশকারী বেনাগরিক হিসেবে চিহ্ণিত হয়ে যাবেন৷ মজার ব্যাপার এই যে, বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাদের নাম বৈধ বোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে ইতোপূর্বে তাদের দ্বারাই নির্বাচিত বিধায়ক ও সাংসদগণ কিভাবে বৈধ থাকবেন?এই ধরনের দ্বিচারিতাকেও ’আমরা বাঙালী’ দল সমর্থন করে না৷ 

কেন্দ্রের হিন্দী সাম্রাজ্যবাদী শাসকের পক্ষ থেকে অনুপ্রবেশের জন্য দেশীয় অর্থনীতিতে কুপ্রভাবের বিষয়ে প্রচার করা হচ্ছে৷ বাস্তবিকপক্ষে তথাকথিত অনুপ্রবেশের ফলে দেশের অর্থনীতির যে ক্ষতি হয় তার চেয়েও অনেক বেশি ক্ষতিকর পুঁজিপতিদের মুনাফা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে রচিত শোষণ নীতি৷ ‘আমরা বাঙালী’ র মতে প্রাউটের (প্রগতিশীল উপযোগ তত্ত্ব) বিকেন্দ্রিত অর্থনীতির ব্লক ভিত্তিক পরিকল্পনার ’ সার্থক প্রয়োগের দ্বারা এই পুঁজিবাদী শোষণ যন্ত্রকে স্তব্ধ করে দিয়ে ’স্বয়ংসম্পূর্ণ সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চল ’ ঘটন করে নীতিবাদী নেতৃবৃন্দের পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিজ, খনিজ, বনজ, জলজ, মানব সম্পদের সর্বাধিক উপযোগ করতে পারলে বর্তমান জনসংখ্যার অনেকগুণ বেশী মানুষের জীবন জীবিকার সংস্থান ও ভরণপোষণ করা সম্ভব৷ এতদব্যতীত বাংলা ও বাঙালী জাতির সার্বিক উন্নয়ন ও মঙ্গলের জন্যে ভারতীয় সংবিধানের ৩ নম্বর ধারা অনুসারে সমস্ত বাঙালী অধ্যুষিত অঞ্চল সংযুক্ত করে ‘বাঙালীস্তান’ ঘটনের দাবী ‘আমরা বাঙালী’ সংঘটন দীর্ঘ দিন ধরেই জানিয়ে আসছে৷ 

‘আমরা বাঙালী’র মতে এই তথাকথিত এস আই আর, সিএএ ইত্যাদি হলো সমাজে বিভাজন সৃষ্টিকারী প্রক্রিয়া,বিশেষতঃ বাঙালী জনগোষ্ঠীর অস্তিত্বের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত চক্রান্তের অঙ্গ৷ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু, স্বামী বিবেকানন্দ, জগদীশ চন্দ্র বসু, মহান দার্শনিক শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার প্রমুখ মনীষীগণের উপস্থিতিধন্য বাঙালী জনগোষ্ঠী পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ জনগোষ্ঠী৷আর বাঙালীর মাতৃভাষা বাংলা পৃথিবীর মধুরতম ভাষা হিসেবে স্বীকৃত৷ এই বাংলা ভাষাতেই রচিত গ্রন্থের জন্য এশিয়া মহাদেশে প্রথম সাহিত্যের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি৷ ভারতের জাতীয় সঙ্গীত বাংলা ভাষাতেই রচিত৷ মূলতঃ বাঙালীর রক্তের বিনিময়েই প্রাপ্ত ভারতের স্বাধীনতা৷সেই বাঙালী জাতি ও বাঙালীর মাতৃভাষা বাংলার সম্মান রক্ষায় ’আমরা বাঙালী’ সর্বদাই সমস্ত রকম ত্যাগের জন্যেই প্রস্তুত৷ তাই সমগ্র বাঙালী জনগোষ্ঠীর সকল সদস্য সদস্যার প্রতি আমাদের আবেদন ও আহ্বান---আসুন, আমরা সবাই শুধুমাত্র বাঙালী পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের দ্বারা বাংলা ও বাঙালী বিরোধী অশুভ শক্তিগুলিকে পরাভূত করে বাঙালী জাতির বিজয় সুনিশ্চিত করি৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
আরও

সম্পাদকীয়

বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই
স্থানীয় জনসাধারণের সার্বিক কর্মসংস্থান

প্রবন্ধ শিরোনাম

গোরাচাঁদ ও একতারা
নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না
কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা
গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার এস.আই.আর প্রক্রিয়া ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের আগ্রাসনের হাতিয়ার
প্রথম দেখা
এবার মুখোশ খুলে বাঙালী বিদ্বেষের - স্বরূপ প্রকাশ করলো অসম সরকার
নিত্যদিনের সমস্যা, সমাধানও অসম্ভব নয়-- অথচ প্রশাসনের গা ছাড়া ভাব
আমার বাঙলা

পুরানো মাসিক খবর

  • September 2021 (189)
  • August 2021 (158)
  • July 2021 (46)
  • May 2021 (125)
  • April 2021 (116)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 3
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved