Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

পরমপুরুষ-সবকিছুর-প্রাণকেন্দ্র

শ্রী শ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী

কেউ কেউ পরমপুরুষকে চিতিশক্তি বলে অভিহিত করেন কিন্তু বাস্তবে পরমপুরুষ হলেন তার অতিরিক্ত কিছু। দর্শণের বড় বড় পন্ডিতেরা বলে থাকেন যে পরমপুরুষ হলেন জ্ঞাতৃসত্তা ও পরমাপ্রকৃভি হলেন ক্রিয়াশক্তি। তোমরা জানো যে ক্রিয়াশক্তি হ’ল একটা অন্ধাশক্তি মাত্র, এর পেছনে চৈতন্যশক্তির সমর্থন থাকতেই হবে। যখন পরমাপ্রকৃতি কাজ করা শুরু করেন, ক্রিয়াশক্তি যখন কোন কিছু সৃষ্টি করেন বা পালন করেন বা ধংস  করেন, সৃষ্টি-স্থিতি-ধ্বংসমূলক তিনি যা কিছু করেন বা তাঁর যা কিছু বাস্তব ক্রীয়াশীলভা তার সবই কিন্তু ভূমা চৈতন্যের অনুমতিসাপেক্ষ।

সত্যিকথা,  বলতে কী, পরমপুরুষ প্রত্যক্ষভাবে নিজে কিছুই করেন না। তিনি তাঁর সব কাজই প্রাকৃত গুনত্রয়ের দ্বারা করিয়ে নেন।  যদি দর্শণে বলা হয়ে থাকে যে  পরমপুরুষ অকর্তা কিন্তু এই অকর্তা মানে এই নয় যে তিনি কিছুই করছেন না। বাস্তবে পরোক্ষভাবে তিনি সব কিছুই করিয়ে নিচ্ছেন।  তাঁরই ইচ্ছায় পরমা প্রকৃতি সবকিছুই করে চলেছেন। তাই আমরা এ কথা বলতে পারিনা যে পরমপুরুষ হলেন কেবল জ্ঞাতৃ-শক্তি, তিনি কেবলমাত্র সাক্ষীসত্তা। --- না,  তিনি তাঁর চেয়েও অনেক বেশী।

বস্তুতঃ তিনি সব কিছুকে সৃষ্টি করেন, তিনি সব কিছু পালন করেন  ও  যথাকালে সৃষ্ট সব কিছুকে নিজের বিড়াট দেহে সংহার করে নে্‌ন, অবশ্য পরমা প্রকৃতির সাহার্য নিয়ে। পরমাপ্রকৃতি স্বেচ্ছায় কোন কিছু করতে পারেন না। তাই মুনি ঋষিরা বলে থাকেন যে এই পরমপুরুষই জীবের একমাত্র পুজনীয় , একমাত্র ধ্যেয়—মানব জীবনের ঢরমও পরমলক্ষ্য। মানব জীবনের বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে এই পরম সত্তাকে জীবনের পরম তথা চরম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহন করতে হবে। তাই জাগতিক বা অতি জাগতিক কোনো কিছু করতে গিয়ে মানুষকে সেই জাগতিক বা অভিজাগতিক  সত্তাগুলোর ওপর ব্রহ্মভাবের অধ্যারোপ করতে হবে।

যদি পরমপুরুষ ব্যতিরেক অন্য কোনো বস্তুকে, অন্য কোনো তত্ত্বকে প্রমাদবশতঃ আলম্বন  হিসেবে মেনে নেওয়া হয় তাহলে কি হবে? সেক্ষেত্রে সমগ্রমানব সত্তাই ঋণাত্মক প্রতিসঞ্চারের পথে স্থুলত্বে পর্যবসিত হবে ও সার্বভৌমিক মানবপ্রগতি অনিবার্যভাবে রুদ্ধ হবে। তাই মাবসত্তার সার্বভৌমিক কল্যাণের জন্যেই এটা মেনে নিতেই হবে।

যে আমাদের অস্তিত্বের প্রারম্ভিক বিন্দু হলেন যেমন পরমপুরুষ তেমনি আমাদের সকল গতির চরমতম বিন্দু হলেন এই পরমপুরুষই। মানবের যাত্রাপথের তিনি হলেন প্রাথমিক বিন্দু আবার তিনি হলেন অন্তিম লক্ষ্য। পরমপুরষ ব্যতিরেকে আমাদের অস্তিত্ব সর্বাংশে নিরর্থক। অর্থাৎ তিনি আছেন, ভাই আমিআছি ---এই যে একটা ধারনা এটাই নিহিত রয়েছে সংস্কৃত মূল ধাতু ‘কৃষ’-এর মধ্যে। তাই যে সত্তার অস্তিত্বের ওপর সমস্ত বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের অস্তিত্ব নির্ভর করছে সেই সত্বাই হলেন কৃষ্ণ। তাই কৃষ্ণ হলেন আমাদের অস্তিত্বের প্রারম্ভিক বিন্দু তথা শেষ বিন্দু। আমরা যেন কখনও এই চরম সত্যকে ভুলে না যাই।            

–(এরণাকুলাম,১৪ইজুলা্ই ‌১৯৭৯)

 

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
জীবনের মূল মন্ত্র
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
ধন–সঞ্চয় সম্পর্কে প্রাউটের নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা
ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবী

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে
  • ভারতের ভয়ঙ্কর দশা থেকে বাঁচতে  শোষিত নাগরিকদের  ঐক্যবদ্ধ হতে হবে
  • প্রকৃত দেশপ্রেমিক ঋষি ডঃ আবদুল কালাম
  • চেরাপুঞ্জীর থেকে একখানা মেঘ
  • বাঙালী জাতির অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
  • দুর্নীতিতে দেশ ডুবে যাচ্ছে ঃ মুক্তির উপায়?
  • ভারত কী শ্রীলঙ্কার পথে

পুরানো মাসিক খবর

  • March 2022 (79)
  • February 2022 (385)
  • January 2022 (43)
  • November 2021 (121)
  • September 2021 (189)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 2
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved