জন্মভূমিকে রক্তাক্ত করে সেই উপমহাদেশ ভারতবর্ষকে যারা ভাগ করে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিকে শাসন ক্ষমতা হাতে নেয় সেই কংগ্রেস দলটি কেমন দেশের রক্ষাকর্তা? এটা বার বার আজ প্রবীনগণ চিন্তা করছেন! শুধু তাই নয় সেই দলতন্ত্রী শাসকগণ কি কারণে সংবিধানের নাগরিকত্ব লাভের যে ভিত্তি বৎসর ঘোষণা করা হয় সেটিকে সেই ২১ বছরকে কমিয়ে বার বার ১৮বছর ও ১৬-১৭ করা হয় সেই দলতন্ত্র সরকার গুলির দ্বারা তার সদুত্তর দিতে পারেন কি? যে কাজটি সেই গণপরিষদের! সেই গণপরিষদই বা গেল কোথায়? আর একটি বড়ো কঠিন প্রশ্ণ বর্তমানে প্রকৃতিরই এই দেশের উপর এতো রোষ কেন বিশেষ করে হিমালয়ের পাহাড় অঞ্চলে? আর একটি প্রশ্ণ বিশেষ করে পশ্চিম বাংলায় শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষাকর্মী ও শিক্ষক নিয়োগে এত দুর্নীতির প্রশ্ণ কেন? সেখানে মহামান্য আদালত যোগ্য ও অযোগ্য প্রশ্ণই বা তুললেন কেন? নিশ্চয় মহামান্য আদালত ত্রুটি দেখেছেন! যোগ্যদেরই বা কেন পরীক্ষা দিতে হচ্ছে ন্যায় ও সত্য কি সেখানেও নেই৷ তাই মোদ্দা কথা হচ্ছে একটি বিরাট দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায় কি সত্যই গণতন্ত্র আছে? না এটা হলো সেই দলতন্ত্রের স্বেচ্ছাচারী শাসনেরই এক ভয়ঙ্কর চরম ব্যর্থরূপ!
এবার একটু আলোচনায় আসা যাক কেন এমন হচ্ছে! দলতন্ত্র তো গণতন্ত্র হতে পারে না৷ দেখা গেল বাস্তবে দলতন্ত্র হলো দলের জন্যে দলের দ্বারা, দলের সরকার৷ সেটা কেই জনগণকে বোকা বানিয়ে বোঝান হচ্ছে জনগণের জন্য ও জনগণের দ্বারা জনগণের সরকার৷ প্রকৃত গণতন্ত্রের বাস্তবায়ন তো সঠিক এই দেশে নেই শাসকদের দ্বারা! তাই শাসক নিজেদের সংশোধন করুন৷ জনগণকে বঞ্চিত করে সেই ধনতন্ত্রের সেবা দাস হয়ে গণতন্ত্রী হওয়া যায় না এটা বুঝবেন কবে? ৭৮ বছর তো হলো! বোটারদের বয়স কি কারণে পরিবর্তন করেন? এর সদুত্তর দিতে কি পারবেন? সংবিধান পরিবর্তন করতে সেই নাগরিকদের অনুমতি নিয়ে ছিলেন? নেননি কেন? আপনারা নিজেরা বলেন যে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এটা কি মান্যতা দিয়েছেন? দেননি৷
প্রকৃতি কল্যাণময়ী৷ তিনি বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ রক্ষায় সর্বময়কর্ত্রী৷ তাঁকে অস্বীকার করে গাছ নির্মমভাবে কেটে, পাহাড়কে আঘাত করে টুকরো টুকরো করে নিজেদের স্বেচ্ছায় ইচ্ছামতে পৃথিবীর বুকে শাসক দলের অত্যাচার তো তিনি সহ্য করেন না৷ তাই প্রকৃতি রুষ্ট! দলতন্ত্রীরা নির্মম ও নিষ্ঠুর তাই বৈচিত্র্য ভরা মা প্রকৃতি তারই জন্য শিক্ষা দিচ্ছেন সেবামূলক মানসিকতায় নিজেদের খাপ খায়িয়ে সুশাসন চালাতে দলবাজি বেশী না করে!
শাসককে পবিত্র শিক্ষাক্ষেত্রে তো অতি সাধারণ হয়ে যোগ্য ব্যষ্টিদের নিয়োগ করবেন শাসকগণের যাঁরা এই কাজে নিযুক্ত ৷ তাঁরা তো তা করেন বা করার মানসিকতাই নেই৷ দলতন্ত্র সর্বদা দলীয় স্বার্থের সেবা দেয় ও অসৎ উপায় অবলম্বন করে চলেন৷ তাই অযোগ্যরাও স্থান পেয়েছেন সেই পবিত্র কাজে৷ সংবাদে আসছে নানা কথা৷ অর্থ নিয়ে তাঁদের কর্মে যুক্ত করা হয়েছে! বাধ্য হয়ে চাপে পড়ে তাই শাসকদলের কর্মকর্র্ত্তরাই তাঁদের বাছবেন! এটা তো ব্যর্থতা প্রশাসনের! এতে রাজ্য সরকারের সেই কর্ম যাঁরা কর্র্ত্ত তাঁদের অত্যধিক বিশ্বাস করা! তাই সরকারকে চলতে হবে প্রকৃত সেই নির্বাচিত জন সেবক হয়ে তা না হলে পবিত্র শিক্ষা জগতে প্রকৃত শিক্ষিত সুনাগরিক গড়াটাই ব্যর্থ হবে কারণ যারা টানা দিয়ে চাকরী পায় তারা কোন দায় দাযিত্ব সঠিক পালন করে না৷ এটা অপ্রিয় সত্য!
পরিশেষে এই সিদ্ধান্তে আসা যায়--- গোটা দেশটাই আজ দলতন্ত্রী শাসনের মাধ্যমে ধনীক শ্রেণী লুটে খাচ্ছে৷ দেশের ২ থেকে ৩ শতাংশ ধনী থেকে ধনীতর হচ্ছে আর কোটি কোটি মানুষ অনাহারে অর্দ্ধহারে দিন করছে৷ প্রাকৃতিক দুর্র্যেগে হোক, মনুষ্যসৃষ্ট দুর্র্যেগ হোক, মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব, দারিদ্র ও বঞ্চনায় কাতর সাধন মানুষ৷ দলতান্ত্রিক শাসকের কোন হেল দোল নেই৷
এই অবস্থা বেশী দিন চললে দেশ ধবংসের মুখে পড়বে৷ দলতন্ত্র, দারিদ্র্যের জ্বালা, বেকারত্বের অভিশাপ শাসক ও ধনকুবেররা সামলাতে পারবে কি?
তাই শাসক এখন ও সময় আছে---নীতিবাদে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সৎপথে চলুন৷ পুঁজিবাদের সেবাদাস না হয়ে জনগণের সেবক হোন৷ দেশ বাঁচবে, দল বাঁচবে, সাধারণ মানুষ সুস্থ জীবন ফিরে পাবে৷ এর জন্য প্রয়োজন কেন্দ্রীত পুঁজিবাদী অর্থনীতির বিনাশ করে ব্লকে ব্লকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া৷ এতে গ্রাম বাঙলার বেকার যেমন চাকরী পাবে, তেমনি পরিবারে স্বচ্ছলতা আসবে৷ সুস্থ নাগরিক জীবন গড়ে উঠবে৷
- Log in to post comments