রাজনীতি আমার ব্যবসাও নয়, পেশাও নয়৷ আমি ইতিহাসের এক সাধারন ছাত্র মাত্র৷ ভারতবর্ষের যে ভয়াবহ চিত্র আমার চোখের সামনে ভেসে আসছে মুখ ফুটে তা’ প্রকাশ করা আমার কর্তব্য বলে মনে করছি, যাতে ভবিষ্যতের ঐতিহাসিকরা আমাকে দোষ না দেন৷ যারা দেশ নেতা এ ব্যাপারে তাদের দায়িত্ব সর্বাধিক৷ তারা দেশকে ডোবাতেও পারেন বাঁচাতেও পারেন, মুখে যাই বলা হোক না কেন, আসলে সরকারি বা বেসরকারি, রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক সকল সংস্থারই নীতি নির্ধারণ করে থাকেন মুষ্টিমেয় দু’চার জন৷ তারাই সেই সংস্কার নেতা৷ বর্তমানে যারা নেতা তাদের তাই ভারতবর্ষকে বাঁচাবার জন্য, অবিলম্বে একটা বলিষ্ঠ নীতি প্রণয়ন করতে হবে৷ এ ব্যাপারে কোন তালবাহানা বা কোন কথার মার প্যাঁচের ফল দেশের স্বার্থের পক্ষে অত্যন্ত মারাত্মক হবে৷’
--- শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার
বইটিও উপরোক্ত কথাগুলি লেখক আজ থেকে ৬৫ বছর আগে লিখে ছিলেন প্রাউট প্রবক্তা শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার৷ তাঁ দিব্যদৃষ্টিতে দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সেদিনই দেখে নিয়েছিলেন৷ রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি তারই সতর্কবার্র্ত এই বইটি৷ কিন্তু সংকীর্ণ ও ক্ষমতার লোভী রাজনৈতিক নেতারা হয় এই বইটির প্রতি দৃষ্টিপাত করেননি অথবা পড়েও উপেক্ষা করে গেছেন৷ যাই করে থাকুন সেটা ইচ্ছাকৃতভাবেই করেছেন৷ কারণ এই বইটি পড়ার পর রাজনৈতিক নেতারা লেখকের নির্দিষ্ট পথে চললে দেশ থেকে পুঁজিবাদী শোষণের বিলোপ অবশ্যম্ভাবী৷ সেই সঙ্গে বিকেন্দ্রিত আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সর্বশ্রেণীর মানুষের দৈহিক মানসিক ও আত্মিক বিকাশ ঘটতো৷ কিন্তু পুঁজিবাদের উচ্ছিষ্ট ভোগী রাজনৈতিক নেতারা আজও পুঁজিবাদীদের শোষণ করে দেশকে ডুবিয়ে দিচ্ছে৷ যারা সৎ নীতিবাদী ও শুভ চিন্তায় রত থাকেন দেশ ও দশের কল্যাণের জন্য তাদের উচিত অবিলম্বে বইটি সংগ্রহ করে পড়া৷
- Log in to post comments